Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জে শেখ কামাল অনুর্ধ-২০ খেলোয়ার বাছাই অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিনিধি: সারাদেশে শেখ কামাল অনুর্ধ-২০ বিভাগীয় পর্যায়ে ফুটবল টুর্ণামেন্টে অংশ নিতে সিলেট বিভাগের ৩০ জন খেলোয়ার ইয়েস কার্ড পেয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামে খেলোয়ার বাছাই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন কলির পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাইফ পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমিন।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান নিপু, চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজ উদ্দিন আলমগীর।

    বক্তৃতা করেন- সুনামগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন, মৌলভীবাজার জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি আক্তারুজ্জামান, হবিগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুর রহমান প্রমূখ।

    প্রধান অতিথি সাইফ পাওয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরফদার মো. রুহুল আমিন বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল র‌্যাংকিংয়ে ১৪০ থেকে ১৫০তম অবস্থানে ছিল। কিন্তু আজ সেটি ১৯৩তম অবস্থানে গিয়ে পৌছেছে। আজ বাংলাদেশ টিম ভুটানের সাথে পরাজিত হয়। এর কারণ ফুটবলকে অবহেলা করা হয়েছে। যারাই দায়িত্বে ছিলেন তারা সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা করেননি। তারা এ বিষয়ে চরম উদাসিন ছিলেন। এ লজ্জা আমাদের পুরো জাতির। আমাদেরকে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ফুটবলকে এগিয়ে নিতে হলে সারা দেশে প্রতিযোগিতা করতে হবে। বাছাই করতে হবে। তা হলেই নতুন খেলোয়ার তৈরী হবে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ফুটবল এগিয়ে যাবে।

  • শায়েস্তাগঞ্জে রেল লাইনে ঝুঁকিপূর্ণ বাজার

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন পাশে দাউদনগর এলাকায় রেল লাইনের পাশে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাজার বসিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

    খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পৌরসভাধীন হাট বাজারগুলোতে উন্নয়ন ও পুননির্মাণ কাজ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র দাউদনগর বাজারে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পুননির্মাণ করা হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ী অস্থায়ী বাজার বসিয়েছেন রেল লাইনের পাশে।

    ব্যবসায়ীরা জানান- ট্রেনের আসার সময় হলে তারা রেল লাইনের একপাশে সরে যান। এভাবেই প্রতিদিন চলছে বাজার।

    বিশেষ করে বাজারে আসা শিশু ও বয়স্কদের জন্য এটা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জীবনহানীকর বলে মনে করেন বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা।

    ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে উন্নয়ন কাজ হচ্ছে, তাই বলে ঘরে বসে থাকলেতো সংসার চলবে না। কিছুটা ঝুঁকি নিয়েই ব্যবসা করতে হচ্ছে, তবে এটা সাময়িক।

    দাউদনগর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ করম আলী বলেন, দাউদনগর বাজারে পৌরসভা থেকে উন্নয়ন কারজ হচ্ছে। তাই ব্যবসায়ীরা অস্থায়ীভাবে রেল লাইনের পাশে বাজার বসিয়েছেন। আশাকরি শীঘ্রই বাজার উন্নয়ন কাজ শেষ হবে এবং ব্যবসায়ীরা বাজারে বসবেন।

  • শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায়ও নির্বাচনের হাওয়া

    হবিগঞ্জের নবগঠিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাও প্রথমবারের মত উপজেলা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

    বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম ফেরদৌস ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । তিনি জানান, কোন ধরনের জটিলতা নেই; কমিশন চাইলে এখনই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ‘শায়েস্তাগঞ্জ’।

    এদিকে  নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভোটের মাঠে নিজেদের জানান দিলেও, খবর নেই দেশের বিএনপি’র।তবুও  এ উপজেলাবাসী ১মবারের মত নির্বাচন করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

    ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে শায়েস্তাগঞ্জকে দেশের ৪৯২তম উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    একটি পৌরসভা ও তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার যাত্রা শুরু।

    নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলার অন্যান্য উপজেলার মত শায়েস্তাগঞ্জেও ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে নির্বাচনী আমেজ।

    সম্ভাব্য চেয়াম্যান প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আহমদ খান, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক কৃতি ফুটবলার হাজী মোক্তার হোসেন, যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট মীর গোলাম মোস্তফা এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুস ছালাম।

    স্থানীয়রা জানান, নির্বাচন নিয়ে তেমন কোন প্রস্তুতি নেই বিএনপি’র। দলীয় নির্দেশনা পেলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ও নুরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল।

  • বানিয়াচং সড়কে শুটকীব্রীজ ঝুঁকিপূর্ণ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে শুটকীনদীর বেইলী ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।তাই  মেরামতের উদ্যোগ নিয়েছে সওজ। গত সোমবার  থেকে মেরামত শুরু হয়, চলবে আগামী শুক্রবার  পর্যন্ত।

    যদিও জনগনের দাবি, ব্যস্ততম হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়ক’র ব্রীজটিকে সাময়ীক সংস্কার নয়, শুটকী নদীতে নতুন আরোও একটি উন্নত ব্রীজ স্থাপন করার।

    এদিকে ব্রীজ সংস্কারের অযুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর থেকে বানিয়াচং-আজমীরিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ইটনাসহ জেলার পাশ্ববর্তী বিভিন্ন অঞ্চলের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম শুটকীব্রীজ। ব্রীজটির উপর দিয়ে প্রতিনিয়তই ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে ব্রীজটির স্টিলের এবং লোহার প্লেটগুলোতে বাঁকা আকৃতির ধারণ করে গর্তের সৃষ্টিসহ বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে গেছে। ভারী যানবাহন চলাচলের সময়ে ব্রীজটি দুলতে থাকে।

    ব্রীজটির অতিক্রমের প্রবেশদ্বারেই সওজ কর্তৃক সাইবোর্ডে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু হিসেবে উল্লেখ করে সর্বোচ্চ ৫ টন এর অধিক মালামাল নিয়ে যাতায়াতের নিষেধ থাকলেও মানছে না কোন মালবাহী যানবাহন।

    স্থানীয়রা জানায়, ব্যস্ততম ব্রীজটিতে প্রায়ই সাময়ীকভাবে মেরামত করা হলেও কিছুদিন পরে আবারও তা ঝুঁকিপূর্ণতার সৃষ্টি হয়। কারণ হাইওয়ে রোডের ভারী মালবাহী ট্রাকগুলো হরহামেশাই চলাচল করে ব্রীজটি দিয়ে। শুধু তাই নয় ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসও প্রায়ই চলাচল করে। ব্রীজটি দিয়ে দুটো গাড়ী একই সঙ্গে যাতায়াত করতে পারে না, এতে করে নদী পারাপারের সময়ে উভয় দিক থেকে আস গাড়ীগুলোর মধ্যে যে কোন একদিকের গাড়ীগুলোকে থেমে থাকতে হয়। একদিকের গাড়ি পার শেষ হলে অন্যদিকের গাড়িগুলো চলাচল করতে পারে।

    তাছাড়া হবিগঞ্জ সদরসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বানিয়াচং-আজমীরিগঞ্জে স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে থাকে। তাই ব্রীজটিকে সাময়ীক মেরামত না করে নতুন ব্রীজ স্থাপন করতে দ্রুত প্রদক্ষেপ নেয়ার দাবি ভূক্তভোগিদের।

    এদিকে, যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীদের অসুবিধার সুযোগে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বানিয়াচংগামী পরিবহন খাতে সিএনজি, অটোরিস্কা, ছোট-ছোট মিনিবাস, মেক্সিসহ জিপগাড়ীগুলো। হবিগঞ্জ থেকে বানিয়াচং এর দুরত্ব প্রায় ১৮ কিলোমিটার। পূর্বে সিএনজিতে করে হবিগঞ্জ বানিয়াচং স্ট্যেন্ড থেকে বানিয়াচং নতুন বাজার অথবা বড় বাজারের ভাড়া জন প্রতি ৪০ টাকার স্থানে বর্তমানে শুটকী ব্রীজ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৪ কিলোমিটার এর ভাড়া নিচ্ছে ৩০ টাকা করে। যাত্রীরা শুটকী ব্রীজ পার হয়ে অপর এক সিএনজিতে করে বানিয়াচং নতুন বাজার অথবা বড় বাজার যেখানে ৪ কিলোমিটার দুরত্বের স্থানে পৌঁছাতে গুণতে হচ্ছে ২০ টাকা করে। তেমনি ছোট-ছোট মিনিবাস এবং মেক্সিগুলো হবিগঞ্জ থেকে বানিয়াচং এর পৌছাতে জনপ্রতি ভাড়া ২৫ টাকার স্থানে, শুটকী ব্রীজ পর্যন্ত ২০ টাকা এবং শুটকী ব্রীজ পার হয়ে ১৫ টাকা নিচ্ছে।

    ব্রীজ সংস্কারের কারণে পারাপার হতে যাত্রীদের এমনিতেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তার উপরে বাড়তি ভাড়া কেন গুণতে হবে এমন প্রশ্নে নাম না প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি ড্রাইভার জানায়, পূর্বে তাঁদের স্ট্যেন্ড ছিল দুটি এখন স্ট্যেন্ড ৪টি। তার সাথে যুক্ত হচ্ছে চারজন ম্যানেজার। পূর্বে শুধুমাত্র হবিগঞ্জ বানিয়াচং (খোয়াই নদী তীরবর্তী) এবং নতুন বাজার/বড় বাজার বানিয়াচং স্ট্যেন্ড ছিল, এখন শুটকী ব্রীজের এপার-ওপারে দুটি নতুন স্ট্যেন্ড সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক স্ট্যেন্ড থেকে গাড়ি ছেড়ে আসার সময়ে ১০ টাকা হারে চাঁদা জমা দিতে হয়। আবার অপর স্ট্যেন্ড থেকে ফেরৎ আসতে ১০ টাকা জমা দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন- বর্তমানে হবিগঞ্জ-বানিয়াচং রোডে সিএনজি সংখ্যা প্রায় ৪ শতাধিক। যাত্রীবাহী এসব প্রত্যেকটি যানচলাচলের সময়েই সকল ড্রাইভারকে একই হারে চাঁদা জমা দিতে হয়। যদি স্ট্যেন্ড এর নিয়ম মেনে চলা না হয় তাহলে আমরা নির্দিষ্টভাবে গাড়ি চালাতে পারছি না। যখন ব্রীজটি ঠিক হয়ে যাবে তখন পূর্বের হারেই যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হবে।

    আজমীরিগঞ্জ উপজেলার পরিষদের এক কর্মকর্তার সাথে আলাপকালে বলেন, আমি হবিগঞ্জ থেকে প্রতিদিন বানিয়াচং হয়ে আজমীরিগঞ্জ যাতায়াত করে থাকি।ব্রীজটির সংস্কার হচ্ছে এতে একদিকে আমাদের জন্য কল্যাণকর অন্যদিকে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতেও হচ্ছে। কারণ পূর্বে হবিগঞ্জ হতে এক গাড়িতেই বানিয়াচং পৌছাতে পারতাম, এখন নদীপার হয়ে অন্য আরেকটি গাড়ি ধরতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন- এতে আমাদের সময় নষ্ট হচ্ছে। সঠিক সময়ে অফিস করতে পারছি না। তাছাড়া যাত্রাপথে বাড়তি ভাড়াগুনতে গিয়ে মাসিক বেতনের হিসেবেও সমস্যায় পড়তে হবে।

    হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহি প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম বলেন- ‘শুটঁকিনদীর উপর ব্রীজটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বার বার চিঠি দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত এটি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত আমাদেরকে জানায়নি।

  • এমপি মিলাদ গাজীকে গণ-সংবর্ধনা

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ ১ বাহুবল-নবীগঞ্জ সংসদীয় আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহনওয়াজ মিলাদ গাজীকে বাহুবল উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিশাল গণ-সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    বুধবার বিকাল তিনটায়  উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়।

    ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আব্দুর নুর মানিক মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হাইয়ের পরিচালনায় প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী, জেলা সহ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল কাদির চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি ইব্রাহিম, সহ সভাপতি আশকার আলী,কেন্দ্রীয় তাঁতীলীগের সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা তাঁতীলীগের বিপ্লবী সভাপতি  মোঃ মুদ্দত আলী,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংঘঠনিক সম্পাদক বশির আহমেদ,সুহেল আহমেদ কুটি,কদ্দুছ মিয়া মেম্বার,উপজেলা মহিল আওয়ামীলীগ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারা মিয়া,উপজেলা যুবলীগের অাহ্বায়ক সৈয়দ মিল্লাদ,যুব মহিলা লীগ,সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি ও শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ সংসদ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অাক্তারুজ্জামান নাসির,এ চারাও বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ,কৃষকলীগ,শ্রমিকলীগ, তরুণলীগ,তাঁতীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এমপি শাহনওয়াজ মিলাদ গাজী বলেন, বাহুবল-নবীগঞ্জের প্রতিটি ঘরে ঘরে যাতে গ্যাস পায় আমি জাতীয় সংসদে এই প্রস্তাব রাখবো, আমি বাহুবলে একটি পৌরসভা দেয়ার চেষ্টা করবো,আমি বাহুবল-নবীগঞ্জবাসীকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবো, ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দিয়ে বাহুবল-নবীগঞ্জের আমার গরীব দুঃখি সিএনজি শ্রমিকরা যাতে চলাফেরা করতে পারে আমি সংসদে তাদের ব্যাপারে কথা বলবো।

     

  • এমপি আবু জাহিরের সাথে হবিগঞ্জ পৌরপরিষদের স্বাক্ষাত

    নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ-৩ আসনে টানা তৃতীয়বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এর সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার সকল কাউন্সিলর এবং-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    বুধবার সকালে সংসদ সদস্যের বাসভবনে এসে তারা এই মতবিনিময়ে মিলিত হন। এ সময় তারা অতীতের ন্যায় হবিগঞ্জ পৌরবাসীর উন্নয়নে এমপি আবু জাহিরের আন্তরিকতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

    পরবর্তীতে সকল কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এমপি আবু জাহিরকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

    মতবিনিময় ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ দিলীপ দাস, কাউন্সিলর মোঃ জাহির উদ্দিন, জুনায়েদ মিয়া, গৌতম কুমার রায়, মোঃ আলমগীর মিয়া, শেখ উম্মেদ আলী শামীম, আব্দুল আউয়াল মজনু, অর্পণা বালা পাল, খালেদা জুয়েল, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী সংসদের সভাপতি সিদ্ধার্থ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মহিবুর দুলন, কর্মকর্তা পারুল বালা দাশ, শাহীন মিয়া, দিলীপ কুমার দত্ত, মোঃ আব্দুল কদ্দুছ শামীম, অবনি কুমার দাশ, মোফাজ্জল সাদাত মুক্তা, গোলাম কিবরিয়া, ফয়সল আহমেদ খান, ইসরাত জাহান নীলা, দুলাল দেব, কারুন্নাহার সালমাসহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

  • নবীগঞ্জে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নবীগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জের সঈদপুর বাজারে অর্গানাইজেশন অব বাংলাদেশী আমেরিকান্স সংস্থার উদ্যোগে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে উপজেলার সঈদপুর বাজার এলাকার বিভিন্ন গ্রামের গরিব অসহায়, হতদরিদ্র শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরন করা হয়।

    এতে উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার সহ সভাপতি ও আমেরিকা প্রবাসী এম এ আলী, তরুন সমাজ সেবক শায়েক আলী, বাংলাদেশ মানববাধীকার কাউন্সিল (বামাকা) নবীগঞ্জ উপজেলার আঞ্চলিক শাখার সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক কৃতি ফুটবলার ফরতাব আলী, সাংবাদিক এম মুজিবুর রহমান, তরুন সমাজ সেবক সায়েম আলী, মুহিনুর রশিদ, শাকির আলী প্রমূখ।