Category: হবিগঞ্জ

  • শেখ হাসিনা মেডিক্যালের অধ্যক্ষকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

    শেখ হাসিনা মেডিক্যালের অধ্যক্ষকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

    যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাক্তার আবু সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    আজ সোমবার  দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১১ ঘটিকায় থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সংস্থাটির উপ-পরিচালক শামসুল আলম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    যাদের কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তারা হলেন- হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের প্রধান ডা. মো. শাহিন ভূঁইয়া, প্রভাষক পংকজ কান্তি গোস্বামী, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মো. জাহাঙ্গীর খান ও ডা. কুদ্দুস মিয়া, এনাটমি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. প্রাণ কৃষ্ণ বসাক এবং পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক ডা. নাসিমা খানম ইভা।

    অভিযোগের বিষয়ে জানা যায়, হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আবু সুফিয়ান ও অন্যদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামাদি ও আসবাবপত্র কেনার নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

  • নকলে সহযোগিতায় সচিবসহ ৩ শিক্ষকের জেল

    নকলে সহযোগিতায় সচিবসহ ৩ শিক্ষকের জেল

    চুনারুঘাটে কেন্দ্র সচিবসহ তিন শিক্ষককে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।রোববার রাত ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা।

    উপজেলার পঞ্চাশ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কেন্দ্রে প্রশ্নের মাঝে উত্তর লিখে পরীক্ষার্থীদের সরবরাহের অপরাধে তাদের কারাদন্ড দেয়া হয়।একই সঙ্গে কেন্দ্র থেকে উত্তর লেখা ১১৭টি প্রশ্ন জব্দ করা হয়।

    দন্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন, পঞ্চাশ উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের কেন্দ্র সচিব, শিক্ষক কামাল উদ্দিন ও শিক্ষক দ্বিপন চন্দ্র পাল।
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ রানা জানান, এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে ওই তিন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিখিত উত্তরপত্র সরবরাহ করেন। পরে বিষয়টি ইউএনও সত্যজিত রায় দাশসহ সংশ্লিষ্টদের নজরে আসলে তাদের আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নেয়া হয়।

    তিনি আরো জানান, ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেন তারা। পরে তাদের ছয় মাস করে কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়াও ১২৭টি লিখিত উত্তরপত্র জব্দ করা হয়।

    জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর অসাধু উপায় অবলম্বন সহ্য করা হবে না। যে অসাধু উপায় অবলম্বন করবে তার বিরুদ্ধেই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তারেক মোঃ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মর্জিনা আক্তার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ রুহু উল্যাহ।

  • কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষণা করতে হবে হবিগঞ্জে আল্লামা শফী

    কাদিয়ানীদের কাফের ঘোষণা করতে হবে হবিগঞ্জে আল্লামা শফী

    হবিগঞ্জ উমেদনগর জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক সভা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন’।

    গতকাল শুক্রবার সকাল হতে হবিগঞ্জ শহরের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শুরু হয়ে আজ  সকালে ভোরে আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই সম্মেলন।

    আখেরী মোনাজাত করেন হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শায়খ আব্দুল মোমিন।

    প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন  হেফাজতে ইসলামীর নায়েবে আমির আল্লামা শাহ আহমেদ শফী।

    এই সময় তিনি বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    আল্লামা শফী বলেনঃ “কাদিয়ানীরা কাফের, তাদের কে রাষ্ট্রীয়ভাবে কাফের ঘোষণা করতে হবে, তাদের সাথে কোন সম্পর্ক করা যাবে না, তাদের কে মুসলমানদের কবর দেওয়া যাবে না এবং তাদের কে যারা কাফের মনে করবে না তারাও কাফের হয়ে যাবে”।

    তিনি আরো বলেন;- “শিক্ষার্থীদেরকে মোবাইলের নেতিবাচক প্রভাব হতে মুক্ত হয়ে লেখাপড়ায় আরো মনোযোগী হতে হবে।

    আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জীর গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

    সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক মাওলানা শুয়াইব আহমদ, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মরহুম আল্লামা তাফাজ্জুল হকের দুইপুত্র হাফেজ মাওলানা মাসরুরুল হক ও হাফেজ মাওলানা তাহফিমুল হক।

    সম্মেলনে দেশ বিদেশ হতে আগত ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তাগন বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের  আখেরি মোনাজাতে  জামিয়ার বর্তমান মুহতামিম মরহুম আল্লামা হবিগঞ্জীর সাহেবজাদা হাফেজ মাওলানা মাসরুরুল হক দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা চেয়েছেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জে নারীসহ প্রায় ২ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

    শায়েস্তাগঞ্জে নারীসহ প্রায় ২ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার

    হবিগঞ্জে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ৬১ হাজার পিস এর ইয়াবার বিশাল চালান আটক করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক পাচারকারী দুই মহিলাকে আটক করা হয়।

    বৃহস্পতিবার রাতে আটককৃতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পরে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

    পুলিশের ধারণা মাদক ব্যবসায়ীরা সিলেট অঞ্চলে নতুন কোন রুট আবিস্কার করেছে। এখন সে রুটের সন্ধানে নেমেছে পুলিশের একাধিক টিম। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বিপিএম, পিপিএম।

    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন, বুধবার জেলার বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ সেলিম গোপন সূত্রে খবর পান দুইজন মাদক ব্যবসায়ী সিলেট থেকে হানিফ পরিবহনের একটি বাসযোগে বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে। বিষয়টি তিনি উর্ধতন  কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

    পরে উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশে তিনিসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এসএম রাজু আহমেদের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই আবুল কালাম আজাদ, এএসআই শামিম রেজাসহ পুলিশ চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নতুন ব্রীজ গোল চত্ত্বরে অবস্থান নেয়।

    গোলচত্ত্বরের পাশে চেকপোস্টে হানিফ পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি থামার সংকেত দিয়ে বাসটি থামিয়ে তল্লাশি শুরু করেন।

    এ সময় বাসে থাকা যাত্রী দুইজন মহিলা দ্রুত নেমে চলে যান। বিষয়টি দেখে সন্দেহ হলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের আটক করে।

    তাদের দেহ তল্লাশি করে নাহিদা বেগমে পেট ও বুকের মাঝখান থেকে টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৫৫ প্যাকেটে ৩১ হাজার পিস এবং শাহিনা খাতুনের পেট ও বুকের মাঝখান থেকে টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় ১৫০ প্যাকেটে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    তাদের নিকট থেকে দুইটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা কয়েকজনের নাম প্রকাশ করেছে। যারা তাদেরকে এসব ইয়াবা ঢাকায় পৌছে দেয়ার জন্য পাঠিয়েছিল।

  • হবিগঞ্জের সন্দীপ এখন সারাদেশের ” ট্যালেন্ট বয় “

    হবিগঞ্জের সন্দীপ এখন সারাদেশের ” ট্যালেন্ট বয় “

    একটানা প্রায় ৩ বছর আইনী লড়াইয়ের পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সন্দীপ সুত্রধর। হাইকোর্টের আদেশে তার পরীক্ষার খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের পর লাভ করলো ট্যালেন্টপুল বৃত্তি। শুধু তাই নয়, তার এই আইনী লড়াইয়ের কারণেই পাল্টে গেল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি অমানবিক নীতি। সন্দীপ এখন সারাদেশের ‘ট্যালেন্ট বয়’।

    জানা যায়, হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সনের পিএসসি পরীক্ষায় এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল মেধাবী শিক্ষার্থী সন্দীপ সূত্রধর। কিন্তু বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম না থাকায় সন্দেহ প্রবণ হয়ে উঠেন তার অভিভাবকরা।

    পরীক্ষার খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেন সন্দীপের পিতা এডভোকেট সুধাংশু সূত্রধর। কিন্তু নীতিমালার দোহাই দিয়ে তার আবেদনটি অগ্রাহ্য করে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এরপর অন্য কোন উপায় না পেয়ে ২০১৭ সালের ১০ জুলাই সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন (নং-৮৮৩২/২০১৭) দায়ের করেন সন্দীপের পিতা। পিটিশনের প্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৬ সনের সকল পিএসসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা ও নম্বরপত্র তলব করা হয়। খাতা ও নম্বরপত্র পর্যালোচনার পর আদালত নিশ্চিত হন সন্দীপ সুত্রধরকে তুলনামূলক কম নম্বর দেয়া হয়েছে। পরে নম্বরপত্র সংশোধন করে তার নাম বৃত্তিপ্রাপ্ততের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ দেন আদালত।

    আদালতের নির্দেশে ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর সন্দীপকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হয় এবং বিষয়টির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে পত্র প্রেরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর একই তারিখে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি ও গ্রেজেড প্রকাশ করে।

    শুধু তাই নয়, রীট পিটিশনের আলোকে নীতিমালারও আংশিক পরিবর্তন করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। ফলে পরিবর্তিত নীতিমালা অনুযায়ী ২০২০ সাল থেকে ইচ্ছে করলেই যে কোন এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী খাতা পুনঃ নিরীক্ষনের সুযোগ পাবে এবং সকল পরীক্ষার্থীর ফলাফল বিবরনীতে গ্রেডের সঙ্গে ‘প্রাপ্ত নম্বর’ উল্লেখ থাকবে।

  • বানিয়াচংয়ে ১৩শ ১০ হেক্টর জমিতে রবিশস্য আবাদ

    বানিয়াচংয়ে ১৩শ ১০ হেক্টর জমিতে রবিশস্য আবাদ

    বানিয়াচং হাওর এলাকা হওয়ায় এখানে ৯০% জমিতে এক ফসল জন্মে। তাই এই উপজেলার ৯০% লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল।

    বানিয়াচংয়ের কৃষক যখন ধান চাষে একেবারেই আগ্রহ হারানোর উপক্রম ঠিক সেই সময়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষককে বিকল্প চাষে আগ্রহী করতে নিয়েছে নানা উদ্যোগ।

    এরই ধারাবাহিকতায় এবার বানিয়াচংয়ে ১৩শ ১০ হেক্টর জমিতে রবিশস্যের আবাদ করা হয়েছে। ধানের বিকল্প হিসেবে শষ্য ও গম চাষে অধিকাংশ কৃষক।

    বছরের পর বছর ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষক। লোকসানের মুখে পড়ে এবার ধান চাষের বিকল্প পেশা খুঁজছে  কৃষক। স্থানীয় কৃষি বিভাগের প্রনোদনায় এবার বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন হাওরে রবিশস্যের ব্যাপক আবাদ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে বেশ ভাল।

    এ সব জমির ফসলের বর্তমান অবস্থা দেখতে হাওরে ছুটে যান প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    গতকাল শেখের মহল্লা ছোট গিলা হাওর ও জয়শ্র হাওর পরিদর্শন করেছেন ইউএনও মোঃ মামুন খন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মতিউর রহমান খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফারুক আমীন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ দুলাল উদ্দিন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তানভীর আহম্মেদ। শেখের মহল্লা ছোট গিলা হাওরের কৃষক মতিন বিশ্বাস, মানিক মিয়া, মোঃ শেলু মিয়া, মোহাম্মদ আলী, মোঃ পারভেজ মিয়া, নানু মিয়া, শাহানুর মিয়া, গোলাম ওয়াহিদ, মুজিবুর রহমান, ফুল মিয়া, জয়শ্রী হাওরের কৃষক শেখ রিয়াজ উদ্দিন, মোফাজ্জল হোসেন, মহিবুর রহমান, হাফিজ আহমেদ, ফয়েজ উদ্দিন সেবুল, মনু মিয়া, জাহির মিয়া, আব্দুর রব, সেলিম মিয়া আরো একাধিক কৃষক এ সকল হাওরে শষ্য, ভুট্টা, গম চাষাবাদ করেছেন।

    তাদের জমিতে এবার বাম্পার ফলন হবে বলে তারা এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বার্হী অফিসার মোঃ মামুন খন্দকার জানান, শুধুমাত্র ধান এর প্রতি নির্ভরশীল হলে চলবে না, ধানের বিকল্প হিসেবে এগুলো চাষাবাদ শুরু করলে বানিয়াচংয়ের কোন জমিই অনাবাদি থাকবে না।

    কোন জমি যেন অনাবাদি না থাকে এজন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করে যেতে হবে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ এক্ষেত্রে কৃষকদের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। কৃষকদের যে কোন পরামর্শের জন্য কৃষক যেন কৃষি অফিসের সাথে সার্বক্ষকি যোগাযোগ রাখে, এছাড়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যার চিত্র তুলে এনে তা সমাধানের পথ খোজে বের করতে হবে।

    উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ দুলাল উদ্দিন জানান, ধানের বিকল্প হিসেবে কৃষকে আগ্রহী করে তুলতে এ বছরে আমরা উন্নতমানের গমবীজ বারি ২৬, ২৭, ২৮, ৩০ উন্নত জাতের সরিষা বারি ১৪, ১৫, ৯ এবং উন্নত মানের ভুট্টা বীজ কুহিনুর কৃষককে বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে।

    সরকার চাচ্ছে কৃষক যেন এক ফসলের উপর নির্ভরশীল না হয়। এ জন্য বিভিন্ন প্রনোদনার মাধ্যমে স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের এ কাজে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি আরো জানান, রবিশস্য আবাদ করার পর সেখানে কৃষক ধানও রোপন করতে পারবে। যে সকল কৃষক একাজগুলো করতে আগ্রহী তাদের কে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

  • হবিগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চমক থাকছে নৌকা বাইছ

    হবিগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে চমক থাকছে নৌকা বাইছ

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে হবিগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন।

    এই উপলক্ষে গতকাল সোমবার বিকেলে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা তার কার্যালয়ে এক পরামর্শ সভার আয়োজন করেন।

    পরামর্শ সভায় পুলিশ সুপার জানান, আগামী মাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে হবিগঞ্জে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে হবিগঞ্জ পুলিশ ।

    ৩টি ক্যাটাগরিতে এ নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পুরুষদের জন্য ২টি ক্যাটাগরি এবং মেয়েদের জন্য ১টি ক্যাটাগরি।

    যেহেতু হবিগঞ্জে মেয়েদের নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা কখনও হয়নি সেখানে আর মহিলাদের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে না।

    প্রতিযোগীতায় পুরুষ ডিঙ্গি নৌকা মাঝির সংখ্যা ১ জন ও মাল্লার সংখ্যা ৭ জন থাকবে। প্রতিযোগিতায় বড় নৌকাগুলোতে মাঝি মাল্লা মিলিয়ে ৫০ জন বাইচে থাকবেন।

    পরামর্শ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) এসএম রাজু আহমেদ, সহকারি পুলিশ সুপার মানছুরা আক্তার, ডাঃ অসিত রঞ্জন দাশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, ডিআইও-২ মোঃ আনিসুর রহমান, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান টিভির হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি এসএম সুরুজ আলী প্রমূখ।