Category: হবিগঞ্জ

  • ওসমানী স্মৃতি পরিষদ হবিগঞ্জ জেলার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন

    ওসমানী স্মৃতি পরিষদ হবিগঞ্জ জেলার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন

    মুক্তিযুদ্ধের উপর গবেষণা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন শ্লোগানকে সামনে রেখে ওসমানী স্মৃতি পরিষদ হবিগঞ্জ জেলার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি পরিষদ বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ফরহাদ ও সাধারন সম্পাদক মোঃ রুবেল আহমদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অপু আহমদ রওশন সভাপতি ও কাওছার আমীরকে সাধারন সম্পাদক করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    কমিটির অন্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- সিনিয়র সহ সভাপতি এম এ হাকিম, সহসভাপতি আনোয়ার জাহির, শাহ জয়নাল আবেদিন রাসেল, সহ-সভাপতি জিবলু আহমেদ চৌধুরী রবিন, সহ-সভাপতি মুহিদ মিয়া তালুকদার, সহ-সভাপতি তোফাজ্জুল মাষ্টার, সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম তালুকদার, সহ-সভাপতি শাহানুর চৌধুরী সোহান, সহ-সভাপতি এস এম সুরুজ আলী, সহ-সভাপতি এডভোকেট খলিলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক কাওছার আমির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ রুহেল আহমেদ, অলক ভুষণ দেব রায়, সাংবাদিক ছানু মিয়া, রেতু মিয়া, মিজানুর রহমান খান, শাওন আল হাসান, তোফাজ্জুল ইসলাম তানিম, সাংবাদিক জুয়েল চৌধুরী, সাংবাদিক নায়েব হোসেন, বশির আহমদ, আহাম্মদ আলী, রমেন্ড আচার্য্য রানা, এম এ হানিফ, সাংবাদিক এ কে কাওসার, সাংগঠনিক সম্পাদক এস কে আলা উদ্দিন, ফারুক আহমেদ মাষ্টার, নাজমুল ইসলাম তালুকদার, রফিউল ইসলাম রফিক, পলাশ পাল, ফরিদ উদ্দিন তালুকদার, সোহেল রানা প্রিন্স, খলিলুর রহমান, সাংবাদিক এমএ আর শায়েল, সাংবাদিক আফতাবুর রহমান সেলিম, সাংবাদিক সাইফুর রহমান তারেক, আমিন আলী সিদ্দিক, সুমন চন্দ্র গোপ, সাংবাদিক তৌহিদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদির কাজল, প্রেমতোষ সূত্রধর, এন সাকিব চৌধুরী, দিলীপ চন্দ্র বর্মন, সম্পাদক জুয়েল মিয়া, নুর আলম তালুকদার, প্রচার সম্পাদক অভিজিৎ আচার্য্য অভি, সহ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ রুয়েব আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব শের আলী তালুকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আজিজ মিয়া, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অলি মিয়া তালুকদার, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অসিত সূত্রধর, অর্থ সম্পাদক মুহিবুর রহমান, সহ-অর্থ সম্পাদক নুরুল হক, প্রকাশনা সম্পাদক কাজী নাসির সহ-প্রকাশনা সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা কাকলী আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মোল্লা, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কদর আলী মোল্লা, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক আমির হোসেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ফয়ছল আহমেদ, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শ্রী নারায়ণ চৌধুরী, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাতেশ চন্দ্র দাশ, সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক আশিক এম চৌধুরী, সহ- যুব বিষয়ক সম্পাদক জামাল মিয়া, ত্রাণ ও পূণর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক খাইরুল ইসলাম, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আলী হোসেন, জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, সহ জনসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক রুকন খান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক দিপ্ত তালুকদার দেবাশীষ, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক বিজয় দেব, পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক সাইদুল হক, মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী, সহ-মানব সম্পাদক বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ওয়াদুদ মাষ্টার, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, সিনিয়র সদস্য সেলিম আজিজ, মুহিন মিয়া, সিনিয়র সদস্য শাহনেওয়াজ, মনোধীর বৈদ্য, পলাশ দাশ সুমন, কার্যনির্বাহী সদস্য রাসেল মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য সজলু মিয়া, মাসুম মিয়া, কালাম মিয়া, সুদীপ্ত দাশ সুহেল, পারভেজ আহমেদ, সাব্বির আহমেদ, শেখ আল ইমরান, মিজানুর রহমান, অমর তালুকদার, জাহাঙ্গীর মিয়া, রাসেল মিয়া, শাওন মিয়া, মোহন মিয়া, সাইদ আহমেদ, সুমন কুমার রায় ও লোকমান খান।

  • ডিভিসি টিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন আর নেই, হবিগঞ্জ নিউজের শোক প্রকাশ

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য, ডিভিসি নিউজ ও ডেইলি অবজারভারের হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাহি রাজেউন)।

    শুক্রবার (১৯ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সিলেটের রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

    মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলেসহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    ডিভিসি টিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন

    জানা গেছে, দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সাংনাদিক মামুনকে অসুস্থ অবস্থায় হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে সিলেটে পাঠান।

    সহকর্মীরা জানিয়েছেন , হৃদরোগে আক্রান্তসহ তার শরীরে বিভিন্ন জটিলতা ছিল। সদালাপী, মৃদুভাষী ও পেশার প্রতি নিষ্ঠাবান ছিলেন সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

    তার চলে যাওয়ায় হবিগঞ্জের সাংবাদিক অঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আব্দুল্লাহ আল মামুন হবিগঞ্জ শহরের চিড়াকান্দি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। শুক্রবার বাদ এশা গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জের বৈলাকীপুরে নামাজে জানাজা শেষে সেখানেই তাকে দাফন করা হয়৷

    শোক প্রকাশঃ

    ডিবিসি টিভির জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুতে শোকাহত হবিগঞ্জ নিউজ পরিবার৷ হবিগঞ্জ নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সম্পাদক শরিফ চৌধুরী৷ তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান৷

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী  ও জাতীয় শিশুদিবসে  জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান

    বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশুদিবসে জেলা প্রশাসনের দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠান

    আজ ১৭ মার্চ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন।

    দিনটি উদযাপনের জন্য জেলা প্রশাসন, হবিগঞ্জ দিনব্যাপী নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সকালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। আরো উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, ডিডি এনএসআই সহ জেলার সকল দপ্তর প্রধানগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, সম্মানিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ সহ জেলার সকল পেশার ও শ্রেণির মানুষ।

  • আজমিরীগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন

    আজমিরীগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন

    আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কতৃক আয়োজিত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্পন ও দোয়া করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মর্ত্তুজা হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মতিউর রহমান খান, আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ নূরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মমিনুর রহমান সজীব, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সীমা রাণী সরকারসহ প্রমুখ।

    পরে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে দ্বিতীয় পর্যায়ে আলোচনা সভাও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা জাতির জন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এর ইতিহাস নিয়ে আলোচনা এবং শিশুদের নিয়ে আলোচনা করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে আনন্দ উপভোগ করেন। পরে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পরিশেষে মুনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্টান সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

  • হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের কেবিন থেকে মুক্তিযোদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের কেবিন থেকে মুক্তিযোদ্ধার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত কেবিনের দরজা ভেঙে বীরেশ দাশ (৬৫) নামে এক মুক্তিযোদ্ধার লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় এ মৃত দেহটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত বীরেশ দাশ শহরের শ্যামলী এলাকার বাসিন্দা ও বানিয়াচং উপজেলার নজিরপুর গ্রামের মৃত মহেশ দাশের ছেলে।

    পুলিশ ও হাসপাতাল কতৃপক্ষ জানায়, বীরেশ দাশ গত ১ মার্চ থেকে কিডনি জনিতসহ বিভিন্ন রোগে সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মঙ্গলবার রাতে বীরেশ দাশের পরিবার তাকে একা রেখে বাসায় চলে যান। আজ সকালে তার ছেলে বিজয় দাশ এসে দেখতে পান তার কেবিনের দরজা বন্ধ। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষকে অবগতি করলে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার করে।

    নিহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে বিজয় দাশ বলেন, “মার্চের ১ তারিখ বাবাকে সদর হাসপাতালে কিডনিজনি রোগে ভর্তি করি। মঙ্গলবার রাতে তাকে মুক্তিযোদ্ধা ওয়ার্ডে রেখে বাসা চলে যাই। সকালে এসে দেখি ওয়ার্ডের রুম বন্ধ পরে বিষয়টি হাসপাতাল কতৃপক্ষ কে অবগতি করি। দরজা ভেঙ্গে দেখি বেডের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় বাবার মৃতদেহ।”

    এ ব্যপারে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হেলাল উদ্দিন বলেন, “মুক্তিযুদ্ধা বীরেশ দাশ ১ মার্চ থেকে কিডনিজনিতসহ বেশ কয়েকটি রোগ নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন৷ আজ সকালে তার ছেলে এসে দেখতে পান তার দরজা বন্ধ। অনেক ডাকাডাকি করার পরেও কোনো সারা না দেয়ায় পুলিশ নিয়ে তার দরজা ভেঙে দেখতে পাই বেডের নিছে রক্তাক্ত অবস্থায় তার মৃত্যুদেহ।”

    হবিগঞ্জ সদর থানার এস আই সাইদুর রহমান বলেন, “হাসপাতাল কতৃপক্ষের সাথে দরজা ভেঙ্গে বেডের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করি৷ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।”

  • কাদিয়ানীকে অমুসলিম ঘোষণা না করলে আবার যুদ্ধ হবে – আল্লামা মামুনুল হক

    কাদিয়ানীকে অমুসলিম ঘোষণা না করলে আবার যুদ্ধ হবে – আল্লামা মামুনুল হক

    আকিকুর রহমান রুমনঃ হবিগঞ্জ বানিয়াচংয়ে সর্বস্তরের উলামায়ে কেরাম ও তাওহীদি জনতার ব্যানারে খতমে নবুওয়াত ও শানে রেসালাত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬মার্চ (মঙ্গলবার) বানিয়াচং সরকারি এলআর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে উক্ত অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

    সকাল ১০টায় হাফিজ সোহাইল আহমদ’র কুরআন তেলওয়াতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের কাজ শুরু হয়। মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ বড় হুজুরের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আব্দুল জলিল ইউসূফী, মাওলানা শফিকুর রহমান ও মাওলানা ইকবাল হুসাইনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর খতিবে ইসলাম আলাম্মা ওলিপুরী সাহেব, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুর রব ইউসূফী, হেফিজতের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আল্লামা হবিগঞ্জী রহ.এর সন্তান আল্লামা তাফহিমুল হক, বানিয়াচং শাহী ঈদগাহের ঈমাম আল্লামা ফজলুর রহমানসহ বানিয়াচংয়ের মুরুব্বি ও তরুন যুবক আলেমগন।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে ৬টি ঘোষণার প্রদান করেন। ছয়টি ঘোষণার মধ্যে-
    (১)কাদিয়ানীকে রাষ্ট্রীয় ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে দ্রুত সংসদে বিল পাশ।
    (২)কাদিয়ানীরা ইসলামের ধর্মীয় পরিভাষা গুলো ব্যাবহার করতে পারবেনা।
    (৩)উগ্র ধর্মীয় সংগঠন হিজবুত তাওহিদকে দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে।
    (৪)বানিয়াচংয়ে ওরসের নামে মদ, গাজা, অশ্রীল নৃত্য প্রদর্শন বন্ধ করতে হবে।
    (৫)কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের প্রান কোম্পানির সকল পন্য বর্জন করতে হবে।
    (৬)মহানবী (সাঃ) কে ব্যঙ্গ বা কটাক্ষকারীদেরকে ফাঁশির বিধান রেখে সংসদে আইন পাশ করতে হবে।

    বক্তাগন এই ঘোষণা পত্রের উপর নির্ভর করে তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। এমনকি কোন কোন বক্তাগন হুশিয়ারী উচ্চারন করে তাদের বক্তব্য রাখেন। এদিকে অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষন ও প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক। এই প্রোগ্রামের প্রচার প্রচারনাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

    বানিয়াচংয়ে আল্লামা মামুনুল হক

    আর এই প্রধান আকর্ষন মামুনুল হকের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন জেলা, উপজেলায়। আর উনাকে দেখার জন্য আবার কেউ কেউ উনার বক্তব্য শুনার জন্য সেই ভোর সকাল থেকেই শুরু হয় বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে লোকজনের আগমন।

    অনুষ্ঠান স্থলে ও অনুষ্ঠানের চারপাশের বাড়ি ঘরে নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিলো চোখের পড়ার মতো। এমনকি বিভিন্ন মাদ্রাসা বন্ধ রেখেও শিশু বাচ্ছাদের নিয়ে আসা হয় প্রোগ্রামে। এই শিশু ছাত্রদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতোই। প্রধান অতিথি আসার আগ পর্যন্ত পুরো মাঠ ও চারপাশ কোনায় কোনায় ২০/৩০ হাজার সমাগম ঘটে।

    প্রায় ৪ শ শতাধিক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে হবিগঞ্জ বানিয়াচং সড়কের রত্না নদীর ব্রীজ এলাকা থেকে বিকাল ৩ টা ৫০ মিনিটের দিকে প্রধান অতিথি মামুনুল হক’কে রিসিভ করে নিয়ে আসেন উলামায়ে কেরাম ও তাওহীদি জনতার নেতৃবৃন্দ।

    তারা উনার গাড়ি সামনে পাছনে করে মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে বিকাল ৪ টা ২০ মিনিটে মঞ্চে নিয়ে আসেন। এসময় তিনি বক্তব্য প্রদানকালে আবারও এই ঘোষণা পত্র পাঠ করা হয়। ঘোষণা পত্রটি পাঠ করেন আলীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দাল হুসেন খান।

    বানিয়াচংয়ে আল্লামা মামুনুল হক

    পরে ৪ টা ২২ মিনিটে প্রধান অতিথি তার আধ ঘন্টা বক্তব্যেকালে সরকারের উদ্যেশে এসবের ঘোষণা পত্র অনুযায়ী বক্তব্য রাখেন। এমনকি কাদিয়ানীকে অমুসলিম ঘোষণা, উগ্র ধর্মীয় সংগঠন হিজবুত তাওহীদকে নিষিদ্ধ, মহানবী (সাঃ) কে ব্যঙ্গ বা কটাক্ষকারীদের ফাঁশির বিধান রেখে আইন দ্রুত পাশ করার হুশিয়ারী করে বক্তব্য প্রদান করেন।

    এই আইন পাশ না করা করা হলে এবং এসব নিষিদ্ধ না করা হলে কাপনের কাপড় পড়ে আবার একটি যুদ্ধের ঘোষণা দেন তিনি এবং উপস্থিত জনতাকে হাত উঁচিয়ে শপথও করানো হয়। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ সাহেবের মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

  • বাহুবলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৩ ব্যাক্তিকে কারাদন্ড

    বাহুবলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৩ ব্যাক্তিকে কারাদন্ড

    আজ বাহুবল উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের খিলবামৈ এলাকায় মরা খোয়াই নদীতে মেশিন স্থাপন করে বালু উত্তোলন এবং সরকারি জমি হতে মাটি কাটার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাতেনাতে ধৃত হন মোহাম্মদ আব্দুল হাই, পিতা-আইনুল্লাহ, আব্দুল আহাদ, পিতা-ইসমেইল মিয়া, আব্দুল মতিন, পিতা-আব্দুল নূর।

    এদের সকলের বাড়ি হাসের গাও, চুনারুঘাট। বাহুবল উপজেলায় অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের দায়ে এই তিন ব্যাক্তিকে বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    এই অভিযানটি শুরু হয় সকাল ১০ টার সময়। আদালতটি পরিচালনা করেন জনাব স্নিগ্ধা তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাহুবল।