Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জে নতুন ১২ এবং মোট ৬৬ জন করোনা আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে নতুন ১২ এবং মোট ৬৬ জন করোনা আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে নতুন করে আরো ১২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন।

    এদের মধ্যে নবীগঞ্জে ৫ জন, মাধবপুরে ৩ জন, বানিয়াচংয়ে ১ জন, বাহুবলে ১জন, হবিগঞ্জ সদরে ১ জন, চুনারুঘাটের ১ জন আক্রান্ত হয়েছে।

    এ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ জন।

    নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা যায়, করোনা ভাইরাস সন্দেহে ১৭০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে ৩৪ জনের মধ্যে রিপোর্ট আসলে ৫ জন করোনায় আক্রান্ত বলে জানানো হয়।

    করোনায় আক্রান্ত সবাই নারায়ণগঞ্জ ফেরত। নবীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড় ভাকৈড় ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের ৩ জন। জগন্নাথপুর এলাকার ১ জন। নবীগঞ্জ উপজেলার করগাও ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের ১ জন।

  • হবিগঞ্জের এতিম ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা প্রদান

    হবিগঞ্জের এতিম ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা প্রদান

    হবিগঞ্জের ৭২ টি কওমি মাদরাসার এতিম ও দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা প্রদান করেছেন জেলা প্রশাসক।

    বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এসব টাকা ওই সকল মাদরাসার প্রধানগণের কাছে হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

    এসময় জেলা প্রশাসক আলেমদের উদ্দেশ্যে বলেন- বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিধি এবং মসজিদে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সবাই ঘরে থাকুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশ ও জাতির জন্য সকলের কাছে করেন।

  • ৮১ বছর বয়সেও নিয়মিত রোগী দেখছেন ডা. তপন

    ৮১ বছর বয়সেও নিয়মিত রোগী দেখছেন ডা. তপন

    স্বাধীনতার পূর্বে হবিগঞ্জ শহরে দুই একজন চিকিৎসক ছিলেন যারা রোগীর সেবা দিতেন। শহরের মধ্যস্থান সবুজবাগ এলাকায় জনগণের চিকিৎসার ভরসারস্থল ছিল ডা. তপন দাশ গুপ্তের চেম্বার।

    ৫০ বছরে শহরের অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। এখন পাড়ায় পাড়ায় ক্লিনিক আর ডাক্তারের চেম্বার। কিন্তু করোনার কারণে পুরো শহরে দেখা দিয়েছে চিকিৎসা সংকট। ফলে ৫০ বছরের পুরনো সেই সবুজবাগ এলাকার ডা. তপন দাশ গুপ্তের চেম্বারই চিকিৎসার ভরসা দিচ্ছে শহরবাসীকে।

    করোনার কারণে যখন হবিগঞ্জ শহরের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো প্রায় বন্ধ। চিকিৎসকের চেম্বারগুলো ফাঁকা তখন ৮১ বছরের বৃদ্ধ ডা. তপন দাশগুপ্ত নিয়মিত রোগী দেখছেন তার চেম্বারে। প্রতিদিন তিনি সকাল ৯টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বসেন চেম্বারে। রবিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। এতদিন কোনো পিপিই না থাকায় মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করে রোগী দেখতেন। ১৬ এপ্রিল থেকে (বৃহস্পতিবার) তিনি পিপিই ব্যবহার করে চেম্বার করেন।

    ডা. তপন দাশ গুপ্ত জানান, রোগীর সেবা করার জন্যই আমরা ডাক্তারি পেশায় এসেছি। সংকটকালে আরো বেশী দায়িত্বশীল হওয়া আমাদের প্রয়োজন। আমরা যদি জনগণকে চিকিৎসা না দেই তাহলে তারা যাবে কোথায়।

    ডা. তপন দাশ গুপ্তের ভাতিজা অ্যাডভোকেট দেবাংশু দাশ গুপ্ত জানান, তার কাকা অন্য সময় যতক্ষণ চেম্বার করতেন করোনা আসার পরও সেভাবেই চেম্বার করছেন। বয়সের কারণে শারীরিকভাবে সমস্যা হওয়ায় এক বেলাই চেম্বার করেন।

    তবে যতক্ষণ রোগী থাকে তিনি সবাইকে দেখেই বাসায় ফেরেন।

    ডা. তপন দাশ গুপ্ত ৫৩ বছর যাবৎ হবিগঞ্জ শহরের সবুজবাগ এলাকায় তার বাসার সাথে মেডিকেয়ারে চেম্বার পরিচালনা করে আসছেন। তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি। শিক্ষার্থী ও দরিদ্র লোকজনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি ঔষধ দেওয়ার জন্য তার সুনাম সর্বত্র।

    চিকিৎসক হিসাবে তিনি হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বায়োজ্যেষ্ঠ।

  • হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে ডাক্তার ও প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নতুন ২৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    শরিফ চৌধুরীঃ হবিগঞ্জে ডাক্তার, হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ আরও ২৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মাঝে শনিবার একদিনেই ২০ জন এবং শুক্রবার রাতে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    আক্রান্তদের ২০ জনই সদর উপজেলার বাসিন্দা। আক্রান্তদের মাঝে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তারসহ ১১ জন কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রশানের ৪ জন কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সদর উপজেলার ২০ জন, চুনারুঘাটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন রয়েছেন। আক্রান্তদের ৬ জন মহিলা এবং অপর ১৯ জন পুরুষ। জেলায় এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন।

    হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার আইইডিসিআর এ ৪৪ জনের করোনা পরিক্ষার নমুনা প্রেরণ করা হয়। শনিবার বিকেলে রিপোর্ট এসেছে ৩৪ জনের। এর মাঝে ২০ জনের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাদের মধ্যে একজন সদর আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তার ও একজন এম্বুলেন্স চালক রয়েছেন। তাদের ১৫ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। এছাড়া শুক্রবার রাতে সিলেট ল্যাব থেকে আরও ৫ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তাদের মধ্যে চুনারুঘাটের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ডাক্তার ও একজন স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৪ জন এবং লাখাইয়ে ১ জন। তাদেরকে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ জন। যা সিলেট বিভাগে সবচেয়ে বেশি।

    ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, শনিবার নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১ জন সদর আধুনিক হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্টাফ এবং ৪ জন প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছেন। জেলায় এবারই সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছেন একদিনে।

    এদিকে হঠাৎই জেলায় করোনা আক্রান্তের হার বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এরপরও অনেকেই অবাধে ঘোরাফেরা করছেন। বিশেষ করে শহরের চৌধুরী বাজারসহ কয়েকটি বাজার এবং প্রধান সড়কে মানুষের চলাচল অনিয়ন্ত্রিত। পুলিশ বার বার ধাওয়া দিয়েও মানুষ ঠেকাতে পারছেনা। পুলিশ চলে গেলেই মানুষ আবারও বেড়িয়ে পড়ে।

  • হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    হবিগঞ্জের যুবকের করোনা উপসর্গ নিয়ে সিলেটে মৃত্যু

    শরিফ চৌধুরীঃ করোনা রোগের উপসর্গ নিয়ে হবিগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার তিনি সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে মারা যান। তিনি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জ্বর, সর্দি, শাসকষ্ট নিয়ে নিজামপুরের এক যুবক সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে (করোনা হাসপাতাল) ভর্তি হন। এরপর তার করোনা নমুনা পরিক্ষার জন্য দেয়া হয়। কিন্তু তার রিপোর্ট আসেনি। ইতিমধ্যে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, তার করোনা পরিক্ষার নমুনা সংগ্রহ করে জমা দেয়া হয়েছে। এখনও রিপোর্ট আসেনি।

  • হবিগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যানে বিরুদ্ধে ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ!

    হবিগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যানে বিরুদ্ধে ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ!

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো’র বিরুদ্ধে সরকারী ত্রান আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সরকারী বরাদ্ধকৃত ত্রান আত্মসাতের এই লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসকের বরাবরে দিয়েছেন দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচারের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ও ওই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আখলাছ আহমেদ প্রিয়। সোমবার দুপুরে তিনি এ অভিযোগ দাখিল করেন।

    লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, “করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে হবিগঞ্জ জেলায় অনেক অসহায় দরিদ্র পরিবার ও কর্মজীবি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে তৃণমুল জনগণের খাদ্যাভাব পুরণের লক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়নে অসহায় দরিদ্র ও কর্মহীন মানুষের মাঝে সরকার ত্রান বিরতণ করে আসছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নে সমবন্ঠন মোতাবেক লস্করপুর ইউনিয়নে ৬ষ্ঠ দফায় সর্বমোট ৭ টন ২শ ৫০ (সাত টন দুইশত পঞাশ কেজি) চাল বরাদ্ধ দেয়া হয়। কিন্ত ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো গত ৩১/০৩/২০২০ থেকে ১৭/০৪/২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত ৪র্থ দফায় মোট ৫ টন ২শ ৫০ কেজি চাল বিতরণ করেছেন । অবশিষ্ট ২(দুই)টন সরকারী ত্রান তিনি আত্মসাত করেছেন।”

    “শুধু তাই নয়, বরাদ্ধকৃত চাল বিতরণে জনপ্রতি ১০ কেজির পরিবর্তে ৭/৮ কেজি করে বিতরণ করেছেন। যার ফলে অত্র ইউনিয়নের অনেক অসহায় দরিদ্র ও কর্মহীন পরিবার সরকারী ত্রান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি উল্লেখিত ৫ টন ২৫০ কেজি ত্রান থেকেও তিনি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠণে ব্যক্তিগত ভাবে ৪/৮ বস্তা করে অনুদান প্রদান করেছেন।”

    বিষয়টি নিয়ে অত্র ইউনিয়নের সর্বমহলের মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি সুষ্টু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

    এ বিষয়ে সাংবাদিক আখলাছ আহমেদ প্রিয় বলেন, “করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সাধারন মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। হবিগঞ্জ-লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির অসহায় দরিদ্রদের কাছে ত্রান তুলে দিতে প্রানপণ চেষ্টা করে আসছেন। প্রতিদিন তিনি মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু এক শ্রেণীর অসাধু লোকজন এই ত্রান গুলো আত্মসাত করে আসছে। ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।”

    “এরই মধ্যে লস্করপুর ইউনিয়নে যে পরিমাণে সরকারী ত্রান বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা সঠিকভাবে বিতরণ না করে চেয়ারম্যান ওই ত্রানের একটি বিরাট অংশ আত্মসাত করেছেন। আশা করি সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি জনগনের কাছে উন্মোচিত হবে।” বলে জানান সাংবাদিক আখলাছ।

    হবিগঞ্জ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির দিনব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মকান্ড

    সোমবার সকাল ১০টা থেকে ৫টা পর্যন্ত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি হবিগঞ্জ জেলা’র উদ্যোগে সদস্য সচিব ফরহাদ আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে হবিগঞ্জ শহরের ৩নং পুল, ২নং পুল তেঘরিয়া, শায়েস্তানগর তেমুনিয়া, শায়েস্তানগর ট্রাফিক পয়েন্ট, নজির মার্কেট, চিড়িয়াখানা রোড, সার্কিট হাউজ রোড ও দক্ষিন অনন্তপুরের আংশিক এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারনা ও জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়।

    ৩নং পুল এলাকায় সাবেক কমিশনার ইউনুস মিয়া, কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা আইয়ৃব আলী, ব্যবসায়ী কিবরিয়া মহলদার একাত্মতা প্রকাশ করে সচেতন নাগরিক কমিটির টিমের চলমান কার্যক্রমে অংশগ্রহন করেন ।

    হবিগঞ্জ শহরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং

    দিনব্যাপী কর্মকান্ডে সংগঠনের পক্ষে অংশ নেন- জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অপু চৌধুরী, জেলা কমিটির সদস্য মীর দুলাল, এডভোকেট সৈয়দ জাদিল উদ্দিন আহমেদ, আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী, মিনহাদ আহমেদ চৌধুরী, শাহজালাল আহমেদ প্রমূখ।

  • হবিগঞ্জে ১ দিনে ১০ জন করোনা রোগী সনাক্ত

    হবিগঞ্জে ১ দিনে ১০ জন করোনা রোগী সনাক্ত

    হবিগঞ্জে চিকিৎসক ও নার্সসহ নতুন করে মোট ১০ জন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে হবিগঞ্জ জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১ জন।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০ টায় নতুন ১০ জন আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অমিতাভ পরাগ তালুকদার। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসক ও নার্সরা হাসপাতালের আইসোলেশনে এবং বাকীরা বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ এ. কে. এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক ও একজন নার্স রয়েছেন। আক্রান্তদের সকলকেই আইসোলেশনের আওতায় নিয়ে আসা সহ তাদের পরিবার লকডাউন ঘোষণা করা হবে।

    হবিগঞ্জ আড়াইশ’ শয্যার আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশে প্রত্যেক উপজেলা থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়। ওইসব নমুনা থেকেই দশজনের পরীক্ষা রিপোর্ট পজেটিভ পাওয়া গেছে। এখন আক্রান্তদেরকে শীঘ্রই হাসপাতালে পাঠানো হবে। এছাড়া ইতোপূর্বে পাঠানো নমুনা থেকে ৩৬ জনের রিপোর্ট এসেছে যার সবগুলোই নেগেটিভ।

    হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান  বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে সকলের পরিবার লকডাউন করা হবে। এছাড়া যারা হাসপাতালে ছিলেন না, তাদেরকে শীঘ্রই আইসোলেশনে নিয়ে আসা হবে।

    হবিগঞ্জে করোনা সনাক্ত হওয়া নতুন এই ১০ জনের মধ্যে লাখাই উপজেলায় – ৩, বানিয়াচং উপজেলায় – ৩, আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় – ২, বাহুবল উপজেলায় – ১ ও চুনারুঘাট উপজেলায় – ১ জন।

    এদের মধ্যে ডাক্তার/ নার্স ৩ জন হলেনঃ

    ১। ডা.সৈয়দ আদনান আরেফিন,
    ২। নার্স- নাজমিন নাহার ও
    ৩। নারায়ণগঞ্জ ফেরত বাবুল মিয়া লাখাই।

    বানিয়াচংয়ের করোনা সনাক্ত ৩ জন হলেনঃ

    ০১। সুমন মিয়া,
    পিতা- রহমত উল্লা,
    বানেশ্বর বিশ্বাসের পাড়া,
    ৩ নং দক্ষিণ পূর্ব ইউপি।

    ০২। আক্কাস মিয়া, পিতা- আব্দুস শহীদ,
    মহব্বতখানি, ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউপি।

    ০৩। উজ্জল মিয়া,
    পিতা-আলী আহমেদ,
    মীরমহল্লা, ১নং উত্তর পূর্ব ইউপি।

    আজমিরীগঞ্জে করোনা আক্রান্ত ২ জন হলেনঃ

    ১। বদলপুরের সারথি রানী।
    ২। বিরাট মির্জাপুরের জালাল উদ্দিন।

    বাহুবলে আক্রান্ত ১ জন হলেনঃ

    নামঃ- অলি মিয়া
    গ্রামঃ- দৌলতপুর

    এবং চুনারুঘাটে আক্রান্ত ১ জন হলেনঃ
    আব্দুল মালেক (৬৪)
    গ্রাম: উত্তর গোগাউড়া।

    সূত্র : ডেপুটি সিভিল সার্জন, হবিগঞ্জ ।