Category: হবিগঞ্জ

  • আজমিরীগঞ্জে গরীবের ঘর পেলেন সচ্ছল লোকজন

    আজমিরীগঞ্জে গরীবের ঘর পেলেন সচ্ছল লোকজন

    শেখ শাহাউর রহমান বেলাল ও মিলাদ মাহমুদ: দরিদ্র ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেয়েছেন সচ্ছল পরিবারের লোকজন। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও ইউনিয়নে অর্ধেকের মত ঘর পেয়েছেন যাদের বসতভিটা ও ঘর রয়েছে। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজের পছন্দমত লোকদেরকে ঘরগুলো বরাদ্দ দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত পরিবারের লোকজন।

    সরকারি আইন অনুযায়ী বসতবাড়ি এবং জমি নেই এমন ভূমিহীন পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হবে। এলাকায় সে রকম পরিবার না পাওয়া গেলে ১০ শতকের কম জমি আছে এমন পরিবারকে ঘর বরাদ্দ দিতে হবে। কিন্তু আজমিরীগঞ্জের কাকাইলছেও ইউনিয়নে ভূমিহীন পরিবার থাকা সত্বেও অর্ধেকের মত ঘর পেয়েছেন সচ্ছল লোকজন।

    মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় গুচ্ছ গ্রাম হিসেবে ওই ইউনিয়নে দেয়া হয় ৫৯ টি ঘর। আর কিছুদিন পরেই বুঝিয়ে দেয়া হবে ঘরের চাবি। কিন্তু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ পাওয়া ৫৯ টি পরিবারের মধ্যে ২৯ টি পরিবারই সচ্ছল। তাদের জমি, বসতভিটা ও ঘর রয়েছে। আবার অনেকের আছে অর্ধ পাকা ঘরও।

    এদের মধ্যে ওই গ্রামের রতন তালুকদার। তার রয়েছে ২৬ শতক জমির উপর একটি ঘর। এমন ব্যাক্তি রয়েছে বেশ কয়েকজন। সচ্ছল হওয়ার পরও কীভাবে ঘর বরাদ্দ পেলেন জানতে চাইলে তাঁরা চেয়ারম্যান নুরুল হক ভূইয়ার দয়াতেই পেয়েছেন বলে জানান অনেকে।

    ওই গ্রামের ভূমিহীন বিউটি বেগম বলেন, ‘আমরার ঘর, জমিজমা কিছুই নাই। ১২ বছর ধরে মাইনসের বাড়িত থাকি। চেয়ারম্যানের কাছে ছবি কগজ জমা দিয়াও ঘর পাইনি।

    ভূমিহীন জাকির হোসেন বলেন, আমরা অন্যেও বাড়িতে থাকি। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘরের খবর পেয়ে ভেবেছিলাম এবার বুঝি মাথাগুজার ঠাই হবে। চেয়ারম্যান আমাদের কাছ থেকে ছবি কাগজ নিলেও পরে দেখি যাদের বসতভিটা ও জমি-ঘর আছে তারাই এ ঘর পেয়েছে।

    বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দীন জানান, আমাদের চেয়ারম্যান কারো সাথে যোগাযোগ না করেই নিজের ইচ্ছেমত নাম দিয়ে সচ্ছল লোকদেরকে ঘর পাইয়ে দিয়েছেন।

    খালিকুজ্জামান নামে এক সচেতন নাগরিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর যারা এখানে পাচ্ছে এর বেশিরভা লোকই সচ্ছল। কি করে কেমন করে তারা এ ঘর পেয়েছে অবশ্যই তা তদন্ত করে দুষিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হউক।

    এদিকে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার আজিজুর রহমান সওদাগর এই প্রতিবেদককে জানান, আমার ওয়ার্ডে অসংখ্য ভূমিহীন পরিবার থাকা সত্বেও তাদেরকে না দিয়ে সচ্ছল লোককে তিনি ঘর দিয়েছেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, চেয়ারম্যান নিজে জেনে শুনে দরিদ্রদের ঘর অনিয়ম করেছেন।

    এছাড়া অনেকেই বলেন, চেয়ারম্যান নুরুল হক ভূইয়া উৎকোচ নিয়ে সচ্ছল লোকদেরকে ঘর দিয়েছেন। তাদের দাবী প্রকৃত ভূমীহীনরা হয়েছেন বঞ্চিত।

    চেয়ারম্যান নুরুল হক ভূইয়ার ছোট ভাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিছবাহ উদ্দীন ভূইয়া বলেন, দু’একটি ঘর এমন হতে পারে। কারণ উপজেলা থেকে অনেক সময় এমন চাপ দেয়া হয় যে, এই মুহুর্তে নাম দিতে হবে। তখন যাচাই বাছাই করার সময় থাকে না। তবে অনিয়ম হয়েছে এটা সত্য নয়।

    কাকাইলছেও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল হক ভুইয়া ঘর বরাদ্দ দেওয়ার অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাহী কর্মকর্তা ও পিআইওকে দোষারূপ করে বলেন, ঘর বরাদ্দের লিস্ট পিআইওকে নিয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা করেছেন। তিনি আমাদেরকে সাথেও নেননি। পিআইও ও নির্বাহী কর্মকর্তা মিলে ঘর বরাদ্দের লিস্ট করেছেন। উনারা লিস্ট তৈরী করে বলেছেন স্বাক্ষর দেয়ার জন্য। তাই আমরা শুধু স্বাক্ষর দিয়েছি।

    এ বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মজিদ খান বলেন, কাকাইলছেও ইউনিয়নে ৫৯টি ঘর তৈরী হচ্ছে। এরমধ্যে ১০টি ঘরের উদ্ভোধন আমি নিজে করে এসেছি। তিনি বলেন, ২শতাংশ জমিসহ পাকা ঘর দেয়া হবে। তবে যদি কারো জমি আছে, ঘর আছে এমন ব্যাক্তি ঘর পাবে না। তবে ভুল বশত যদি কারো নাম তালিকায় আসে তা অবশ্যই বাতিল করা হবে এবং যথযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউর রহমান খান তালিকা তৈরীর বিষয়ে বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই তালিকা করা হয়। এছাড়া একটা কমিটিও গঠন করা হয়। প্রত্যেকের মতামতের উপর ভূমিহীনদের তালিকা হয়।

    সচ্ছল হওয়ার পরও কীভাবে ঘর বরাদ্দ পেলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন বেশ কয়েকটা অভিযোগ আমি পেয়েছি এবং আমি ইতিমধ্যে দেখেছি কয়েকজন সচ্ছল ব্যক্তিও রয়েছে। আগামী মিটিং এ এটি নিয়ে আলোচনা করে যারা সচ্ছল তাদেরকে আমরা বাদ দিবো।

  • হবিগঞ্জে ২ নারীসহ সেরা করদাতার সম্মাননা পেলেন ৭ জন

    হবিগঞ্জে ২ নারীসহ সেরা করদাতার সম্মাননা পেলেন ৭ জন

    হবিগঞ্জে ২ নারীসহ সেরা করদাতার সম্মাননা পেলেন ৭ জনকে। ১১ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) হবিগঞ্জ কর অফিসে আয়োজিত আলোচনা সভায় সম্মাননা দেওয়া হয়।

    হবিগঞ্জ কর অঞ্চলের সহকারী কর কমিশনার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সভাপতিত্বে ও কর পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কর কমিশনার মীর আজম আলী, হবিগঞ্জ আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি নলিনী কান্ত রায় নিরু, তরুণ আয়কর আইনজীবী মো. মোস্তফা মিয়া, আইনজীবী শামীমসহ আয়কর কর্মকর্তা কর্মচারী ও আইনজীবিবৃন্দ।

    তিন ক্যাটাগরিতে সেরা করদাতার সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২০১৯-২০২০ করবর্ষে তরুণ করদাতা রাজীব কুমার দাস, সর্বোচ্চ মহিলা করদাতা মাধবী লতা পাল, দীর্ঘসময় ধরে কর দেওয়ায় এম ওয়াহিদুল হক, নাসির উদ্দিন ও সর্বোচ্চ কর দেওয়ায় মিজানুর রহমান শামীম, মো আহসান কবির, ও মোছাঃ সাইদাতুননেছাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

    সভাপতির বক্তব্যে সহকারী কর কমিশনার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক সেরা করদাতাদের অভিনন্দন এবং সবাইকে সঠিক সময়ের মধ্যে কর প্রদান করার আহ্বান জানান এবং কর বিষয়ে যেকোন পরামর্শ জন্য অফিসে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানান ।

  • ডিবি পুলিশের হাতে বিদেশি মদসহ ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

    ডিবি পুলিশের হাতে বিদেশি মদসহ ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

    হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানের গ্রীন বাংলা এলাকায় চুনারুঘাট টু মাধবপুর সড়কের দক্ষিণ পাশ থেকে ভারতীয় বিদেশী ২০ বোতল মদসহ অমিত পাল(৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি)পুলিশ।

    বুধবার (১০ ফেব্রয়ারী) বিকেলে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশের এসআই মোজাম্মেল মিয়ার নেতৃত্বে এসআই মাহমুদুলসহ একদল পুলিশ উল্লেখিত স্হানে অভিযান চালিয়ে মদসহ এই ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত ব্যাবসায়ী বি-বাড়ীয়া জেলার বিজয় নগর থানার সাতবর্গ(উত্তর হাটি)এলাকার অজিত পালের ছেলে অমিত পাল।

    গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ২০ টি কাছের বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বিদেশী মদের আনুমানিক মূল্য ৪২ হাজার টাকা হতে পারে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এতথ্য নিশ্চিত করে ডিবির ওসি মো: আল আমিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, সুরমা চা বাগান এলাকা থেকে মাদক পাচার হতে পারে।

    এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে ডিবি পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে ভারতীয় বিদেশী ২০ বোতল মদসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এসময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টেরপেয়ে তার অন্যান্য সহযোগীরা পালিয়ে যায় বলেও জানান তিনি। আটককৃতসহ অন্য পলাতক সহযোগীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • তাহিরপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    তাহিরপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    তাহিরপুরে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের সাংবাদিকদের মানববন্ধন

    মোহাম্মদ শাহ্ আলম ।। হবিগঞ্জ

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক কামাল হোসেন রাফিকে (৩০) গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নিমতলায় এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

    সাংবাদিক আব্দুল হালীমের সভাপতিত্বে ও হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ সেলিমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন,হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাসুদ আলী ফরহাদ, সাবেক সভাপতি মো. ফজলুর রহমান ও মোহাম্মদ নাহিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন, হবিগঞ্জ নিউজের সম্পাদক শরীফ চৌধুরী, আবুল হোসেন সবুজ, এম এ আর শায়েল, জুয়েল চৌধুরী, সৈয়দ মশিউর রহমান, শাহাউর রহমান বেলাল, সহিবুর রহমান, এম সজলু, মোহাম্মদ শাহ্ আলম, নায়েব হোসেন, সুকান্ত গোপ, জায়েদ আলী মামুন, সাইফুর রহমান তারেক, রুবেল তালুকদার, জাহাঙ্গীর রহমান, হাবিবুর রহমান, সঞ্জব আলী, প্রিয়া আক্তার, সুলতান মাহমুদ আরজু, জুনাইদ আহমেদ, আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী রিফাত, সিজিল আহমেদ, সেলিম মিয়া প্রমুখ।

    মানববন্ধনে সাংবাদিক কামাল হোসেনের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এ ছাড়াও এ ঘটনার নেপথ্যে থাকা বালুমহাল সিন্ডিকেটদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান কর্মরত সাংবাদিকরা।

    প্রসঙ্গত, সোমবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালের দিকে তাহিরপুরে যাদুকাটা নদী‌তে অবৈধভা‌বে বালু-পাথর উত্তোল‌নের ছ‌বি তোলায় গাছের সঙ্গে বেঁধে সাংবা‌দিক‌ কামাল হো‌সেন রা‌ফিকে মারধর করা হয়। মারধর করেন বালু-পাথর উত্তোল‌ন চক্রের মাহমুদুল, রইছসহ ক‌য়েকজন।

    সাংবা‌দিক‌ রা‌ফি দৈনিক সংবাদ প‌ত্রিকার তাহিরপুর উপজেলা প্রতিনিধি হি‌সে‌বে কর্মরত আছেন।

  • হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকার সমর্থনে তাঁতী লীগের সভা

    হবিগঞ্জ পৌর নির্বাচনে নৌকার সমর্থনে তাঁতী লীগের সভা

    বদরুল আলমঃ হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে জরুরী সভা করেছে জেলা ও পৌর তাঁতী লীগ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মোঃ মুদ্দত আলী সভাপতিত্ব করেন এবং পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন।

    প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় এমপি আবু জাহির নৌকার বিজয় নিশ্চিতের লক্ষ্যে তাঁতী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে আন্তরিকভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সভায় উপস্থিত তাঁতী লীগ নেতৃবৃন্দ আতাউর রহমান সেলিমের বিজয় নিশ্চিতে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে তারা নৌকা প্রতীকের পক্ষে শহরে এক প্রচার মিছিল বের করেছেন।

    সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী। জরুরী সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন জেলা তাঁতী লীগের সহ সভাপতি ক্বারী লুৎফুর রহমান হেলালী। সভায় জেলা ও হবিগঞ্জ পৌর তাঁতী লীগ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • তৃতীয় দিনে হবিগঞ্জে করোনার টিকা নিলেন ১৩৬৮ জন

    তৃতীয় দিনে হবিগঞ্জে করোনার টিকা নিলেন ১৩৬৮ জন

    করোনার গণটিকা দেওয়া কর্মসূচির তৃতীয় দিনে হবিগঞ্জ ছিল সাধারণ মানুষদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ। এদিন হবিগঞ্জ জেলায় ১৩৬৮ জনকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিভিল সার্জন মোস্তাফিজুর রহমান।

    তিনি জানান, মঙ্গলবার টিকা গ্রহীতার সংখ্যা আগের দিনের তুলনার প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। এর আগে গত রোববার করোনা প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম শুরুর প্রথমদিন হবিগঞ্জ-লাখাই আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবু জাহিরসহ ৩৪২ জন টিকা নেন। গতকাল মঙ্গলবার হবিগঞ্জ সদরে ৫৭২ জন, মাধবপুরে ১৬০ জন, নবীগঞ্জ ১৯০ জন, চুনারুঘাটে ১৯০, বাহুবল ১০৮, আজমিরীগঞ্জ ৩০, বানিয়াচংয়ে ৬৮ জন ও লাখাইয়ে ৫০ জন টিকা নেন।

    এদিকে টিকাদান কর্মসূচির তৃতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবার সকালে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় টিকা নেয়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ বেড়ে গেছে। উৎসাহের সাথে মানুষজনকে টিকাগ্রহণ করছে। মানুষ টিকা নিয়ে সারিবদ্ধ হয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। অনেককে টিকা নেয়ার পর উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। হবিগঞ্জে গতকাল মঙ্গলবার ৪০ বছর ও তার তদ‚র্ধ্ব এবং সম্মুখসারীর করোনা যোদ্ধাদের টিকা নিতে দেখা গেছে। গত সোমবারও হবিগঞ্জ জেলায় ৫২১ জন করোনার টিকা নেন।

    আরো পড়ুনঃ হবিগঞ্জ নিউজের সম্পাদক হলেন সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী

  • শহরে আটক দুই মোটর সাইকেল চোরকে কারাগারে প্রেরণ

    শহরে আটক দুই মোটর সাইকেল চোরকে কারাগারে প্রেরণ

    হবিগঞ্জ শহরের ডিসি অফিসের প্রধান ফটকের সামন থেকে আন্তঃজেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। এদিকে এ ঘটনার মূলহোতা ভাদৈ গ্রামের জমির আলীর পুত্র স্বপন মিয়া (২০) নামের এক চোর পালিয়ে গেছে। এ ঘটনা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

    গত সোমবার রাত ৮টায় এসিল্যান্ড অফিসের সামনে মোটর সাইকেল রেখে কয়েকজন ছাত্র চা পান করছিল। এ সুযোগে মোটর সাইকেল চোর চক্রের কয়েকজন সদস্য মাষ্টার চাবি দিয়ে মোটর সাইকেল চুরি করে নিয়ে যাবার সময় জেলা প্রশাসকের প্রধান ফটকের সামনে স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় ছাত্ররা দুই চোরকে হাতেনাতে আটক করে। তখন ওই চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়।

    আটকরা হল, সদর উপজেলার বহুলা গ্রামের বাবর আলী ওরফে নুর আলীর পুত্র রিপন ও বানিয়াচং উপজেলা সদরের নন্দিপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র সজিব আলী। আটক চোর সজিব ও রিপন জানায় তাদের গডফাদার জমির আলীর পুত্র স্বপন মিয়া। সে এই মোটর সাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়। আর আমাদেরকে ফাঁসায়। অথচ সে চলে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরে। সম্প্রতি স্বপন মিয়া কোর্ট স্টেশন এলাকায় চোরাই ব্যাটারী ও একটি প্রাইভেটকারসহ আরও তিনজন ফাঁড়ির পরিদর্শক গোলাম কিবরিয়ার হাতে আটক হয়। কিন্তু নজরুল, রিপনসহ ৩ জনকে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা দিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হলেও স্বপনকে ছেড়ে দেয়া হয় তার পিতার জিম্মায়।

    পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হবিগঞ্জ শহর থেকে মোটর সাইকেল চুরি করে ঢাকা-ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। তাদের হাত থেকে পুলিশ, সাংবাদিক, আইনজীবিসহ কোনো পেশার মানুষের মোটর সাইকেলই রেহাই পাচ্ছে না। গত ১ মাসে হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০টি মোটর সাইকেল চুরি হয়েছে।

    ওসি জানান, রাজনগর এলাকার বাসিন্দা বাদি হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে আটক দুইজনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত তাদেরকে খোঁজে বের করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।