Category: হবিগঞ্জ সদর

  • অসহায়দের ঘরে ইদ সামগ্রী দিলেন ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম রকি

    অসহায়দের ঘরে ইদ সামগ্রী দিলেন ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম রকি

    মহামারী করোনায় বিপর্যস্ত হবিগন্জ শহরের দেড়শ অসহায় পরিবারের ঘরে ঘরে ইদ উপহার সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রকি।

    এসব পরিবারের মাঝে তিনি সেমাই নুডলস চিনি দুধ এসব জিনিষ পৌছে দেন।

    জেলা ছাত্রদল নেতা রকি হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে এসব জিনিষ অসহায় দের মাঝে এসব ইদ সামগ্রী পৌছিয়ে দিয়েছি সবার, বিত্তবান সবার উচিত এই সময়ে অসহায়দের পাশে থাকা তাহলেই করোনার এই সংকট সবাই মিলে কাটিয়ে উঠা সম্ভব।”

  • চারশত পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেন ফ্রান্স প্রবাসী সোহেল রানা

    চারশত পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেন ফ্রান্স প্রবাসী সোহেল রানা

    এম এ রাজাঃ অজানা এক আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাসের কারণে সারাদেশে চলছে লক ডাউন এতে করে দূর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

    এই পরিস্থিতিতেও সুদূর প্রবাসে বসেও কাঁদে যার মন সে হচ্ছে ৪ং নং ইউনিয়নের ফ্রান্স প্রবাসী শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা।

    আজ ২২ শে মে রোজ শুক্রবার পইল নতুন বাজার মাঠে আবারও চারশত পরিবারের মধ্যে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করিয়েছেন শেখ মোঃ সোহেল রানা।

    উত্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং আদর্শ রিচি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ ইলিয়াস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কোহিনুর আলম, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান সিতু, কৃষকদলের আহবায়ক আশরাফুল আলম সবুজ, হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জিল্লুর রহমান, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জি কে ঝলক, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সদস্য সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ইতিপূর্বে আরো তিনশত পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করিয়েছেন ফ্রান্স প্রবাসী শেখ মোঃ সোহেল রানা।

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দৈনিক আমার হবিগঞ্জের সম্পাদক গ্রেফতার

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দৈনিক আমার হবিগঞ্জের সম্পাদক গ্রেফতার

    হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমার হবিগঞ্জের প্রকাশক ও সম্পাদক প্রকৌশলী সুশান্ত দাসগুপ্তকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু জহির বিরুদ্ধে তার সম্পাদিত পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে দায়ের এক মামলা বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    হবিগঞ্জের এএসপি (সদর সার্কেল) রবিউল ইসলাম গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের মামলায় সুশান্ত দাস গুপ্ত কে বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও প্রেরণ করা হয়েছে।

    সুশান্তের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জহির। দেশের বিভিন্ন স্থানের সাংবাদিকরা যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি তুলছেন তখন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের পক্ষে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন জহির।

    এ ব্যাপারে সায়েদুজ্জামান জহির বলেন, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবু জহির হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য। তার বিরুদ্ধে সুশান্ত দাসগুপ্ত নিজের সম্পাদিত দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আসছেন এবং ফেসবুকেও এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এতে সংগঠনের সদস্যের মানহানি হওয়ায় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মামলা করেছি।

    সাংসদ জহিরের বিরুদ্ধে কী অপপ্রচার চালানো হয়েছে জানতে চাইলে কোনো জবাব দিতে চাননি মামলার বাদী স্থানীয় প্রেসক্লাবের এই সাধারণ সম্পাদক।

    সুশান্ত দাসগুপ্ত পত্রিকা সম্পাদনার পাশপাশি ‘আমার এমপি’ নামে নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোক্তা ও আমার ব্লগ নামে একটি বাংলা ব্লগ পরিচালনার সাথে যুক্ত রয়েছেন।

  • রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত হেঁটে বেড়াচ্ছেন জি কে গউছ।

    রাতের আঁধারে প্রতিনিয়ত হেঁটে বেড়াচ্ছেন জি কে গউছ।

    প্রতিদিনের ন্যায় হবিগঞ্জ পৌর সভার সাবেক তিনবারের নির্বাচিত এবং পদত্যাগকারী মেয়র জনাব আলহাজ্ব জি কে গউছ তার নিজস্ব উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে শহরে এবং বিভিন্ন গ্রাম মহল্লায় অসহায় ও ঘরবন্দি মানুষের মধ্যে পৌছে দিচ্ছেন ত্রাণ।

    আজ তার ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি ধুলিয়াখাল, ভাদৈ এবং শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড ও ইনাতাবাদ এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

    জি কে গউছ বলেন, ‘আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী সকলের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। যদিও আমি এখন কোনো প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রীয় কোনো দায়িত্বে নেই। তবুও মানুষের পাশে দাড়ানোর প্রবল ইচ্ছে আমাকে ঘরে থাকতে দেয়না। তাই আমি আশা করব সকল বিত্তবানরা এই দুর্যোগে মানুষের পাশে এগিয়ে আসবেন। এবং আমার জন্য দোয়া রাখবেন যেনো আমি অতীতের ন্যায় সবসময় আপনাদের পাশে থাকতে পারি’।

  • হবিগঞ্জ শহরে বিষপ্রয়োগে গৃহবধূর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ শহরে বিষপ্রয়োগে গৃহবধূর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ শহরে উমেদনগর এলাকায়  বিষপ্রয়োগ  করে শাহিনা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূ মারা গেছে। এ ঘটনায় পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস পূর্বে মাধবপুর উপজেলার ছানভাঙ্গা গ্রামের শাহিনা আক্তার (২২) এর বিয়ে হয় পৌর এলাকার উমেদনগর গ্রামের ইমরান মিয়ার সাথে।

    বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগে ছিল। গতকাল বিকেলে শাহিনা বিষপান করে ছটফট শুরু করে। পরিবারের লোকজন তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।

    এ দিকে নিহত শাহিনার বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে সদর হাসপাতালে ছুটে আসেন। এ সময় তারা তাদের কন্যাকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেন।

    অপর দিকে শাহিনার শ্বশুর বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন শাহিনা বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে। তবে হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন শাহিনাকে বিষাক্রান্ত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

  • গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন জি কে গউছ।

    গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন জি কে গউছ।

    করোনা দুর্যোগের এই সময়ে নিয়মিত দিনে এবং রাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    করোনাভাইরাসের কারনে খেটে খাওয়া মানুষ আজ গৃহবন্দি। গৃহবন্দি অসহায় মানুষদের প্রতিদিনই সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। সারা দেশের ন্যায় হবিগঞ্জেও কিছু মানুষ নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,তাদের মধ্যে অন্যতম একজন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক তিনবারের মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ।

    তিনি রমজানের শুরু থেকেই প্রতিদিন দরিদ্র অসহায় মানুষদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সহায়তা নিয়ে ছুটছেন । প্রয়োজনী চাল-ডালসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী দিচ্ছেন নিজস্ব অর্থায়নে।

    Al-Haj-GK-Gouse

    প্রতিদিনের ন্যায় আজও নিজ উদ্যোগে ত্রান বিতরণ করেছেন আলহাজ্ব জি কে গউছ। আজ হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর,শ্মশান ঘাট এবং বগলা বাজার এলাকায় ত্রান বিতরণ করেন।

    এসময় তার সাথে ছিলেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, জালাল আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক, জি কে ঝলক, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা সৈয়দ আশরাফ আহমেদ সহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    বাবুল মিয়া ও আলাউদ্দিন অপরাধচক্রের সক্রীয় সদস্য। বয়স আঠারো কিংবা তার একটু বেশী। তাদের পরিচয় হয় জেলখানায়। সেখানে সূচনা হয় অপরাধচক্রের নীল নকশা।

    জেল থেকে বেরিয়ে জড়িয়ে পড়ে চুরি, ছিনতাই, দস্যুতার মত কুখ্যাত অপরাধে। ধীরে ধীরে অপরাধের মাত্রা ও সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে গড়ে তুলে অপরাধ জগৎ। নেতৃত্ব দিতে থাকে বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ডের। কিন্তু এই অপরাধ যে এতটা নির্মমতায় পরিনত হবে তা কেউ কখনো কল্পনা করতে পারেনি।

    কিন্তু তারাই সংঘটিত করেছে লোমহর্ষক এক হত্যা কান্ড। ছিনিয়ে নিয়েছে ভিকটিমের চালিত পিকআপ। লাশ গুম করার জন্য ফেলে রেখেছে সাতছড়ি গহীন জঙ্গলের উচুঁ টিলায়। এমন তথ্যই বেড়িয়ে এসেছে ভিকটিমের পিতা প্রদীপ সরকারের দায়েরকৃত নিখোঁজ জিডি তদন্ত করতে গিয়ে।

    গত ১৫ মে (শুক্রবার) প্রদীপ সরকার নামে একজন অসহায় লোক হবিগঞ্জ সদর থানা হাজির হয়ে একটি সাধারন ডায়রী করেন যে, তার ছেলে সাগর সরকার একজন পিকআপ চালক। কবির মিয়ার পিকআপ গাড়ীতে ড্রাইভার হিসেবে ছিল। গত ১৩ মে (বুধবার) থেকে সে বাড়িতে ফিরে আসছে না। এমনকি অনেক জায়গায় খোঁজাখুজি করার পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। উক্ত জিডির সূত্র ধরে আমরা তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

    প্রথমে ধারনা করা হয়েছিল ভিকটিম সাগর সরকার সম্ভবত তার চালিত কবির মিয়ার মালিকানাধীন পিকআপ গাড়ীটি অন্যত্র বিক্রয় করে নিজেকে আত্মগোপন করে রেখেছে।

    তৎপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ অন্যান্য অফিসারগনের নিয়ে একটি চৌকস টিম গঠন করে এবং দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভিকটিমের চলিত পিকআপ গাড়ীটি মাধবপুর থানাধীন মনতলা থেকে উদ্ধার করে।

    পিকআপ গাড়ীটি উদ্ধারের পর রহস্য মোড় নেয় অন্যদিকে তৈরী হতে থাকে নতুন নতুন সন্দেহ। পরবর্তীতে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে তদন্ত কার্য পরিচালনা করে ভিকটিম সাগরের বন্ধু বাবুল মিয়া (২২), পিতা- তাজু মিয়াকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে।

    জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তার নিকট হতে লোমহর্ষক এই হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়। পুলিশ বাবুল মিয়ার তথ্য মোতাবেক তার আরেক সহযোগী আলাউদ্দিন (২০), পিতা-আব্দুল কাদিরকে আটক করে।

    উভয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, অপরাধচক্রের সক্রীয় সদস্য গাড়ী চালক বাবুল মিয়ার পরিকল্পনা মোতাবেক তার পরিচিত আলাউদ্দিনসহ একটি অপরাধী গ্রুপ পূর্ব পরিকল্পিতভাবে গাড়ী ভাড়ার নাম করে ভিকটিম সাগর সরকার (১৮) কে প্রথমে শায়েস্তাগঞ্জ নিয়ে যায়।

    সেখান থেকে মাধবপুর নিয়ে যাওয়ার কথা বলে পথিমধ্যে অর্থ্যাৎ চুনারুঘাট থানাধীন সাতছড়ি রাস্তার পাশে জঙ্গলের উচুঁ টিলার উপর উঠিয়ে কৌশলে তার সহযোগীদের নিয়ে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য সেখানে ফেলে রেখে গাড়ীটি নিয়ে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যায়।

    হবিগঞ্জের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন

    পরবর্তীতে তাদের তথ্য ও দেখানো মতে হবিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল ইসলাম (পিপিএম-সেবা) সহ হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও সঙ্গীয় অন্যান্য অফিসারদের নিয়ে আজ ১৮ মে বিকাল অনুমান ০৪:০০ ঘটিকায় সাগর সরকারের মৃতদেহ চুনারুঘাট থানাধীন সাতছড়ি জঙ্গল হতে উদ্ধার করে।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ভিকটিমের পিতা প্রদীপ সরকারকে অবহিত করা হয়েছে এবং হত্যা মামলার রুজু করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।