Category: হবিগঞ্জ সদর

  • সবার আগে টিকা নিয়ে জেলাবাসীকে উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি আবু জাহির

    সবার আগে টিকা নিয়ে জেলাবাসীকে উদ্বুদ্ধ করলেন এমপি আবু জাহির

    সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির সবার আগে নিজের শরীরে টিকা নিয়ে হবিগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।

    আজ  রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে এমপি আবু জাহিররে শরীরে টিকা প্রয়োগ করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    এর আগে তিনি টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন। এমপি আবু জাহির তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন সুস্থ। আপতত আমার শরীরে টিকা না নিলেও হত। তারপরও জেলাবাসীকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য সবার আগে টিকা নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে ভাল মান-সম্মত টিকার ব্যবস্থা করেছেন। এখানে ভয়ের কিছু নেই। সকলেই করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন, নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকেও সুস্থ রাখুন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সিভিল সার্জন ডা. একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, হবিগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারী আতাউর রহমান সেলিম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ১১ এপ্রিল হবিগঞ্জে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়। সংক্রমনের এ দীর্ঘ দশ মাস ধরে এমপি আবু জাহির সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সরকারি ও সামর্থ অনুযায়ী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে তাদেরকে সহযোগিতা করেছেন। করোনার ভয়াবহ সংক্রমনের সময়ও তিনি ঘরে থাকেননি। সকাল-সন্ধ্যা ছুটেছেন মানুষকে সচেতন করতে। এসব কাজ করতে গিয়ে তিনিও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

    আজ হবিগঞ্জে মোট ৩৪২ জন কোভিড-১৯ এর টিকা নিয়েছেন। তন্মধ্যে আজমিরীগঞ্জ ২৫ জন, বাহুবল ৩৯ জন, বানিয়াচং ৮ জন,চুনারুঘাট ৪০ জন,সদর ১০২ জন,লাখাই ৪০ জন, মাধবপুর ৪০ জন ও নবীগঞ্জে ৪৮ জন টিকা নিয়েছেন।

    এ ধাপে হবিগঞ্জ জেলার ৩৬ হাজার মানুষ করোনা ভাইরাসের টিকা পাবেন। টিকা প্রয়োগের জন্য সাতটি উপজেলায় দুইটি করে দল গঠন করা হয়েছে। প্রতি দলে ৪ জন নার্স ও ৮ জন করে স্বেচ্ছাসেবক। তবে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ৮টি টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া আরও দুইটি দল কাজ করছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে।

  • দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম এর বক্তব্য

    দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে অ্যাডভোকেট হাফিজুল ইসলাম এর বক্তব্য

    গত ০৫/০২/২০২১ইং তারিখে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় ১ম পৃষ্ঠায় ১ম কলামে প্রকাশিত “প্রতারণা ও তথ্য গোপন করার দায়ে জামায়াত নেতা হাফিজুল ইসলামকে বার কাউন্সিলের শোকজ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

    উক্ত সংবাদটি অসত্য, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর, হীন উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মানহানিকর। উক্ত সংবাদের শিরোনামটিও চরম মিথ্যাচার বটে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আমাকে শোকজ করেননি।

    কথিত নোমান মোল্লার মিথ্যা আবেদনের প্রেক্ষিতে বার কাউন্সিল আমার বক্তব্য জানতে চেয়েছেন। আমি গত ২৬/০১/২০২১ইং তারিখে বার কাউন্সিলের বিজ্ঞ সেক্রেটারী মহোদয় বরাবরে আমার লিখিত বক্তব্য প্রদান করেছি। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    এ প্রসঙ্গে আমার বক্তব্যঃ
    ১। কথিত সংবাদে আমাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা উল্লেখ করে বলা হয়েছে আমি নাকি হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে সরকার বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছি। এ প্রসঙ্গে আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো- আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের কোন পর্যায়ের নেতা কর্মী নই কি কোন রাজনৈতিক দলের পদ পদবী বহন করিনা। তবে, একজন মুসলিম হিসেবে জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলামী বিধি বিধান প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার আমি একজন সমর্থক। এতবস্থায় কথিত নেতা উল্লেখ করা এবং কথিত সরকার বিরোধী কর্মকান্ডে সংশ্লিষ্টতা সংক্রান্ত কথিত সাংবাদিকের অনুসন্ধানী বক্তব্য জঘন্য মিথ্যাচার এবং হলুদ সাংবাদিকতার বহিঃপ্রকাশ বটে।

    ২। ইতিপূর্বে কথিত অভিযোগকারী নোমান মোল্লা হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার ৩নং মুড়িয়াউক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষর ও সীল জ্বাল করে তার নামে আমার বিরুদ্ধে গত ০৩/০৯/২০১৯ইং তারিখে একই অভিযোগ বর্ণনায় আমার সদস্যপদ বাতিলের প্রার্থনায় হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি/সাধারন সম্পাদাক বরাবরে আবেদন করেন। পরবর্তীতে উক্ত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম উল্লেখিত ০৩/০৯/২০১৯ইং তারিখের কথিত অভিযোগ প্রত্যাহার/বাতিল ও জ্বাল জ্বালিয়াতির সহিত জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে বিগত ২৯/০৯/২০১৯ইং তারিখে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি/সাধারন সম্পাদাক বরাবরে আবেদন করেন এবং মাননীয় চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল মহোদয়কে সদয় অবগতি ও কার্য্যার্থে অনুলিপি প্রদান করেন। পরবর্তীতে কথিত অভিযোগকারী নোমান মোল্লা আমার সুনাম ও সম্মান হানীর অসৎ উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে গত ০২/১০/২০১৯ইং তারিখে একই অভিযোগ বর্ণনায় আমার সদস্যপদ বাতিলের প্রার্থনায় হবিগঞ্জ জেলার বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়সহ হবিগঞ্জ জেলার সকল বিজ্ঞ জজ/ম্যাজিস্ট্রেট ও সভাপতি/সাধারন সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতি বরাবরে আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের সহিত দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব দেওয়ান হোসাইন আহমদ চৌধুরীর স্বাক্ষর সম্বলিত একখানা প্রত্যয়নপত্র সংযুক্তি হিসাবে দাখিল করিলে উক্ত প্রধান শিক্ষক জনাব দেওয়ান হোসাইন আহমদ চৌধুরী বিগত ০৬/১০/২০১৯ইং তারিখে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি/সাধারন সম্পাদাক বরাবরে এই মর্মে আবেদন করেন যে, কথিত অভিযোগের সহিত দাখিলকৃত প্রত্যয়ন পত্র তিনি প্রদান করেন নাই কি কথিত প্রত্যয়ন পত্রের স্বাক্ষর তার নহে এবং তিনি তার আবেদনে কথিত অভিযোগকারী হাজী নোমান মোল্লা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান এবং মাননীয় চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল মহোদয়সহ হবিগঞ্জ জেলার বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়সহ অন্যান্য বিচারক/ম্যাজিস্ট্রেটগনের সদয় অবগতি ও কার্য্যার্থে অনুলিপি প্রদান করেন। উল্লেখিত বিগত ০২/১০/২০১৯ইং তারিখের অভিযোগকারীর আবেদন এবং ০৬/১০/২০১৯ইং তারিখের প্রধান শিক্ষকের আবেদনের প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ জেলার বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মহোদয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সভাপতি/সাধারন সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতিকে অবহিত করলে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির গত ১০/০৩/২০২০ইং তারিখের কার্যনির্বাহী কমিটির ১১তম সভায় উল্লেখিত সকল আবেদন একসাথে পর্যালোচনাক্রমে আমার সদস্যপদ বাতিলের প্রার্থনায় দাখিলকৃত কথিত অভিযোগকারী হাজী নোমান মোল্লার আবেদন নামঞ্জুরক্রমে নথিভুক্ত করেন।

    ৩। অভিযোগকারী হাজী নোমান মোল্লা কর্তৃক আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কারনঃ
    (ক) অভিযোগকারী হাজী নোমান মোল্লা ও আমি উভয়েই লাখাই উপজেলার অধিবাসী হইলেও তাহার বাড়ি আমার গ্রামের বাড়ি হইতে অনুমান ১০ কিঃমিঃ দূরে। তাহার বিরুদ্ধে অনেক ফৌজদারী মামলা বিচারাধীন আছে। সে দ্রæত সিআর ২৯/১৮ইং(লাখাই) নং মোকদ্দমায় ০৯/০৯/২০১৯ইং তারিখ হইতে ২২/০৯/২০১৯ইং তারিখ পর্যন্ত হাজত বাস করিয়াছে। তাহাছাড়া সে দায়রা ১৫৬/২০ইং, ধারাঃ ৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৮৫/৪২৭/১১৪ দঃবিঃ নং মোকদ্দমার ৬নং আসামী। আমি উভয় মোকদ্দমার বাদী পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবি।
    (খ) উক্ত হাজী নোমান মোল্লা একজন পেশাদার জ্বালিয়াত, প্রতারক, সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎকারী এবং টাউট প্রকৃতির লোক। সে গ্রামের সহজ সরল নীরিহ লোকদের ভুল বুঝাইয়া মামলা মোকদ্দমা করাইয়া এবং মিথ্যা মামলা মোকদ্দমায় জড়াইয়া হয়রানী করা এবং নিজের স্বার্থ সিদ্ধি করা তার নেশা ও পেশা। তার বিভিন্ন দূর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে এলাকার বিভিন্ন লোক হবিগঞ্জ জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে একাধিক আবেদন করেছে। এতদ সংক্রান্তে স্থানীয় পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হইয়াছে।
    (গ) কথিত অভিযোগকারী নোমান মোল্লা অভিযোগের সহিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ড বরাবরে দিনারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের একটি পত্র সংযুক্ত আছে। অভিযোগকারী নিজে কোন মুক্তিযোদ্ধা নয় কি কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানও নয়। এমতবস্থায় মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডের বরাতে উক্ত পত্র সরবরাহ হওয়ার কারন হলো আমার এক শ্রদ্ধেয় সহকর্মী বিজ্ঞ এডভোকেট জনাব সালেহ উদ্দিন আহম্মদ(সশস্ত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা) সাহেব তাহাকে(অভিযোগকারীকে) নেপথ্যে সার্বিক সহায়তা ও দিক নির্দেশনা দিয়া আসছেন। উক্ত বিজ্ঞ আইনজীবি আমার প্রতিবেশী। তিনি আমার পিতা ও চাচাদের মালিকানাধীন ভুমি তার নের্তৃত্বাধীন স্থানীয় লাঠিয়াল বাহিনী দিয়া জবর দখল করতে অপচেষ্টা করলে আমার এক চাচা- জনাব দিলাল মিয়া সহকারী জজ লাখাই আদালতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনায় স্বত্ব ৫৮/১৮ইং নং মোকদ্দমা দায়ের করেন। উক্ত মোকদ্দমায় আমাদের পক্ষে ডিক্রি হয়। তাছাড়া উক্ত বিজ্ঞ আইনজীবি মহোদয় আমার এক চাচাতো ভাই- মোঃ মোশারফ আহমদের নিকট ২০০৭ইং সনে একটি জমি বিক্রি করেছিলেন কিন্তু তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সিনিয়র আইনজীবি ও এপিপি হিসাবে দাপট প্রদর্শন করিয়া অদ্যাবধি রেজিস্ট্রি করিয়া দিচ্ছেন না এবং বাকীতে কাঠ বিক্রির পাওনা ১০৯০০/= টাকা পরিশোধ করছেন না। উক্ত বিষয়ে আমার চাচাতো ভাই- মোঃ মোশারফ আহমেদ হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতি, জেলা প্রশাসক হবিগঞ্জ ও পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ বরাবরে প্রতিকার চাইয়া আবেদন করেন। এতদসংক্রান্তে স্থানীয় একাধিক পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশিত হয়। তাছাড়া আমার চাচাতোভাই মোশাহিদের দায়েরী দ্রæত সিআর ৩২/১৮ইং(লাখাই) মামলায় এবং আমার ফুফু হাজেরা বেগমের দায়েরী ৪৪/১৮ইং(লাখাই) মামলায় উক্ত এডভোকেট সালেহ সাহেবের মোহরী, মোহরীর পুত্র, ভাগ্না, নাতি বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটেছে। ফলে উক্ত বিজ্ঞ আইনজীবি মহোদয় আমার আক্রোশান্বিত হইয়া আমার পরিচালনাধীন মামলায় জেল খাটা পাগলা কুকুরের ন্যায় ক্ষীপ্ত নোমান মোল্লাকে আমার পেছনে লেলিয়ে দিয়েছেন।

    পরিশেষে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বন্ধুকে যাচাই বাচাই করে বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের অনুরোধ করছি।

  • হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রলীগ

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিতে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রলীগ

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে জেলা ছাত্রলীগের জরুরী সভা হয়েছে।

    আজ (শনিবার) রাতে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি।

    এতে সভাপতিত্ব করেছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাইদুর রহমান ও পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহী।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী ও পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী।

    বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আবুল ফজল, জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, মশিউর রহমান শামীম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম প্রমুখ।

    সভায় এমপি আবু জাহির বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয়নি। তবে সংগঠনে আদর্শ পরিপন্থী কর্মীদের বিশ্বাস ঘাতকতার কারণে অনেক জায়গায় নৌকার প্রার্থীকে বিপাকে পড়তে হয়। হবিগঞ্জ পৌরসভায় যেন এমনটা না হয় সেজন্য তিনি ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীকে সজাগ থেকে নৌকার বিজয় নিশ্চিতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

    সংসদ সদস্য মজিদ খান বলেছেন, জেলা সদরের পৌরসভায় নৌকার বিজয় চাই। এর বিকল্প নেই। মানুষ নৌকার প্রতি আন্তরিক। তবে নেতাকর্মীদের মানুষের ঘরে ঘরে যেতে হবে। তবেই নৌকার গণ জোয়াড় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

  • হবিগঞ্জে ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    হবিগঞ্জে ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়।

    র‌্যালিটি জেলা সভাপতি তারেকুল ইসলামের নেতৃত্বে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

    র‌্যালি শেষে সমাবেশে জেলা সভাপতি তারেকুল ইসলাম বলেন, “সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ছাত্রসমাজের মাঝে ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি বক্তৃতায় ছাত্রসমাজকে ছাত্রশিবিরের পাশে থেকে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আহ্বান জানান।

    উল্লেখ, ১৯৭৭ সালের এই দিনে ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রমিক নাগরিক তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির ছাত্রসমাজের মাঝে কাজ করে যাচ্ছে।

  • তেঘরিয়ায় নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে বৈঠক

    তেঘরিয়ায় নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে বৈঠক

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে তেঘরিয়া এলাকাবাসীর উদ্যোগে উঠান বৈঠক হয়েছে। আজ শনিবার রাতে উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন এলাকার সর্দার মোঃ সিরাজ মিয়া এবং পরিচালনায় ছিলেন মোঃ মিজানুর রহমান।

    বক্তব্য রাখেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান তালুকদার, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, মোঃ নুরুজ্জামান চৌধুরী, আলী আফছর মামুন, এসএম আব্দুর রউফ মাসুক, বিপ্লব রায় চৌধুরী, শফিকুজ্জামান হিরাজ, ফেরদৌস আহমেদ, শাহীন তালুকদার, ডাঃ ইশতিয়াক রাজ চৌধুরী, হারুন মিয়া, বুলবুল চিশতী, আব্দুল মন্নান, মোস্তফা মিয়া, ফজলুল করিম, মোঃ সিরাজ মিয়া, আব্দুল মতিন, ছালেক মিয়া, সজল খান, অ্যাডভোকেট আলী আফজল আপন ।

    উঠান বৈঠকে মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ ও জনসেবার কথা তুলে ধরে বলেন, মানুষের জন্য রাজনীতি করছি দীর্ঘদিন। হবিগঞ্জ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুযোগ পেলে শহরকে উন্নয়নের মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করতে চাই। জনগণকে সাথে নিয়ে তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে সকল মানুষের প্রতিষ্ঠান করতে চাই এ পৌরসভাকে। আমি নির্বাচিত হলে সেবার জন্য কাউকে দৌড়াতে হবে না। আমি মানুষের কাছে সেবা পৌছে দিতে কাজ করব। তিনি একটি বারের মতো সকলের কাছে সুযোগ চাইলে উপস্থিত লোকজন হাত তুলে তাকে সমর্থন জানান।

  • লোকড়ায় তিন কোটি টাকায় নির্মিত স্কুল উদ্বোধন

    লোকড়ায় তিন কোটি টাকায় নির্মিত স্কুল উদ্বোধন

    বদরুল আলমঃ সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির বলেছেন, গত এক যুগে হবিগঞ্জে ইর্ষণীয় উন্নয়ন হয়েছে। আশপাশের অনেক জেলায় মন্ত্রী ও বড় মাপের রাজনীতিক আছেন। কিন্তু তাদের এলাকায় মেডিক্যাল কলেজ আনতে পারেননি। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নিকট থেকে আপনাদের জন্য একটি মেডিক্যাল কলেজ ও আরেকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এনে দিয়েছি। এমন উন্নয়নে সিলেট অ লের মানুষ হবিগঞ্জকে নিয়ে এখন আলোচনা করেন।

    লোকড়া ইউনিয়নের আষেঢ়া উচ্চ বিদ্যালয়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেলে এমপি আবু জাহিরকে দেয়া গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেছেন। ভবনটি তিনি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে নির্মাণ করে দিয়েছেন।

    সংসদ সদস্য আরও বলেন, নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার কারণেই হবিগঞ্জে অভাবনীয় সকল উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেয়ার বিকল্প নেই। জনগণের স্বার্থে তিনি আগামী সকল নির্বাচনে স্বাধীনতার এ প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য উপস্থিতির প্রতি আহবান জানান। গণসংবর্ধনায় আসা আড়াই সহশ্রাধিক মানুষ হাত তুলে এমপি আবু জাহির এর বক্তৃতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

    লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রইছ মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাছের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতি ছিলেন হবিগঞ্জ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার সরকার, সাবেক চেয়ারম্যান আক্রাম আলী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী, এলাকার মুরুব্বী হাজী মিয়া ধন মিয়া, আব্দুস সাত্তার তালুকদার, জাহির মিয়া মাস্টার, আজদু মিয়া, মোজাম্মেল হক মনু, জিলাল উদ্দিন, সাবুদ আলী, প্রবাসী সাইফুল ইসলাম, আব্দুল বারিক চৌধুরী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফতাব উদ্দিন, সহকারী শিক্ষক লিটন তালুকদার, সাধন চৌধুরী, আলী মাস্টার, ইউপি সদস্য আব্দুল্লাহ চৌধুরী, আশরাফ আলী ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সুজাতসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গন্যমান্য  ব্যক্তিরা।

    অনুষ্ঠানে বরকত আলীর বাড়ি থেকে পাঁচ পীরের মাজার পর্যন্ত, বদলপুর মসজিদ থেকে ভাটপাড়া মসজিদ পর্যন্ত ও শাহ মিসকিন মাজার থেকে ফান্দ্রাইল মাদ্রাসা পর্যন্ত ও বদলপুর মসজিদ থেকে রাইপুর পর্যন্ত বড় চারটি রাস্তা পাকাকরণ ও একটি কলেজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন এমপি আবু জাহির। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই সংসদ সদস্যকে শতাধিক ব্যক্তি, সংগঠন এবং এলাকাবাসীর পক্ষে ফুলের তোড়া এবং সম্মাননা সারক প্রদান করা হয়।

  • নৌকার বিজয় নিশ্চিতে কাজ করবে পৌর আওয়ামী লীগ

    নৌকার বিজয় নিশ্চিতে কাজ করবে পৌর আওয়ামী লীগ

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। কোন ব্যক্তির জন্য দল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। সংগঠন পরিপন্থী এ কাজ সহ্য করা হবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন নির্দেশ দিয়েছেন। নেত্রীর নির্দেশ মাথায় রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের নৌকার বিজয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের জরুরী সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি একথা বলেছেন। তখন এমপি আবু জাহির এর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মী হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিতের জন্য কাজ করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ হন।

    সভায় বিশেষ অতিথি’র বক্তৃতায় সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান বলেন, আওয়ামী লীগ একটি সুসংগঠিত ও বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এখানে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে জাতির পিতার আদর্শ ভুলে গেলে চলবে না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীরা আওয়ামী লীগের প্রকৃত কর্মী না। এমন কর্মী থাকার চেয়ে না থাকাই ভাল। তিনিও হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

    পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা ও হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী টিপু, অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান তালুকদার, জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির বকুল, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা শাহবাজ চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন কলি, শেখ মামুন, জুনায়েদ মিয়া প্রমুখ।