Category: হবিগঞ্জ

  • এ যেন দ্বিতীয় পইলের সাব

    এ যেন দ্বিতীয় পইলের সাব

    হবিগঞ্জে এক নামে পরিচিত পইলের সাব আজ আর নেই। সবাইতো আর চিরদিন থাকবে না।  তবে পইলের সাবের সুনামধন্য ছেলে সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ তো আছেন। যিনি পইলের সাবের ন্যায় মানুষের সেবায় নিজেকে দিন রাত সঁপে দিয়েছেন।  তাই পইলের সাবের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মানুষের কাছে তিনিই যেনো দ্বিতীয় পইলের সাব। 

    দ্বিতীয় পইলের সাব তথা সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ সম্পর্কে কিছুটা তুলে ধরা হলো ছবি ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত।

    কোন এলাকার মানুষকে যদি মাদকাসক্ত থেকে বাঁচাতে হয় তাহলে সেই এলাকার মধ্যে বেশি বেশি খেলাধুলার  আয়োজনের বিকল্প নেই।

    তাই নিজ ইউনিয়নের যুবকদের খেলাধুলায় পারদর্শী করে তুলতে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলার আয়োজন করেন তিনি। বেশিরভাগ খেলা হয় পইলের ইউনিয়ন মাঠে।

    প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চক্ষু শিবির আয়োজন করে শতশত রোগীদের চোখের ছানি অপারেশন করিয়ে থাকেন।

    কোরবানীর ঈদ আসলেই ৩০/৩৫ টা গরু কোরবানী দিয়ে অসহায়দের মধ্যে নুন্যতম ২কেজি করে মাংস বিলি করেন।

    ভিট আছে তো মসজিদ নেই, এমন খবর পেলেই বিনামূল্যে সম্পূর্ণ পাকা মসজিদ নির্মাণ করে দেন টিউবওয়েল, সাপ্লাই স্যানিটারি সহকারে।

    কেউ মেয়ে বিয়ে দিতে পারছেনা টাকার অভাবে, শুনলেই গোপনে বাড়িয়ে দেন সাহায্যের হাত। কেউ অসুস্থ শুনলেই ছুটে চলেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। টাকার অভাবে লেখাপড়া করতে পারছেনা শুনলেই দায়িত্ব নেন তাদের। রিকশা, সেলাইমেশিন দিয়ে গরীবদের জীবিকার রাস্তা তৈরি করে দেন।

    সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সম্ভবত অফিস  টাইম, তারপর অফিস বন্ধ। যেখানে দেশের অন্যান্য সকল চেয়ারম্যান যখন বিকালে বউ-বাচ্চাদের জন্য ঘরে ফিরেন।

    সেখানে তিনি ছুটে চলেন নিজ ইউনিয়নের গ্রামের ঘরে ঘরে। রাতে-বিড়াতে ছুটে চলেন মানুষের সেবায়। অন্ধকারে হঠাৎ হাজির গরীব-অসহায়দের বাড়িতে।

    কারো ঘর ভাঙ্গা, তো কারো ঘর মোটামুটি ভালো হলেও দুয়ার ভালো নেই, কারো ঘরে খাবার নেই, টাকার অভাবে ওষুধ কিনে খেতে পারছে না, এমন মানুষদের খোজ রাত ২/৩ টা পর্যন্ত করা চলেই।

    নিজ পকেটের টাকায় দিনরাত তাদের সাধ্যমতো সেবা করে যাচ্ছেন। এভাবেই চলছে তার দিনকাল।

    বিচার-আচার লেগেই আছে, একটা শেষ না হতেই আরেকটায় যাওয়ার ডাক।

    বর্তমানে  করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে যেখানে করোনায় আক্রান্ত রোগীর চেয়ে চাল চোর, তেল চোরের সংখ্যা বেশি। সেখানে সরকারের অনুদানের ত্রাণ তিনি ঠিকটাক মতো সবার ঘরে ঘরে নিজেই পৌছে দিচ্ছেন দিনরাতে।

    সরকারি ত্রান ছাড়া  নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মানুষদেরকে  ৫ কেজি করে চাল উপহার দিচ্ছেন তিনি।

    এই চাল পেয়ে তারা খুব খুশি। এটা যেন অসহায়দের কাছে লাগে অমাবস্যার রাতে জোসনার চাঁদ। এভাবেই দিনরাত সকলের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। আবার গ্রামে গ্রামে গিয়ে করোনাভাইরাস সম্পর্কে সবাইকে অবগত করছেন।

    উপরোক্ত কর্মকাণ্ডে পইল ইউনিয়নের মানুষ পইলের সাব কে হারানোর ব্যথা যেনো দিন দিন ভুলে যাচ্ছে এবং সকলের কাছে তিনিই হয়ে উঠছেন দ্বিতীয় পইলের সাব।

  • নবীগঞ্জে টিসিবির পণ্য উদ্ধার ৫ জন আটক

    নবীগঞ্জে টিসিবির পণ্য উদ্ধার ৫ জন আটক

    নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ বাজারের টিসিবির ১৯৬ বোতল সয়াবিন তেল ও ৭৩ বস্তা চিনি জব্দ করা হয়েছে। এ সময় আটক করা হয় ৫ জনকে। 

    জানা যায়, ইনাতগঞ্জের ব্যবসায়ী স্থানীয় লালাপুর গ্রামের হাজী হেলিম উদ্দিনের পুত্র নোমান হোসেন অবৈধভাবে টিসিবির পণ্য সামগ্রী পাইকারী ও খুচরা কালো বাজারে বিক্রি করছেন।

    এমন খবর পেয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা ও জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন একটি অভিযান চালান।

    গতকাল বৃ্হস্পতিবার রাতে প্রায় ৫ ঘন্টা ব্যাপী যৌথভাবে কয়েকটি গুদাম ও ব্যবসা প্রতিষ্টানে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ টিসিবির সোয়াবিন তৈল চিনিসহ পণ্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। শুধু টিসিবি পণ্যই নয়। তার দোকান ঘর থেকে অবৈধ ভারতীয় সিগারেটও উদ্ধার করা হয়।

    অভিযানে যারা অংশ নেন ; নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল, নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান, জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসির আরাফাত, জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার চৌধুরীসহ দুই থানার পুলিশ সদস্যরা।

    এ সময় কয়েক শতাধিক ভূক্তভোগী জনসাধারন প্রশাসনের উপস্থিতিতে ইনাতগঞ্জ বাজারে উপস্থিত হয়ে ব্যবসায়ী নোমান হোসেনকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    ইনাতগঞ্জ বাজারের সীমান্ত জগন্নাথপুর উপজেলার আলীগঞ্জ বাজার গুদাম থেকে উদ্ধারকৃত  পণ্য সামগ্রী হচ্ছে, টিসিবির ৭৩ বস্তা চিনি, ১৯৬ পিস সোয়াবিন তেল, চিনি পরিবর্তন করা ৬ বস্তা, টিসিবি চিনির খালি বস্তা ৯টি।

    জব্দ করা সয়াবিন তেল।

    ইনাতগঞ্জ বাজারের ভিতরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গুদাম থেকে জব্দ করা হয়- টিসিবির ৫লিটার সোয়াবিন তেল, টিসিবি, লেভেল ছাড়া চিনির খালি কার্টুন ৩টি, লেভেল ছাড়া ৫ লিটার সোয়াবিন তেল।

    এ সময় ব্যবসায়ী নোমান হোসেন এর ভাইসহ ৫ জনকে আটক করে প্রশাসন। পরে নবীগঞ্জ থানার পুলিশ আটককৃতদের জগন্নাথপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে ।

    অভিযান এর খবর পেয়ে নোমান হোসেন পালিয়ে যায়।

    আটককৃতরা হলো, নোমানের ছোট ভাই আমান হোসেন (৩০), ৪ কর্মচারী হলো- জগন্নাথপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামের নিতেশ রায়ের পুত্র লিংকন রায়(৩০), নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের তপথিবাগ গ্রামের ছমেদ মিয়ার পুত্র সিরাজ মিয়া(৪০), একই গ্রামের শফিক উদ্দিনের পুত্র আব্দুল কালাম, বটপাড়া গ্রামের কুতুব উদ্দিনের পুত্র আবুল কালাম (৪২)।

    নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, আমাদের কাছে খবর আসে ব্যবসায়ী নোমান হোসেন খোলা বাজারে টিসিবি পণ্য বিক্রি করছেন ।

    জগন্নাথপুর থানায় তার একটি গুদাম ঘর থাকায় জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ টিসিবি পণ্য উদ্ধার করা হয় ।

    জগন্নাথপুর ও নবীগঞ্জ উভয় থানায়ই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

  • বানিয়াচংয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় অর্থদন্ড

    বানিয়াচংয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় অর্থদন্ড

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখা ও বিনা কারণে ঘোরাঘুরি করায় ৪ জনকে অর্থদন্ড করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ ঘটিকায় উপজেলা সদরের স্থানীয় বড়বাজার এলাকায় অভিযান চালান সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মতিউর রহমান খানের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত।

    এ সময় করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ রোধে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ব্যতিত অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ অমান্য করে দোকান খোলা রাখা ও বিনা কারণে ঘোরাঘুরি করায় “সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮” অনুসারে রাহুল মিয়া ১ হাজার, বজলুল হক ৫ শত, রাসেল মিয়াকে ৪ হাজার এবং বিনা প্রয়োজনে ঘুরাঘুরি করায় ইফতেখার আলমকে ২ শত টাকাসহ ৫ হাজার ৭ শত টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

    এব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মতিউর রহমান খান বলেন, “নিজের এবং দশের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সকলকে নিরাপদে গৃহে অবস্থান নিতে হবে। অন্যতায় আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহন করা হবে। সবার সতর্ক অবস্থানই পারে দেশকে নিরাপদ রাখতে “

  • হবিগঞ্জ শহরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং

    হবিগঞ্জ শহরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটির জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং

    “হবিগঞ্জ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন নাগরিক কমিটি” হবিগঞ্জ জেলা’র উদ্যোগে হবিগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড খাদ্যগুদাম রোড, গরুরবাজার ও কামড়া পুর পয়েন্ট জীবাণুনাশক স্প্রে এবং সচেতনামূলক মাইকিং করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নাগরিক কমিটির আহবায়ক চৌধুরী মিজবাহ উল বারী লিটন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিবির জেলা সাধারন সম্পাদক ও সচেতন নাগরিক কমিটির সম্মানিত সদস্য কমরেড পীযুষ চক্রবর্তী, হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ও জিপি এডভোকেট আফিল উদ্দিন, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব মোঃ জাহির উদ্দিন।

    হবিগঞ্জ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ফারহাদ আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী, প্রভাষক মৃদুল কান্তি রায়, সম্মানিত সদস্য মীর দুলাল, মাধব সরকার, আশরাফ উদ্দিন চৌধুরী অনিক, অপু আহমেদ রওশন, মিনহাদ আহমেদ চৌধুরী প্রমূখ।

  • মাধবপুরে নিজ অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন আলহাজ্ব আতিকুর রহমান

    মাধবপুরে নিজ অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন আলহাজ্ব আতিকুর রহমান

    মোঃজাকির হোসেনঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে অসহায় কর্মহীন মানুষ দু’বেলা খেতে পারছে না। প্রকৃত কর্মহীন অসহায়দের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তালিকা প্রস্তুত করে তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া শুরু করলেন উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান, মাধবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আতিকুর রহমান।

    জানা যায়, খাদ্য সামগ্রী বিতরনের প্রথম দিনে বৃহস্পতিবার সকাল উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে ১২০ জন ও দুপুরে দূর্গাপুর গ্রামের ১১০ জন কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

    সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতিকুর রহমান নিজে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে নিজের অর্থায়নে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন।

    প্রতিটি খাবার প্যাকেটে লিখা ছিল “ঘরে থাকুন,সুস্থ থাকুন। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারকে সহযোগীতা করুন আপনাদের বিপদে আমার সামান্য উপহার গ্রহন করুন।
    আলহাজ্ব আতিকুর রহমান
    সাবেক চেয়ারম্যান
    আন্দিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ”

    ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে সুলতানপুর গ্রামের গফুর মিয়া জানান, “আতিক আমাদের সাবেক ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। আমাদের বিপদে তিনি পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, এরকম চেয়ারম্যান আমরা চাই। প্রতিটি গ্রামে তিনি অসহায় পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করবেন বলে জানা গেছে।”

    আন্দিউড়া ইউনিয়নের এক ইউ/পি সদস্য তাপস জানান, “ইউনিয়নের সুখে দুঃখে আতিক চেয়ারম্যানকে আমরা পাশে পাই। তিনি সাবেক হয়েও এলাকার অসহায় মানুষদের ঘরে খাবার পৌছাইয়া দিতেছেন।”

    এ ব্যাপারে আলহাজ্ব আতিকুর রহমান ‘হবিগঞ্জ নিউজ’ কে বলেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার দেশে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। মানুষকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে কাজ করে চলছেন এবং সরকারিভাবে অসহায়দের সহায়তা করছেন। লোক সমাগমে করোনার ঝুকি বাড়ে তাই আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী অসহায় কর্মহীন পরিবারে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বিতরণ করার চেষ্টা করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের নিজেদের জন্য নিজেকে সচেতন হতে হবে। সচেতনতার বিকল্প নাই। নিজেকে নিজে কোয়ারেন্টিন করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় চলাফেরা কমিয়ে দিয়ে দিতে হবে। আর প্রবাসীদের যারা ইতোমধ্যে দেশে এসেছে, তাদের কোয়ারেন্টিন থাকতে হবে। এটা নিজেকে, নিজের পরিবারকে তথা সমাজ ও দেশকে সুরক্ষার জন্যই এই কোয়ারেন্টিন থাকতে হবে।”

  • শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে শায়েস্তাগঞ্জ থানার কনস্টেবল

    শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসোলেশনে শায়েস্তাগঞ্জ থানার কনস্টেবল

    সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুরঃ শ্বাসকষ্ট নিয়ে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার কনস্টেবল সোহাগ আহমেদ (২৫) কে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    গত ১৫ এপ্রিল বুধবার বিকেলে কনস্টেবল সোহাগকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা থেকে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। হবিগঞ্জ নিউজের প্রতিনিধিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।

    ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোজাম্মেল হোসেন জানান, শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন ওই পুলিশ সদস্য। সে জন্য তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করেছেন।

    এদিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা স্থানান্তর করে নাজমা কমিউনিটি সেন্টারে অস্থায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল জানান, “ইতোমধ্যে তার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা রয়েছে কি না পরীক্ষার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।”

    এ ঘটনায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাবাসীর মধ্যে আতংঙ্ক বিরাজ করছে।

  • হবিগঞ্জের ডিসি যখন কৃষক

    হবিগঞ্জের ডিসি যখন কৃষক

    আজ কৃষকদের ধানকাটায় উৎসাহ ও প্রেরণা দিতে বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কৃষকদের সাথে হবিগঞ্জ জেলার সম্মনিত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান দেখা করেন ও তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

    আগাম বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বোরো জমি তলিয়ে যাওয়ার আগেই ধান কাঠার জন্য উৎসাহ প্রদানের জন্য কৃষকদের সাথে নিজ হাতে ধান কাটেন।

    এদিকে আগাম বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বোরো জমি তলিয়ে যাওয়ার আগেই ধান কাঠার জন্য বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার (হবিগঞ্জ-২) মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আব্দুল মজিদ খান নির্বাচনি এলাকার কৃষকদের প্রতি আহবান জানান।

    মজিদ খানের আহবানটি নিম্নরুপঃ

    আসসালামু আলাইকুম,,,,,,
    প্রিয় বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জ ও হবিগঞ্জবাসী..

    একটি জরুরী ঘোষণা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে আগামী ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল ৪দিন হবিগঞ্জে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় ভারতের ত্রিপুরা ও মেঘালয় রাজ্যেও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে আগাম বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বোরো জমি তলিয়ে যেতে পারে।
    আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাই আপনাদের পাকা বোরো ধান দ্রুত কেটে পেলার জন্য কৃষক ভাইদের প্রতি অনুরোধ করছি।

    অনুরোধক্রমেঃ-
    জনাব আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আব্দুল মজিদ খান
    মাননীয় সংসদ সদস্য ২৪০,হবিগঞ্জ-২। বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ নির্বাচনী এলাকা ।