হবিগঞ্জবাসীদের জন্য মোবাইলে জরুরী স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করবেন বিশিষ্ট চিকিৎসকগন।
এই মুহূর্তে যারা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন শুধুমাত্র তারাই ফোন করুন। যারা পুরনো রোগ,অসুস্থতা নিয়ে কথা বলতে চান অনুগ্রহ করে গুরুত্ব বিবেচনায় নতুন আক্রান্ত জরুরী রোগীদের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ দিন।
নাক কান গলার স্বাস্থসেবা পেতে চাইলে
✓প্রফেসর ডাঃ কামরুল হাসান তরফদার
সময়ঃ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত।
মোবাইলঃ 01756018000
শিশুর স্বাস্থ্যসেবা পেতে
✓শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: মো: জমির আলী
প্রতিদিন দুপুর ১২.৩০ থেকে ২.৩০ পর্যন্ত।
মোবাইলঃ 01711163760
মেডিসিন ও কার্ডিওলজি স্বাস্থ্যসেবা পেতে
✓এসিসট্যান্ট প্রফেসর ডাঃ এজাজ আহমেদ
সময়ঃ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
মোবাইলঃ 01819239437
মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যসেবা পেতে দন্তুরোগ বিশেষজ্ঞ
✓ডা. এস এস আল – আমিন সুমন
প্রতিদিন দুপুর ১২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত।
মোবাইল : 01716690333
মুখ ও দাঁতের সাস্থসেবা পেতে দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ
✓ডা: মো: আলী আহসান চৌধুরী (পিন্টু)
বেলা ১১ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত।
মোবাইল: 01674854838
✓স্বাস্থ্য সেবা নেবার সময় অবশ্যই কাগজ ও কলম সাথে রাখবেন। শুধুমাত্র জরুরী স্বাস্থ্যসেবা পেতে ফোন করবেন।
হবিগঞ্জের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জ হাই স্কুল একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে এটি হবিগঞ্জ হাই স্কুল এন্ড কলেজ নামে পরিচিত।
প্রাচীন এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৩ সালে। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত ছাত্রদের জন্য প্রতিষ্ঠিত।
অত্র স্কুল থেকে ২০১৪ সালে পাস করে বের হওয়া ‘১৪ ব্যাচ এর সকল ছাত্ররা দেশে চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় ও দুস্থ গরীব-দুঃখীদের মাঝে ত্রাণ (খাদ্য দ্রব্য) বিতরণ এর উদ্যোগ গ্রহণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ০২ এপ্রিল ২০২০ ইং রোজ বৃহঃবার উক্ত স্কুলের ‘১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সকাল ১০ ঘটিকার সময় ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
ত্রান সামগ্রী বন্টনের জন্য প্যাকেটজাতকরণের সময় তুলা ছবি
প্রস্তুতি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অত্র স্কুলের ‘১৪ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও স্মৃতি পাঠাগার, ছাত্র ফেডারেশন,বাংলাদেশ – সরকারি বৃন্দাবন কলেজ, হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক, কে. এম. আবু বকর, প্রাক্তন ছাত্র আব্দুল মোছাদ্দেক, সিয়াম উল সুরত প্রিন্স, আদনান বিন আনোয়ার, মুহিদুল ইসলাম,জাকির হোসেন ও সাইফুল ইসলাম সাগর।
পরবর্তীতে বেলা ১২ ঘটিকার সময় ত্রাণ সামগ্রী প্যাকিং ও বিতরণ এর কাজে ‘১৪ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্র, কে. এম. আবু বকর, মো: আব্দুল মোছাদ্দেক সিয়াম সুরত প্রিন্স, আদনান বিন আনোয়ার, মুহিদুল ইসলাম,জাকির হোসেন,রাহাত হাসান,শরিফুল ইসলাম নাবিদ,সাইফুল ইসলাম সাগর,তানভীর আহমেদ জিসান,ইমরান হাসান রাজীব,হাফিজুর রশীদ সানি,অপু দাশ,সমীর দাস,এহিয়া হাসান চৌধুরী, রিপন মিয়া,রাসেল মিয়া সহ আরও অনেকেই উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেন।
এই ব্যপারে হবিগঞ্জ নিউজ ‘১৪ ব্যাচের ছাত্রদের কাছে জানতে চাইলে উনারা জানান – ” বিশ্বের এই দূর্যোগে অসহায় গরীব মানুষদের পাশে দাড়াতে পেরে নিজেদের অনেক সৌভাগ্যবান বলে মনে করেন তারা। ”
তাছাড়াও মোট কতজনকে ত্রাণ বিররণ করা হবে জানতে চাইলে ত্রাণ বিতরণ কমিটির সদস্য কে. এম. আবু বকর জানান, মোট ৩২ টা পরিবারকে ২ দিনের খাবার দিয়ে তারা সহযোগিতা করেছেন। এর মধ্যে মোট ০৬ জনকে তারা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানেই ত্রাণ হাতে তুলে দেন। এবং বাকি ২৬ জনের প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাকি ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে।
আরেক সদস্য আব্দুল মোসাদ্দেক বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যেই ২৬ জনের বাড়িতে খাবার পৌঁছে যাবে।
আরো ২ সদস্য সিয়াম উল সুরত প্রিন্স ও আদনান বিন আনোয়ার জানান, তারা নিজেরা বাড়িতে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করবেন।
আজ সন্ধ্যার পর কমিটির অন্যতম সদস্য মুহিদুল ইসলামের সাথে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান সবার খাবার (ত্রাণ সামগ্রী) সুষ্ঠভাবে প্রত্যেকের বাড়িতে আমরা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি।
ত্রাণ হাতে তুলে দেওয়ায় দৃশ্য
তাদের এমন কার্যক্রমে সমাজের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের করোনা ভাইরাসের আইসোলেশন ওয়ার্ডে এক আনসার সদস্যকে ভর্তি করা হয়েছে আজ সন্ধায়৷
নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোখলেছুর রহমান উজ্জল৷ তবে পরীক্ষার আগে ওই রোগিকে করোনার রোগি বলা যাবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি৷
“তবে জ্বর-সর্দি-কাশি রয়েছে তার৷” বলেনডাঃ মোখলেছুর রহমান উজ্জল।
ভর্তিকৃত আনসার সদস্য হবিগঞ্জ জেলা আনসার এডজ্যুটান্ড কমান্ডন এর কার্যালয়ে কর্মরত বলে জানা গেছে। তার নমুনা পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হবে৷
ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মেখলেছুর রহমান উজ্জল আরো জানিয়েছেন, “আজ হবিগঞ্জ থেকে পাঠানো ২ টি নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে আইইডিসিআর থেকে৷ ফলে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জে কোনো করোনা রোগি শনাক্ত হয়নি৷”
হবিগঞ্জ শহরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান শরিফ স্টোরের স্বত্তাধিকারী শফিকুল ইসলাম অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী ও মাস্ক বিতরণ করেন।
বিগত ৩০ মার্চ শরিফ স্টোরের স্বত্তাধিকারী হাজী মোঃ শফিকুল ইসলাম এই পণ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন ও হাজী এনামুল হক।
করোনা মোকাবিলায় জনসচেতনতা কর্মসূচিতে হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলায় ১ হাজার ৪৮০ জন অস্বচ্ছল লোকের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু ও ১ কেজি করে ডাল। এ সময় সহায়তা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে সকলকে নিজ ঘরে অবস্থানের আহবান জানানো হয়।
সোমবার সকাল ১০টায় সদর উপজেলার রিচি ইউনিয়নে খাদ্য বিতরণের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির শুরু করেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।
পরে লাখাই উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৬শ’ এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৮৮০ প্যাকেট খাবার বিতরণ করা হয়। করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এসব বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
বিতরণকালে লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হাসান রুবেল, লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা কর্মকারসহ সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য বিতরণের প্রক্কালে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে এমপি আবু জাহির বলেন, সবাই ঘরে থাকুন, নিরাপদ জীবনযাপন করুন। নিজে পরিস্কার থাকুন, অন্যকে পরিস্কার থাকতে উৎসাহিত করুন। অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে থাকুন করোনামুক্ত।
তিনি জেলার বিদেশফেরতদের এবং একইসঙ্গে তাদের সংস্পর্শে যারা গেছেন তাদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতেও সকলকে সচেতন থাকার আহবান জানান। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে সকলকে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থানের অনুরোধ জানান এমপি আবু জাহির। জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি চলাকালে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরাসহ প্রশাসনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ কর্মসূচিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।
রবিবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত হবিগঞ্জ শহর, শহরতলী ও শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে সহশ্রাধিক লোকের হাতে খাবার তুলে দেন তিনি।এ সময় হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ সালেক মিয়াসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিজনের প্যাকেট চাউল, সোয়াবিন তেল, ডাল ও আলুসহ কয়েক প্রকার খাদ্য সামগ্রী রয়েছে। এসব বিতরণকালে সংসদ সদস্য বলেন, সবাই ঘরে থাকুন, নিরাপদ জীবনযাপন
করুন। নিজে পরিষ্কার থাকুন, অন্যকে পরিষ্কার থাকতে উৎসাহী করুন। অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে থাকুন করোনামুক্ত।
এর আগে গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা, হবিগঞ্জ পৌরসভা, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্থানে গ্রামে গ্রামে ক্যাম্পেইন করেছেন সংসদ সদস্য। এ সময় বিদেশফেরতদের এবং একইসঙ্গে তাদের সংস্পর্শে যারা গেছেন তাদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতেও সকলকে গুরুত্বের সাথে ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।
করোনা প্রতিরোধে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হবিগঞ্জে দরিদ্র পরিবারগুলোর
মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা ও হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. মিজানুর রহমান বিভিন্ন পয়েন্টে এসব চাল বিতরণ করেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান,
চালকল মালিকদের সহায়তায় এসব চাল বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেককে ৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। একটি ভ্যান গাড়িতে করে চাল নিয়ে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চালগুলো বিতরণ করা হয়। ভ্যান থেকে চাল নামিয়ে একটি জায়গায় রাখা হয়। এরপর একেকজন দরিদ্র মানুষ চাল নিয়ে যান।