Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে আজ ৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে আজ ৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত

    হবিগঞ্জে আজ নতুন আরো ৪৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৮০৪ জনে।

    হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, গত ১ ও ২ জুলাই প্রেরিত নমুনার ফলাফল আসে রোববার। রিপোর্টগুলো ঢাকা ল্যাব থেকে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

    নতুন শনাক্তদের মধ্যে সদরে ১৭, মাধবপুর ৯, নবীগঞ্জ ৭, চুনারুঘাট ৬, বানিয়াচং ৫ ও বাহুবল ১ জন।

    জেলায় এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৯৮ জন এবং মারা গেছেন ৬ জন।

  • করোনায় হবিগঞ্জে ৪ মাসে ৩২ খুন

    করোনায় হবিগঞ্জে ৪ মাসে ৩২ খুন

    করোনা আতঙ্কে যখন সারা দেশ কাবু। সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী যখন করোনা নিয়ন্ত্রনে হিমশিম খাচ্ছে হবিগঞ্জে ঠিক তখনই মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে অপরাধ প্রবণতা। ভাইয়ে-ভাইয়ে সংঘাত, পাড়া-প্রতিবেশিদের সংঘাত এমনকি শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে ঘটেছে খুনের ঘটনা। তাও একটি কিংবা দুটি নয়, করোনা পরিস্থিতির মাত্র চার মাসে হবিগঞ্জ জেলায় ঘটেছে ৩২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা।

    দেশের অন্যতম ছোট এই জেলায় মাত্র ৪ মাসে ৩২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছেন সচেতন মহল। পুলিশ বলছে- আইনশৃঙ্খলার কোন অবনতি ঘটেনি। লকডাউনে সবাই ঘরবন্ধি থাকায় এবং দীর্ঘদিন পর অনেকে এলাকায় ফেরার ছোট-খাট বিষয় নিয়ে এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

    জেলা পুলিশের তথ্যমতে- মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত চারমাসে ৩২টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে মার্চ মাসে ১০টি, এপ্রিল মাসে ৬টি, মে মাসে ১০টি এবং জুন মাসে ৭টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। এই চার মাসে জেলায় সংঘর্ষর ঘটনা ঘটেছে শতাধিক। এসব সংঘর্ষ-সংঘাতে আহত হয়েছে হাজারের উপরে। ব্যপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে অর্থ-সম্পদের। এর মধ্যে জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে লাখাই ও মাধবপুর উপজেলায়।

    এদিকে, এতো বিশাল সংখ্যক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সচেতন মহলের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকে দাবি করছেন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। আবার অনেকে বলছেন- এ চারমাস আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে করোনা মোকাবেলায় কাজ করতে হয়েছে। করোনার সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করতে হয়েছে তাদের। যার ফলে সহসাই ঘটেছে এসব খুনের ঘটনা।

    তবে পুলিশ বলছে ভিন্ন কথা। তাদের দাবি করোনা মোকাবেলায় পুলিশ কাজ করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তেমন অবনতি ঘটেনি। এসব হত্যাকাণ্ডের মধ্যে গ্রাম্য-ধাঙ্গার তেমন কোন ঘটনা নেই। পারিবারিক কলহের জেরেই মূলত এসব খুনের ঘটনা ঘটেছে।

    হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন- ‘হবিগঞ্জ একটি দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা। আমি হবিগঞ্জে যোগদানের পর গ্রাম্য দাঙ্গা প্রতিহত করতে লিফলেট বিতরণ করেছি, পোস্টার ছাপিয়েছি, উঠান বৈঠক করেছি, স্কুলে স্কুলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে গ্রাম্য দাঙ্গার কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছি। ফলে জেলায় গ্রাম্য দাঙ্গা অনেকটা কমে এসছিল। আর কয়েকমাস সময় ফেলে হবিগঞ্জে দাঙ্গার সংখ্যা শুণ্যের কোটায় নামিয়ে আনতাম।’

    তিনি আরো বলেন- ‘করোনার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতি হয়েছে সেটা বলা যাবে না। দাঙ্গার ঘটনায় বলা যায়৷ আমি আমার জেলাকে আইন শৃঙ্খলা শিথিল ও শান্তিপূর্ণ রাখতে কাজ করে চলেছি।

  • হবিগঞ্জে বাম জোটের রাস্তা অবরোধ

    হবিগঞ্জে বাম জোটের রাস্তা অবরোধ

    হবিগঞ্জে বাম জোটের রাস্তা অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    করোনা টেস্টে ফি নির্ধারনের চক্রান্ত বাতিল করে বিনামূল্যে চিকিৎসা, পাট কল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার, বছরে একাধিক বার গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির আইন বাতিল সহ ৫ দফা দাবিতে বাম জোট কেন্দ্রীয় ভাবে জেলায় জেলায় রাজপথ অবরোধের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে হবিগঞ্জে এ কর্মসূচি পালন করে।

    আজ বৃহস্পতিবার(২ জুলাই) সকাল ১১ টায় বাম জোট হবিগঞ্জ জেলার উদ্যোগে টাউন হল প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরবর্তীতে মিছিল করে
    চৌধুরী বাজার মোড়ে রাজপথে অবরোধ কর্মসূচী পালন করা হয়। এতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বাম নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • হবিগঞ্জ ‘ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মতিন খান আর নেই

    হবিগঞ্জ ‘ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মতিন খান আর নেই

    হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, হবিগঞ্জ ‘ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সিনিয়র এডভোকেট মোঃ আব্দুল মতিন খান অদ্য দুপুর ১.৪০ ঘটিকার সময় বাংলাদেশ স্পেশালাইজ হাসপাতালে মৃত্যু বরন করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

    উনাকে অসুস্থতা জনিত কারণে গত ২৬ তারিখ ঢাকা ল্যাব এইড হাসপাতালে  ভর্তি করা হয়েছিল।

    তিনি হবিগঞ্জের এক নক্ষত্র ছিলেন, ছিলেন অনেকের অভিভাবক ও স্যার, যার নাম জনাব মোঃ আব্দুল মতিন খান
    সিনিয়র অ্যাডভোকেট-হবিগঞ্জ।
    সভাপতি-গভর্নিং বডি, হবিগঞ্জ ল’ কলেজ।
    সভাপতি, গভর্নিং বডি, হবিগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা।
    সাবেক সভাপতি- জেলা আইনজীবী সমিতি, হবিগঞ্জ।
    প্রথম পাবলিক প্রসিকিউটর-হবিগঞ্জ।
    সাবেক সভাপতি-রোটারি ক্লাব, হবিগঞ্জ।
    সাবেক সম্পাদক-জেলা ক্রীড়া সংস্থা, হবিগঞ্জ।
    সাবেক সহ-সভাপতি-বিভাগীয় ক্রীড়া পরিষদ, সিলেট।
    আজীবন সদস্য-রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ডায়াবেটিক সমিতি, হবিগঞ্জ।

     

    আব্দুল মতিন খানের  মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হবিগঞ্জবাসী এবং শোক  জানিয়েছেন উনার শুভাকাঙ্ক্ষীরা ।

  • হবিগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

    হবিগঞ্জে দুই সাংবাদিককে জড়িয়ে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বানিয়াচং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমের দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে আন্দোলন ।

    মিথ্যা ও ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে দ্রুত মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সর্বস্তরের সাংবাদিকরা। না হলে দিয়েছেন বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি।

    আজ শনিবার (২৭ জুন) বেলা ১২টায় টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন, হবিগঞ্জের ব্যানারে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ফোরামসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন এতে অংশ নেয়। উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দুই শতাধিক সাংবাদিক।

    বক্তারা বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও সংবাদ নীতিমালা মেনে মৎস্য কর্মকর্তা আলমের দুর্নীতি সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়। অথচ হবিগঞ্জের দু’জন সংবাদিককে জড়িয়ে হয়রাণীর উদ্দেশ্যে বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন ওই সরকারি কর্মকর্তা। এ মামলা মিথ্যা-ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দ্রুত প্রত্যাহার না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানিয়েছেন তারা।

    পরবর্তী আন্দোলনের ঘোষণার আশ্বাস দিয়ে সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে এই হয়রানীমূলক মামলার প্রতিবাদ জানান জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি।

    টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সভাপতি বলেন, সত্য সংবাদ প্রকাশের পরও মৎস্য কর্মকর্তা বিতর্কিত আইনে মামলা দায়ের করেছেন। শীঘ্রই এই মামলা তুলে না নিলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

    জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাবান মিয়া বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সৎ দুইজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করেছেন তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। শীঘ্রই এই মামলা
    প্রত্যাহার না করলে পরবর্তীতে এর দায়ভার নিতে হবে ওই দুর্নীতিবাজ মৎস্য কর্মকর্তাকে।

    টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন হবিগঞ্জের সভাপতি রাসেল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এসএম সুরুজ আলীর পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ ইসমাইল, সাধারন সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহির, সাবেক সভাপতি রুহুল হাসান শরীফ, শুয়েব চৌধুরী, মোহাম্মদ নাহিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, নির্মল ভট্টাচার্য্য রিংকু, শাহ ফখরুজ্জামান, সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি মোঃ এমদাদুল ইসলাম সোহেলসহ বাংলাদেশ টেলিভিশনের আলমগীর খান, সময় টিভির হবিগঞ্জ প্রতিনিধি রাশেদ আহমদ খান, যমুনা টিভির প্রদীপ দাশ সাগর, একাত্তর টিভির শাকীল চৌধুরী, যায়যায়দিনের নূরুল হক কবির, নিউজ টোয়েন্টিফোর এর শ্রীকান্ত গোপ, এসএ টিভির সেলিম চৌধুরী, মোহনা টিভির ছানু মিয়া, মাই টিভির মোশাহিদ আলমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দুই শতাধিক সাংবাদিক।

    কয়েকটি সামাজিক সংগঠনও এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

    বানিয়াচং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম এক কর্মস্থলে টানা দীর্ঘদিন চাকরির সুবাধে বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন, এমন অভিযোগ এনে এবং প্রতিকার চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে স্থানীয় লোকজন।

    এনিয়ে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। পরে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন আলম। কিন্তু এখতিয়ার বহির্ভূত হওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত।

    পরবর্তীকালে তিনি ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে এতে
    আসামি করা হয়, মাছরাঙা টেলিভিশনের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি চৌধুরী মো. মাসুদ আলী ফরহাদ ও বাংলানিউজের ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বদরুল আলমসহ আরও কয়েকজনকে জড়িয়ে মামলা দায়ের করেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জে ‘জুয়ার আসর’ থেকে পুলিশের হাতে আটক ১২ জন !

    শায়েস্তাগঞ্জে ‘জুয়ার আসর’ থেকে পুলিশের হাতে আটক ১২ জন !

    শায়েস্তাগঞ্জে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১২ জন কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আনোয়ার আলী (৪০), তাজুল ইসলাম (৩০), উজ্জ্বল মিয়া (২৯), খোকন মিয়া (২৬), মর্তুজ মিয়া (৩০), তাজুল ইসলাম (৪০), মো. সুমন মিয়া (২৪), নোমান মিয়া (২৮), আরব আলী (৩৪), সাদেক মিয়া (৩৯), ইসমাইল মিয়া (২৮), তাজুল ইসলাম(৪২)।

    ওসি মোজাম্মেল হোসেন জানান, বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে তার নেতৃত্বে এসআই রাজিব চন্দ্র, এসআই মুখলেছুর রহমানসহ একদল পুলিশ শায়েস্তাগঞ্জের কদমতলী এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে জুয়া খেলার সরঞ্জাম, নগদ টাকাসহ ১২ জন গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।

  • মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধা কাদির মিয়া ১৫ জুন থেকে নিখোঁজ

    মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধা কাদির মিয়া ১৫ জুন থেকে নিখোঁজ

    মাধবপুর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কাদির মিয়া সোমবার (১৫ জুন) থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এ ব্যাপারে বুধবার (২৪ জুন) নিখোঁজের পরিবারের পক্ষ থেকে মাধবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। সূত্র জানায় মাধবপুর থানার জিডি নং-১০৭০।

    বীরমুক্তিযোদ্ধা কাদির মিয়া উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।

    নিখোঁজ বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদির মিয়ার ছেলে রুকন মিয়া বলেন, ১৫ জুন সোমবার সকালে তাঁর বাবা চৌমুহনী বাজারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় প্রায় ১০ দিন যাবত বাবাকে খোঁজে পাচ্ছি না। কোন হৃদয়বান ব্যক্তি তাঁর বাবার সন্ধান পেলে তার মোবাইল নং-০১৭৪৫৯২১০৬১ তে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন কাদির মিয়ার ছেলে।