Category: হবিগঞ্জ

  • বাহুবলে পুরান বই বিতরণের অভিযোগে শিক্ষিকা বরখাস্ত

    বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বড়ইউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরাতন বই বিতরণের অভিযোগে এক শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।এছাড়ও  প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে বিভাগীয় ব্যবস্থা।

    বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাক ও বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা গিয়ে নতুন বই বিতরণ করেন। এছাড়া অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, পহেলা জানুয়ারি সারাদেশে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু বাহুবলের বড়ইউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সালের পুরাতন বই দেন শিক্ষকরা। এ নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়।

    খবর পেয়ে বুধবার (২ জানুয়ারি) বিষয়টি তদন্ত করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    তিনি আরও জানান, অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক মো. মহসিন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • লাখাইয়ে পুলিশ আহতের ঘটনায় মামলা

    লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার করাব গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের সময় পুলিশ আহতের ঘটনায় প্রায় ২০০ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    বুধবার রাতে লাখাই থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ৪৫ জনের নামসহ দেড় শতাধিক লোককে অজ্ঞাত করে মামলাটি দায়ের করেন।

    এর আগে বুধবার দুপুরে করাব গ্রামের নয়াবাড়ির শাহিদ মিয়ার ছেলে মুর্শেদ মিয়ার সাথে পাওনা নিয়ে মোল্লা বাড়ির ফখরুদ্দিনের ছেলে শিমুল মিয়ার ঝগড়া হয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

    লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরান হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংঘর্ষকারীদের আক্রমণে ১০ পুলিশ সদস্য হয়েছেন।

  • বাহুবলে ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নতুন বই চুরির অভিযোগ!

    বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় এক প্রাইমারী স্কুলে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে নতুন পাঠ্যবই চুরি করে বেঁচে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করেছেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ জসীম উদ্দিন।

    এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বড়ইউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ১ জানুয়ারী বই উৎসবের মাধ্যমে সারাদেশে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছে সরকার। কিন্তু উপজেলার বড়ইউড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহসিন মিয়া ছুটিতে থাকা অবস্থায় দায়িত্বে থাকা সহধর্মিনী ফাতেমা বেগমের মাধ্যমে নতুন বই বিক্রির উদ্যেশে অফিস কক্ষে লুকিয়ে রেখে ২০১৫-১৭ সালের পুরাতন বই সংগ্রহ করে দেড়শত শিশুদের হাতে তুলে দেন। একমাত্র দ্বিতীয় শ্রেণির পুরাতন বই সংগ্রহ করতে না পেরে সেই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

    সারাদেশে নতুন বই আর এখানকার শিশুদের হাতে পুুুুরাতন বই দেখে অভিভাবকদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

    বিষয়টি উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. জসীম উদ্দিন জানতে পেরে বুধবার সকালে সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে তদন্তে নামেন। তদন্তে সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিক অফিসকক্ষে থাকা নতুন বইগুলো জব্ধ করে প্রধান শিক্ষক মো. মহসিন মিয়া ও তার স্ত্রী সহকারি শিক্ষিকা ফাতেমা বেগম কে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন।

    পরে বিষয়টি নিয়ে ইউএনও মো. জসীম উদ্দিন কার্যালয়ে বসে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নিয়ে বসে আলোচনা করে বিভাগীয় কমিশনার ও সচিব বরাবরে অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।

    নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক অভিভাবক বলেন, এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পাহাড় পরিমান অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের বরাবরে বহুবার অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত এক বছর যাবত স্কুল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন স্থানীয় শুশীল সমাজ। ফলে এলাকার অনেক অভিভাবকরাই তাদের সন্তানদের উপজেলা সদরে বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন ও পাশ্ববর্তী প্রাইমারি স্কুলে নিয়ে ভর্তি করিয়ে দিয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. জসীম উদ্দিন বলেন, বিষয়টি জেনে তাৎক্ষণিক তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছি। আজ বৃহস্পতিবার সহকারি কমিশনার (ভূমি) রফিকুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে নতুন বইগুলো শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

  • নবীগঞ্জে ১৩ জুয়াড়িকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: নবীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশ পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৩ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদেরকে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার নিকট সোপর্দ করলে তিনি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে জরিমানা ও বিভিন্ন মেয়াদে সাঁজা প্রদান করেছেন।

    উপজেলার গোপলার বাজার ফাঁড়ির এসআই কাওছার মাহমুদ তোরন জানান- মঙ্গঁলবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদে জানতে পান উপজেলার ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নের লামরোহ গ্রামের একটি দোকানের পেছনে একদল যুবক জুয়া খেলছে।

    তাৎক্ষনিক তিনি একদল পুলিশ নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেন তারা হল-স্থানীয় লামরোহ গ্রামের মৃত ছাও মিয়ার পুত্র আব্দুল সালাম (৩০) ওয়াহিদ উল্লার পুত্র সুহেল আহমেদ (২৮) মৃত লেবু মিয়ার পুত্র বাবুল মিয়া (৩০) মৃত মছদ্দর আলীর পুত্র রুহেল মিয়া (৩৬)। এ সময় অপর স্থান থেকে রাত সাড়ে ৮ টায় গোপন সংবাদ আসে যে একই ইউনিনের শতক গ্রামের রাস্তার পার্শ্বে আরেকটি জুয়ার আসর বসছে। তড়িঘড়ি করে সেখানে গিয়ে আরো ৯ জনকে গ্রেফতার করেন-তারা হল শতক গ্রামের নছর মিয়ার পুত্র কাউছ মিয়া (২৫) আব্দুল করিম মিয়ার পুত্র মহসিন মিয়া (৩৫) শতক (বড়ইতলা) গ্রামের মৃত আব্দুল করিম মিয়ার পুত্র ফিরোজ মিয়া (৩২) আমজাদ মিয়ার পুত্র মিলন মিয়া (৩৫) মুজিব আলীর পুত্র মোশাররফ (৩০) সালামত মিয়ার পুত্র হামিদ মিয়া (৩৫) ছনাওর উল্লার পুত্র আতাউর রহমান (৩৬) আনোয়ার মিয়ার পুত্র ইকবাল হোসেন (২৭) আমির উল্লার পুত্র আনোয়ার মিয়া (৩৭)। পরে তাদেরকে গতকাল বুধবার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ বিন হাসানের কাছে সোপর্দ করলে তিনি ভ্রাম্য আদালতের মাধ্যমে ১১ জনকে জনপ্রতি ১শ টাকা জরিমানা ও সুহেল আহমেদকে এক মাসের সাঁজা ও আব্দুল সালামকে সাত দিনের সাজাঁ প্রদান করেছেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন গোপলার বাজার ফাঁড়ির এসআই মাজহারুল ইসলাম।

  • হবিগঞ্জে গউছসহ ২৫০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    নিজস্ব প্রতিনিধি: নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের অভিযোগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপি’র প্রার্থী আলহাজ্ব জি কে গউছকে প্রধান আসামী করে প্রায় আড়াই শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    বুধবার রাতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় পৃথক সময়ে মামলাগুলো দায়ের করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের সাবেক ইউপি মেম্বার তৈয়ব আলী, শহরের শায়েস্তানগর এলাকার আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ আশরাফ আহমেদ হারুন ও শহরের যশেরআব্দা এলাকার জনাব আলী।

    মামলার বিবরণে প্রকাশ, গত রোববার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে বিকেলের দিকে শহরের জে কে এন্ড এইচ কে স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বিএনপি’র প্রার্থী আলহাজ্ব জি কে গউছ তার সমর্থকদের নিয়ে হামলা চালান। এ সময় জি কে গউছ আওয়ামী লীগ কর্মীদের মারপিট করে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের জন্য তাঁর কর্মীদের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশ পেয়ে বিএনপি কর্মীরা কেন্দ্র হামলা চালায় এবং ককটেল বিষ্ফোরণ করে। শুধু তাই নয়, ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তারা পালিয়ে যায়।

    পরে বিকেল ৩টার দিকে আবার গোপায়া ইউনিয়নের তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দুপুর দেড়টার দিকে শহরের যশেরআব্দা এলাকার সওদার কৃষ্ণধন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা ও ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা।

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান মামলার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

    এ ব্যাপারে গউছ বলেন- ভোটের দিন প্রশাসন কর্তৃক নিয়োজিত পুলিশের একটি টিম সার্বক্ষনিক আমার সাথে ছিল। আমি পুলিশ টিম ছাড়া এক সেকেন্ডের জন্যও কোথাও যাইনি। তেতৈয়া ভোট সেন্টারে আমি যাইনি, শহরের জেকে এন্ড এইচ কে হাইস্কুলের ভোট সেন্টারের ঘটনার সময় আমি ছিলাম পইল এলাকায়। মামলার ঘটনার সাথে কোন অবস্থাতেই আমি সম্পৃক্ত নই। ভোটের দিন আওয়ামীলীগ যে অপকর্ম করেছে মানুষ তা ঘৃনাভরে প্রত্যাক্ষাণ করেছে। শুধুমাত্র মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে ফিরানোর জন্যই আমার বিরুদ্ধে ৩টি মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন- আমার উপর যে জুলুম নির্যাতন করা হচ্ছে তার বিচার আমি হবিগঞ্জবাসীর নিকট দিলাম। আমি আপনাদের কাছে এই অন্যায়ের বিচার চাই। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়ায় আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সকল মামলা থেকে আমি মুক্ত হবো।

  • লাখাইয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০

    জুয়েল চৌধুরী, হবিগঞ্জ: লাখাই উপজেলার করাব গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন। এসময় বিপুল পরিমান রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। এঘটনায় ৪জনকে আটক করা হয়েছে।

    সূত্র জানায়, উপজেলার করাব গ্রামের নোয়াহাটি ও মোল্লা বাড়ির দুই গোষ্ঠীর মাঝে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। এ বিরোধের জের ধরে বুধবার দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। এ সময় লাখাই-হবিগঞ্জ সড়কে যানবাহন চলাচাল বন্ধ হয়ে যায়।

    খবর পেয়ে লাখাই থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে হবিগঞ্জ থানার পুলিশ যায়। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না হলে ৬৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৮ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এতে ৯ পুলিশ সদস্য আহত হয়।

    এছাড়া সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় শফিকুল ইসলাম, লিলু মিয়া, রিপন মিয়া, মোস্তাক মিয়া, মশিদুল, সুজন মিয়া, নাজিম উদ্দিনকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপতালে ভর্তি করা হয়। তবে পুলিশের ভয়ে সন্ধ্যার দিকে তারা হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যায়। এছাড়াও বাকিদেরকে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    লাখাই থানার ওসি জানান, ৪ দাঙ্গাবাজকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • মাহবুব আলীকে চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিলেট বিভাগে সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় এডভোকেট মাহবুব আলীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চুনারুঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু তাহের, চুনারুঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন লিটন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিদ আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, জুনায়েদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান তাহেরসহ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।