Category: হবিগঞ্জ

  • আসল ভোটের জন্য প্রস্তুতি নিতে বললেন রেজা কিবরিয়া

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: এটি আসল ভোট নয়, ভোট ডাকাতি করে তারা (আ’লীগ) জয় পেয়েছে। আমি জানি তাদের মাঝে কোনো তৃপ্তি নেই। কারণ ডাকাতির মাধ্যমে কোনো কিছু অর্জনে তৃপ্তি থাকে না। ভোটাররা যেভাবে ভয়ভীতি, গ্রেফতার আতঙ্ক, মামলা-হামলা সব উপেক্ষা করে সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে ছুটে গিয়েছিলেন, যদি তারা ভোট দিতে পারতেন তবে তাদের (আ’লীগের) এমন ভরাডুবি হতো যা কল্পনাও করা যেত না। এবার আসল ভোটের জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. রেজা কিবরিয়া।

    শুক্রবার (৫ জানুয়ারী) দুপুরে জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জালাসাপ গ্রামের নিজ বাড়িতে উপস্থিত নেতাকর্মীদের এসব কথা বলেন তিনি।

    এর আগে সকাল ১০টায় ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ীতে পৌছেন তিনি। এসময় সেখানে এলাকার মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন।

    তিনি বলেন, এখন প্রমাণিত হয়েগেছে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এ সরকার এটি সবার কাছে প্রমাণ করেছে। তারা জোড় গলায় বাইরে অনেক কিছুই বলে। কিন্তু ঘরে যখন যায় তখন তারা ঠিকই ভাবে কী লজ্জাজনক একটি কাজ করেছে।

    ড. রেজা বলেন, আওয়ামী লীগ এমন একটি দল ছিল, যে দলটি এক সময় মানুষের মুক্তির জন্যে, ভোটের অধিকারের জন্যে সংগ্রাম করেছে। তাদের ডাকে এদেশের প্রতিটি মানুষ প্রাণ দিতে রাজি ছিল। আর এখন এ আওয়ামী লীগ মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করে।

    রেজা কিবরিয়া বলেন, সবাই নিরাপদ থাকবেন। কারও সঙ্গে কোনো ধরণের বিবাদে জড়াবেন না। যখনই আসল নির্বাচনের ডাক আসবে তখন সবাইকে থাকতে হবে। তখন কোনো ভয়ভীতি থাকবে না।

    এদিকে রেজা কিবরিয়া বাড়িতে পৌঁছানোর খবর পেয়ে তার নির্বাচনী এলাকা নবীগঞ্জ ও বাহুবল উপজেলার নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। দুপুর পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে এমপি আবু জাহিরের শ্রদ্ধাঞ্জলি

    নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দকে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    শুক্রবার সকালে তিনি রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলী অর্পণ করেন। এ সময় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপিসহ নবনির্বাচিত সকল সংসদ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    পরে এমপি আবু জাহির হবিগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অন্যান্য সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত- ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন এডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    এরপর বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ করেন। এর আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হবিগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান তিনি। এমপি আবু জাহির গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

  • নবীগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেফতার ৪

    জসিম তালুকদার, নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ): নবীগঞ্জ পুলিশের অভিযানে ২ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ও ২ মাধদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ছোট ভাকৈর গ্রামের মৃত কয়ছর মিয়া’র পুত্র আঃ হান্নান (২৮), নবীগঞ্জ পৌর এলাকা রাজনগর গামের মৃত আক্কাছ আলীর পুত্র সুরুজ আলী(২৫), গোপলার বাজারের আলমগীর মিয়া(৩৪) ও শাহিন মিয়াকে (৩৫) গ্রেফতার করে হবিগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

  • নবীগঞ্জে জাপা নেতা মুরাদের জামিন

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: জামিনে মুক্তিলাভ করেছেন নবীগঞ্জ পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মুরাদ আহমদ।

    বৃহস্পতিবার সকালে জেলা কারাগার থেকে মুক্তিলাভ করেন তিনি।

    এ আগে গত বুধবার হবিগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক আবেদনের প্রেক্ষিতে জামিন মঞ্জুর করেন।

    এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মুরাদ আহমদকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় ।

  • শপথ নিলেন হবিগঞ্জের চার এমপি

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: শপথ নিয়েছেন একাদশ সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত হবিগঞ্জের চার সংসদ সদস্য।

    বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী শপথ বাক্য পাঠন করান।

    জাতীয় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথ কক্ষে হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনের সংসদ সদস্য শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী, হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবু জাহির ও হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মাহবুব আলী শপথ গ্রহণ করেন।

    শপথ শেষে তাঁরা আওয়ামী লীগে পার্লামেন্টারী বৈঠকে অংশগ্রহণ করছেন। এ বৈঠকে তারা তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবেন।

    এর আগে শপথ নিতে বুধবার ঢাকায় যান হবিগঞ্জের চারটি আসনে নবনির্বাচিত এমপিরা। এ সময় তাদের সাথে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ঢাকা যান।

    প্রসঙ্গত, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জের চারটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে।

  • মাহবুব আলীকে মন্ত্রী চায় এলাকাবাসী

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: সিলেট বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটে নির্বাচিত হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী মাহবুব আলীকে মন্ত্রী করার দাবি করেছে তার এলাকার জনগণ।

    গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হবার পর থেকে এ দাবি করা হচ্ছে। এডভোকেট মাহবুব আলী অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।

    আওয়ামীলীগ নেতারা দাবি করে বলেন, হবিগঞ্জ দ্বিতীয় গোপালগঞ্জ হিসেবে খ্যাত। গত ২০০১ সালে সারাদেশে আওয়ামীলীগ কমসংখ্যক আসন পেলেও প্রতিকুল অবস্থার মধ্যে ৪টি আসন পেয়েছিল।

    ২০০৮ সালে ২৯শে ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও হবিগঞ্জ ৪টি আসন পেয়েছিল। হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসন থেকে তখন এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন এনামুল হক মোস্তফা শহিদ। তখন তিনি মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেয়ে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

    দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্ষিয়ান নেতা এনামুল হক মোস্তফা শহীদকে বাদ দিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এড. মাহবুব আলী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সিলেট বিভাগের মধ্যে ৩ লাখ ৯ হাজার ভোট পেয়ে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নির্বাচনী এলাকায় ২৫টির বেশি চা বাগান সহ বিপুল সংখ্যক উন্নয়ন বঞ্চিত জনগোষ্ঠী রয়েছে।

    জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মুক্তিযোদ্ধা সুকোমল রায় জানান, বিগত সময়ে হবিগঞ্জে কোন মন্ত্রী দেওয়া হয়নি। তাই জনস্বার্থে পরিচ্চন্ন রাজনীতিবিদ সংসদ সদস্য এড. মাহবুব আলীকে মন্ত্রী করা হলে পুরো হবিগঞ্জবাসী উপকৃত হবেন।

  • মিলাদ গাজীকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন অনুসারীরা

    এম,এ আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ): মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বৃহত্তর সিলেট আওয়ামী লীগের কান্ডারি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী দেওয়ান ফরিদ গাজী। হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপির দায়িত্বে ছিলেন একটানা ১৫ বছর। এছাড়া বঙ্গবন্ধু সরকারের মন্ত্রী ছিলেন এবং সিলেট-১ আসনের সাবেক এমপি ছিলেন । যুক্ত ছিলেন অসংখ্য সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও। এতকিছু ছাপিয়ে সিলেটের গণমানুষের নেতা হয়ে উঠেছিলেন তিনি।

    বৃহত্তর সিলেটের স্বার্থরক্ষায় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অকুতোভয় ও আপসহীন ভূূূমিকার জন্য বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন সিলেট হবিগঞ্জের মানুষের মনে।

    সিলেটবাসীর কাছে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের বেসামরিক সাবেক সেক্টর কমান্ডার ‘মুক্তিরবীর’ এবং অনেকের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘সিলেটের ফরিদগাজী’ নামে। মৃত্যুর পর তার শূন্যস্থানকে পূরণ করবে- এ নিয়ে যখন সর্বমহলে আলোচনা চলছিল, তখনই নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে গাজী মোঃ শাহনেয়াজ মিলাদ। বাবার অনেক গুণ থাকায় তাকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন গাজী মোঃ শাহনেওয়াজ মিলাদের অনুসারীরা।

    সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর সিলেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে অনেক হেভিওয়েট প্রার্থী থাকার পরও তাকে প্রার্থী করে চমকে দেন তিনি। নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএসএম কিবরিয়া পুত্র আন্তর্জাতিক অর্থনীতিবিদ ঐক্যফ্রন্টের হেভিওয়েট প্রার্থীড.রেজা কিবরিয়াকে ৭৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন মিলাদ।

    মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসতেন দেওয়ান ফরিদ গাজী। এ জন্য সিলেট নগরীর লামাাজারস্থ বাসভবনে স্থায়ী ডাইনিং হল, বাবুর্চি ও বয়-বেয়ারা রেখেছিলেন। দলের নেতাকর্মী কিংবা সাধারণ কোনো মানুষ- যেই হোন না কেন, বাসায় গেলে না খাইয়ে ছাড়তেন না। অনেক সময় নিজ হাতে অতিথিকে আপ্যায়ন করাতেন। চা-নাশতা এবং দুপুরে ও রাতে খাবারের ব্যবস্থা রাখতেন নিয়মিত। প্রতিদিন শত শত মানুষ খেতেন সেখানে। অনেকেই মনে করেছিলেন, দেওয়ান ফরিদ গাজী মৃত্যুর পর সে ধারাবাহিকতা আর থাকবে না; কিন্তু একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি খাওয়া-দাওয়া। এখন মিলাদের সঙ্গে মানুষ দেখা করতে গেলে অনেকটা আগের মতোই খাওয়া-দাওয়া করাচ্ছেন।

    দেওয়ান গাজী মোঃ শাহনওয়াজমিলাদকে নিয়ে মূল্যায়ন করতে গিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, মিলাদের মধ্যে তার বাবার অনেক গুণই রয়েছে। বাবা না থাকলেও বাবার কাজগুলো ঠিকই চালিয়ে নিচ্ছেন। বাবার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে চান তিনি। এবার এমপি নির্বাচিত হওয়ায় সে কাজগুলো শেষ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তার মধ্যে আমরা তার বাবাকে খুঁজে পাই।’

    প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে বাজিমাত করা মিলাদকে এবার মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তার সমর্থকরা। তাকে নিয়ে বেশ আলোচনাও রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নিজেদের মতামত প্রকাশ করছেন।

    বিশেষ করে হবিগঞ্জ-১ আসনের তরুণরা তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

    হবিগঞ্জ-১-নবীগঞ্জের দেবপাড়ার খালেদ আহমদ বলেন, ‘যে কোনো কাজকর্মে মিলাদ গাজীর ওপর নবীগঞ্জ-বাহুবলের মানুষ ভরসা করতেন। এখানকার মানুষের জন্য অনেক কিছুই করেছেন তিনি। তার প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা রয়েছে, এখন তার ছেলেকে ঘিরে মানুষ সে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।’

    বঙ্গবন্ধু সরকারের সাবেক মন্ত্রী সিলেট -১ আসনের সাবেক এমপি ও হবিগঞ্জ-১ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা থাকাকালে দলের ।সিলেট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তাঁর আলাদা একটি বলয় ছিল। এখন সিলেট ও হবিগঞ্জের সবার সঙ্গে বেশ সুসম্পর্ক রেখে চলছেন তার ছেলে মিলাদ। সমর্থকদের অনেকেই নাখোশ হলেও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বেশিরভাগ মানুষ।

    মিলাদগাজী তার উঠে আসার পেছনে বাবা দেওয়ান ফরিদ গাজী অবদানকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘বাবার হাত ধরেই আমার রাজনীতির হাতেখড়ি। বাবার অনেক গুণ রয়েছে। এসব গুণের কারণে দলমত নির্বিশেষে মানুষ তাকে ভালোবাসতেন। আমি তার সে গুণগুলো নিজের মধ্যে ধারণ করার চেষ্টা করছি। বাবার স্বপ্ন পূরণে আমি আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে দলের স্বার্থে আমাকে এমপি পদ দিয়েছেন। নির্বাচনে প্রার্থী করেছেন। আমি জয়লাভ করে তার প্রতিদান দিতে পেরেছি। এগুলোকে আমি মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করতে চাই।’