Category: হবিগঞ্জ সদর

  • বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাঁচ শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি

    বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাঁচ শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি

    হবিগঞ্জ জেলার সর্বোচ্ছ বিদ্যাপিঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের পাচ শিক্ষক অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েব সাইটে সারাদেশে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির নোটিস দেয়া হয়।

    প্রকাশিত নোটিসে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের চার বিভাগের ৫ জন শিক্ষককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২ জন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২ জন, দর্শন বিভাগের ১ জন ও বাংলা বিভাগের ১ জন কে পদোন্নতি দেয়া হয়।

    অধাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকগন হলেনঃ
    ১. অধ্যাপক মোঃ ইলিয়াস বখত চৌধুরি, বিভাগীয় প্রধান, ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
    ২. অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম, বিভাগীয় প্রধান, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।
    ৩. অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক, বিভাগীয় প্রধান, দর্শন বিভাগ।
    ৪. অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ।
    ৫. অধ্যাপক পান্না বসু, বাংলা বিভাগ।

    অধাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকগনের পরিচয়ঃ

    ১. অধ্যাপক মোঃ ইলিয়াস বখত চৌধুরি। তিনি ২০০২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে আছেন। বর্তমানে তিনি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    ইলিয়াস বখত চৌধুরি ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ও সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক-মো-আব্দুল-হাকিম
    অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম

    ২. অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম। তিনি ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মো আব্দুল হাকিম ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি জকিগঞ্জ সরকারি কলেজ, শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজ এবং আকবর আলী সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক-মোঃ-রফিকুল-ইসলাম-মল্লিক
    অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক

    ৩. অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক। তিনি ২০১৭ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম মল্লিক ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, গাইবান্ধা সরকারি কলেজ এবং বিয়ানিবাজার সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ৪. অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী। ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাওশি সংযুক্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ মকুব আলী বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও নাজিম উদ্দিন সরকারি কলেজ, মাদারীপুর সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ৫. অধ্যাপক পান্না বসু। তিনি ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগে দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক পান্না বসু ১৬ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে এমসি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও তিনি এমসি কলেজ ও সিলেট সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    অধ্যাপক পান্না বসুর স্বামী অধ্যাপক ডাক্তার সব্য সাচী। তিনি পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটের এনেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের একমাত্র মেয়ে কানাডায় নিউরোসাইন্স নিয়ে উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছেন।

    এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলার আরেক কৃতি সন্তান অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তিনি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার পইলা খান্দি ইউনিয়নের বিজয়পুরে। তার বর্তমান বাসা শহরের পুরাতন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত।

    অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া ১৪ তম বিসিএস এর মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে পালন করছেন।

    অধ্যাপক মোঃ হারুন মিয়া বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাড়াও মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজ, চুনারুঘাট সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ এবং বিয়ানিবাজার সরকারি কলেজে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেওয়ান জামাল উদ্দিন চৌধুরি হবিগঞ্জ নিউজকে বলেন, “অনেক দিন পর এই পদোন্নতি এসেছে। আমার কলেজের ৫ জন শিক্ষক পদোন্নতি পেয়েছেন। এজন্য বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই পদোন্নতিতে কলেজের শিক্ষার মান আরো বৃদ্ধিপাবে বলে আশাকরি।”

    উল্লেখ্য প্রকাশিত নোটিসে সমগ্র দেশের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের ৪৪ জন, আরবিতে ৫ জন, উসলাম শিক্ষায় ১৭ জন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিতে ৩ জন, ইংরেজিতে ৪৩ জন ইতিহাসে ৪৫ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৪৬ জন, গণিতে ৩৪ জন, দর্শনে ৫০ জন, পদার্থবিদ্যা ২৯ জন,পরিংখ্যানে ১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ৩৬ জন, বাংলায় ২১ জন, ব্যবস্থাপনায় ৩৯ জন, ভূগোলে ৪ জন, মৃত্তিকাবিজ্ঞানে ১ জন, মনোবিজ্ঞানে ৩ জন, রসায়নে ২২ জন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৪৬ জন, সমাজকল্যানে ১৬ জন, সমাজবিজ্ঞানে ৬ জন, সংস্কৃতে ১ জন, হিসাববিজ্ঞানে ৩৩ জনে এবং শিক্ষা বিভাগে  ৫ জন সহ মোট ৫৫০ জন কে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয়া হয়।

  • হবিগঞ্জে ডিসির সাথে জেলার ইউএনও দের চুক্তি স্বাক্ষর

    হবিগঞ্জে ডিসির সাথে জেলার ইউএনও দের চুক্তি স্বাক্ষর

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) এর সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বৃন্দের  চলতি অর্থবছরের ২০২০-২১  বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে  জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান সভাপতিত্বে এই  অনুষ্ঠানটি হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) উম্মে ইসরাত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিজেন ব্যানার্জী, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং হবিগঞ্জ জেলার সাংবাদিকবৃন্দ।

    এই চুক্তিতে যা থাকছেঃ- পাহাড়কাটা ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে বিশেষ উদ্যোগ, ছাদকৃষি, পতিত জমি চাষের আওতায় আনয়ন, ব্যাপক হারে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী, শিক্ষার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ, ডিজিটাল ক্লাসরুম স্টুডিও স্থাপন, ভূমি উন্নয়ন কর আদায় ব্যাপক হারে বৃদ্ধিসহ কিছু অনন্য লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

  • মাছুলিয়া সূর্য তরুন ক্লাবের পক্ষ থেকে পৌর মেয়রকে সম্মাননা স্মারক

    মাছুলিয়া সূর্য তরুন ক্লাবের পক্ষ থেকে পৌর মেয়রকে সম্মাননা স্মারক

    হবিগঞ্জ পৌর এলাকার ৯ং ওয়ার্ডের মাছুলিয়া সূর্য তরুন ক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে এবং মাছুলিয়া জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ ও মাছুলিয়া এলাকায় সার্বিক উন্নয়নে সবসময় পাশে থেকে সহযোগীতা করার জন্য  হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মিজানকে সম্মাননা স্মারক দেয়া হয়েছে ।

    সম্মাননা স্মারক দেওয়ার সময় মাছুলিয়ার  সূর্য তরুন ক্লাবের সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলো।

    এই সময় মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন,  তিনি মাছুলিয়া সূর্য তরুন ক্লাবের উন্নয়নের জন্য সমসময় সহায়তা করবেন এবং ক্লাবের সাথে সব সময় থাকবেন।

    এছাড়া মাছুলিয়া সূর্য তরুণ ক্লাবের পক্ষ থেকে মাছুলিয়ার মাঠে টিভি দিয়ে একটি টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে ঈদের পর পরই।

  • অসহায় শ্রমিকদের ঈদ উপহার দিলেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    অসহায় শ্রমিকদের ঈদ উপহার দিলেন মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    গতকাল ২৯ জুলাই বুধবার হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম,

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মহোদয়ের মাধ্যমে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বরাদ্ধ হিসাবে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার গোপায়া ইউনিয়নের ধুলিয়াখাল টু রায়ধর/নারায়নপুর/আলাপুর এবং পোদ্দারবাড়ি টু রায়ধর /

    আলাপুর লাইনের অসহায় টমটম,অটুরিক্সা ,টেলাগাড়ি শ্রমিকদের মাঝে ঈদ উপহার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

  • সদর ও লাখাইয়ের ১ হাজার ৬০০ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

    সদর ও লাখাইয়ের ১ হাজার ৬০০ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর উপহার

    চারদিকে অথই জল আর বৃষ্টির আনাগোনার মাঝে হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলার প্রায় ২০ টি গ্রামের ১ হাজার ৬০০ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার তুলে দিয়েছেন অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। প্রতিটি পরিবারগুলোতে পৌঁছে যায় ১০ কেজি করে চাল।

    বুধবার সকালে প্রচন্ড বৃষ্টি। এরই মাঝে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি চৌধুরীবাজার এলাকায় খোয়াই নদীতে গিয়ে উঠেন স্পীড বোটে। এর আগেই চাল বোঝাই একটি নৌকা চলে ত্রাণ নিয়ে গ্রামীন জনপদে। তিনটি স্পীড বোটে জলে পরিপূর্ণ খোয়াই পারি দিয়ে প্রথমে যান লোকড়া ইউনিয়নের চানপুরে। নদী তীরেই অপেক্ষমান শতশত কর্মহীন অস্বচ্ছল নারী-পুরুষ।

    এমপি আবু জাহির কাছে পৌঁছলেই দেখা দেয় তাদের চোখেমুখে আনন্দের ঝিলিক। পরে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান করে সবার হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার ১০ কেজি করে চাল। এই চাল নিয়ে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেন সবাই।

    সেখানে ত্রাণ নিতে এসেছিলেন চানপুর গ্রামের ৯০ বছর বয়সী আবু মিয়া। এমপি’র হাত থেকে চাল নিয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ যেন আমাদের এমপিকে বাঁচাইয়া রাখে অনেকদিন। দুই কাঁধে স্ক্র্যাচে ভর দিয়ে চাল নিতে আসেন মূলচান বিবি। তার স্বামী আব্দুল হামিদ বেঁচে নেই অনেক দিন। নেই কোন সন্তানও। মূলচানও চাল পেয়ে আনন্দে প্রাণভরে দোয়া করেন এমপি আবু জাহির এর জন্য।

    চানপুরের পরেই নৌকা ভিড়ে কাশিপুর গ্রামে। সেখানেও একইভাবে তুলে দেয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার। পরে গোপালপুর বাজারে এমপি আবু জাহিরকে পাশে পেয়ে জনস্রোত দেখা দেয়। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি এমপি আবু জাহির সেখানে তুলে ধরেন তিনি এমপি হওয়ার পর কিভাবে অবহেলিত ওই এলাকার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন।

    বিশেষ করে সেখানকার উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারতলা ভবন নির্মাণ কাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য পাকা রাস্তা তৈরীর পাশাপাশি ব্রীজ নির্মাণে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    এলাকার সন্তান হিসেবে আবু জাহির এমপি ওই জনপদের মানুষের ভালবাসার কথাও তিনি স্বীকার করেন অকপটে। পাশাপাশি আগামীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নৌকার পাশে সবার সবার সমর্থন থাকবে কি না সেই কথা বললে উপস্থিত জনতা হাত তুলে তাকে সমর্থন জানায়।

    গোপালপুর-যাদবপুরের পর তিনি লাখাই উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখেন। ভরপূর্নি গ্রামে ত্রাণ বিতরণ শেষে চলে যান মাদনা বাজারে। সেখানে পানিবন্ধি থাকার পরও এমপি আবু জাহিরকে এক নজর দেখার জন্য নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে রীতিমতো জনসভায় রূপ নেয় ত্রাণ বিতরণ স্থল।

    শুধু ত্রাণ বিতরণই নয়; জনগণকে করোনা সম্পর্কে সচেতন করেন এবং মাস্ক পড়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধও জানান এমপি আবু জাহির।

    এসময় তিনি বলেন, করোনা মহামারির সাথে সাথে দেশে একাধিক দুর্যোগ চললেও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সবকিছু সফল ভাবে সামাল দিচ্ছে সরকার। এই দুর্যোগে কেউ যেন অভূক্ত না থাকে, সে ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর।

    খোয়াই নদীর পর বিস্তীর্ণ হাওর পারি দিয়ে ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী লোকজনের দুঃখ দুর্দশা অবলোকন এবং সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলেও এতটুকু ক্লান্ত হননি তিনি। সাথে থাকা নেতাকর্মীদের তিনি বলেন, এই জনগণই আমাকে আজ সম্মানের জায়গায় বসিয়েছে। তাদের পাশে থাকতে পারলেই আমি আনন্দ পাই। যখন এমপি ছিলাম না তখনও আমি ছুটে গেছি এই প্রত্যন্ত এলাকার জনগণের কাছে। তিনবার এমপি হয়ে অবস্থার অভুতপূর্ব উন্নতি হওয়ায় এলাকার দৃশ্যপট বদলে গেলেও করোনা এবং বন্যার জন্য জনগণ দুর্দশায় পতিত হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি নেতাকর্মীদেরকেও এদের কাছে থাকতে হবে।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, জেলা আওয়ামীলীগ এর সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আকরাম আলী, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক শঙ্খ শুভ্র রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদু, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান, লুকড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, সাবেক চেয়ারম্যান আমীর আলী, প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জ শহরে কর্মহীনদের পাশে বৃন্দাবন কলেজ এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন

    হবিগঞ্জ শহরে কর্মহীনদের পাশে বৃন্দাবন কলেজ এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন

    হবিগঞ্জ শহরে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে যাওয়া ভিডিওগ্রাফারদেরকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বৃন্দাবন সরকারি কলেজ এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন ইউকে।

    গতকাল রাতে দৈনিক খোয়াই কার্যালয়ে আয়োজিত মানবিক এই সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ মিজানুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, যায়যায়দিনের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি মোঃ নূরুল হক কবির, দৈনিক খোয়াইয়ের ব্যবস্থাপনা ও বার্তা সম্পাদক সাইফ আহছান, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডট কমের হবিগঞ্জ প্রতিনিধি বদরুল আলম, দৈনিক খোয়াইর স্টাফ রিপোর্টার নজরুল ইসলাম, দৈনিক খোয়াই’র সার্কুলেশন ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে মেয়র মিজানুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার করোনায় বিপাকে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে সহায়তা বিতরণ করে যাচ্ছে। হবিগঞ্জ পৌরসভার পক্ষে সার্বক্ষণিক আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। এসবের বাইরেও হবিগঞ্জের প্রবাসীদের এই সংগঠন যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ সময় তিনি পৌর নাগরিকদের সেবা নিশ্চিতে সাংবাদিকসহ সকলের পরামর্শ এবং সহযোগিতা কামনা করেন।

    বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় পুরোপুরি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হবিগঞ্জের ভিডিওশিল্পীরা। প্রবাসী নেতৃবৃন্দের এই সহায়তায় তারা অনেক উপকৃত। এজন্য তিনি সংগঠনের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এ ধরণের সহায়তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. জহিরুল হক শাকিল বলেন, করোনা একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা হলেও এর অর্থনৈতিক প্রভাব ভয়াবহ।

    বাংলাদেশে ইতোমধ্যে অনেক লোক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। যা ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। সরকারের একার পক্ষে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এ প্রেক্ষিতে বিত্তবানদের পাশাপাশি প্রবাসীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। সহায়তা প্রাপ্তরা বৃন্দাবন সরকারি কলেজ এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন ইউকের সভাপতি আলী নেওয়াজ মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিয়ামুল হক মাক্সিম, কোষাধ্যক্ষ মুকিত চৌধুরী ও সাইফুল ইসলাম হেলালসহ সংগঠনের সকল সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • হবিগঞ্জে আত্মসমর্পণ করলো ৭৫ জন চোরাকারবারী

    হবিগঞ্জে আত্মসমর্পণ করলো ৭৫ জন চোরাকারবারী

    হবিগঞ্জে বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে ৭৫ জন চোরাকারবারী।

    জানা যায়, আজ সোমবার (২৭ জুলাই) হবিগঞ্জ বিজিবির সদর দপ্তরে অধিনায়ক লে. কর্ণেল এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরী কাছে তারা দুপুরে আত্মসমর্পণ করে।

    ‘হবিগঞ্জের চোরাকারবারী সব ধরনের অপরাধ থেকে দূরে অঙ্গীকার’ এ বিষয়ের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- লে. কর্ণেল এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরী, হবিগঞ্জে মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের ইউপি মেম্বার চোরাকারবারী ফয়েজ প্রমূখ।
    উক্ত সভায় ৭৫ জন চোরাকারবারি সকল প্রকার অপরাধ থেকে দূরে থাকার অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।