Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জের তালহাকে ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে লাগে অনেক টাকা

    হবিগঞ্জের তালহাকে ক্যান্সার থেকে বাঁচাতে লাগে অনেক টাকা

    একটি মানবিক আবেদন।
    ছেলেটির নাম তালহা, বয়স মাত্র ৬।
    উৎকন্ঠায় তালহার পরিবার। তাদের আদরের ছয় বছরের ছেলে মরণব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ।
    নিম্ন বিত্তের বাবার পক্ষে কিভাবে সম্ভব ছেলের চিকিৎসা চালানো ?
    তালহার পিতা মোঃ আব্দুন নূর একজন সাধারণ চাকুরিজীবী।
    সদা হাস্যজ্বল লোকটি একজন সমাজকর্মী, পরোপকারী, স্বেচ্ছায় রক্তদাতা, একটি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও একটি মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা। চমৎকার ব্যক্তিত্বসম্পন্ন একজন ভাল মানুষ। বাড়ি হবিগঞ্জ সদরের পৈল গ্রামে।
    তালহার চিকিৎসা করার জন্য কয়েক লক্ষ টাকার প্রয়োজন।

    কয়েকমাস যাবত চিকিৎসা করে বর্তমানে তার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তাই হবিগঞ্জ অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম উদ্যোগ নিয়েছে তালহার চিকিৎসার জন্য একটি আর্থিক তহবিল গঠন করার। যার নাম দিয়েছি (শিশু তালহার চিকিৎসায় আমরা)। সংগৃহীত তহবিলের মাধ্যমে তালহার চিকিৎসার ব্যয় সম্পাদন করা হবে।
    সমাজে আমরা যারা সচ্ছল আছি তারা ইচ্ছে করলেই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে তালহার পাশে দাড়াতে পারি।
    আর্থিক সহযোগীতার জন্য নিম্নের ব্যাংক একাউন্ট অথবা বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন।

    মোঃ আব্দুন নূর
    সঞ্চয়ী হিসাব নংঃ ০০৫৫০৩১০০০০১৪২
    মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
    হবিগঞ্জ শাখা।
    বিকাশ নম্বরঃ
    01723326736( পার্সোনাল )
    01727202082 ( পার্সোনাল )
    01717568280 ( পার্সোনাল )
    রকেট নম্বরঃ
    017233267365( পার্সোনাল )
    নগদ নাম্বারঃ
    01723326736( পার্সোনাল )

    মানবিক আবেদনটি পড়ে আমরা সবাই সাধ্যমতো সহযোগিতা করি। আর যদি সহযোগিতা করার সামর্থ্য না থাকে তাহলে কমপক্ষে তালহার সুস্থতার জন্য আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করি। মহান আল্লাহ যেন তালহাকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে দেন।

  • দেড় বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মা বাবার করোনা জয়ের গল্প

    দেড় বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মা বাবার করোনা জয়ের গল্প

    এম এ মজিদ, হবিগঞ্জঃ “আমরা স্বামী স্ত্রী এবং দেড় বছরের কন্যা সন্তান সবাই করোনা আক্রান্ত। এর মধ্যে আমার অবস্থা অবনতি হয় বেশি। শ্বাসকষ্ট, একই সাথে প্রচন্ড জ্বর, সারা শরীরে ব্যথা। স্ত্রীর অবস্থাও ভাল না, জ্বর ও ব্যথায় উঠে দাড়ানোর অবস্থায় ছিল না। এরই মধ্যে আক্রান্ত হয় ১ বছর ৪ মাসের কন্যা সন্তান। নাক দিয়ে পানি পড়া, স্বাভাবিক শ্বাস নিতে না পারা, জ্বর, ব্যথা। মেয়েটা ক্রমেই দুর্বল হতে থাকে। একটা পর্যায়ে মনে হল, আমাদের পৃথিবী শেষ পর্যায়ে। চিন্তা করলাম, শেষ যুদ্ধটা করবই। অন্তত আমাদের যা হবার হবে, সন্তানটাকে বাচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। ঠিক এই চিন্তা যখন আমাদের মাথায় আসল, নিজেদের কষ্টটা ভুলতে লাগলাম”। কথা বলছিলাম, এনজিও আশা’র লোন অফিসার হবিগঞ্জের যুবক ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমন, তার স্ত্রী পুলিশের এসবি শাখায় কর্মরত নারী পুলিশ সদস্য ও তাদের একমাত্র কন্যা সন্তানের কথা। করোনার সাথে যুদ্ধ করে এখন তারা তিনজনই সুস্থ। তবে সুস্থ হওয়ার পরও সমাজের কিছু মানুষের কারণে তারা মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠেনি। কিছু মানুষ মনে করে করোনা রোগী মানেই পঁচে গেছে, তাদের ধারে কাছে যাওয়া যাবে না।

    ১৬ মে প্রথমে ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমন জ্বর ও ব্যথায় আক্রান্ত হন। ডাক্তার প্রদীপ দাসকে ফোন করে কিছু ঔষধ লিখে নেন। জ্বর হওয়ার পর নিজে থেকেই আইসোলেশনে চলে যান ইমন। কিন্তু স্ত্রী কোনভাবেই মানছিলেন না। যা হবার হবে, স্বামীর যতœ করতেই হবে। আক্রান্ত স্বামীর সেবা করতে থাকেন পুলিশ সদস্য স্ত্রী। দুই দিনের মাথায় আক্রান্ত হন স্ত্রী এবং ১ বছর ৪ মাসের একমাত্র সন্তান। তিনজনেরই একই উপসর্গ। বুঝতে বাকী নেই সবাই করোনা আক্রান্ত। ২০মে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করা হয় তিনজনের। ২২মে তিনজনেরই রিপোর্ট আসে করোনা পজিটিভ। প্রথমে ভেঙ্গে পড়েন তারা। মৃত্যুর হাতছানি যেন চারদিক থেকেই তাদেরকে ডাকছে। মেয়ের শ্বাস কষ্ট দেখে নিজেদের শ্বাস কষ্টের কথা ভুলে যান ওই দম্পতি। ডাক্তারদের দেয়া ঔষধ সেবনের পাশাপাশি গরম পানি পান, গরম পানির ভাপ নেয়া ও গরম পানির গারগল করা নিত্যসঙ্গী করা হয়। কিন্তু ১ বছর ৪ মাস বয়সী বাচ্চার দ্বারা কিভাবে এসব সম্ভব? মেয়ের চোখের পানির সাথে মা বাবার চোখের পানি একাকার হয়ে যায়। বিভিন্ন কৌশলে ছোট্ট শিশুটিকে উপরুক্ত থেরাপী দেয়া অব্যাহত রাখেন ওই দম্পতি। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে স্ত্রী ও কন্যাকে হাসপাতালে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেও প্রায় একই চিকিৎসা। এরই মধ্যে ইমনের শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে নিজেও ভর্তি হন একই হাসপাতালে। এবার হাসপাতালে চলে তাদের প্রায় একই ধরনের যুদ্ধ। আস্তে আস্তে সুস্থ হতে থাকেন তারা। ৩ জুন আবার তারা নমুনা পরীক্ষা করান। ৪ জুন আসে করোনা নেগেটিভ। ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমন মনে করেন-শক্ত মনোবল ও হেরে না যাওয়ার প্রত্যয় থাকতে হবে। পরিবারের শিশুরা আক্রান্ত হলে তাদেরকে এক মিনিটের জন্য ছেড়ে যাবেন না। পাশাপাশি কিছু ঔষধ আর গরম পানি থেরাপী অব্যাহত রাখলে করোনা আক্রান্ত হলেও তা থেকে সেড়ে উঠা সম্ভব। কিন্তু সুস্থ হলে আপনাকে আরেকটা যুদ্ধে নামতে হবে। সেটা হল মানসিক অবহেলা আর অবজ্ঞার বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেটা করা লাগে সমাজের গুজব ছড়ানো কিছু লোকের বিরুদ্ধে। অথচ করোনা আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি সুস্থ হয়ে করোনা নেগেটিভ হলে তার প্লাজমা দ্বারা অন্য করোনা রোগী সুস্থ হতে পারে। দ্বিতীয়বার কেউ করোনা আক্রান্ত হলেও করোনা ভাইরাসটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে তার মধ্যে প্রবেশ করে। ইমতিয়াজ উদ্দিন ইমন বলেন- করোনা আক্রান্ত হয়ে ডাক্তার নার্স, আমার ও আমার স্ত্রীর পরিবারের লোকজন, আত্বীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, অফিসের সহকর্মী, উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সবাই যেভাবে সাহস যুগিয়েছেন, তা বিরল। কিছু মানুষের দৃষ্টি ভঙ্গি পাল্টালে করোনা কষ্টসাধ্য হলেও জয় করা সম্ভব।

    লেখকঃ আইনজীবী ও সংবাদকর্মী

  • মসজিদের জায়গা দখলের প্রতিবাদে শায়েস্তাগঞ্জে  মানববন্ধন

    মসজিদের জায়গা দখলের প্রতিবাদে শায়েস্তাগঞ্জে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের দক্ষিন লস্করপুর (ভাংগার পাড়) জামে মসজিদের জায়গা অবৈধ দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

    শনিবার(৬ জুন) বেলা ১১ ঘটিকায় শায়েস্থাগঞ্জ পুরান বাজারে মসজিদের মসুল্লী ও এলাকাবাসী এক মানব বন্ধন করেন।

    মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা বলেন, বিগত কিছুদিন পুর্বে একই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ ও তার দুই পুত্র আপন ও তুহিন মসজিদের পুকুর পাড়ের সামনের জায়গা দখল করে বাড়ি-ঘর এবং দোকান বানিয়ে কতিপয় মানুষের কাছে দখল বিক্রি করে আসছে। দখল উচ্ছেদের প্রতিবাদ করলে মসজিদের মুসল্লী ও এলাকাবাসীর সাথে আব্দুল হামিদ গংদের বিরোধ দেখা দেয় এবং আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে নগ্ন হামলার শিকার হন এলাকার দুই যুবক। আহত সোহান আহমেদ নানু মিয়া বাদী হয়ে হামিদ গংদের বিরুদ্ধে মামলা দায়র করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৬/০৫/২০২০ তারিখে মসজিদের জায়গা দখলের বিষয়াদী নিয়ে হবিগঞ্জ সদর থানায় অবগতি পূর্বক রাত অনুমান ১০ টায় সোহান আহমেদ নানু ও ইসমাইল মিয়া মোটর সাইকেল যোগে বাড়ী ফিরার পথে পরিকল্পনা অনুযায়ী স্থানীয় লেঞ্জাপাড়ায় আব্দুল হামিদ ও তার দুই পুত্র তাদেরকে প্রানে হত্যার উদ্যেশে মারধোর করলে গুরুতর অবস্থায় তাদের হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে মামলা দায়ের করলে আব্দুল হামিদের দুই পুত্র আপন ও তুহিনকে গ্রেফতার করে স্থায়ীয় প্রশাসন।

    স্থানীয়রা জানান, আব্দুল হামিদ একজন ভূমিদস্য সে মসজিদ ও সরকারী জায়গা দখল করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। মসজিদের জায়গা দখল মুক্ত করতে আন্দোলনে জড়িতদের হামিদ গংরা প্রতিনিয়ত হুমকী দিয়ে আসছে, যে কোন সময় মিথ্যা মামলা বা হামলার শিকার হতে পারেন প্রতিবাদকারীরা। মসজিদ ও সরকারী জায়গা অনতিবিলম্বে দখলমুক্ত করার জন্য এবং নগ্ন হামলার সুষ্টু বিচারে স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন মসজিদের মুসল্লী ও এলাকাবাসী।

  • হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

    হবিগঞ্জে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ  ছাত্রলীগ নেতা মো. আবু সাঈদ সোহাগ কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। এ সময় তার কাছ থেকে ৫২০ পিস ইয়াবা, মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃত সোহাগ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক ও তারুণ্যের আলো সামাজিক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক।

    র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার এএসপি ওবাইন জানান- শুক্রবার ৫ জুন সন্ধ্যা ৬টায় চুনারুঘাট উপজেলার আসামপাড়া এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ি ইয়াবা পাচার করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৯ এর একটি অভিযানিক দল।

    এ সময় সেখান থেকে মাদক ব্যবসায়ি ছাত্রলীগ নেতা সোহাগকে আটক করে র‌্যাব। পরে তার দেহ তল্লাশী করে ৫২০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।

    এ সময় র‌্যাব তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, ২টি মোবাইল ও নগদ টাকা উদ্ধার করে। সে একজন পেশাধার মাদক ব্যবসায়ি বলে জানায় র‌্যাব। এদিকে, শনিবার ভোররাতে র‌্যাব তাকে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করে।

    এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, ছাত্রলীগ নেতা সোহাগকে কারাগারের প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

  • হবিগঞ্জে আজ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২০৮ জন!

    হবিগঞ্জে আজ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২০৮ জন!

    হবিগঞ্জে দিনে দিনে বেড়েই চলছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। আজ নতুন করে আরো ১৪ জনের শরিরে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ২০৮ জনে।

    শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ৮ টায় হবিগঞ্জ নিউজকে ১৪ জনের আক্রান্তের তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুখলিছুর রহমান উজ্জল।

    ডাঃ মুখলিছুর রহমান জানান, ১৪ জনের মধ্যে চুনারুঘাট উপজেলার ১০ জন, সদর উপজেলার ২ জন, নবীগঞ্জ উপজেলার ১ জন, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ১ জন রয়েছেন।

    তিনি আরো জানান আক্রান্তের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০৫ জন এবং মারা গেছেন ১ জন।

  • হবিগঞ্জ সদরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ সদরে করোনা উপসর্গ নিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা বহুলা গ্রামে করোনা উপসর্গ নিয়ে মনিরুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড উবাহাটা গ্রামে নানার বাড়িতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে জানাযা শেষে দাফন করা হয়েছে তাকে।

    মৃত মনিরুল ইসলাম সদর উপজেলার বহুলা গ্রামের তার শশুড়বাড়ি থেকে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়। এবং আজ দুপুরে হাসপাতালে মারা যান।

    মৃত মনিরুল ইসলাম নাসিরনগর উপজেলার নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জমির আলীর পুত্র। তিনি ঢাকায় বসবাস করতেন এবং সেখানে ব্যবসা করতেন।

    নিহতের মামা সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাজী আব্দুল মজিদ জানান, তার ভাগিনা মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবত শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাখাওয়াত হোসেন রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, করোনা উপসর্গে মারা যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে জানাযা শেষে নিহতের নানার বাড়ি কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম জোটের বিক্ষোভ

    হবিগঞ্জে গণপরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম জোটের বিক্ষোভ

    বাংলাদেশে  গণপরিবহনে ৬০% ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট হবিগঞ্জ জেলার আয়োজনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার(২ জুন) দুপুর ১২ টায় চৌধুরী বাজার খোয়াই মুখে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    বাম জোটের নেতা, সিপিবি হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বাসদ (মার্কসবাদী) হবিগঞ্জ জেলার সংগঠক শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক পীযুষ চক্রবর্তী,বাসদ হবিগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক এড.জুনায়েদ আহমেদ,গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির আহবায়ক এড.রনধীর দাস,সিপিবি নেতা মহিবুর নুর চৌধুরী ইমরান, বাসদ নেতা হুমায়ন খান, এ.আর.সি. কাউসার প্রমূখ।

    তারা খুব শীগ্রই যেনো ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহারের করে সেই দাবি জানান।