Category: হবিগঞ্জ

  • নবীগঞ্জে ডাকাত লিলু আটক

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ডাকাত লিলু ওরফে সেলিমকে (৩৫) আটক করেছে র‌্যাব ৯- এর শ্রীমঙ্গল এর একটি দল।

    বুধবার সকাল সাড়ে ৭ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানিয়াচুং উপজেলার বক্তারপুর এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    র‌্যাব ৯-শ্রীমঙ্গঁল এর এসআই ইমদাদুল হক জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের বনগাঁও গ্রামের মৃত চাঁদ উল্লার পুত্র লিলু ওরফে সেলিম।

    তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে।

  • চুনারুঘাটে গণধর্ষণ মামলার আসামী গ্রেফতার

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের গাজীনগর গ্রামে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধুকে গণধর্ষণ মামলার আসামী আব্দুল হাই (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মামলার এজহারভুক্ত ৪নং আসামী জেল হাজতে। অপর দুই আসামীকে গ্রেফতারের জন্য খোজছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার তদন্ত অফিসার মো. আলী আশরাফের নেতৃত্বে একদল পুলিশ উপজেলার গাজীনগর গ্রামের তার নিজ বাড়ী থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। সে ওই গ্রামের মো. আকছির মিয়া উরপে ডেঙ্গা মিয়ার পুত্র।

    জানা যায়, গত ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর রাতে স্বামীকে বেঁধে গৃহবধুকে ৪ লম্পট মিলে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর ৪ জনকে আসামি করে চুনারুঘাট থানায় গণধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং-০৬।

    এ ব্যাপারে থানার তদন্ত অফিসার আলী আশরাফ জানান, আজ ১৬ জানুয়ারি রোজ বুধবার থাকে জেল হাজতে প্রেরন কার হবে।

  • বাহুবল কলেজে ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    বাহুবল প্রতিনিধি: বাহুবল কলেজের ১৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্যে দিয়ে “কলেজ দিবস” উদযাপন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় কলেজ ক্যাম্পাসে জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু হয়। পরে কলেজের ছাত্র-শিক্ষক ও অতিথিবৃন্দ মিলে এক আনন্দ র‌্যালী বের হয়।

    র‌্যালীটি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে বাহুবলের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে পৌঁছে।

    পরে উপজেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত পথ সভায় বাহুবল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুর রব শাহীনের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক এস এম আলম শরীফের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাই।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম ও বাহুবল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হাজী মোঃ জমর উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন, কলেজ প্রতিষ্ঠাতার সুযোগ্য সন্তান হাফেজ মোঃ আব্দুর রকিব, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ আবদুর রকিব, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ সামছুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও র‌্যালীতে কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ২০০৩ সালের ১৫ জানুয়ারি তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিরুজ্জামানের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাহুবল কলেজের যাত্রা শুরু হয়।

  • নবীগঞ্জে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় প্রতি বছরের ন্যায় এবার আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যদিয়ে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামবাসীর আয়োজনে প্রতিযোগীতা হয়েছে।
    ঘোড়দৌড় দেখতে মহিলা, শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে অনেক দুর দুরান্ত থেকে হাজার হাজার লোক সমাগম ঘটেছে।

    এ প্রতিযোগীতায় ১ম স্থান অধিকার করে জামারগাও গ্রামের সেলিম মিয়ার ঘোড়া। ২য় স্থান অধিকার করে আলমপুর গ্রামের আলাল মিয়ার ঘোড়া ও ৩য় স্থান অধিকার করে জামারগাও গ্রামের সেলিম মিয়ার আরেক ঘোড়া।

    পরে ইউপি সদস্য আব্দুল কাদিরের সভাপতিত্বে বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য গাজী শাহনওয়াজ মিলাদ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান ইমদাদুর রহমান মুকুল, ইউপি চেয়ারম্যান মুহবিুর রহমান হারুন প্রমু।

  • চুনারুঘাটে শিশুর নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালা

    চুনারুঘাট প্রতিনিধি: স্থানীয় জনগণের অংশ গ্রহন ও সামাজিক আচরন পরিবর্তনের মাধ্যমে শিশুদের জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা মঙ্গলবার চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ইউনিসেপর সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন ইকবালের পক্ষে শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা।

    এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শামছুন্নাহার।

    প্রশিক্ষন প্রদান করেন সমাজ সেবা কর্মকর্তা বারিন্দ্র রায়, ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস তালুকদার ও ইউনিসেপ এর জেলা কো অর্ডিনেটর রফিকুল ইসলাম।

    উপজেলা কো অর্ডিনেটর মাহমুদুল আলম চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ইউনিসেপ এর সিলেট অঞ্চলের কমিনিকেশন অফিসার সাইদুল হক মিল্কি, চুনারুঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য কর্মী শিরিন আক্তার, কামরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আঃ মালেক, ইউনিসেপ ইউনিয়ন কো অর্ডিনেটর হারুনুর রশীদ প্রমুখ।

    উক্ত কর্মশালায় আহমদাবাদ ও দেওরগাছ ইউনিয়নের ৪৫ জন ইউপি সদস্য, গনমান্য ব্যক্তিসহ নানা পেশার নেতৃবৃন্দ অংশ নিচ্ছে। আগামী ৩ দিন পর্যায়ক্রমে এ প্রশিক্ষন চলবে।

    শিশুদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন, বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম ও জন্ম নিবন্ধন নিয়ে চুনারঘাট উপজেলার আহমদাবাদ, দেওরগাছ, শানখলা, রানীগাও এবং মিরাশী ইউনিয়নে কাজ করছে ইউনিসেপ। তারা আগামী ৫ বছর এসব ইউনিয়নের শিশুদের উন্নয়নে কাজ করবে।

     

  • এবার সংসদে যেতে চান ইউপি চেয়ারম্যান শামছুন্নাহার

    আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ): সংরক্ষিত নারী আসনে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নারী নেত্রী আলহাজ্ব শামছুন্নাহার চৌধুরী সংসদ সদস্য হতে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। তাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার জন্য চুনারুঘাট তথা হবিগঞ্জবাসী দাবী জানিয়েছেন।

    ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মিডিয়াম তাকে নিয়ে চলছে নানা প্রচারনা।

    আলহাজ্ব শামছুন্নাহার চৌধুরী ১১৯৮৮ সালে প্রথম চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সারা দেশে তখন তিনিই ছিলেন প্রথম নারী ইউপি চেয়ারম্যান। তখন থেকেই তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন।

    ১৯৯৩ সালে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

    তৎকালীন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শরীফ উদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ্যতার কারনে বার বার বিদেশ গমনকালে শামছুন্নাহার বেশ কয়েকবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    ১৯৯৬ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় তার নেতৃত্বেই জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করা হয়েছিল। আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

    ২০১১ সালে তিনি দেওরগাছ ইউনিয়নে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একাধিকবার শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

    ২০১৬ সালে তিনি দ্বিতীয় বার দেওরগাছ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি বর্তমানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

    ব্যক্তিগত জীবণে তিনি ২ ছেলে ও ৫ মেয়ের জনক। তার স্বামী চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান।

    আবু তাহের ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করে ছাত্রলীগের সেক্রেটারি, সভাপতি, আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে বর্তমানে দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক। তার নেতৃত্বেই মুলত চুনারুঘাট আওয়ামীলীগ সংগঠিত।

    আলহাজ্ব শামছুন্নাহার চৌধুরী ৩ বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন। পেয়েছেন অতিশদিপঙ্খর, জয়িতাসহ নানা পুরস্কার। হয়েছেন জেলার শ্রেষ্ট চেয়ারম্যান। কাজ করছেন নারী উন্নয়নে। তিনি এবার সংরক্ষিত আসনে হবিগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য হতে আগ্রহী। এলাকার জনগনও তাকে বৃহৎ সেবার জন্য এবার সংসদে দেখতে চায়।

    এবিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চুনারুঘাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র দেব বলেন, শামছুন্নাহার একাধারে রাজনীতিবিদ, নারী নেত্রী ও একজন্ আদর্শ গৃহিনী। তিনি সমাজের মানুষের নানা সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি নিজের পরিবারও দেখা শুনা করেন। তার ছেলে মেয়েুরা সবাই উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন।

    নারী নেত্রী শিরিন মেম্বার বলেন, শামছুন্নাহার আপাকে এবার সংসদে চাই। তিনি ৩ বার চেয়ারম্যান হয়ে মানুষের সেবা করেছেন। এবার সংসদে দেখতে চাই তাকে। এভাবে উপজেলার নানা স্তরের মানুষই তাকে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সদস্য হিসেবে দেখতে চায়।

    আলহাজ্ব শামছুন্নাহার বলেন, আমি ১৯৮৮ সাল থেকে মানুষের সেবায় নিয়োজিত হই। এখনও মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। মানুষকে নিয়েই আমার কাজ। বিশেষ করে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের নিয়ে আমি কাজ করে যা্িচ্ছ। আল্লাহ যদি আমাকে নেই সুযোগ দেন, সংসতে যেতে পারি তাহলে নারীদের উন্নয়নে আরো অগ্রণী ভুমিকা রাখতে পারবো। সেজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

     

  • হবিগঞ্জে পইলের মাছেরমেলা

    এম শাহআলম, পইল মাছের মেলা থেকে: হবিগঞ্জ সদর উপজেলার পইল গ্রামে প্রতিবছরের মতো এবারও ঐতিহাসিক মাছমেলা অনুষ্ঠিত শুরু হয়েছে। পৌষ সংক্রান্তিতে আয়োজিত এ মেলাটি প্রায় দুই শতাধিক বছর ধরে চলে আসছে। একদিনের জন্য বসলেও মেলা চলবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত।
    মঙ্গলবার(১৫ জানুয়ারী) সকাল থেকেই মাছ মেলায় হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। শুধু হবিগঞ্জ জেলা নয়, সিলেট, মৌলভীবাজর, সুনামগঞ্জ, ্ব্রাক্ষণবাড়িয়াসহ অন্যান্য জেলা থেকেও প্রচুর লোক আসেন মেলায়।
    এ মেলায় বোয়াল, বাগাই, বড় আকৃতির আইড়, চিতল, গজার, রুই, কাতলসহ নানা প্রজাতির বড় বড়গ মাছ নিয়ে আসেন বিক্রেতার। এছাড়াও পুটি, চিংড়ি, কৈ, চাপিলা, চান্দা মাছ উঠে ব্যাপক হারে।
    মেলার প্রধান আকর্ষণ মাছ হলেও এতে কৃষি উপকরণ, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য, ভোগপণ্য, আখ, শিশুদের খেলনাও ছিল উল্লেখযোগ্য। পইলসহ আশপাশের গ্রামগুলোর মানুষ এ মেলাটিকে তাদের পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য বলে ধারণ করেন।

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কয়েকশ’ বিক্রেতা অংশ নিয়েছেন পইল মাছের মেলায়। বড় বড় মাছের সঙ্গে অনেকে দেশীয় নানা প্রজাতির ছোট মাছও নিয়ে এসেছেন। বেচাকেনাও চলে ব্যাপক। প্রত্যেকটি দোকানের সামনে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। মানুষজন মাছের দাম হাকাচ্ছেন, কিনছেন, আবার কেউ কেউ সেলফি তুলতেও ব্যস্ত বলে জানা যায়। শুধু সেলফি তুলেই শেষ নয়। মাছ মেলার ছবি দিয়ে কেউ কেউ আবার ঝড় তুলছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও।

    মাছ বিক্রেতা সমুজ আলী জানান, বিভিন্ন নদী ও হাওর থেকে মাছ আসে এখানে। এ মেলাকে লক্ষ্য করে চলে মাছ ধরারও উৎসব। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবছরই এ মেলায় মাছ নিয়ে আসি। বাজারের তুলনায় মেলায় মাছের দাম বেশি হলেও সবাই আনন্দের সঙ্গে মাছ কেনেন।’

    বিক্রেতা সুরুজ আলী জানান, মাছ মেলায় আগের সেই অবস্থা নেই। তারপরও বিস্ময় তৈরি করেছে নতুন প্রজন্মের জন্য। তিনি বলেন, ‘আগে সিলেট অঞ্চলের তরতাজা মাছ দিয়ে মেলা বসত। আর এখন বেশিরভাগ মাছ আসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। যা বরফ দিয়ে রাখা হয়। কতগুলোতো বক্সে থাকতে থাকতে বেঁকে গেছে। দেখেই অনুমান করা যায় এই মাছগুলো দূর থেকে আনা হয়েছে।’

    মেলায় ঘুরতে আসা এম শাহআলম জানান, ‘এখানে শুধু মাছ কেনাটাই বড় কথা নয়। বাপ-দাদার মুখে বড় বড় মাছের গল্প শোনা ছাড়া দেখা হয়নি। এখানে এসে বড় বড় মাছগুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে নিলাম। মাঝে মধ্যে তাদের গল্পগুলো অবিশ্বাস্য মনে হত। কিন্তু এখানে এসে সেই ভুলও ভেঙে গেল।’
    পইল ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ জানান, ‘ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বাগ্মী নেতা বিপিন চন্দ্র পালের জন্মভূমি পইল গ্রামে প্রতিবছর এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই মেলাকে ঘিরে এলাকায় উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রতিবছরের মতো এ বছরও মেলা শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।’