Category: হবিগঞ্জ সদর

  • বৃন্দাবন কলেজে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    বৃন্দাবন কলেজে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজে দীর্ঘ চার বছর পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন  বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

    কারারুদ্ধ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দীর্ঘ সময় পর কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রদল এ  বিক্ষোভ মিছিল করে।

    কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আশরাফ আহমেদ এর নেতৃত্বে আজ দুপুর ১২ ঘটিকায়  বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদল মিছিলটি বের করা হয় ।

    উক্ত মিছিলটি কলেজ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে কলেজের এক প্রান্তে সমাবেশে মিলিত হয়। সেখানে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ বক্তারা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।

  • সুতাং নদীর বিষাক্ত পানি থেকে মুক্ত চায় এলাকাবাসী

    সুতাং নদীর বিষাক্ত পানি থেকে মুক্ত চায় এলাকাবাসী

    সুতাং নদীর বিষাক্ত পানির কারণে এলাকার জনস্বাস্থ্য ও কৃষি ব্যবস্থা হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে।

    জানা যায় বিভিন্ন কোম্পানীর বর্জের দ্বারা এই এলাকার পরিবেশ দিন দিন দূষণ হচ্ছে।

    ইতিমধ্যে এলাকার মানুষজন বিভিন্ন রোগব্যাধ দেখা দিয়েছে । বিশেষ করে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

    গতকাল হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল এলাকায় পরিদর্শন করেন।

    আশেরা, বেকীটেকা এলাকায় গেলে স্থানীয় লোকজন তাদের বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। বিশেষ করে তারা জানান, বিভিন্ন কোম্পানীর দুষিত বর্জ সুতাং নদীর পানি দোষীত হওয়ায় এলাকার কৃষি কাজ হুমকীর মুখে পতিত হয়েছে।

    নদীর পানি ব্যবহারের অনুপযোগী। ওই বিষাক্ত পানির কারণে বিভিন্ন রোগে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা চিন্তিত। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু বিভিন্ন রোগে আক্তান্ত হওয়ায় স্থানীয় লোকজনকে ভাবিয়ে তুলেছে।

    এলাকাবাসীর দাবি শুনে  হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান আউয়াল সুতাং নদীর দোষিত পানি দূষণ এবং স্থানীয়  লোকজনকে পরিবেশ দূষণ থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষার দাবী জানান।

    এ সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম এলাকাবাসীকে তাদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, এটা কারো ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি সকলের সমস্যা, তাই সমস্যা সমাধানে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

  • জেলা আ’লীগের ৮ ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত

    জেলা আ’লীগের ৮ ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের আওতাধীন ৭টি উপজেলা ও ১টি পৌরসভাসহ মোট ৮টি ইউনিটের সম্মেলন স্থগিত করা কয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী।

    তিনি জানান, আগামি মার্চ মাসে মুজিববর্ষ শুরু হওয়ার কারণে এবং এই মাসে দলীয় নানা অনুষ্ঠান থাকায় ঘোষিত ইউনিটগুলোর সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সম্মেলনের নতুন তারিখ শীঘ্রই সেন্ট্রালের সাথে পরামর্শ করে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভা শেষে এসব ইউনিটের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্মেলনকে স্বাগত এবং নিজ নিজ বলয়ের নেতাদের স্বাগত জানিয়ে তাদের ছবি সম্বলিত বিভিন্ন ধরণের পোস্ট, কমেন্ট করে যাচ্ছিলেন নেতাকর্মীরা। বর্তমান ও ভবিষ্যতে নেতৃত্বে আসা নেতাদের মধ্যে দেখা দিয়েছিল প্রাণচাঞ্চল্য। তবে সম্মেলনের তারিখ স্থগিত করায় অনেক নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশ দেখা দিয়েছে ।

  • হবিগঞ্জে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ উদ্ভোধন করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ উদ্ভোধন করলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ শহরে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’ এর শাখা ফিতা কেটে শুভ উদ্ভোধন করেন হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের বারবার নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারী রোজ সোমবার সকাল ১১ টায় হবিগঞ্জ শহরে ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ এর প্রতিষ্ঠান শুভ উদ্ভোধন করাহয়।

    উদ্ভোধনকালে উপস্থিত ছিলেন জামান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ আসাদুজ্জামান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান সহ শহরের অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবীগন।

    নবীগঞ্জে জালনোট প্রতিরোধ জনসচেতনা বৃদ্ধিমূলক ওর্য়াকসপ

    ‘‘নুসাইবা ট্রেডার্স’’ এর সত্ত্বাধিকারী মোঃ সারোয়ার আলম উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেনি তারা সহ সকলের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন।

  • হবিগঞ্জে সাদ পন্থীদের ইজতেমা বন্ধের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    হবিগঞ্জে সাদ পন্থীদের ইজতেমা বন্ধের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    হবিগঞ্জে মাওলানা সাদ পন্থীদের ইজতেমা বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।

    আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জের প্রত্যেক উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও ২৭ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জ শহরের মুক্তিযোদ্ধা চত্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

    গতকাল রোববার দুপুরে শহরের মার্কাজ মসজিদে সম্মিলিত উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা হবিগঞ্জ ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে আগামী ২৭, ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারী শহরের সুলতান মাহমুদপুর মাঠে মাওলানা সাদ পন্থীরা ইজতেমার আয়োজন করছে।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রায় শতবর্ষী অরাজনৈতিক দ্বীনী সংগঠন দাওয়াত ও তাবলিগের কাজ বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে অত্যন্ত সুশৃংখল ও শান্তিপূর্ণভাবে চলে আসছিলো।

    বিগত কয়েক বছর যাবত লক্ষ্য করা গেছে, বিশ্ব তাবলিগের একজন শুরা সদস্য ভারতের দিল্লীর নিজামুদ্দিন মারকাজের একজন মুরুব্বি মাওলানা সাদ হঠাৎ করে তাবলিগের উসুল ও নিয়ম ভঙ্গ করে কোন ধরণের পরামর্শ ছাড়াই নিজেকে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব আমীর ঘোষণা করেন।

    অথচ বিশ্বব্যাপী তাবলিগের এই মেহনতে পরামর্শ ছাড়া কোন কাজ আঞ্জাম দেয়া হয় না। ১৯২৪ সালে তাবলিগের ১ম আমীর হযরত মাওলানা ইলিয়াস (রহঃ) থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তাবলিগ জামাতে একক আমীর পদ্ধতি চালু ছিল। উক্ত সময়ের মধ্যে ৩ জন আমীর এই জামাতকে নেতৃত্ব দেন। কিন্তু কোন আমীরই নিয়মতান্ত্রিক পরামর্শ ছাড়া নির্বাচিত হননি।

    পরবর্তীতে বিশিষ্ট মুরুব্বিদের পরামর্শক্রমে ১৯৯৩ সালে ১০ সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক শুরা কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি বিশ্ব তাবলিগের কাজ পরামর্শ ভিত্তিক পরিচালনা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। যার একজন সদস্য মাওঃ সাদ। মাওঃ সাদ ছাড়া বাকী সকল সদস্য ইন্তিকাল করলে হঠাৎ করে তিনি স্বেচ্ছাচারমুলক অনৈতিক ঘোষণার মাধ্যমে নিজেকে একক আমীর ঘোষনা দেন। ফলে অসন্তোষ ও ভাঙ্গণ দেখা দেয় তাবলিগে। যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে।

    সংবাদ সম্মেলনে মাওলানা সাদের কোরআন হাদীস বিরোধী বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরা হয়। মাওলানা সাদ মনে করেন “হেদায়েত আল্লাহর হাতে নেই, আল্লাহর উপর যার ভরসা নেই সে যেন আত্মহত্যা করে, মসজিদের বাইরে দ্বীনের দাওয়াত দেয়া সুন্নাহ পরিপন্থী কাজ, মক্কা-মদীনার পর সবচেয়ে পবিত্রতম স্থান হল মারকাজ নিজামুদ্দিন”।

    এছাড়াও মাওলানা সাদ দীর্ঘদিন যাবত কোরআন সুন্নাহ বিরোধী মরাত্মক বিভ্রান্তিকর ও অপব্যাখ্যা দিয়ে আসছেন। ফলশ্রুতিতে ২০১৮ সালে মাওলানা সাদ টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ গ্রহনের জন্য বাংলাদেশে আসলেও সাধারণ মুসলমানদের বাধার মুখে ইজতেমায় প্রবেশ করতে পারেনি। পরে তার বাংলাদেশে আসার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়।

    এক প্রশ্নের উত্তরে মাওলানা আব্দুল্লাহ আকিলপুরী বলেন, বাংলাদেশে তাবলিগ জামাত দুইভাগে বিভক্ত হয়ে কয়েক বছর যাবৎ টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উভয় গ্রুপের মুরুব্বিদের নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, জেলায় জেলায় মাওলানা সাদ পন্থীরা ইজতেমা করতে পারবে না। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মাওলানা সাদ পন্থীরা হবিগঞ্জে ইজতেমার আয়োজন করে। তাদের এই কার্যক্রম বন্ধ করতে আমরা হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা আশা করি, এই ইজতেমা বন্ধ করতে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে। তা না হলে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জের প্রত্যেক উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও ২৭ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জ শহরের মুক্তিযোদ্ধা চত্তরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবো আমরা। সেই সাথে আমাদের দাবী হল-মাওলানা সাদ পন্থীদের যে কোন ধরণের গণজামায়েত, তাবলিগের নামে তাদের সব ধরনের অপতৎপরতা বন্ধ ও জেলার বিভিন্ন মসজিদে জোরপূর্বক তাদের জামাত প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বেফাক সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ আকিলপুরী, হবিগঞ্জ তাবলিগ জামাতের আহলে শুরার প্রফেসর সৈয়দ মহসিন আলী, চুনারুঘাট শামসূল উলুম টাইটেল মাদ্রাসার মুহতামীম মাওলানা জহুর আলী, হবিগঞ্জ ব্যকস সভাপতি সামছুল হুদা, যুব উলামা ঐক্য পরিষদ সভাপতি মাওলানা জাবের আল হুদা, মাওলানা মাসউদুর রহমান চৌধুরী বেলাল, শেখ সেবুল আহমেদ, হাফিজ আব্দুর রহমান, মাওলানা আব্দুল জলিল ইউসূফী, হাজী নুরুল হক ও মাওলানা নাজমুল হুদা প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জে পালিত হচ্ছে শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

    হবিগঞ্জে পালিত হচ্ছে শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

    মোদের গৌরব মোদের আশা আমরি বাংলা ভাষা!

    আজ ২১ এ ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

    বাঙ্গালী জাতির ঐতিহ্য ও গৌরবের দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার দাবীতে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজ পথে নেমে আসে বাংলার দামাল ছেলেরা। সেদিন পুলিশের বুলেটের আঘাতে প্রাণ বির্সজন দেন সালাম, জব্বার, বরকত, রফিক, সফিকসহ নাম না জানা আরো অনেক বাঙ্গালী। ৫২ মহান আন্দোলন। শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবিগঞ্জের বৃন্দাবন কলেজে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে ঢল নামে সব শ্রেণী পেশার মানুষের।

    ফুলে ফুলে ভরে উঠে হবিগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। গতকাল রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ মিনারে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়।

    এদিকে যথাযথ মর্যাদায় দিবস পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে, রাত ১২টা ১ মিনিটে স্থানীয় বৃন্দাবন কলেজ মহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন, সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, ভোর ৬টায় প্রবাতফেরিসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া সুবিধামত সময়ে ভাষা শহীদদের রুহের মাগেফেরাতের কামনা করে মিলাদ-মাহফিল, দোয়া ও বিশেষ প্রার্থণা অনুষ্ঠান এবং প্রামাণ্য অনুষ্ঠানসহ ভ্রাম্যমান চলচ্চিত্র প্রদর্শন।

  • হবিগঞ্জে করোনা ভাইরাস সন্দেহে মেডিকেলে ভর্তি

    হবিগঞ্জে করোনা ভাইরাস সন্দেহে মেডিকেলে ভর্তি

    মরণ ব্যাধি ‘করোনা ভাইরাস’ আক্রান্ত সন্দেহে হবিগঞ্জ শহরের  রায়হান আহমেদ (২৮) নামে এক যুবক কে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। 

    জানা যায় রায়হান আহমেদ  চীন থেকে ফেরত আসা মেডিকেল শিক্ষার্থী। তাকে  নিয়ে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চলছে তোলপাড়।

    চিকিৎসক-নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগি ও স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। পুলিশ প্রহরায় বিশেষ ওয়ার্ডে রেখে করা হচ্ছে পর্যবেক্ষন। রায়হান আহমেদ হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার আব্দুন নূরের পুত্র। তিনি চীনে মেডিকেল ইন্টার্নি কোর্স করতে গিয়েছিলেন।

    জানা যায়, করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করার পর গত ১ই ফেব্রুয়ারী চীনের উহান প্রদেশ থেকে দেশে ফিরেন ৩১৬ জন বাংলাদেশী। তাদের মধ্যে রায়হান আহমেদও ছিলেন।

    দেশে ফেরার পর অন্য সবার মতো তিনিও মেডিকেল চেকআপ-এর জন্য রাজধানীর আশকোণা হজ্ব ক্যাম্পে ছিলেন। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ১৫ ফেব্র“য়ারী শনিবার সবার সাথে রায়হান আহমেদকেও শর্ত সাপেক্ষে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়।

    গতকাল রোববার দুপুরে তিনি অসুস্থ্যতাবোধ করলে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ সময় তাকে ঘিরে শুরু হয় তোলপাড়। চিকিৎসক-নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগি ও স্বজনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।

    অনেক রোগি ও স্বজনকে তখন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যেতেও দেখা যায়। তবে রায়হান বার-বার দাবী করছিলেন তিনি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত নন। একপর্যায়ে তিনি  আতঙ্ক কমাতে চিকিৎসা না নিয়েই বাসায় ফিরে যান।

    এদিকে, বিষয়টি নজরে আসে পুলিশ প্রশাসনের। সন্ধ্যার পর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ রায়হান আহমেদকে বাসা থেকে আবারও হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে তাকে পর্যবেক্ষনে রাখার জন্য পুলিশ প্রহরায় হাসপাতালের বিশেষ (করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের জন্য খোলা) ওয়ার্ডে রাখা হয়।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- ‘রায়হান আহমেদকে সদর হাসপাতালের বিশেষ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পরীক্ষা সরঞ্জাম না থাকায় করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কি-না নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। পরীক্ষা-নিরীক্ষার  জন্য তার রক্তের সিম্পল ঢাকায় পাঠানো হবে।’ তিনি বলেন- ‘যেহেতু তাকে আশকোণা হজ্ব ক্যাম্পে দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। সেহেতু তার শরীরে করোনা ভাইরাস থাকার আশঙ্কা নেই।’