Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জ শহরের দুইসহোদরসহ তিন গাঁজাখোর আটক

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরের উমেদনগর খাঁ-হাটি থেকে দুইসহোদরসহ তিন গাঁজাখোরকে আটক করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে মাদক দ্রব্য অধিদপ্তরের এস আই সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে একদল সিপাহী ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেন।

    মাদক ব্যবসায়ী কালাম আটক

    এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জামাদী উদ্ধার করা হয়।

    আটককৃতরা হল মৃত আজিজ খানের পুত্র রহমত আলী (৫০) তার ছোট ভাই নুর উদ্দিন (৪৫) ও হাজী হাটি এলাকার আছকির মিয়ার পুত্র ছায়েদ মিয়া (২৫)।

    মাদক দ্রব্য অধিদপ্তরের এসআই সিদ্দিকুর রহমান জানান,আসামী তিন জন কে মাদক আইনে মামলা দিয়ে কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • নবীগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় অনিক দত্ত (২৩) নামে এক মোটরসাইকেলের আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হবিগঞ্জ-নবীগঞ্জ সড়কের তিমিরপুর নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত অনিক উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের অলক দত্ত’র ছেলে।

     

    নবীগঞ্জ থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অনিক মোটরসাইকেলে করে নবীগঞ্জ থেকে মুরাদপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে যাচ্ছিল। তিমিরপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে ওই মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগলে অনিক গুরুতর আহত হন। এসময় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নেওয়ার পথে যুবকের মৃত্যু হয়।

  • হবিগঞ্জ পিবিআইর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ পিবিআইর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠার অভিযোগ । হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মোহনপুর প্রকাশিত রাজাপুর গ্রামের ভিক্ষুক কন্যা রুমেনা আক্তার হত্যা মামলা নিয়ে বাণিজ্যে মেতে উঠার এ অভিযোগ।

    প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের চার্জশীটে জড়িয়ে দেয়ার ভয়-ভীতি দেখিয়ে বাণিজ্য শুরু করেছেন হবিগঞ্জ পিবিআইর এসআই মাইনুল।

    এ ব্যাপারে আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগিদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাহুবল উপজেলার কাইতগাও প্রকাশিত রাজাপুর গ্রামের মৃত মুদ্দত আলীর ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম।

    তিনি রিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, একটি সরকারী পুকুরে ঘর নির্মাণের জের ধরে ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর বিকালে দখলবাজ কুতুব উদ্দিন গংদের সাথেএ্কই গ্রামের ইছাক আলীর লোকদের সংঘর্ষ হয়। এতে ইছাক আলীর পক্ষের শমসর উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি আহত হয়ে পরদিন হাসপাতালে মারা যান।

    এ ব্যাপারে মামলা হলে নজরুল ইসলাম সহ গ্রামের নিরপেক্ষ লোকদের সাক্ষী করা হয়। কয়েক মাস পর হত্যা মামলাটি ২৩ লাখ টাকায় সালিশের মাধ্যমে আপোষ হয়। এরই মাঝে আসামী পক্ষ হত্যা মামলার সাক্ষী নজরুলসহ বাদি পক্ষের বিরুদ্ধে এসিড মামলাসহ আরও কয়েকটি হয়রানীমূলক মামলা দায়ের করেন।

    কিন্তু এসব মামলা দিয়েও কিছু করতে পারেনি হত্যা মামলার আসামীরা। পরে ২০১৮ সালের ৪ আগস্ট রাতে কুতুব উদ্দিনের ভাতিজা মৃত খিরাম উদ্দিনের স্বামী পরত্যিক্তা কন্যা রুমেনা আক্তার রহস্যজনকভাবে খুন হয়।

    এব্যাপারে রুমেনা মা বানেছা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

    থানা পুলিশ কয়েক মাস তদন্তের পর মামলাটি গত ডিসেম্বরে হবিগঞ্জ পিবিআইতে স্থানান্তর হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মামলা তদন্তের দায়িত্ব গ্রহনের পর পিবিআই এর এসআই মাইনুল ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগি নজরুল ইসলামকে ডেকে নেন এবং অন্য একটি মামলার কাগজ দিতে বলেন। এর প্রায় এক মাস পর এসআই মাইনুল নিরীহ নজরুল ইসলামের নিকট এক লাখ টাকা দাবী করেন। কিন্তু নজরুল ইসলাম বাদী বা আসামী পক্ষের কেউ না হওয়ায় তিনি এসআই মাইনুলকে কোন টাকা দিতে অস্বীকার করেন।

    এরপর তিনি নজরুল ইসলামের কাছে সন্দেহভাজন কুতুব উদ্দিনের পুত্র আবু সুফিয়ান ও ইছাক মিয়ার পুত্র সাইফুর কোথায় আছে সন্ধান চান। উল্লেখিত দুই যুবক প্রতিপক্ষের হওয়ায় তাদের কোন সন্ধান দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন নজরুল।

    এর কিছুদিন পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নজরুল অন্য একটি মামলায় হবিগঞ্জ আদালতে গেলে এসআই মাইনুল তাকে ধরে পিবিআই অফিসে নিয়ে যান এবং রুমেনা হত্যার সাথে আমি জড়িত মর্মে স্বীকারোক্তি দিতে ক্রস ফায়ারে হত্যার ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাসনোর হুমকী দেন।

    হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার আটক ১

    এমনকি তিনি রুমেনা হত্যায় কবিরপুরের জিতু মিয়া ও তার শ্যালক শ্রীমঙ্গলের সবুজের নাম বলতে নজরুলকে চাপ দেন। কোনভাবেই নজরুলের স্বীকারোক্তি আদায় করতে না পেরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। দীর্ঘ এক মাস ১৮দিন জেল হাজত বাসের পর গত ১ এপ্রিল নজরুল জামিনে বেরিয়ে আসেন।

    এদিকে, নজরুল জেল হাজতে থাকাবস্থায়ই ৬ মার্চ তার প্রতিপক্ষের ইছাক মিয়ার ছেলে সাইফুর রহমান, জালালুদ্দিনের ছেলে মামুন মিয়া এবং নজরুলের ভাতিজা জোবায়ের ও আবু সাঈদকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন মাইনুল। এ সময় মোবাইল ফোন ও মেমোরী কার্ডসহ ২ হাজার টাকা নিয়ে গেলেও মাইনুল আজ পর্যন্ত তা ফেরত দেননি। এমনকি কোন জব্দ তালিকায়ও এর কোন তথ্য লিপিবদ্ধ করেননি বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

    এছাড়া নজরুলকে রিমান্ডে নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে তার ভাই সাইফুল ইসলামের নিকট থেকে তিন দফায় মাইনুল ৮৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এমনকি জামিনে বের হয়ে আসলেও এসআই মাইনুল নজরুলকে রুমেনা হত্যার চার্জসীটে অন্তর্ভূক্ত করার হুমকী দিচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মিথ্যা হত্যা মামলায় হয়রানির শিকার বৃদ্ধ ইউসুফ আলী, জহুর আলী, মকবুল হোসেন ও নিজাম উদ্দিন।

  • বঙ্গবন্ধুর কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ – আবু জাহির

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তিনি। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে তাঁর নাম মানুষের হৃদয়ে থাকবে।

    তিনি বলেন, জাতির পিতার অবর্তমানে তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো করে যাচ্ছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের পাশে থাকে। জনগণকে বঞ্চনা থেকে মুক্তি দেওয়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করার পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

    মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির বলেন, বঙ্গবন্ধুর তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে বছরব্যাপি পালন হচ্ছে মুজিব বর্ষ। এই বর্ষের প্রতিজ্ঞা হোক, ব্যক্তির উর্ধ্বে দল আর দলের উর্ধ্বে দেশ। এ সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি মুজিব বর্ষের কর্মসূচি পালনের আহবান জানান তিনি।

    হবিগঞ্জ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    তিনি বলেন, দলের মধ্যে এখনও মোস্তাকের প্রেতাত্মারা রয়েছে। মনে রাখতে হবে- যারা নৌকার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগের লোক না। দল ক্ষমতায় থাকলে নেতাকর্মীরাও সম্মানিত হন। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমি দলের বিপরীতে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। অনেকের মনে দুঃখ কষ্ট থাকতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে- যখনই নৌকার বিজয়ের ব্যাপারে সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

    সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রশিদ তালুকদার ইকবালের পরিচালনায় সভায় অন্যানন্যের মাঝে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আক্রাম আলী, সহ সভাপতি হাজী সফর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোঃ আদিল জজ মিয়া, আব্দুর রহমান, আব্দুল আউয়াল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুকিত, আব্দুল্লাহ সরদারসহ প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ দলের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

    সভায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নীতিগত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ সদরে স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সবিনয় অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাজী মুক্তার হোসেন, সদস্য আছকির মিয়া মেম্বার ও রিচি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বার ডেঙ্গুর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

  • কলেজ ছাত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেছে স্বজনরা

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে শাহিদা আক্তার (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেছে স্বজনরা । এ ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে শাহিদার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। শাহিদা আক্তার জেলার বাহুবল উপজেলার সোয়াইয়া গ্রামের লোকমান মিয়ার কন্যা।

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মিঠুন রায় জানান, শাহিদা আক্তার নামে এক বিষাক্রান্ত রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে আসা হয়। এসময় তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা করার সাথে সাথে তার পরিবারের লোকজন দ্রুত হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আমরা বিষয়টি পুলিশকে অবগত করি। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত বিষ পান করার ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে।

    জামাতা হত্যা মামলার মূল আসামী আটক

    শাহিদার বোন জহুরা আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা পালিয়ে যাননি। বরং বৈশাখী কাজ থাকায় তারা বাড়িতে গেছেন। কাজ শেষ করে তারা হাসপাতালে আসবেন। এছাড়াও তিনি কেন বিষ পান করেছেন জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

    বাহুবল থানার (ওসি) মোঃ মাসুক আলী জানান, সদর থানা পুলিশ বিষয়টি আমাদের অবগত করছে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।

  • নিখোঁজের দুইমাস পর এক কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার লাখাইয়ে নিখোঁজের দুইমাস পর এক কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মেন্দির হাওরে একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ছাত্র মুড়াকরি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২২)। সে মাধবপুর সৈয়দ সাঈদ উদ্দিন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র।

    এ ঘটনায় একই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মন্জু মিয়া ও তার মেয়ে ফারজানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। তারা পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় থানা চত্ত্বরে সংবাদসম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

    তিনি গ্রেফতারকৃতদের বরাত দিয়ে জানান, উপজেলা ধর্মপুর গ্রামের মন্জু মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তার (১৭) হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী এবং মুড়াকরি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে উজ্জল মিয়া (২২) মাধবপুর সৈয়দ সাঈদ উদ্দিন কলেজে পড়াশোনা করে।

    নিখোঁজের দুইমাস পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মাঝে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ফলে উজ্জল মাঝে মাঝে ফারজানা আক্তারের বাড়িতে আসা যাওয়া করত। তাদের মাঝে দৈহিক সম্পর্কও গড়ে উঠে। এদিকে খুব সুন্দর হওয়ায় উজ্জ্বল একাধিক মেয়ের সাথে প্রেম করতো। ফেব্রুয়ারি মাসে ফারজানার বাবা মা ঢাকা যান।

    এ সুযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে যায় উজ্জ্বল। ওই রাতে তারা দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হয়। এ সময় উজ্জ্বলের অন্য এক প্রেমিকা ফোন দিতে থাকে। কিন্তু সে ফোন রিসিভ না করায় ম্যাসেজ দেয়। সেটি দেখতে পেয়ে ফারজানা প্রথমে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়।

    পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে উজ্জ্বলকে হত্যার পরিকল্পনা নেয়। ওই রাতেই ঘরে থাকা মসলা বাটার সিল (পুথাল) দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়।

    আজমিরীগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আসামীর যাবজ্জীবন

    মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ বস্তায় ভরে ঘরের মেঝে খুঁড়ে পুঁতে রাখে। পরদিন ঢাকায় গিয়ে বাবা মাকে বিষয়টি জানায়। তারা ঢাকা থেকে এসে তার বাবা লাশ নিয়ে মেন্দি হাওরে পুঁতে রাখেন।

    এ ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি উজ্জ্বলের বাবা থানায় একটি জিডি করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়। ২১ এপ্রিল ফারজানা ও তার বাবা মন্জু মিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    এক পর্যায়ে ফারজানা ঘটনা স্বীকার করে। তার বাবা মঞ্জু মিয়াও পরে বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো তথ্যমতে সোমবার বিকেলে হাওর থেকে উজ্জ্বলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাবা শাহ আলম ছেলের লাশ সনাক্ত করেছেন।

  • চুনারুঘাটে সৃজনশীল মেধাবিকাশ এর উদ্যোগে মানব বন্ধন

    চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চলমান ধর্ষন, সহিংসতা ও নুসরাত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সৃজনশীল মেধাবিকাশ এর উদ্যোগে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকায় মধ্যবাজারে সৃজনশীল মেধাবিকাশের সভাপতি সাইফুর রাব্বির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চুনারুঘাট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নুরুল আমিন, সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক সুলতান খান, ওয়াহেদ আলী, নাসির উদ্দিন, মেধাবিকাশের তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুল মতিন চৌধুরী, ব্যবসায়ী তোতা মিয়া প্রমুখ।

    সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সাপ ও নেউল অবমুক্ত

    বক্তারা অনবিলম্বে নুসরাত হত্যাসহ সকল হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচার আদালতে বিচার এবং ধর্ষনের বিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।