Category: হবিগঞ্জ

  • একজন মানবিক সহকারী কমিশনার ইভান

    একজন মানবিক সহকারী কমিশনার ইভান

    একজন মানবিক সহকারী কমিশনার ইভান। প্রতিদিনের মত শনিবার সকালে কঠোর লকডাউনে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষে মোবাইল কোর্টে বের হন। কাজ করতে করতে একসময় গিয়ে থামেন শহরের মোতালেব চত্বরে। বিজিবি-কে সাথে তিনি কাজ করছেন, যাদের মুখে মাস্ক নাই তাদেরকে মাস্ক ব্যবহারের জন্য অনুরোধ করছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করছেন।

    শনিবার (৩১জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের মোতালেব চত্বরে আমি আমার মত করে ছবি আর ভিডিও ধারণ করছি। হঠাৎ কানে ভেসে উঠল একজন মহিলার কান্নার শব্দ, তাকিয়ে দেখি একজন মহিলা কান্না করে মোবাইল কোর্টে দ্বায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শোয়েব শাত-ঈল ইভানের কাছে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে খুজে পেতে সহায়তার জন্য কান্না করছেন।

    সহকারী কমিশনার ইভান একদিকে মহিলার কথা শুনছেন আর অন্যদিকে তার ছেলের ছবি হাতে নিয়ে বেশ কয়েকবার দেখছেন, কয়েক মুহুর্তের জন্য মনে হলো ইভান চলে গেছেন অন্য কোথাও।

    শহরের মোহনপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া বাসা থাকেন শাহেনা আক্তার। তিনি জানান, গত ২৫মে ২০২১ বিকাল ৩টার সময় তার ছেলে মিলন, বয়স ৮বছর, চকলেট আনার কথা বলে বাসা থেকে বের যায়, আর ফিরে আসেনি। বাবা হারা ৩ সন্তানকে নিয়ে অন্যের বাড়ীতে কাজ করে সংসার চালান শাহেনা আক্তার । থানায় জিডি করেছেন, এখনো ছেলের কোন সন্ধান পান নাই।

    সব কথা শুনে সহকারী কমিশনার সাথে সাথে মোবাইলে কথা বললেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুক আলীর সাথে। তিনি মহিলাকে থানায় নিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

    সহকারী কমিশনার ইভান তখন হারিয়ে যাওয়া ছেলের মা-কে বললেন, চলেন আমার সাথে, থানায় গিয়ে খুজ করে দেখি। কয়েক সেকেন্ডের জন্য শাহেনা বেগমের মুখের হাসিটা যেন অমাবস্যার আধারে পূর্নিমার চাদ।

    তারপর তিনি মিলনের মা শাহেনা বেগমকে নিজের গাড়ীতে করে সদর থানায় নিয়ে আসেন। থানায় এসে সেকেন্ড অফিসার জুয়েল আহমদের সাথে কথা বলেন। জুয়েল আহমদ জানান, আমরা সর্বোচচ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টা দেখছি এবং দেখব, ইতিমধ্যে সকল জেলায় এবং উপজেলায় ছবি এবং তথ্য দিয়েছি। খোজ পেলেই আমরা আপনাকে জানাব।

    এরপর সহকারী কমিশনার ইভান নিজের পকেট থেকে মহিলার হাতে কিছু টাকা তুলে দিয়ে বলেন, আপনার ছেলের বিষয়টি পুলিশ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, ইনশাআল্লাহ অতিশীঘ্রই আমরা ভালো কোনো সংবাদ পাবো। আমার নাম্বারটি নিন, যেকোনো প্রয়োজনে ফোন দিবেন, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো, আপনার পাশে দাঁড়াবার জন্য।

    কথা গুলো শেষ হতেই দেখে মনে হলো, শাহেনা বেগম কোথাও যেন একটা শান্তির ছোয়া পেলেন। আবারও একবুক আশা নিয়ে বাসা গেলেন। মানুষ মানুষের জন্য, মানবতা মানবতার জন্য।

    ভালো থাকুক সহকারী কমিশনার মোঃ শোয়েব শাত-ঈল ইভান এর মতো দেশের তরে কাজ করে যাওয়া মানুষ গুলো, যারা স্বপ্ন দেখায় এক নতুন বাংলার আর নবদিগন্তের।

  • করোনা মোকাবেলায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের টহল ও মোবাইল কোর্ট

    করোনা মোকাবেলায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের টহল ও মোবাইল কোর্ট

    কোভিড – ১৯ মোকাবেলায় কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার লক্ষে আজও হবিগঞ্জ জেলায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যর ও পুলিশের টহল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত ছিল। এসময় বিভিন্ন অপরাধে মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়।

    আজ শনিবার (৩১জুলাই) জেলা শহর এবং উপজেলাসহ ১৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন।

    এদিকে শনিবার বিাকল ৪টায় জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপি ৮টি মোবাইল টিম বিভিন্ন অপরাধে ৫৩জন ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ২৬ হাজার ৩শত ৫০টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

    মোবাইল পরিচালনার পাশাপাশি সকলকে সরকারী নির্দেশনা পালনসহ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে এবং সার্বক্ষণিক মাক্স পরিধান করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

  • মানবসেবা’য় সৌদি প্রবাসী সুমন আহমেদের অক্সিজেন সিলিণ্ডার দান

    মানবসেবা’য় সৌদি প্রবাসী সুমন আহমেদের অক্সিজেন সিলিণ্ডার দান

    মানবসেবা সামাজিক সংগঠন হবিগঞ্জ এর উদ্যোগে পরিচালিত “বিনামূল্যে জরুরী অক্সিজেন সেবা ” কার্যক্রমে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং গ্রামের সৌদি প্রবাসী মানবিক মানুষ মোঃ সুমন আহমেদ একটি অক্সিজেন সিলিণ্ডার প্রদান করেছেন।

    শনিবার সকাল ১০টায় প্রবাসী সুমন আহমেদের পক্ষে হবিগঞ্জ শহরস্থ গ্লোবাল সার্জিক্যাল সেন্টার থেকে মানবসেবা সামাজিক সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ মিনহাদ আহমেদ চৌধুরী মুন এবং কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল অক্সিজেন সিলিণ্ডারটি গ্রহণ করেন।

    করোনাকালের চলমান কার্যক্রমে অক্সিজেন সিলিণ্ডার প্রদান করায় মানবসেবা সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মোঃ সুমন আহমেদের প্রতি অনলাইনে কৃতজ্ঞতাসহ ধন্যবাদ জানান।

  • সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বত্র জেলা প্রশাসনের অভিযান

    সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বত্র জেলা প্রশাসনের অভিযান

    সৈয়দ সালিক আহমেদঃ কোভিড – ১৯ মোকাবেলায় কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার লক্ষে হবিগঞ্জ জেলায় টহল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত ছিল। এসময় মামলা ও জরিমানা আদায় করা হয়।

    আজ শুক্রবার (৩০জুলাই) জেলা শহর এবং উপজেলাসহ ১১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।

    বিকালে সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন এবং মঈন খান এলিসের নেতৃত্বে শহরের আনোয়ারপুর ফুটবল খেলার মাঠে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সরকারী বিধি নিষেধ উপেক্ষা করে কয়েক শতাধিক জড়ো হয় খেলার মাঠে। বিজিবির উপস্থিতি পেয়ে লোকজন পালিয়ে যায়।

    সহকারী কমিশনার শাহ জহুরুল হোসেন স্থানীয় লোকজনে অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এদিকে সোমবার জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, বিকাল ৪টা পর্যন্ত ১১টি মোবাইল টিম বিভিন্ন অপরাধে ৫৮ জন ব্যক্তির কাছ থেকে মোট ২৬ হাজার২শত টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

    এসময় সকলকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে এবং সার্বক্ষণিক মাক্স পরিধান করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

  • অদম্য নাছিরকে ব্যারিস্টার সুমনের মোটরসাইকেল উপহার

    অদম্য নাছিরকে ব্যারিস্টার সুমনের মোটরসাইকেল উপহার

    একজন চা বিক্রেতার ছেলে নাসির, বয়স ১৭বছর। বাবার এক চা বিক্রেতা। অদম্য মনোবল আর দৃঢ় সাহসিকতায় নাছিরের চোখে স্বপ্ন একদিন জাতীয় দলে ফুটবল খেলার। নিজ এলাকা এবং দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার স্বপ্ন তার চোখে মুখে। কথাগুলো বলছিলাম হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ফুটবলের অদম্য এক ছেলে নাছিরের কথা।

    শুক্রবার (৩০জুলাই) ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন ফুটবল একাডেমীতে প্রশিক্ষণরত নাছির ১০মিনিটের মধ্যে অন্য সবাইকে পিছনে ফেলে সবার আগে পুরো মাঠ ৯বার ঘুরে আসে।

    নাছিরের এই অদম্য সাহস ও মনোনল দেখে ব্যারিস্টার সুমন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ৫০হাজার টাকা দিয়ে একটি পুরাতন মোটরসাইকেল কিনে দেন, যাতে করে সে বাড়ী থেকে নিয়মিত স্কুল ও খেলার মাঠে সময়মত আসতে পারে।

    এবিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, কে কোনদিন এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব, আমি চাই মরণের আগে কিছু একটা ভাল কাজ করে যেতে। এই মোটরসাইকেলটা তেমন কিছু না, এমনও হতে এই নাছিরই একদিন ফুটবলে গণজাগরণ নিয়ে আসবে। আমি ফুটবলের সেই একটি নবজাগরণ দেখতে চাই।

  • লাখাইয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা

    লাখাইয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতায় আজ ৩০/০৭/২০২১ খ্রিঃ শুক্রবার লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহযোগিতায় আজ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুসিকান্ত হাজং, লাখাই, হবিগঞ্জ।

    এসময় সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৬৬ ধারায় মোট ০৫টি মামলায় ০৫ জনকে মোট ১৯০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।

    এসময় সকলকে মাস্ক পরতে উদ্ধুদ্ধ করা হয় এবং বিনা প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। পরিচালনা করা হয়।

  • নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ নিয়ে ৩১ বছরের বিরোধ পরিসমাপ্তি

    নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ নিয়ে ৩১ বছরের বিরোধ পরিসমাপ্তি

    শাহরিয়ার আহমেদ শাওন, নবীগঞ্জঃ

    হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ পশ্চিম বাজার জামে মসজিদের নামকরণ ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নিয়ে দীর্ঘ ৩১ বছরের বিরোধ পরিসমাপ্তি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ৮টায় নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস কক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি পরিচালিত হয় ।

    স্থানীয় সূত্র ও সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী ইনাতগঞ্জ বাজার জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে সুন্দর ভাবে চলে আসছিল। পরবর্তীতে মসজিদ টি ১৯৮৯ ইং সালে সংস্কার করে নাম পরিবর্তন করাকে নিয়ে দুইটি পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূচনা হয়।

    বিভিন্ন সময় পক্ষ বিপক্ষ আইনের শরণাপন্ন হয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে এবং সামাজিকভাবে স্থানীয় মুরুব্বীদের নিয়ে সমাধানের স্বার্থে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

    গত ২৯ জুলাই বৃহস্পতিবার নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষের সমঝোতার মধ্য দিয়ে মসজিদের নাম নামফলকম প্রতিষ্টাতা ভুমিদাতা সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিন্ধান্ত হয় মসজিদ প্রতিষ্ঠাতা ভুমিদাতা সদস্য মরহুম ওহাব উল্যাহ উত্তরসুরী হিসাবে সাংবাদিক আশাহিদ আলী আশার পরিবারকে স্বীকৃতি দিয়ে মসজিদ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এলাকাবাসী কর্তৃক নাম করণ করা ইনাতগঞ্জ সালেহা জামে মসজিদ নাম বহাল থাকবে। অপরদিকে সরকারি সম্পদ বন্দোবস্ত ক্রয়কৃত মালিক দাতা জামাল উদ্দিন কে যথাযথ মুল্যায়ন করা হবে । অচিরেই নির্দিষ্ট তারিখে নামফলক তৈরী করে সংসদ সদস্য গাজী মোঃ শাহনেওয়াজ মিলাদ এমপি এর মাধ্যমে উদ্বোধন করা হবে।

    উক্ত সভায় বিশেষ অবদান রাখেন, নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ডালিম আহমদ ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উত্তম কুমার দাশ,ইনাতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ সামছুদ্দিন খাঁন, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ, নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু, সাবেক সভাপতি এম এ আহমদ আজাদ,সাবেক সভাপতি ও প্যানেল মেয়র এটি এম সালাম,সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দৈনিক শাখা বরাক সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক এটি এম জাকিরুল ইসলাম, নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহী দেওয়ান চৌধুরী ,নবীগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কাজী হাসান আলী, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল খালিক, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক আশাহীদ আলী আশা, সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ সুমন, দীঘলবাক ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সভাপতি গোলাম রব্বানী, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নাবেদ মিয়া,মসজিদ কমিটির সভাপতি রুপ উদ্দিন, সহ সভাপতি আজিজুল রহমান, সাধারণ সম্পাদক হেলিম উদ্দিন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান, সদস্য আবিদ হোসেন খান, ইনাতগঞ্জ বাজার কমিটির সভাপতি দিলবার হোসেন, ব্যাবসায়ী রাসেল আহমেদ, আলাল মিয়া, দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী জাবেদ মান্না, সাবেক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক অঞ্জন রায়, সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলাল মিয়া , সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন তালুকদার, সদস্য জাফর ইকবাল, সাংবাদিক সাগর আহমেদ সহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত আলোচনা সভা শেষে ৩১ বছরের বিরোধ ভূলে পক্ষ বিপক্ষ কুশল বিনিময় করে। একত্রিত হয়ে ছবির ফ্রেমে সচল হয় হাসি।