Category: হবিগঞ্জ

  • গ্রীস যাবার পথে প্রাণ হারাল নবীগঞ্জের যুবক

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ)প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বাপ্পু রায় (২৫) নামে এক যুবক ওমান থেকে ইরান হয়ে নদী পথে গ্রীস যাবার জন্য স্পীডবোটে উঠার সময় অসাবধানতাবশত বোটের মেশিনে পড়ে গলা গেটে প্রাণ হারিয়েছেন।

    গত ১০ জানুয়ারি ইরানে এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত বাপ্পু রায় (২২) উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যসামত গ্রামের মৃত বন রায়ের পুত্র।

    ইরানের স্থানীয় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে।

    নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাস আগে বৈধ ভিসা নিয়ে ওমানে যায় বাপ্পু রায়। সেখানে তার দুই ভাই রয়েছেন।

    চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে দালালের মাধ্যমে গ্রীস যাবার স্বপ্ন থেকে বাপ্পু রায়। স্বপ্ন পূরণ করতে আরেক স্বপ্নের দেশ গ্রীস যাবার জন্য নদী পথ বেচে নেয় দালাল ও বাপ্পু।

    এদিকে বাপ্পুর অকালে মৃত্যুর খবর পরিবারের লোকজনের কাছে পৌঁছালে সবাই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

    বাপ্পু রায়ের চাচাতো ভাই রজত রায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • শায়েস্তগঞ্জে প্রধান সড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: শায়েস্তগঞ্জ পৌর শহরকে যানজট মুক্ত রাখতে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌর মেয়র মোঃ ছালেক মিয়ার নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

    এ সময় শহরের প্রধান সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে থাকা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

    এর ফলে শহরের প্রধান সড়ক যানজট মুক্ত হয়।

    পৌর মেয়র কর্তৃক জনস্বার্থে এ অভিযানকে তৃণমূলের লোকেরা স্বাগত জানিয়েছেন।

    পৌর মেয়র পরিষদের কর শাখার কর্মকর্তাদের নিয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এ সময় অনেকেই নবায়নকৃত ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে পারেননি। এ ব্যবসায়ীরা দ্রুত লাইসেন্স নবায়ন করার প্রতিশ্রুতি  দেন।

  • কুশিয়ারা নদী থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় কুশিয়ারা নদী থেকে জুবেদ মিয়া(২৬) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে কুশিয়ারা নদীর জালালপুর নামকস্থান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    জুবেদ মিয়া দীঘলবাক ইউনিয়নের দীঘলবাক গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র । জুবেদ মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানা গেছে।

    নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, জুবেদ মিয়া নামের যুবক কিছুদিন ধরে নিখোঁজ ছিল, সে মানুসিক ভারসাম্যহীন,পরিবারের লোকজনের অভিযোগ না থাকায় নদী থেকে তার আত্মীয় স্বজন জুবেদ এর লাশ উদ্ধার করে ।

  • বানিয়াচংয়ে মতিউর হত্যা মামলায় ৫২ জন কারাগারে

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নোয়গাঁও গ্রামের মতিউর রহমান হত্যার মূল নায়ক আরজু মিয়াসহ ৫২ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

    রোববার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনুর আক্তার এ আদেশ দেন।

    আসামিরা হলেন- রুবল মিয়া, শিশু মিয়া, সেলিম মিয়া, আশিকুর রহমান, ছায়েদুর মিয়া, শামছু মিয়া, ওবায়দুর মিয়া, আফজল মিয়া, আবু সায়েদ, সাজিদুর রহমান, জসিম মিয়া, কাদির মিয়া, ছাব্বির মিয়া, সামায়ুন মিয়া, স্বাধীন মিয়া, রবুজ মিয়া, মিতু মিয়া, নূর উদ্দিন, মতিউর মিয়া, জাবেদ মিয়া, হেলাল উদ্দিন, ছালিম উদ্দিন, হোসেন মিয়া, রাকিব মিয়া, মফিকুর রহমান, রোহান মিয়া, সোহাগ মিয়া, হাছান উদ্দিন, আনহার উদ্দিন, শরীফ উদ্দিন, ছুরত উল্লা, রঙু মিয়া, কাউছার মিয়া, আবিদুর মিয়া, আব্দুর রেজ্জাক, শফিকুল মিয়া, সোহাগ মিয়া, কায়েস মিয়া, রফু মিয়া, জাবেদ মিয়া, সাদ্দাম মিয়া, সাইফুল মিয়া, মজিবুর রহমান ওরফে ফয়জুর, রকিব মিয়া, বাছিত মিয়া, সাইফুর মিয়া, ছাদিক মিয়া, আছকির মিয়া, তাহির মিয়া, কাদির মিয়া ও মজিবুর রহমান।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আরজু মিয়া এবং আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মিয়ার মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে গত ১৩ ডিসেম্বর সকালে আরজু মিয়ার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ফরিদ মিয়ার লোকজনের বাড়ি-ঘরে হামলা চালানো হয়। এ সময় পিটিয়ে হত্যা করা হয় মতিউর রহমানকে। আহত করা হয় অর্ধশতাধিক লোকজনকে।

    এ ঘটনার ৪দিন পর ১৭ ডিসেম্বর নিহত মতিউরের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে আরজু মিয়াকে প্রধান করে ৭২ জনের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    মামলায় এফআইআরভুক্ত ৫২ আসামি আদালতে রোববার দুপুরে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    সহকারী পুলিশ সুপার শৈলেন চাকমা জানান, হত্যা মামলার বেশ কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দফায় দফায় আলোচনা করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাচ্ছিরুলকে পৌর আ’লীগের সমর্থন

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র বার বার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাচ্ছিরুল ইসলামকে সমর্থন জানিয়েছে হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগ।

    শনিবার রাত ৮টায় জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- পৌর আওয়ামীলীগ নেতা শিবলী, আব্দুল কদ্দুস, শাহবাজ আলী, স্বপন লাল বণিক, সুজিব বণিক, হিরাজ মিয়া, হাবিব খান, সাইদুজ্জামানা জাহির, শেখ মামুন, বিরেন্দ্র সরকার, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অমিয়, পারভেজ, কাজল সরকার, শিপন, পিন্ট দাস, শামীম খান, শায়েল, ফজলুল করিম, শওকতসহ পৌর আওয়ামীলীগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

  • দ্যা হবিগঞ্জ হোয়াইট রোজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার শীতবস্ত্র বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: দ্যা হবিগঞ্জ হোয়াইট রোজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শতাধিক শীতার্থ মানুষের মাঝে “শীতবস্ত্র” বিতরণ করা হয়েছে।

    শনিবার রাতে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন এলাকায় এ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনের সহ-সভাপতি আল-আমিন হোসেন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাউছার আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র শেখর দাশ, আশরাফুল হক রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ রাব্বি, দেওয়ান শাকিল, শাহ্ পাপ্পু, মোঃ নজরুল ইসলাম, পূজন মোদক সাজু, মোজাম্মেল হক নাহিদ, আশিকুল হক শুভ, তানিন সাহ প্রমূখ।

  • হবিগঞ্জে ক্রিকেট খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ শহরতলীর আলমপুর গ্রামে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দু’দলের সংঘর্ষে টেটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যদের সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়  ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ওই গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে রিপন মিয়ার সঙ্গে একই এলাকার হিরা মিয়া মাস্টারের এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মাঝে পাল্টাপাল্টি মামলাও রয়েছে। শনিবার বিকেলে রিপন মিয়ার আত্মীয় তোফাজ্জল এবং হিরা মিয়ার ছেলে আলমগীর স্থানীয় মাঠে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দু’পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে। সংঘর্ষে আহত সুলতান আহমেদ (২০), মোতাব্বির হোসেন (৪৫), রিপন মিয়াসহ (৩২) ১০ জনকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে পেটে টেটাবিদ্ধ অবস্থায় রিপন মিয়াকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।