Category: হবিগঞ্জ সদর

  • রাতের আঁধারে অসহায় মানুষদের পাশে আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    রাতের আঁধারে অসহায় মানুষদের পাশে আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনা দুর্যোগের এই সময়ে নিয়মিত দিনে এবং রাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    সাম্প্রতিক সময়ে নিজস্ব অর্থায়নে আর অনেকটা গোপনে গরীব অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন যে কজন মানুষ, তাদের একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতিতে খোঁজ রাখছেন অসহায় গরিব মানুষদের। প্রতিদিনের ন্যায় আজও নিজ উদ্যোগে ত্রান বিতরণ করেছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    আজ তোফাজ্জল হক শায়খে হবিগঞ্জী (রহঃ) কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন ।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর গ্রামে ১নং ২নং ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে অসহায় মানুষদের মধ্যে নিজ উদ্যোগে ধারাবাহিক এই ত্রাণসহায়তা নিয়ে হাজির হন এবং ত্রাণ বিতরণ করেন।

    এসময় তার সাথে ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, জালাল আহমেদ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, জি কে ঝলক, কলেজ ছাত্রদল নেতা সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ অনেকে।

  • হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে ৫৮ আসামির জামিন

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টে ৫৮ আসামির জামিন

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্টের বিভিন্ন আদালতে ৫৮ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে।

    পূর্বে গতকাল বুধবার ৪৮ জনের জামিন হয়েছিল। মোট দুই দিনে ১০৬ জন আসামি মুক্তি পেয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের আদালত পরিদর্শক আল আমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, আজ সবচেয়ে বেশি মামলার শুনানি হয় এবং জামিন পেয়েছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া কামালের আদালত থেকে।

    ওই দিন সেখানে ২৫টি মামলার শুনানি হয়েছে। এর মাঝে ২০ মামলায় ৪০ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ৫টি মামলা নামঞ্জুর হয়েছে।

    হবিগঞ্জের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আমজাদ হোসেনের আদালতে আজ ১৫টি মামলার শুনানি হয়। এর মাঝে ১১ মামলায় ১২ আসামির জামিন মঞ্জুর হয়েছে। ৪টি মামলা নামঞ্জুর হয়েছে।

    জেলার ৩টি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে ভার্চুয়াল আদালতে প্রথমবার শুনানি হয়েছে। এর মাঝে প্রত্যেক আদালতে ২টি করে মামলায় ২ জন করে ৬ জনের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এর মাঝে এক শিশু রয়েছে।

  • নিউইয়র্কে করোনায় হবিগঞ্জের মুন্না মারা গেছেন

    নিউইয়র্কে করোনায় হবিগঞ্জের মুন্না মারা গেছেন

    নিউইয়র্ক সিটির ওজন পার্কের বাসিন্দার হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ইমাদাদুর রহমান চৌধুরী ও বিশিষ্ট কমিনিটি নেতা আবু সায়িদ চৌধুরী কুঠির ভাগিনা হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার কালীনজেরা গ্রামের সৈয়দ বাড়ীর সন্তান ও হবিগঞ্জ শহরে মাহমুদাবাদ এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হারুনুর রশিদ মুন্না করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্ক এর জ্যামাইকা হসপিটালে গতকাল ইউএস সময় সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেছেন।
    (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )

    তিনি গত একমাস ধরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে জ্যামাইকা হসপিটালে চিকিংসা নিচ্ছিলেন৷

    সর্বপরি গতকাল তিনি মারা যান। তার অকালে মৃর্ত্যুতে প্রবাসে,দেশে অনেকেই শোকাহত হয়েছেন।

  • করোনা মুক্ত হলেন হবিগঞ্জের ডিসি মোঃ কামরুল হাসান

    করোনা মুক্ত হলেন হবিগঞ্জের ডিসি মোঃ কামরুল হাসান

    করোনা মুক্ত হয়ে কর্মস্থলে ফিরেছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানসহ প্রশাসনের ৪ কর্মকর্তা।

    বাকি ৩ জন হলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে ইসরাত, সহকারী কমিশনার আফিয়া আমীন পাপ্পা ও সহকারী কমিশনার সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।

    আজ দুপুরে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর জেলা প্রসাশক মোঃ কামরুল হাসান তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

    এসময় তাঁকে স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

  • হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত

    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত

    এম এ মজিদ, হবিগঞ্জঃ
    হবিগঞ্জে ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা আইনজীবী সমিতির জরুরী সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    আইনজীবী নেতারা জানান- ভার্চূয়াল কোর্ট পরিচালনার জন্য যে ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার তা নেই।

    তাছাড়া একেকটি জামিন শুনানীর জন্য আবেদন করা, তা শুনানী করার জন্য সময় নির্ধারণ করা, জামিন মঞ্জুর হলে বেইল বন্ড দাখিল করা, ভার্চুয়াল কোর্ট এ শুনানীকালে একবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে পরের পরের দিন বা এরও পরে জামিন শুনানীর জন্য আবার নির্ধারণ করাসহ নানা জটিলতার কথা আইনজীবীরা তুলে ধরেন।

    পরে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ বদরুল আলম বদরু মিয়ার নেতৃত্বে একটি আইনজীবী প্রতিনিধি দল জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আমজাদ হোসেনের আদালতে গিয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির ভার্চুয়াল কোর্ট বর্জনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন।

  • র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক হলেন বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক

    র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক হলেন বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক

    বৃহত্তর সিলেট বিভাগের মেধাবী তরুণদের অগ্রসেনানী নাম যার নোমান আহমদ। ছাত্র-শিক্ষক, অগ্রজ-অনুজ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য প্রতিভাদীপ্ত এক তরুণ। 

    গত ৩ মে রবিবার এলিট ফোর্স র‍্যাব-১ এর সহকারি পরিচালক পদে যোগদান করেন তিনি।

    ৩৬ তম বিসিএস উত্তীর্ণ এ চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা শিক্ষাজীবনের প্রতিটি স্তরে মেধার সাক্ষর রেখেছেন। একই সাথে স্বীয় চরিত্র মাধুর্য ও প্রাণচাঞ্চল্যে ছাত্র শিক্ষক, সতীর্থসহ  সকলের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন।

    তিনি হজরত শাহজালাল দারুচ্ছুন্নাহ ইয়াকুবিয়া কামিল মাদ্রাসা সিলেট হতে দাখিল থেকে কামিল পাশ করেন।

    আবার সিলেটের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ হতে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। উভয় পরীক্ষায় অসামান্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি।

    নোমান আহমদ নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি হতে ২০১৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় তিন বছর এখানে শিক্ষকতা করেন। তিনি অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর প্রিয় শিক্ষক এবং মেন্টরে পরিণত হন।

    নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক থাকা অবস্থায়ই ৩৫ তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে মে ২০১৭ এ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জে ইংরেজি প্রভাষক পদে যোগদান করেন।

    বছর পেরুতেই প্রকাশ হয় ৩৬তম বিসিএস এর ফলাফল। ৩৬ তম বিসিএস এ পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর।

    বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদায় এক বছরের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ০৬ মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণের জন্য যোগদান করেন পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ফরিদপুরে। ০৬ মাসের বাস্তব প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে সহকারী পরিচালক হিসেবে এলিট ফোর্স র‍্যাব-১ এ যোগদান করেন গত ৩ মে রবিবার।

    নোমান আহমদের পৈত্রিক নিবাস সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামে। তাঁর গর্বিত পিতা মো. আবদুর রব এবং মাতা শাহিনা আক্তার।

  • আগামী ঈদ উল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হবিগঞ্জের সকল দোকানপাট!

    আগামী ঈদ উল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে হবিগঞ্জের সকল দোকানপাট!

    সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও সরকারি নির্দেশনা মেনে আগামীকাল ১০ মে থেকে দেশের সকল ব্যবসা প্রতিষ্টান খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছিল সরকার। তবে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে হবিগঞ্জের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    শনিবার (৯ মে) বিকেলে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসানের সাথে হবগিঞ্জের চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রী, হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি ও হবিগঞ্জ মার্সেন্ট এসোসিয়েশন এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বেঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর দেওয়ান । তিনি বলেন, প্রতিদিন হবিগঞ্জে করোনা রোগী বাড়ছে। এই অবস্থায় আমরা কোন ভাবেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলে মানুষকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারি না। জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    এর আগে গত ৮ মে শুক্রবার জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ঈদের আগে সিলেট নগরীর কোনো শপিং মল ও বিপনী বিতান না খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সিলেট সিটি কর্পোরেশনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সীমিত পরিসরে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু রাখার স্বার্থে দোকানপাট ও শপিং মল আগামীকাল ১০ মে খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। তবে এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সামাজিক দূরত্ব অনুসরণসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।