Category: হবিগঞ্জ সদর

  • প্রায় ক্রেতাশূন্য পশুর হাট, দুশ্চিন্তায় হবিগঞ্জের বিক্রেতারা

    প্রায় ক্রেতাশূন্য পশুর হাট, দুশ্চিন্তায় হবিগঞ্জের বিক্রেতারা

    হবিগঞ্জে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির শঙ্কায় কোরবানীর পশুর হাট বসানো নিয়ে দুটানায় পড়েছিল জেলা প্রশাসন। অবশেষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। এতে খামারিরা খুশি হলেও এবার হাটে দেখা দিয়েছে এক সমস্যা। একদিকে করোনায় আর্থিক সংকট অন্যদিকে বন্যা। দুইয়ে মিলে চরম অবস্থায় রয়েছেন হবিগঞ্জের অধিকাংশ মানুষই। যার ফলে ঈদের শেষ মূহূর্তে এসেও প্রায় ক্রেতা শুন্য হবিগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট গুলো।

    জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে- এ বছর হবিগঞ্জ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার খামার থেকে ৩৫ হাজার গরু, ১৯৬টি মহিষ, ৭ হাজার ছাগল ও ৩ হাজার ৭৬৬টি ভেড়া কোরবানীর পশু হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। তবে করোনা সংক্রামণের ভয়ে সামর্থ্যবান অনেক ক্রেতা খামার থেকেই গরু কিনে নেন। এর মধ্যে করোনা ও বন্যার কারণে অনেক মানুষই এ বছর কোরবানী দিতে পারছেন না।

    শুক্রবার বিকেলে শহরের গরুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়- অন্য বছরের তুলনায় গরু অনেক কম উঠেছে। একই সাথে ক্রেতা সমাগমও অনেক কম। তবে বেশ কয়েকটি বড় গরু বাজারে উঠলেও সেগুলোর চারপাশে শুধু দর্শনার্থীরাই ছিলেন।

    ব্যবসায়িদের দাবী – গরুর দাম অন্য বছরের তুলনায় অনেক কম। এছাড়া সারাদিনে দু’একজন ক্রেতার দেখাও মিলছে না। এতে সারা বছর অনেক টাকা খরচ করে পালিত গরুগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা। যে ক্রেতারাই আসছেন তাদেরও নজর ছিল ছোট ছোট গরুর দিকে।

    অন্যদিকে ক্রেতারা বলছে- করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে আর্থিক টানাপোড়ানে রয়েছেন তারা। ফলে অন্যবছর বড় গরু কিনলেও এবছর তা সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে সাধ্যের মধ্যে ছোট গরুর কেনার আগ্রহ তাদের বেশি।

    এদিকে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোর বাজারগুলোতেও একই অবস্থা। বাজারে গরু উঠলেও ক্রেতা সমাগম ছিল না একদম।

  • হবিগঞ্জ জেলায় মাসিক বেতনে রেড এক্স ডেলিভারি-তে ডেলিভারি ম্যান নিয়োগ

    হবিগঞ্জ জেলায় মাসিক বেতনে রেড এক্স ডেলিভারি-তে ডেলিভারি ম্যান নিয়োগ

    বাংলাদেশে ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে ২০১৯ সালে বেস্ট স্টার্ট আপ কোম্পানী হওয়া “শপআপ” এর “রেড এক্স ডেলিভারি”-তে “ডেলিভারি ম্যান” পদে হবিগঞ্জ জেলায় মাসিক বেতন ও প্রতি ডেলিভারিতে আকর্ষণীয় কমিশনের ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করতে পারবেন সরাসরি একেবারে নিচে দেওয়া লিংকের মাধ্যমে।

    এলাকাঃ হবিগঞ্জ।

    প্রয়োজনয়ী যোগ্যতাসমূহঃ
    * শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ কমপক্ষে ক্লাস ৮ পাশ হতে হবে।
    * নিজস্ব বাইসাইকেল / মোটর সাইকেল থাকতে হবে।
    * নিজস্ব স্মার্টফোন থাকতে হবে।
    * সৎ, পরিশ্রমী ও ভাল ব্যবহারের অধিকারী হতে হবে।

    চাকরির দায়িত্বসমূহ:
    * বাই সাইকেল/ মোটর বাইক এর মাধ্যমে কাষ্টমারের ঠিকানায় পণ্য ডেলিভারি করা এবং পণ্যের মূল্য সংগ্রহ করা।
    * হোম ডেলিভারি পরিসেবার জন্য সবসময় প্রস্তুত থাকা।
    * কাষ্টমারের তথ্য, বিক্রয় তথ্য, অন্যান্য অনুমোদন রিপোর্ট অফিসে সময় মত পাঠানো।
    * এছাড়াও বিভিন্ন ইস্যুতে সুপারভাইজারকে রিপোর্ট করা।

    সুযোগ-সুবিধাসমূহঃ
    * মাসিক বেতন সুবিধা: ৩,০০০/- টাকা
    * প্রতি ডেলিভারিতে আকর্ষণীয় কমিশনঃ ৫০/- টাকা
    * মোটর সাইকেল থাকলে প্রতিদিন জালানি খরচ ১০০/- টাকা
    * বাৎসরিক উৎসব ভাতা
    আবেদনের জন্য এই ফরমটি পূরণ করুনঃ https://forms.gle/P77KrTTJxFAhTA9h9

    যোগাযোগঃ
    ইনামুল আসিফ লতিফী
    এক্সিকিউটিভ- রিক্রুটমেন্ট এন্ড ট্রেইনিং
    রেড এক্স ডেলিভারি, শপআপ।
    মোবাইলঃ +8801715460946
    ইমেইলঃ enamul.latifee@shopf.co

  • হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় ২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন

    হবিগঞ্জ পৌরএলাকায় ২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন

    করোনা ভাইরাসের কঠিন পরিস্থিতিতেও স্বাস্থ্যনীতি মেনে দেশে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলছে। করোনা সংকট মোকাবেলার পাশাপাশি হবিগঞ্জ পৌরসভায়ও ব্যাপক উন্নয়ন কাজ হাতে নেয়া হয়েছে।

    হবিগঞ্জ পৌরএলাকার ৮ টি স্থানে উন্নয়ন কাজের ফলক উম্মোচন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    আবু জাহির এমপি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীক নিয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপরই পৌরসভার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু হয়েছে।

    নির্বাচিত হওয়ার পরপরই মেয়র মিজানুর রহমানকে আমি শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপকভাবে উদ্যেগ নিতে পরামর্শ দেই। সাথে সাথে শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেই। সেই অনুযায়ী ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান, ড্রেন ও খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে হবিগঞ্জ শহরের জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিরসন করা হয়েছে। এর ফলে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পরও এবার অন্যান্য বছরের মতো শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি।’

    এজন্য তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান ও পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    তিনি বলেন আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভবিষ্যতেও দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ফলক উন্মোচনের সময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান, কাউন্সিলর মোঃ আবুল হাসিম, মোঃ জাহির উদ্দিন, গৌতম কুমার রায়, মোঃ আলমগীর, শেখ মোঃ উম্মেদ আলী শামীম, খালেদা জুয়েল, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল হক, ইউজিআইআইপি’র সহাকারী প্রকৌশলী নিরূপম দেব সহ অন্যান্যরা।

    বুধবার দিনব্যাপী উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। একদিনে তিনি পৌরএলাকায় ২ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকার উন্নয়ন কাজের ফলক উন্মোচন করেন। এ কাজগুলো হবিগঞ্জ পৌরসভায় বাস্তবায়নাধীন তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ (সেক্টর) প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত।

    উন্নয়ন কাজগুলো হলো ৪৭লক্ষ ৫৬ হাজার ৪শ ৬৫ টাকায় উমেদনগর কবরস্থান হতে বানিয়াচং রোড পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, ৮০ লক্ষ ৮৭ হাজার ৪৭৪ টাকায় বানিয়াচং সওজ রাস্তা হতে শাহপরান মাদ্রাসা হয়ে উমেদনগর পৌর উচ্চবিদ্যালয় সংলগ্ন সওজ রাস্তা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, ১৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮৮২ টাকায় ২নং পুল এলাকার সওজ রাস্তা হতে বাইপাস রাস্তা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, ৪৭ লক্ষ ৩৭ হাজার ১শ ৯৭ টাকায় কোর্ট ষ্টেশন এলাকায় পৌরসভার রাস্তা হতে জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাহেবে বাসা হয়ে শেখের মহল্লা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, ১৬ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৬৭ টাকায় কোর্ট ষ্টেশন এলাকার চাষী বাজার হতে কাউন্সিলর আলমগীর সাহেবের বাসা হয়ে বাইপাস রাস্তা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, ১৩ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩ শ ৪৫ টাকায় জেকে এন্ড এইচকে উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের পাশ্ববর্তী সওজ রাস্তা হতে জনাব আব্দুল্লাহ সাহেবের বাসা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, ১১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৬শ ৫২ টাকায় শায়েস্তানগর এলাকার কবরস্থান সংলগ্ন রাস্তা হতে কাউন্সিলর জনাব উম্মেদ আলী শামীম সাহেবের বাসা হয়ে জনাব নিজাম সাহেবের বাসা পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ ও ১২ লক্ষ ৫৬ হাজার ১ শ ৪১ টাকায় যশের আব্দা এলাকার খোয়াই বাধ হতে মাদ্রাসা পর্যন্ত এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ।

  • হবিগঞ্জের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

    হবিগঞ্জের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

    হবিগঞ্জের নয়টি উপজেলায় শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম। একই সাথে শ্রেষ্ঠ পরিষদ সদর উপজেলাকে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার(১৩ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার শ্রেষ্ট উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন- জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

    এর আগে সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

  • মানবতার ফেরিওয়ালা মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    মানবতার ফেরিওয়ালা মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লুকড়া ইউনিয়নের ভাটি অঞ্চলের ১৩ টি গ্রামে নৌকাযোগে গিয়ে অসহায় হতদরিদ্র ১০০ পরিবারের মাঝে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।  আজ শুক্রবার(১০ জুলাই) তিনি এ সাহায্য পৌঁছান।

    সাহায্য হিসেবে ছিলো, ১০ কেজি চাউল,২ কেজি আলু,১ কেজি লবন এবং একটি সাবান প্রদান সহ আরও ১০০ টি পরিবারকে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির লক্ষে হাঁস।

    মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, আমি ইচ্ছে করলে সব মানুষকে এক জায়গায় এনে বা উপজেলা – ইউনিয়ন অফিসে এই খাদ্যসামগ্রী ও হাঁস বিতরণ করতে পারতাম কিন্তু আমি বাড়ি বাড়ি এসেছি কারন ভোট চাইতেও আমি বাড়িই এসেছিলাম।
    আপনারা দোয়া করবেন আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখেন এভাবে সবসময় আপনাদের জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসব ,আমি ভালবাসা চাই,দোয়া আশির্বাদ চাই এরচেয়ে বেশি কিছু না।

  • ইয়াবাসহ আটক হওয়া সোহাগকে ফুল ও শোভাযাত্রায় বরণ !

    ইয়াবাসহ আটক হওয়া সোহাগকে ফুল ও শোভাযাত্রায় বরণ !

    চুনারুঘাট সীমান্ত এলাকা থেকে পাচারের সময় ৫২০ পিস ইয়াবাসহ হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আবু সাঈদ সোহাগকে আটক করেছিল র‌্যাব-৯। এ সময় তার কাছ থেকে মোটরসাইকেল, মোবাইল ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    পরে ইয়াবা পাচারের সাথে জড়িত থাকার কারণে ছাত্রলীগ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে হবিগঞ্জ জুড়ে বেশ আলোচনার জন্ম হয়। ১ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পায় সে। কিন্তু জামিন পাওয়ার দিন হবিগঞ্জ কারাগারের সামনে ঘটল আরও একটি আলোচিত ঘটনা। ইয়াবাসহ র‌্যাব এর হাতে আটক ও পরে বহিস্কৃত নেতাকে কারাফটকে ফুল দিয়ে বরণ করে বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে নিয়ে আসল ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতারা-কর্মীরাই। এমন বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর নতুন করে সমালোচনার মূখে পড়েছে পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ। শুধু সচেতন মহল বা সাধারণ মানুষই নয়, এই ঘটনার সমালোচনা, নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের একাংশ।

    পাশাপাশি যারা এমন কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগকে সমালোচনার মুখে দাঁড় করিয়েছে সেই নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি উঠেছে।

    জানা যায়- গত ৫ জুন সন্ধ্যায় চুনারুঘাট উপজেলার আসামপাড়া এলাকায় কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা পাচার করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৯ এর একটি অভিযানিক দল। এ সময় সেখান থেকে মাদক ব্যবসায়ী ছাত্রলীগ নেতা সোহাগকে আটক করে র‌্যাব। তার দেহ তল্লাশি করে ৫২০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। র‌্যাব তার কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, ২টি মোবাইল ও নগদ টাকা উদ্ধার করে। এ সময় র‌্যাব জানায় আবু সাঈদ সোহাগ একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। পরদিন ৬ জুন সকালে তাকে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করলে পুলিশ তাকে কারাগারে প্রেরণ করে।

    এদিকে, এ ঘটনার পর ছাত্রলীগের ইমেজ রক্ষার্থে আবু সাঈদ সোহাগকে দল থেকে বহিষ্কার করে উপজেলা ছাত্রলীগ। ৬ জুন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জুনায়েদ ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সুজাত স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সংগঠনের নীতি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় সদর উপজেলার পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আবু সাঈদ সোহাগকে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো।’

    গত ৬ জুন জামিনে মুক্তি পায় আলোচিত ও বহিস্কৃত সেই ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ। কিন্তু দল থেকে বহিস্কৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীকে কারাফটকে ফুল দিয়ে বরণ করেন পইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাহেব আলী এবং পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আল আমীন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের আরও অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত হয়ে মাদক ব্যবসায়িকে ফুলের মালা দিয়ে কারাফটকে বরণ করেন। পরে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাকে কারাগার থেকে নিয়ে আসা হয়। বিষয়টি নিয়ে জেলাজুড়ে দুইদিন ধরেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরাও।

    স্থানীয়রা বলছেন- রাজনৈতিক মামলায় কারাভোগের পর ফুল বা শোডাউন দিয়ে নেতাকে বরণ করার রেওয়াজ রয়েছে। কিন্তু ইয়াবা ব্যবসায়ী বা মাদক মামলায় কারাভোগের পর বহিস্কৃত নেতাকে এভাবে ফুল ও শোভাযাত্রার মাধ্যমে বরণ করা দল ও দেশের জন্য বিরল। এ ব্যাপারে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্যও অনেকে দাবি তুলেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে জানতে পইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আল আমীনের সাথে একাধিক মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সম্ভব হয়নি।

    এ ব্যাপারে পইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাহেব আলী বলেন- ‘ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে আমরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করতে যাইনি। আমাদের একটি সামাজিক সংগঠন আছে, সেটির সাংগঠনিক সে। আমাদের সামাজিক সংগঠনের নেতা হিসেবে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করেছি।’

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী সুজাত বলেন- ‘ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে আটকের পরদিনই আমরা তাকে দল থেকে বহিস্কার করেছি। তবে কারাগার ফটকে তাকে ফুল দিয়ে বরণ করার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এখন যেহেতু জানতে পেরেছি, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করব।’

  • শহরে মেয়াদহীন ইনজেকশন বিক্রি সহ নানান অনিয়মে জরিমানা

    শহরে মেয়াদহীন ইনজেকশন বিক্রি সহ নানান অনিয়মে জরিমানা

    হবিগঞ্জ শহরে মেয়াদহীন ইনজেকশন স্যানিটাইজার, প্রসাধনী বিক্রি ও সংরক্ষণের দায়ে জরিমানা করেছে জেলা প্রশাসন৷

    আজ বুধবার(৮ জুলাই) চৌধুরীবাজার এলাকায় আহমদ ফার্মেসিকে মেয়াদবিহীন স্যানিটাইজার ও মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন এবং আবদুল্লাহ সন্সকে মেয়াদত্তীর্ণ সাবান ও প্রসাধনী সংরক্ষণ এবং বিক্রির দায়ে মোট বারো হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

    এছাড়াও শায়েস্তানগর, বাইপাস এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে মাস্ক পরিধান না করা ও সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন ও শামসুদ্দিন মোঃ রেজা।

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জনস্বার্থে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।