Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুর পৌর শহরে অগ্নিকান্ডে একটি দোকান ভস্মীভূত

    মাধবপুর পৌর শহরে অগ্নিকান্ডে একটি দোকান ভস্মীভূত

    হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌর শহরের একটি মার্কেটে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এতে একটি টেইলারিং দোকান পুড়ে ছাই হওয়া সহ অপর একটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনগনের প্রচেষ্টায় প্রায় ১ ঘন্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সোমবার রাতে পৌর শহরের নাসির নগর রোডের হাজী রহিছ উদ্দীন প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সুত্র জানায়, বাজারে দোকান পাটে ভ্রামমান আদালতের অভিযান হবে এমন খবরে হাজী রইছ উদ্দীন মার্কেটে অবস্থিত দোকানীরা তাড়াহুড়া করে দোকান পাট বন্ধ করতে থাকে।

    এ সময় ওই মার্কেটের সানমুন টেইলারিংয়ে ইস্ত্রিতে বৈদ্যুতিক বৈদ্যুতিক লাইন রেখে দোকান বন্ধ করে চলে যায়।

    মাধবপুর ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা মনোতোষ মন্ডল জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত ঘটে তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে মাধবপুর ফায়ার স্টেশনের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এতে মার্কেটের অপর একটি দোকান সামান্য ক্ষতি হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসায় বাজারটি রক্ষা করা গেছে।

    মাধবপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ জহিরুল ইসলাম জানান, ইউএনও ফাতেমা তুজ জোহরা লকডাউন পালন করার জন্য দোকান পাট বন্ধ করার নির্দেশনা দেন। এ সময় বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান পাট বন্ধ করতে শুরু করে। সানমুন টেইলারিংও তাড়াহুড়া করে দোকান বন্ধ করতে গিয়ে ইস্ত্রির বৈদ্যুতিক লাইন রেখে বন্ধ করে দেয় এ থেকে অগ্নিকান্ড ঘটে।

  • লাখাইয়ে নির্বিচারে পোনামাছ নিধন, রক্ষায় নেই কোন উদ্যোগ

    লাখাইয়ে নির্বিচারে পোনামাছ নিধন, রক্ষায় নেই কোন উদ্যোগ

    হাওরাঞ্চল বেষ্টিত লাখাইয়ে ভরা বর্ষায় মাছের আকাল। যথাসময়ে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় বর্ষার দেখা মেলেনি।

    এ সময়ে যে অঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কথা তাও শুষ্ক। তবুও এরই মধ্যে খাল-বিল ও নদী-নালা প্লাবিত হওয়ায় দেশী প্রজাতির পোনামাছের বিচরন লক্ষনীয়।

    আর বিলম্বিত বর্ষার কারনে পোনামাছ নিধন খুবই সহজতর হয়ে উঠেছে। এই সুযোগে পোনামাছ শিকারিরা নির্বিচারে পোনামাছ নিধনের মহৌৎসবে মত্ত।

    এদিকে লাখাই উপজেলার হাটবাজার গুলোতে দেদারছে বিক্রি হচ্ছে এ পোনামাছ। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে দেশী প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি।

    সরেজমিন এ উপজেলার বুল্লাবজার, বামঈ বাজার ও লাখাই বাজারসহ বিভিন্ন বাজার পরিদর্শনে দেখা যায়, উচ্চ মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টাকী, শোল, বোয়াল মাছের পোনা।

    নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক কয়েকজন পোনামাছ শিকারীর সাথে আলাপকালে জানান, খালে ও বিলে পানি কম থাকায় পোনামাছ ধরা সহজ। তাছাড়া বাজারে এ পোনামাছের দামও বেশ চড়া।

    এ ব্যাপারে কুদ্দুছ মিয়া, হামিদ আলী সহ কয়েকজন ক্রেতার সাথে আলাপকালে জানান, বাজারে দেশী প্রজাতির মাছ নেই বললেও চলে। আর যাও পাওয়া যায় তাও দাম আকাশচুম্বী। তবে চাষের মাছ পাওয়ায় রক্ষা।

    এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার ইদ্রিস তালুকদার জানান, বিষয়টি আমদের নজরে এসেছে। আজ কালের মধ্যেই অভিযান পরিচালনা করতে যাচ্ছি।

  • বানিয়াচংয়ে ১১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭ জনের কারোনা পজিটিভ : বৃদ্ধির হার ৬৪ শতাংশ

    বানিয়াচংয়ে ১১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭ জনের কারোনা পজিটিভ : বৃদ্ধির হার ৬৪ শতাংশ

    দি‌লোয়ার হোসাইনঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে করোনার প্রকোপ মারাত্মকভাবে বাড়ছে। ১১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭ জনের ফলাফল পজিটিভ আসছে।

    বানিয়াচং স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষার জন্য ২৭ জুন ১১ জন নমুনা প্রদান করেন।

    ২৮ জুন ল্যাব থেকে আসা পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় ৭ জনের ফলাফল পজিটিভ এসেছে। যা শতাংশের হিসেবে ৬৪ শতাংশ।

    নমুনা পরীক্ষাকারীদের মধ্যে ৪ জন বানিয়াচং স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি ছিলেন। ইতিমধ্যে ৩ জন রোগী রিলিজ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন। একজন মাত্র ভর্তি রয়েছেন।

    এ ছাড়া বানিয়াচংয়ের আরেকজন রোগীর করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এসেছে। তবে তিনি নমুনা পরীক্ষা দিয়েছিলেন হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ ইশতিয়াক রাজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ভর্তি হওয়া চারজন রোগীর মধ্যে একজন এখনও ভর্তি রয়েছেন তিনজন চলে গেলেও আমরা বানিয়াচং থানাকে জানিয়ে দিয়েছি।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, এটা বানিয়াচং উপজেলার মানুষের জন্য সতর্ক সংকেত। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক প্রচারনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

  • হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল কোর্টের মামলা ও জরিমানা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধুলিয়ারখাল মোড়ে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    সোমবার (২৮জুন) সকালে সদর
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী পাল এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

    এসময় সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী লগডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে গণপরিবহনে যাত্রী পরিবহন করা এবং মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন অপরাধে ৯টি মামলা প্রদান করা হয় এবং ৩হাজার ১শত জরিমানা আদায় করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী পাল বলেন, টমটম এবং সিএনজি অটোরিকশায় দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে। তাই করোনা মহামারী মোকাবেলায় সরকারী নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, এক্ষেত্রে কোন ধরণের ছাড় দেওয়া হবেনা। অন্যান্যদের মধ্যে সদর থানার একদল পুলিশ কোর্ট পরিচালনায় সহায়তা প্রদান করেন।

  • মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশা যাত্রী নিহত

    মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশা যাত্রী নিহত

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে আবু কালাম নামে (৫০) একজন নিহত হয়েছেন।

    সোমবার বিকাল দুইটার দিকে মাধবপুর-চৌমুহনী সড়কের মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবুল কালাম মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় নিহত আবুল কালাম সিএনজি যাত্রী ছিলেন। সে মনতলা তেমুনিয়া থেকে মাধবপুরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে সামনের সিটে চালকের ডান দিকে বসা ছিল।

    মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে অটোরিকশাটি অপর একটি অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা আরএফএল এর পণ্য বোঝাই একটি ট্রাকের বডিতে কালামের মাথা লেগে যায় এতে কালাম মারাত্মকভাবে আহত হয়।

    সাথে সাথে মনতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল কাইয়ুম তাকে পুলিশ তত্ত্বাবধানে মাধবপুর উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পুলিশ ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশা সহ ট্রাক চালক রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার খেতর গ্রামের শকুন শারিনের ছেলে লুটন শারিনকে (৩০) আটক করেছে। তবে সিএনজি চালক পালিয়ে যায়।

  • আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

    আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

    হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পশ্চিম তিমিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫০ জনের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।

    রবিবার (২৭ জুন) পশ্চিম তিমিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত কর্মসূচির আওতায় দিনব্যাপী প্রায় ২৫০ জন লোকের মধ্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করার পাশাপাশি তাদেরকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

    এসময় অত্র এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ এ কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানান।

    আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়

    আব্দুল হক তালুকদার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ দিলু মিয়া তালুকদার জানান, আমাদের এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্যই মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করা। অত্র এলাকার অনেক মানুষই নিজের রক্তের গ্রুপ জানে না পাশাপাশি রক্ত দিতেও ভয় পান কিংবা অসম্মতি প্রকাশ করেন।

    এমন মানুষদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে সবাইকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করে শান্তিময় সমাজ গঠনই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও আমাদের এ ধরণের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

  • জেলা প্রশাসনের উদ্দোগে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান সম্পন্ন

    জেলা প্রশাসনের উদ্দোগে শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান সম্পন্ন

    ২৭ জুন ২০২১ ইং রবিবার জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিন্টু চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ,হবিগঞ্জ, তওহীদ আহমেদ সজল, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), বিজেন ব্যানার্জী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শায়েস্তাগঞ্জ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।

    শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা ২০১৭ অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মোট তিন ক্ষেত্রে তিন জন কর্মকর্তা/কর্মচারীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    ২০২০-২১ অর্থবছরে জেলা কার্যালয়ে গ্রেড ৪ হতে গ্রেড ১০ কর্মকর্তাদের মধ্যে তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কে শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।

    উপজেলা কার্যালয়সমূহের প্রধানদের মধ্য থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয় মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শায়েস্তাগঞ্জকে।

    জেলা কার্যালয়ের গ্রেড ১১-২০ কর্মচারীবৃন্দের মধ্যে উক্ত পুরস্কার প্রদান করা হয় মোঃ কুদ্দুছ আলী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, হবিগঞ্জ কে।