Category: হবিগঞ্জ সদর

  • গুঙ্গিয়াজুরি হাওরে সেচ প্রকল্প বন্ধ, তদন্ত শুরু

    গুঙ্গিয়াজুরি হাওরে সেচ প্রকল্প বন্ধ, তদন্ত শুরু

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গুঙ্গিয়াজুরি হাওরে সেচের অভাবে ৩ হাজার বিঘা বোরো জমি অনাবাদি থাকায় ক্ষতিপূরণ মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতিগ্রস্থ জমি ও বন্ধ থাকা সেচ প্রকল্প  করেছে আদালত গঠিত কমিশন। 

    গতকাল শনিবার সকালে যুগ্ম জেলা জজ আদালত-১ এর নির্দেশ অনুযায়ী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সবুজ এসব জায়গা নিজে  পরিদর্শন করেন এবং তথ্য সংগ্রহ করেন।

    জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী জয়নাল আবেদীন ছালেক দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে গুঙ্গিয়ারজুরি হাওরের সেচ প্রকল্পটি নিজের দখলে রেখেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তিনি সেচ প্রকল্পের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় ১৩ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে।

    একের পর এক নোটিশ দেয়ার পরও তিনি বিদ্যুৎবিল পরিশোধ না করায় সম্প্রতি পিডিবি কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। ফলে বিশাল এই হাওরের প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমি আনাবাদি পড়ে রয়েছে। পানির অভাবে নিজেদের জমি চাষ করতে না পারায় রামপুর, গোবিন্দপুর, আওরা মজলিসপুর, লামাপইলসহ আশপাশের সাত গ্রামের হাজারো কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। জমি চাষ করতে না পারায় সারা বছরের খাবার ও ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া চালানো নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়।

    এ ঘটনায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে জনৈক শাহ আলম বাদি হয়ে প্রবাসী জয়নাল আবেদীন ছালেক ও তার ভাই স্থানীয় তেঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আনু মিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে পৌণে ৩ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কমিশন গঠন করে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেন।

    এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল শনিরবার ক্ষতিগ্রস্ত জমি ও বন্ধ থাকা সেচ প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শন করেছে আদালত গঠিত কমিশন।

    এ ব্যাপারে আদালত নিযুক্ত পরিদর্শক অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সবুজ বলেন- ‘আদালতের নির্দেশে আমি পরিদর্শনে এসেছি। হাওরজুড়ে প্রচুর ফসলি জমি অনাবাদি রয়েছে। তবে সম্পূর্ণ তদন্ত শেষ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।’ এদিকে, নিজেদের পক্ষে আদালতের রায় হবে এবং তারা যথাযত ক্ষতিপূরণ পাবেন, এমন আশায় বুক বেধে রখেছেন ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় কৃষকরা।

  • চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পইলের সাব

    চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পইলের সাব

    সৈয়দ আহমদুল হক পইলের সাবের জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ। হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চিরবিদায় করা হলো সকলের প্রিয় নেতাকে। 

    জানাজার কথা ছিলো আজ বিকাল ৩ ঘটিকায় একটু বিলম্ব হওয়ার পর সাড়ে ৩ ঘটিকার  দিকে জানাজা নামাজ সম্পূর্ণ হয়।

    জানাযা নামাজের দৃশ্য।

    নামাজ পড়ান পইলের সাবের ছোট ভাই আমেরিকা প্রবাসি মাওলানা সৈয়দ সাজিদুল হক পীর সাব হুজুর পইল দরবার শরীফ। নামাজের পর তিনিই মুনাজাত করেন।

    মুনাজাত করার দৃশ্য।

    পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে সাবেক চার বারের উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমদুল হককে।

    পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত পইলের সাব।

    এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন তিনি।

    সৈয়দ আহমদুল হক দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রেখে যান।  বড় ছেলে সৈয়দ এজাজুল হক লন্ডন প্রবাসী এবং ছোট ছেলে সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ পইল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও একমাত্র মেয়ে বিবাহিত এবং গৃহিনী।

    পইলের সাব শুধু জনপ্রতিনিধিই ছিলেন না, তিনি শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষকতা করেছেন কিছু দিন। সরকারি চাকরিও করেছেন। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন দীর্ঘদিন। এছাড়াও একাধারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

    জানাযার নামাজে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির, সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ মিলাদ, সাবেক বিচারপতি সৈয়দ দস্তগীর হোসেন, চুনারুঘাট আওয়ামীলীগের  সভাপতি সাবেক পিপি আকবর হোসেন জিতু, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ সাখাওয়াত হাসান জীবন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলামসহ জেলার সকল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

  • পইলের সাবের ইন্তেকাল

    পইলের সাবের ইন্তেকাল

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, আল্লামা ফুলতলী ছাহেব (রহ)-এর জামাতা, গণমানুষের নয়নমণি আলহাজ্ব সৈয়দ আহমদুল হক (পইলের সাব) আজ ১৩ মার্চ ২০২০ইং রোজ শুক্রবার ভোর রাত (১.৩০) মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন।

    উনার জানাজার নামাজ আজ বিকাল ৩ ঘটিকার সময় পইল ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

     

  • বাংলাদেশের নারীরা এখন আর অবহেলিত নয় – আবু জাহির

    বাংলাদেশের নারীরা এখন আর অবহেলিত নয় – আবু জাহির

    হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, “বাংলাদেশের নারীরা এখন আর অবহেলিত নয়। দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিতে পুরুষদের সাথে সমান তালে ভূমিকা রাখছেন তারা। যা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে সমাজে নারীদের প্রতি অবহেলার মানসিকতা দূর করতে হবে।”

    রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও নারী দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির আরো বলেন, “অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় বর্তমানে হবিগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল রয়েছে। তবে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বিভিন্ন এলাকায় মেলা আয়োজন হবে। এগুলোতে যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয় এবং অপরাধমূলক কর্মকান্ড রোধে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে।

    এছাড়া পুরো জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে প্রতিটি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদে নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা আহবানের নির্দেশনা দেন তিনি।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ-২ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইশরাত, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন পৌরসভার মেয়র, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

    আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে জেলা প্রশাসন ও হবিগঞ্জ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘নারীর ক্ষমতায়নে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবুর রহমানের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি আবু জাহিরসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

    এ সময় জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহবুবুল আলমসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

  • আজ পইল দরবার শরীফের মাহফিল

    আজ পইল দরবার শরীফের মাহফিল

    আজ ৮ই মার্চ,২৪ই ফাল্গুন রোজ রবিবার পইল সাহেব বাড়ি হাফিজিয়া মাদ্রাসার দস্তারবন্দী এবং পীরে কামেল আলহাজ্ব হযরত মাওলানা সৈয়স জাহেদুল হক (রহ.) এর ইসালে সওয়াব মাহফিল।

    মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হবে পইল সাহেব বাড়ি মাদ্রাসা ময়দান হবিগঞ্জ।
    উক্ত মাহফিলে সভাপতি হিসেবে থাকবেন  লক্ষ মানুষের প্রাণের স্পন্দন পইলের সাব নামে পরিচিত সৈয়দ আহমদুল হক। (সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ, হবিগঞ্জ সদর।)

    মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন- মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী ফুলতলী। (সহকারী অধ্যাপক, আরবি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।)

    তা’লীম- তারবিয়াত প্রদান করবেন – সূদুর আমেরিকা প্রবাসি, উস্তাদুল উলামা আলহাজ্ব সৈয়দ সাজিদুল হক, পীর সাহেব হুজুর। (বর্তমান পীর সাহেব, পইল দরবার শরীফ।)

    এছাড়াও স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, পীর মাশায়েখ ওয়াজ নসিহত প্রদান করবেন।

  • ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হবিগঞ্জের ৫ পরিবার পেল ক্ষতিপূরণ

    ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হবিগঞ্জের ৫ পরিবার পেল ক্ষতিপূরণ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেল স্টেশনের মন্দবাগ এলাকায় ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হবিগঞ্জের ৫ পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিল রেলওেয়ে কর্তিৃপক্ষ। তবে তিন জনের ওয়ারিশ নিয়ে জটিলতা থাকায় তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি।

    রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে রেলভবনের সম্মেলন কক্ষে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে এক লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

    রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, “ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তদের মধ্যে ৮ জন হবিগঞ্জের, ৪ জন চাঁদপুরের ও ১ জন নোয়াখালীর। এরমধ্যে হবিগঞ্জের ৩ জনের ওয়ারিশ নিয়ে জটিলতা থাকায় কেউ চেক নিতে আসেননি। যারা আজ আসেননি তাদের চেক জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সেখান থেকেই বাকিরা চেক গ্রহণ করবেন “

    উল্লেক্ষ্য ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর রাত পৌনে ৩ টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঢাকাগামী আন্তনগর তূর্ণা নিশিতা এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রামগামী আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এঘটনায় ১৭ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হয়।

  • হবিগঞ্জে আপন ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    হবিগঞ্জে আপন ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

    হবিগঞ্জে সম্পত্তির লোভে আপন ছোট ভাইকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে হবিগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুল আউয়াল মজনু।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তার ছোট ভাই পলাশকে সিলেট ওসামানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহত পলাশ হবিগঞ্জের রাজনগর আবাসিক এলাকার আব্দুল হাকিম মিয়ার পুত্র। সে হবিগঞ্জের পুরাতন হাসপাতাল রোডের প্রাইম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত।

    ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৭মার্চ) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে। আহত পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, কমিশনার আব্দুল আউয়াল মজনু সম্পত্তির জন্য প্রায়ই তার বাবাসহ পরিবারের লোকজনকে জ্বালাতন করত। তার নামে সহায় সম্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য তাদেরকে প্রায়ই চাপ প্রয়োগ করত কমিশনার মজনু। ঘটনার সময় মজনু নেশা খেয়ে তার বৃদ্ধ বাবাকে গালিগালাজ করতে থাকে।

    তার ছোট ছেলে পলাশ এসে বাবাকে গালিগালাজের কারণ জানতে চাইলে এক পর্যায়ে কমিশনার মজনু তার কাছে থাকা দাঁড়ালো ছুরি দিয়ে তার ভাইকে আঘাত করে। পরে আশেপাশের মানুষ দৌড়ে এগিয়ে এসে আহত পলাশকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

    আহত পলাশের বাবা আব্দুল হাকিম জানিয়েছেন, কমিশনার মজনু প্রায়ই নেশা খেয়ে বাসায় এসে উৎপাত করত। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগে মামলা রয়েছে।