Category: হবিগঞ্জ

  • রাষ্ট্রপতিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন এমপি আবু জাহির

    নিজস্ব প্রতিনিধি: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে হবিগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এবং হবিগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    প্রসঙ্গত- ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তৃতীযবারের মতো নির্বাচিত হন এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এরপর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হবিগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তিনি। এছাড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এমপি আবু জাহির।

  • চুনারুঘাটে গলায় শাড়ি পেছানো নারীর লাশ উদ্ধার

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে গলায় শাড়ি পেঁছানো অবস্থায় অজ্ঞাত (২৮) এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
    শনিবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে প্রবেশের রাস্তার পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ।

    চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান জানান, শনিবার দুপুরে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। বিকেল ৩টায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সে বিবাহিত নারী। গলায় শাড়ি পেঁছিয়ে তাকে কেউ হত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মূল কারণ জানা জাবে বলে জানান তিনি।

  • হবিগঞ্জে প্রবীন আইনজীবি নূর খান আর নেই

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জে খ্যাতিমান প্রবীন আইনজীবি ও জেলা বারের সাবেক সভাপতি এম এ নূর খান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি……..রাজিউন)।

    শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে শহরের সুলতান মাহমুদপুর নিজ বাসায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

    নূর খান আইনজীবি ছাড়াও রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক ছিলেন।

    নিহতের পরিবার সূত্র জানায়- তিনি বেশ কিছু দিন যাবত জঠিল রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধিন ছিলেন । মরহুমের নামাজে জানাযা আজ (শনিবার) দুপুর আড়াইটায় সুলতান মাহমুদপুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।

  • শায়েস্তাগঞ্জে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক

    শায়েস্তাগঞ্জ(হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি: শায়েস্তাগঞ্জ থেকে গাজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব।

    শুক্রবার তাদেরকে আদালতে হাজির করে কারাগারো পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলার দেউন্দি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলো, শায়েস্তাগঞ্জের চরহামুয়া গ্রামের ফজল মিয়া (৪০) ও সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার বড়কাপন গ্রামের আল আমিন মিয়া (২৫)।

    তাদের কাছ থেকে ৩০ কেজি গাজা উদ্ধার ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিক্সা আটক করা হয় বলে র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোঃ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন।

  • মন্ত্রী হচ্ছেন আবু জাহির!

    হবিগঞ্জের সর্বমহলে এখন গুঞ্জন চলছে— মন্ত্রী হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির। অনেকে ধরেই নিয়েছেন এবার হবিগঞ্জ থেকে তিনি মন্ত্রী হচ্ছেন।

    অনেকদিন ধরেই হবিগঞ্জবাসী একজন মন্ত্রীর দাবি করে আসছিলেন। আর রাজনৈতিক, সংস্কৃতি, ক্রীড়াসহ সব অঙ্গনেই গ্রহণযোগ্য আবু জাহির। যে কারণে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন- এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে কোনো এক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেবেন।

    তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটির নেতাকর্মীকেও সুসংঘটিত করে রেখেছেন আবু জাহির। এতে হবিগঞ্জ জেলার কোথাও আওয়ামী লীগের কোন্দল নেই। টুকটাক মনোমালিন্য থাকলেও সেটা ঠিক করে নিয়েছেন নির্বাচনের আগেই।

    বিশেষ করে গত ১০ বছরে এলাকার কৃষক, শ্রমিক, জেলে, তাঁতীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রয়োজনে ডাকলেই সাড়া দিয়েছেন তিনি। এলাকার সাম্প্রদায়িকতা দূর করে সৃষ্টি করেছেন সাধারণ মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ। যে কারণে সর্বস্তরের লোকজন দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে তার আহ্বান সাড়া দেন যে কোনো কিছুতেই। এরা সবাই তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, এমনটাই কথা চলছে সর্বমহলে।

    হবিগঞ্জ পৌরসভার পাঁচ বারের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের যখন চরম দুঃসময় ছিল তখনও হবিগঞ্জের চারটি আসনেই নৌকা বিজয়ী হয়েছিল। তাই হবিগঞ্জকে বলা হয় দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ।’

    তিনি আরও বলেন, ‘২০০৮ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক মোস্তফা শহীদকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়ে হবিগঞ্জবাসীকে প্রতিদান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে হবিগঞ্জের কাউকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হয়নি। তখন থেকেই দাবি উঠেছিল হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরকে মন্ত্রী বানানোর জন্য। এবারও হবিগঞ্জের চারটি আসনে নৌকার বিজয় হয়েছে। সংসদ সদস্য আবু জাহির দলীয় প্রধান এবং তিনবারের এমপি হিসেবে আমরা তাকে মন্ত্রী বানানোর জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।’

    হবিগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী ও সব চা বাগানের আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের বলেন, ‘হবিগঞ্জে রয়েছে অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ। এখানে দ্রুত শিল্পায়ন হচ্ছে। বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে পর্যটনের। এছাড়াও বাল্লা স্থলবন্দর আধুনিকায়ন ও ইকনোমিক জোন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাস স্থাপন এবং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুত বাস্তবায়নের স্বার্থে এখানকার একজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রী বানানো জরুরি। দলীয় অবস্থান এবং জেলা সদরের এমপি হিসেবে অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহিরকে মন্ত্রী বানানো হলে হবিগঞ্জবাসী উপকৃত হবে।’

    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন বলেন, ‘আবু জাহির এলাকার উন্নয়নে কাজ করে সবার আস্থা অর্জন করেছেন। তাকে মন্ত্রী বানানো হলে হবিগঞ্জবাসী উপকৃত হবে এবং দেশের জন্যও তিনি বড় অবদান রাখতে পারবেন।’

    এ ব্যাপারে সংসদ সদস্য আবু জাহির বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন থেকেই দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ছাত্রলীগের সভাপতির পর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে দলকে সুসংগঠিত করেছি। হবিগঞ্জ এখন নৌকার ঘাটি। জনগণ আমাকে ভালোবেসে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আমি উন্নয়ন করায় এলাকাবাসী আমাকে সর্বদলীয় নাগরিক সংবর্ধনা দিয়েছেন। দলের একজন কর্মী হিসেবে মানুষের সেবা করাই আমার কাজ। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বার বার নৌকার মনোনয়ন দেওয়ায় আমি জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি।’

    তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিত্ব পাওয়া না পাওয়া একান্তই প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। যদি দায়িত্ব পাই তাহলে তার নির্দেশ মেনেই দেশের সেবা করে যেতে চাই।’

  • হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার উচাইল শান্তিশা গ্রামে বাদী বিবাদীর সংঘর্ষে মহিলাসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এতে বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

    গুরুতর আহত অবস্থায় সাজিদুর রহমান, রমিজ মিয়া, হাসিনা বেগম, শামছুন্নেহার, গউছ মিয়া, সাইফুল ইসলাম, আলামিন, কদ্দুছ মিয়া, মনোয়ারা ও নার্গিসকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় কদ্দুছকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয।

    এঘটনার খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

  • হবিগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউটে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ১০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউটে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ১০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

    শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে তারা ভর্তি হয়েছেন।

    অসুস্থরা হল- নুসরাত জাহান, শাহিনা আক্তার লিজা, ফারজানা ইয়াসমিন, বিলকিছ আক্তার, পলি আক্তার, কম্পা আক্তার, আলেয়া আক্তার, চাদনী আক্তার ও দীপা বিশ্বাস।

    শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নার্সিং ইনস্টিটিউটে খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল থেকে একে একে ১০ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি ইনস্টিটিউটের কর্তৃপক্ষ জানালে অসুস্থদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়।

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মেহিদী হাসান জানান, খাবারে বা পানিতে জীবানু থাকার ফলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা করছি। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তবে কারো অবস্থায় আশঙ্কাজনক নয়।