Category: হবিগঞ্জ সদর

  • মরহুম আব্দুল আহাদ ফারুকের স্বপ্ন ছিল মানুষের সেবা করা/ এমপি আবু জাহির

    মরহুম আব্দুল আহাদ ফারুকের স্বপ্ন ছিল মানুষের সেবা করা/ এমপি আবু জাহির

     

    বদরুল আলমঃ আব্দুল আহাদ ফারুকের স্বপ্ন ছিল মানুষের সেবা করা। তিনি মানুষের কাজে সবসময় আন্তরিক ছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী এই নেতা কখনও নৌকা প্রতীকের বাইরে চিন্তা করেননি। তাঁর চলে যাওয়ায় আওয়ামী পরিবারের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে।

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক এর ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত শোক সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন।

    আজ শুক্রবার বিকালে লস্করপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এ সভার আয়োজন করে।

    সভায় এমপি আবু জাহির আরও বলেন, যারা নৌকার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেন, তারা সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর। কেউ নৌকার বিরোধিতা করলে মরহুম আব্দুল আহাদ ফারুক ও তাঁর মত নিবেদিত নেতাদের আত্মা কষ্ট পাবে।

    এ সময় ত্যাগী এই নেতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি উপস্থিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো’র পরিচালনায় শোকসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদু, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ মোতালিব, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল মুকিত প্রমুখ।

    সভায় প্রয়াত আব্দুল আহাদ ফারুক এর সন্তান মিসবাহুল আহাদ সানী তাঁর বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।

    এছাড়াও বক্তব্য রেখেছেন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হাইসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শোকসভায় এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেছেন।

    পরে মরহুম অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত মুসল্লীয়ানের মাঝে তবারুক বিতরণের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। বাদ মাগরিব এমপি আবু জাহিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মরহুমের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করেছেন।

  • নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার আহবান

    নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার আহবান

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা আওয়ামী লীগের জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এর বাস ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই সভা।

    সভায় সভাপতির বক্তৃতায় এমপি আবু জাহির নৌকার বিজয় নিশ্চিতে কাজ করার জন্য দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি নানা নির্দেশনা দিয়েছেন।

    জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান, কানাডা আওয়ামী লীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী, মোঃ আরব আলী, শেখ সামছুল হক, অ্যাডভোকেট আবুল ফজল, ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ, মোঃ সজীব আলী, অ্যাডভোকেট মনোয়ার আলী, অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান তালুকদার, মুকুল আচার্য্য, জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, মশিউর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট আফীল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর সৈকত, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির বকুল, অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, ক্ষিতীশ গোপ, তজম্মুল হক চৌধুরী, নাজমুল হাসান, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদু, অ্যাডভোকেট প্রবাল মোদক, অ্যাডভোকেট তুষার কান্তি মোদক, স্বপন লাল বণিক, হুমায়ুন কবীর রেজা, অ্যাডভোকেট রুকন উদ্দিন তালুকদার, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, অ্যাডভোকেট সুবীর রায়, চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, হাবিবুর রহমান খান, আজিজুর রহমান খান সজল, আবু সালেহ শিবলী, জিতু মিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে যারা লড়ছেন

    হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে যারা লড়ছেন

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ জনসহ ৬৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন এবং নারী কাউন্সিলর পদে ১৭ জন।

    সোমবার ও মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারী) সকাল থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাদেকুল ইসলামের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    মেয়র পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মিজানুর রহমান মিজান, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট এনামুল হক সেলিম, বিএনপির বিদ্রোহীর প্রার্থী মো. ইসলাম তরফদার তনু, স্বতন্ত্র প্রার্থী বশিরুল আলম কাউছার, মো. সামছুল হুদা এবং গাজী মোহাম্মদ পারভেজ হাসান।

    শেষ ধাপে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী হবিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার প্রার্থীরা বড় ধরনের শো-ডাউন করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলামের নিকট নিজ নিজ মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    এ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীসহ ৭ জন মেয়র প্রার্থী, পুরুষ কাউন্সিলর পদে ৪১ জন ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    মেয়র পদের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হচ্ছেন-আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান সেলিম, বিএনপির মো. এনামুল হক সেলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. শামছছুল হুদা, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. মিজানুর রহমান, বিএনপির বিদ্রোহী মো. ইসলাম তরফদার, স্বতন্ত্র মো. বশিরুল আলম কাওছার ও গাজী মো. পারভেজ হাছান।

    ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৪১ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্ণিং অফিসারের নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    ১নং ওয়ার্ডে ৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হচ্ছেন-মোঃ লুৎফুর রহমান (দুদু), মোঃ আবুল কাশেম, মোঃ কুতুব উদ্দিন, মোঃ আবুল হাসিম, ইকবাল হোসেন, বুলবুল আহমেদ রুমী, মোঃ ফরহাদ হোসেন টিটু।

    ২নং ওয়ার্ডে ৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন মোঃ সিরাজুল ইসলাম (জীবন), মোঃ জাহির উদ্দিন, সোহেল আহমেদ।

    ৩নং ওয়ার্ডে ৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন মোঃ আব্দুল আহাদ, দীলিপ দাস, শান্তনু দাস, সত্যজিৎ দাস, পান্না কুমার শীল।

    ৪নং ওয়ার্ডে ২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন মোহাম্মদ জুনায়েদ মিয়া, সুমন দাস।

    ৫নং ওয়ার্ডে ৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন মোঃ শামছুর রহমান, কৌশিক আচার্য্য, গৌতম কুমার রায়।

    ৬নং ওয়ার্ডে ৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন টিপু আহমেদ, শাহ মোঃ জালাল উদ্দিন, নূরুল আমিন, শেখ নূর হোসেন, মোঃ এনামুল হক, মোঃ আমজাদ হুসাইন মনি।

    ৭নং ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ৩ জন প্রার্থী। তারা হচ্ছেন মোঃ হারুন অল রশীদ, শাহ সালাউদ্দিন আহাম্মদ, মোঃ আব্দুল আউয়াল মজনু।

    ৮নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হচ্ছেন আলাউদ্দিন কদ্দুছ, আশরাফ আহমেদ হারুন, মোঃ আতাউর রহমান লিটন, মোঃ আলমগীর।

    ৯নং ওয়ার্ডে মনোনয়নপত্র জমা দেন ৮ জন প্রার্থী। তারা হচ্ছেন মোহাম্মদ আব্দুল শহীদ, মোঃ সফিকুর রহমান সিতু, মোহাম্মদ মাহবুবুল হক (হেলাল), মোঃ মাহবুবুর রহমান, আব্দুল হক, আব্দুল জলিল, শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীম, মোঃ শফিকুল ইসলাম।

    মহিলা কাউন্সিলর পদে সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৬ জন প্রার্থী।

    আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম নৌকা প্রতীক পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমি আশাকরি হবিগঞ্জ পৌরসভার মানুষের মন জয় করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা জয়ী করতে পারবো। পাশাপাশি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবিগঞ্জ পৌরসভার মানুষ নৌকায় ভোট দিয়ে তাকে জয়ী করবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মনোনিত প্রার্থী মো. সামছুল হুদা বলেন, যদি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তবে আমি অবশ্যই ইনশাআল্লাহ জয়ী হবো। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম জানান, পূর্বের সবগুলো নির্বাচনই অবাধ সুষ্ঠু হয়েছে। এ নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে। প্রার্থীরাও আচরণবিধি মেনে চলবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    হবিগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. সাদেকুল ইসলাম জানান, পঞ্চম ধাপে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২৪টি কেন্দ্রের ১৬৩টি কক্ষে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ পৌরসভায় মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ৪ ফেব্রুয়ারি, প্রত্যাহার ১১ ফেব্রুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ১২ ফেব্রুয়ারি। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৫০ হাজার ৯০৩ জন।

  • হবিগঞ্জে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার জন্য আহবান

    হবিগঞ্জে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার জন্য আহবান

    ফেরদৌস আহমেদ: হবিগঞ্জ পৌরসভায় নৌকার বিজয় নিশ্চিতে কাজ করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীকে নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। গতকাল সোমবার রাতে তাঁর বাসভবন প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেছেন, উন্নয়নের স্বার্থে হবিগঞ্জ পৌরসভায় নৌকার বিজয় জরুরী। এ লক্ষ্যেই নৌকার প্রার্থীর পক্ষে সকল নেতাকর্মীকে এক যোগে কাজ করতে হবে। এটাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশনা। সভায় নেত্রীর নির্দেশনা ও হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়ন-অগ্রগতির স্বার্থে অতীতের সবকিছু ভুলে গিয়ে দল মনোনিত প্রার্থীর জন্য কাজ করতে তিনি সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহবান জানান।

    বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি ও হবিগঞ্জ জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ, আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি মোঃ আরব আলী, আওয়ামী লীগ নেতা ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ, আবুল ফজল, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাচ্ছিরুল ইসলাম প্রমুখ। সভার স ালনায় ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী।

    সভায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সংগঠনের কাজ করতে গিয়ে যদি কারো সাথে ভুল বুঝাবুঝি হয়ে থাকে তাহলে এসব ভুলে সকল নেতাকর্মীকে নৌকার পক্ষে কাজ করার জন্য আবেদন জানান।

    পরে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শঙ্খ শুভ্র রায় নৌকার প্রতি সমর্থন জানিয়ে দল মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    পরে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী আহবায়ক ও নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু এবং মোতাচ্ছিরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • জনতার ভালবাসায় সিক্ত হলেন নৌকার কান্ডারী আতাউর রহমান সেলিম

    জনতার ভালবাসায় সিক্ত হলেন নৌকার কান্ডারী আতাউর রহমান সেলিম

    ফেরদৌস আহমেদঃ এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। হাজার হাজার নেতাকর্মী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায়। হাতে ফুল আর ফুলের মালা। শত শত মোটর সাইকেল আর গাড়ীবহর নিয়ে অপেক্ষা। জনগনের মাঝে কৌতুহল উপলক্ষটা কি? হবিগঞ্জ শহরতলীর বিসিক শিল্পনগরীতে গতকাল বিকেলের দৃশ্য ছিল এটি।

    বিকেল ৩টা থেকে নেতাকর্মীদের অপেক্ষার অবসান হয় সন্ধ্যার সাথে সাথে। সেখানে আলোকবর্তিকা হিসাবে দ্যুতি ছড়ান এমন এক ব্যাক্তি যিনি বার বার আসেন নতুন নতুন উপলক্ষ নিয়ে। কখনও দলের আদর্শকে সমুজ্জল করতে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে। আবার কখনও দলের প্রাপ্তি নেতাকর্মীদের মাঝে বিলিয়ে দিতে।

    জনতার ভালবাসায় সিক্ত হলেন নৌকার কান্ডারী আতাউর রহমান সেলিম

    গতকালের আগমনও ছিল একটি প্রাপ্তির উপলক্ষ নিয়ে। সেই প্রাপ্তি হল বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক। জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পাওয়া এই নৌকা পাওয়ার পর গতকাল যখন তিনি ঢাকা থেকে হবিগঞ্জ ফিরছিলেন তখন নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করতে জড়ো হন সেখানে।

    পরে হাজার হাজার নেতাকর্মীর ভালবাসায় সিক্ত হয়ে বিরাট বহর নিয়ে প্রবেশ করেন হবিগঞ্জ শহরে। আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা রাজপথ কাপানো সেই জননেতা হলেন আতাউর রহমান সেলিম।

    বহরটি যখন সন্ধ্যার পর শহরের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে তখন নৌকা নৌকা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে চারিদিক। বহর নিয়ে আতাউর রহমান সেলিম প্রথমেই চলে যান আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে। সেখানে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তিনি নেতাকর্মী এবং উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন।

    জনতার ভালবাসায় সিক্ত হলেন নৌকার কান্ডারী আতাউর রহমান সেলিম
    কোন ধরনের পূর্ব প্রস্তুতি না থাকার পরও জনগন এবং নেতাকর্মীদের এই ভালবাসায় আবেগে আপ্লুত হয়ে আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ৩৬ বছর যাবৎ আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছি। অনেক জেল জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেছি। তবে কখনও আমি নীতি, দল এবং নৌকার সাথে বেঈমানী করিনি। দলের প্রতি আমার এই ত্যাগ এবং জনগনের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন আমার নৌকা প্রাপ্তি।

    ২০১৫ সালেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে নৌকা দিয়েছিলেন। পরে উপ-নির্বাচনে নৌকা না পেয়েও আমি দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলাম। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার মন মানসিকতা থাকায় আবার আমাকে নৌকা উপহার দেয়া হয়েছে।

    বর্তমান সরকারের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সেখানে দীর্ঘদিন যাবৎ হবিগঞ্জ পৌরবাসী শরীক ছিল। আমি নির্বাচিত হলে  অবসান ঘটিয়ে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলতে চাই।

    তিনি আগামী নির্বাচনে সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার জন্য কাজ করার আহবান জানান এবং সাধারন জনগনের ভোট ও ভালবাসা প্রার্থনা করেন।

     

  • হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে দু দলের কান্ডারী ২ সেলিম

    হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে দু দলের কান্ডারী ২ সেলিম

    আসন্ন ২৮ই ফেব্রুয়ারিতে হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচন। এই নির্বাচন কে ঘিরে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে হবিগঞ্জ পৌরবাসীর মধ্যে। ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে গেছেন হবিগঞ্জের দুই সেলিম।

    একজন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি জনাব আতাউর রহমান সেলিম যিনি নৌকা পদপ্রার্থী নিয়ে হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচন করবেন।

    অপর দিকে বিএনপির মনোনয়ন ধানের শীষ নিয়ে পৌর নির্বাচন করবেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক এনামুল হক সেলিম।

    দুই দলের মনোনয়ন আজ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

  • পইলে জনতার ভালবাসায়  সিক্ত এমপি আবু জাহির

    পইলে জনতার ভালবাসায় সিক্ত এমপি আবু জাহির

    বদরুল আলমঃ প্রধানমন্ত্রী’র প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হবিগঞ্জে শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন করায় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহিরকে পইল ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সংবর্ধনায় নানা শ্রেণী পেশার পাঁচ সহশ্রাধিক মানুষের ঢল নেমেছে। সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে দুই শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে।

     

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ব্যানারে আজ শনিবার বিকেলে স্থানীয় নতুন বাজার মাঠে গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুর থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন খন্ড খ- মিছিল নিয়ে সংবর্ধনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।

     

    বিকেলে এমপি আবু জাহির সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছলে শুরুতেই তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। এরপর প্রায় দেড় ঘন্টাজুড়ে দুই শতাধিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান সংসদ সদস্য আবু জাহিরকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে। পরে আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।

     

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতার এমপি আবু জাহির বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আমার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জে মেডিক্যাল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তখন অনেকেই তা অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি বঙ্গবন্ধু কন্যা যা বলেন, তাই করেন। আজকে অভাবনীয় এ দু’টি প্রতিষ্ঠান আপনাদের সামনে দৃশ্যমান।

     

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিবৃন্দ বিগত প্রায় এক যুগে এমপি আবু জাহির এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেন। তখন অনুষ্ঠানে উপস্থিত পাঁচ সহশ্রাধিক মানুষ হাত তুলে তাঁকে সমর্থন জানান।

     

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাহেব আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শিবেন্দ্র চন্দ্র দেব শিবুর পরিচালনায় সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ মোতালিব, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।

    এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল মুকিত, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জুনেদ, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সুজাতসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।