Author: Habiganj News

  • নবীগঞ্জে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

    নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌর এলাকার কেলী কানাইপুর মাঠে অনুষ্টিত হয়েছে টি টুয়েন টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা।

    সোমবার সকালে অনুষ্টিত ফাইনাল খেলায় অংশ নেন জয়নগর স্পোটিং ক্লাব বনাম কেলী কানাইপুর ভোরের পাতা স্পোটিং ক্লাব।

    খেলার প্রথমার্ধে ব্যাট করতে নেমে এসে সব ক’টি ইউকেটের বিনিময়ে ভোরের পাতা স্পোটিং ক্লাব ২১৭ রান করে। জবাবে জয়নগর স্পোটিং ক্লাব ১৭৯ রান করে অল আউট হয়ে পড়ে।

    খেলা শেষে অনুষ্টানের প্রধান অতিথি নবীগঞ্জ পৌর সভার প্যানেল মেয়র-১ ও আওয়ামীলীগ নেতা এটিএম সালাম বিজয়ীদের হাতে চ্যাম্পিয়ান টপি তোলে দেন।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কবির মিয়া, মুক্তার মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজুর রহমান, রাসেল মিয়া প্রমূখ। এ সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্যানেল মেয়র-১ এটিএম সালাম বলেন, পড়ালেখ্রা পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোবেশিত হলে বিভিন্ন অপরাধ থেকে নিজেদের দুরে রাখা সম্ভব হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা খেলাধুলার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।

  • হবিগঞ্জে ৫ হাজার সরকারি বইসহ আটক ২

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ পৌর বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ২০১৯ সালের ৫ হাজারের অধিক সরকারী বই উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় দুইজনকে আটক করা হয়।

    সোমবার (১৪ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ কোর্ট স্টেশন পুলিশ এক অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত পরিমাণ বইসহ ওই দুইজনকে আটক করে।

    আটক করা হলো- লাখাই উপজেলার পশ্চিম বুল্লা গ্রামের আমিরুল মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের নূর মিয়ার ছেলে হাশিম মিয়া (৩৫)।

    পুলিশ জানায়, আটককৃত উভয়েই ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী। বইগুলো তারা কেজি হিসেবে ক্রয় করে দোকানে রেখেছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ পরিদর্শক গোলাম কিবরিয়া হাসানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে এসব জব্দ এবং দুইজনকে আটক করে। জব্দকৃত বইগুলো অষ্টম, ৫ম, তৃতীয় ও এবতেদায়ী শ্রেণির।

    হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারি বইগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে রেখে দেয়া হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫ হাজারেরও অধিক বইসহ দুইজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মূল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণা ১৭ ফেব্রুয়ারি

    করাঙ্গীনিউজ: একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

    সোমবার ইসি ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    এছাড়া আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে নির্বাচন শুরু হবে বলে জানান নির্বাচন কমিশন সচিব।

    হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

    তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরিকল্পনা ধাপে ধাপে করা হবে। এছাড়া সদর উপজেলার ভোট হবে ইভিএম পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

    এর আগে বিকালে সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল নির্ধারণ, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের তফসিল নির্ধারণ, পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও আওয়ামী লীগের স্মারকলিপি বিষয়ে আলোচনায় বসেন নির্বাচন কমিশনাররা।

  • হারিয়ে যাচ্ছে সিলেটী চুঙ্গাপিঠার প্রধান উপকরণ ডলুবাঁশ 

    পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): সিলেটের প্রাচীন ঐতিহ্য পিঠে-পুলির মধ্যে বিশেষ করে চুঙ্গা পিঠা প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আগের মতো এখন আর গ্রামীণ এলাকার বাড়িতে বাড়িতে চুঙ্গাপুড়ার আয়োজন চোখে পড়ে না।

    শীতের রাতে খডকুটো জ্বালিয়ে সারারাত চুঙ্গাপুড়ার দৃশ্য ও তাই দেখা যায় না। এক সময় ছিলো বাজারে মাছের মেলাও বসতো। সেই মেলা থেকে মাছ কিনে কিংবা হাওর-নদীর হতে বড় বড় রুই,কাতলা,চিতল, বোয়াল ,পাবদা, কই,মাগুর, মাছ ধরে নিয়ে এসে হাল্কা মসলা দিয়ে ভেজে (আঞ্চলিক ভাষায় মাছ বিরান) দিয়ে চুঙ্গাপুড়া পিঠা খাওয়া ছিলো মৌলভীবাজার ও সিলেটের ( সনাতন ধর্মীদের )একটি অন্যতম ঐতিহ্য। চুঙ্গাপিঠা তৈরির প্রধান উপকরণ ঢলু বাঁশ ও বিন্নি ধানের চাল (বিরইন ধানের চাল) সরবরাহ এখন অনেক কমে গেছে।

    অনেক স্থানে এখন আর আগের মতো চাষাবাদ ও হয় না। মৌলভীবাজারের বড়লেখার পাথরিয়া পাহাড়, জুড়ীর লাঠিটিলা, রাজনগরসহ বিভিন্ন উপজেলার টিলায় টিলায় ও চা-বাগানের টিলায় ,কুলাউড়ার গাজীপুরের পাহাড়,ও জুড়ী উপজেলার চুঙ্গাবাড়ীতে এবং কমলগঞ্জের পাহাড়ী এলাকায় প্রচুর ঢলুবাঁশ পাওয়া যেতো। তন্মধ্যে চুঙ্গাবাড়ী ও এক সময় প্রসিদ্ধ ছিলো ডলুবাঁশের জন্যে। অনেক আগেই বনদস্যু ও ভুমিদস্যু এবং পাহাড়খেকোদের কারনে বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাওয়ায় হারিয়ে গেছে ডলুবাঁশ । তবে জেলার কিছু কিছু টিলায় এখন ও ঢলুবাঁশ পাওয়া যায়। পাহাড়ে বাঁশ নাই বলে বাজারে এই ঢলুবাঁশের দামও এখন তাই বেশ চড়া।

    ব্যবসায়ীরা দূরবর্তী এলাকা থেকে এই ঢলুবাঁশ ক্রয় করে নিয়ে যান নিজ নিজ উপজেলার বাজার সমুহে বিক্রির আশায়। এই বাঁশটি ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।

    ডলুবাঁশ ছাড়া চুঙ্গাপিঠা তৈরি করা যায় না কারন ঢলুবাঁশে এক ধরনের তৈলাক্ত রাসায়নিক পদার্থ আছে, যা আগুনে বাঁশের চুঙ্গাকে না পোড়াতে সাহায্য করে। ডলুবাঁশে অত্যধিক রস থাকায় আগুনে না পুড়ে ভিতরের পিঠা আগুনের তাপে সিদ্ধ হয়।

    ডলুবাঁশের চুঙ্গা দিয়ে ভিন্ন স্বাদের পিঠা তৈরি করা করা হয়ে থাকে। কোনো কোনো জায়গায় চুঙ্গার ভেতরে বিন্নি চাল,দুধ, চিনি,নারিকেল,ও চালের গুড়া দিয়ে পিঠা তৈরি করা হয়। বর্তমানে এই ডলুবাঁশ তেমন পাওয়া যায় না। যদি পাওয়া যায় দাম বেশি থাকায় ক্রেতা আগ্রহ প্রকাশ করেন না। তাই চুঙ্গা পিঠা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

  • কমলগঞ্জে পৌষ সংক্রান্তিতে মাছের মেলা

    পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সনাতনী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পৌষ সংক্রান্তি উৎসব উপলক্ষে উপজেলার মুন্সীবাজার, ভানুগাছ বাজার, আদমপুর বাজার, শমসেরনগর ও শহীদনগর বাজারে বসেছে বিরাট মাছের মেলা।

    সোমবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিভিন্ন জাতের বড় আকারের মাছ সাজিয়ে বসেন মাছ বিক্রেতারা।

    পৌষ পার্বন উপলক্ষে বড় আকর্ষণ থাকে বাজার থেকে পছন্দ মত বড় আকারের মাছ কিনে খাবার তৈরী করা।

    দুপুরে ভানুগাছ বাজারে মাছের মেলা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মাছের দোকানে ছোট ও বড় আকারের মাছ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বাজারে বাঘ মাছ, চিতল, রুই, কাতলা, বোয়াল, মৃগেল, পাঙ্গাস, আইড়, ব্রিগেট, ঘাস কার্পসহ রয়েছে নানা জাতের সামুদ্রিক মাছ। কিছু কিছু দুর্লভ মাছ যে গুলো সহজে হাট বাজারে পাওয়া যায় না এমন মাছও সাজিয়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। বিক্রেতারাও বেশ চড়া দাম হাকাচ্ছেন।

    ভানুগাছ বাজারে মাছের মেলায় ৩০ কেজি ওজনের একটি বাঘ মাছের বিক্রেতা দাম হাঁকাচ্ছেন ৭৫ হাজার টাকা। আরেকটি ১৫ কেজি ওজনের বাঘ মাছের দাম বলা হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ২০ কেজি ওজনের একটি বোয়াল মাছের দাম ছিল ৩৫ হাজার টাকা।

    ক্রেতা মিকন দেবনাথ, উজ্জল দেব, শাওন ইসলাম, মুজিবুর রহমান, রাজ্জাক মিয়া জানান, এ উৎসবে বাজারে নানা জাতের বড় আকারের মাছ উঠে। এটি দেখারও একটি বিষয় থাকে। তাছাড়া বর্তমান বাজারে মাছের দাম বেশ চড়া।

    মধ্যবৃত্ত পরিবারের জন্য বাজারে মাছ ক্রয় করা বেশ কষ্ঠসাধ্য। তারপরও উৎসব উদযাপনে যে যার সাধ্যমত মাছ কিনেছেন। দাম বেশী হলেও পরে দরা কষাকষি করে কিনে নিচ্ছেন। মাছ বিক্রতা ইমন আলী বলেন, দাম বড় কথা নয়। মূলত ক্রেতাদের আকর্ষিত করে এমন বড় আকারের মাছ সরবরাহ করা হয় মাছ মেলায়। যদিও চড়া দামের বলা হলেও ক্রেতারা দরাদরি করে পড়ে সহনীয় পর্যায়ে দাম হলে কিনে নিচ্ছেন। আমার এখানে ৩০ কেজি ওজনের বাঘ মাছের দাম চাচ্ছি ৭৫ হাজার টাকা।

    ক্রেতার ইতিমধ্য মাছটির দাম ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। আশা করছি মাছটি কাঙ্কিত দামে বিক্রি করতে পারবো। মাছের আড়ৎদার আব্দুল জলিল বলেন, আগের চেয়ে এখন দেশীয় মাছের সরবরাহ অনেক কমে গেছে। সাধারনত বাজারে এত বড় আকারের মাছ উঠে না।

    পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাওর, বাওর, বিল ও বড় নদী থেকে ধরে আনা বড় আকারের মাছ এ বিশেষ দিনের জন্য সরবরাহ করতে হয়। তাই প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তারা বাজারের নানা জাতের বড় আকারের মাছ সরবরাহ করেছেন।

    মাছের মেলা সোমবার গভীর রাত এমনকি মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এ বিক্রয় চলবে বলে আড়ৎদার জানান।

  • সংরক্ষিত আসনে এমপি পদে নবীগঞ্জের ৪ নারী আলোচনায়

    এম,এ আহমদ আজাদ,নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ): সংরক্ষিত আসনের এমপি পদে নবীগঞ্জের চার মহিলা প্রার্থী এখন আলোচনা শীর্ষে। কে হবেন এটা এখনো বলা যাচ্ছে না। এই চারজনের বাহিরের কেউ হতে পারেন সব নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় কমিটির সিন্ধান্তের উপর।

    সিলেট-হবিগঞ্জ জেলা নিয়ে গঠিত সিলেট বিভাগের সিলেট-হবিগঞ্জ সংরক্ষিত আসনে দশম সংসদে এমপি ছিলেন আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী।

    একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি হবিগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে পাননি। তিনি হবিগঞ্জ-১ আসনের অপর উপজেলা বাহুবলের কাগাউড়া গ্রামের বাসিন্ধা।

    সিলেট বিভাগের সংরক্ষিত এই আসনে নবীগঞ্জ উপজেলার ৪ জন নতুন প্রার্থী দুটি সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে মরিয়া। তাদের প্রায় সবাই দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়।

    নবীগঞ্জ উপজেলা থেকে ৪ জন প্রার্থী সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান। তারা নানা ভাবে চেষ্টা তদবির করে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের পাল্লামেন্টারী বোর্ডের কাছে। কেউ কেউ আবার গন ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করেছেন। এদের মধ্যে কারও স্বামী বা বাবা-মা, শ্বশুর আওয়ামী লীগের বড় নেতা।

    সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে আগ্রহীদের অধিকাংশই কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে লবিং করছেন। এবারে নতুনদের বেশি সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথা আলোচনায় থাকায় আগ্রহীদের স্বজনরাও তৎপর রয়েছেন।

    আলোচনায় আছেন, সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর মেয়ে ও সিলেট জেলা পরিষদ এর প্যানেল চেয়ারম্যান দেওয়ান রুবা জেবীন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের পর্যবেক্ষক উপ-কমিটির সদস্য ও জালালাবাদ এসোসিশেয়ন এর যুন্ম সম্পাদক ফাহিমা চৌধুরী মনি, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ প্যানেল চেয়ারম্যান, সিনিয়র যুন্ম সাধারণ সম্পাদক যুব মহিলালীগ হবিগঞ্জ জেলা শাখা ও জনাব আলী ডিগ্রি কলেজ ছাএ সংসদ সাবেক জি এস শিরিন আক্তার, হবিগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি ইসমত চৌধুরী ও সংরক্ষিক আসনের সাবেক মহিলা এমপি আবেদা চৌধুরীর কন্যা কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সদস্য ডাঃ নাজরা চৌধুরী, সংরক্ষিত আসনের সম্ভাব্য এই ৪ প্রার্থীর বাড়ি নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

    তারা পারিবারিকভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

    রাজনৈতিক ভাবে তারা বেশ পরিচিত মুখ। এর মধ্যে ডাঃ নাজরা চৌধুরী হবিগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন চেয়েছিলেন কিন্তু ঠিকেট পাননি।

    কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের পর্যবেক্ষক উপ-কমিটির সদস্য ফাহিমা চৌধুরী মনি, বলেন, কোন মন্তব্য না করে বলেন “ প্রধানমন্ত্রী মূল্যায়ন করবেন” সেটাই মেনে নিবো।’

    সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজীর মেয়ে ও সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য দেওয়ান রুবা জেবীন চৌধুরী সংরক্ষিত আসনের ব্যাপারে তিনি আমি মনোনয়ন চাইবো সব কিছু নেত্রীর হাতে তিনি যা ভাল মনে করেন সেটাই মেনে নিবো। হবিগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী ও জেলা পরিষদ সদস্য শিরিন আক্তার অবশ্য নিজে আগ্রহী। তিনি বলেন আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছি আশা করি দল আমাকে মুল্যায়ন করবে।

    কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য উপ-কমিটির সদস্য ডাঃ নাজরা চৌধুরী, তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়ে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি। আওয়ামী লীগের সুখে-দুঃখে ছিলাম, আছি।মা-বাবা দুইজনই আওয়ামীলীগের এমপি ছিলেন দলের জন্য কাজ করেছেন আশা করি এসবের মূল্যায়ন পাব।’

  • মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ২১ জানুয়ারি

    করাঙ্গীনিউজ: একাদশ সংসদের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক আগামী ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

    তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার এ বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্য উপস্থিত থাকবেন।

    প্রসঙ্গত, ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে নিরঙ্কুশ জয় পায়। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট পায় মাত্র ৮ আসন।

    টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়া শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৪৭ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য গত সোমবার শপথ নেন। তাদের মধ্যে মন্ত্রী ২৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ ও উপমন্ত্রী তিনজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দায়িত্বে রয়েছে চার মন্ত্রণালয় ও দুই বিভাগ। সেগুলো হচ্ছে- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।