Category: হবিগঞ্জ

  • হবিগঞ্জ জেলায় বজ্রপাতে স্কুল ছাত্রীসহ দুইজন নিহত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার সদর ও বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে স্কুল ছাত্রীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার দুপুরে পৃথক সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের ডেঙ্গু মিয়া (৫৫)ও বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিন সাঙ্গর গ্রামে মনফর আলীর মেয়ে ও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী সালমা আক্তার (৮)।

    এছাড়াও বজ্রপাতে ডেঙ্গু মিয়ার ৩ ছেলে আহত হয়েছেন । তারা হলেন- তোরাব আলী (৩০), করম আলী (২৮) ও কিতাব আলী (২৫)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত ডেঙ্গু মিয়া ৩ ছেলেকে নিয়ে গুঙ্গিয়াজুরী হাওয়ারে ধান কাটছিল। দুপুরে কালবৈশাখী ঝঁড় শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ডেঙ্গু মিয়া ঘটনাস্থলে মারা যায়। বজ্রপাতে আহত হয় তার ৩ ছেলে। পরে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

    অপরদিকে , বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিন সাঙ্গর গ্রামে মনফর আলীর মেয়ে ও স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী সালমা আক্তার একই সময় কালবৈশাখী ঝঁড় শুরু হলে বাড়ির পাশে আম কুড়াতে যায়। এ সময় বজ্রপাতে হলে সে গুরুতর হয় আহত হয়। পরিবারের লোকজন আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

    হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ দেবাশীষ দাস মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • হবিগঞ্জে নতুন ধানের বাজার মূল্য কম থাকায় হতাশ কৃষক

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে নতুন ধানের বাজার মূল্য কম থাকায় হতাশ কৃষক । এ দামে তাদের উৎপাদন ব্যয়ও উঠবে না বলে জানান একাধিক কৃষক। জেলার বানিয়াচং হাওরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকা থেকে প্রতিদিন হাজার মণ নতুন ধান আসছে। তবে দাম খুবই কম।

    এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। তবে বৈশাখের শুরুতে হাওরে ধান কাটা শুরু হলেও শ্রমিকের অভাব দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষকরা। ধান কাটতে দিনমজুরের প্রতিদিনের মজুরি ৬০০-৭০০ টাকা।

    জানা যায়, হবিগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে প্রতিমণ মোটা ধান বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা। তবে চিকন ধানের বাজার দর ৫০০ টাকা। কৃষকরা বলছেন, প্রতিমণ ধান উৎপাদনে ব্যয় হয়েছে ৬০০-৬৫০ টাকা। বর্তমান বাজার দরে ধান বিক্রি করে কৃষকরা লোকসানে পড়ছে।

    বানিয়াচং উপজেলার কৃষক মনজুর হোসাইন বলেন, ‘ধান কাটার মজুরিসহ বীজ, সার, কীটনাশক ও সেচে প্রতিমণ ধান উৎপাদনে যে খরচ হয়েছে, বিক্রি করে তা উঠানো যাচ্ছে না। লোকসানে ধান বিক্রি করে দেনা পরিশোধ করব কিভাবে বুঝতে পারছি না।’

    হবিগঞ্জের আড়ৎদার মনির খা জানান, প্রতি বছর বৈশাখ মাসে নতুন ধানের দাম কমই থাকে। কারণ এখন আমদানি করা ধান আধা শুকনা ও ভেজা। পুরোপুরি শুকনা ধান এখনো আমদানি শুরু হয়নি। কৃষকরা জমিতে ধান কাটার পর আধা শুকনা ধান বিক্রি করতে বাজারে নিয়ে আসছে।

    ভাসমান বেডে তলাবিহীন পদ্ধতিতে শীতকালীন সবজী চাষ

    আড়ৎদার সাখাওয়াত হোসেন জানান, আশেপাশের রাইস মিলগুলো এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। সরকারি গুদামগুলো নতুন ধান কেনা শুরু করেনি। মে-জুন মাসে সরকার নতুন ধান কেনা শুরু করলে ধানের দাম আরও বাড়বে।

    খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী জমির আলী জানান, ধানের বাজার দর এখন কম হলেও সরকারি গুদামগুলোতে নতুন ধান কেনা শুরু হলেই বাজার দর বেড়ে যাবে।

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালক জানান, এবার হাওরে বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কয়েক লাখ টন ধান কৃষকের ঘরে উঠবে। তবে বাজার দর কম থাকাটা দুঃখজনক।

  • আজ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

    হবিগঞ্জ নিউজ ডেস্কঃ আজ শনিবার জাতীয় নেতা শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী । ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় মৃত্যু হয় তার। ফজলুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

    সকাল ৭টা ৩০মিনিটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মরহুমের মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও তার পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

    শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ওয়াজেদ আলী ছিলেন বরিশালের খ্যাতনামা আইনজীবীদের অন্যতম। বিপুল ঐশ্বর্যশালী পিতার একমাত্র সন্তান হলেও ফজলুল হক বাল্যকাল থেকেই বহু সদগুণের অধিকারী ছিলেন। শৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রতি অনুরক্ত করেই গড়ে তোলা হয়েছিল তাকে।

    বর্তমান প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের ৩৫০ মন্ত্রী-এমপির নাম ও মোবাইল নাম্বার

    শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের বাল্যকাল থেকেই তেজস্বিতা, তীক্ষ্ণ মেধা ও প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায়।

    ঘরেই তার আরবি, ফারসি ও উর্দু শিক্ষা শুরু হয়। ১৪ বছর বয়সে বরিশাল জেলা স্কুল থেকে প্রথম শ্রেণির বৃত্তি এবং পারিতোষিকসহ ঢাকা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে প্রবেশিকা পরীক্ষা পাস করেন। এরপর কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এফএ এবং পরে রসায়ন বিদ্যা, পদার্থ বিদ্যা ও গণিতে অনার্সসহ বিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

    ১৮৯৫ সালে গণিতে এমএ পাস করেন। বরিশালের রামচন্দ্র কলেজে কিছুদিন অধ্যাপনার পর ১৮৯৭ সালে তিনি বিএল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপরই তিনি পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা আইনজীবী স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সহকারী রূপে ১৯০০ সালে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।

    ১৯০৬ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্টেটের চাকরি গ্রহণ করেন। কিন্তু সরকারের সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ায় ১৯১১ সালে চাকরি ছেড়ে আবার আইন ব্যবসায়ে নেমে পড়েন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।

  • লাখাই উপজেলায় ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

    লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলায় ৩য় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ এ ৭০ বছর বয়সের জুরা মিয়া নামের এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রাম থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

    লাখাই উপজেলায় ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
    আটক জুরা মিয়া

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির মা জানান, বৃহস্পতিবার মাগরিবের আজানের পর বাড়ির পাশের ধানের খলায় বাবাকে ভাত দিতে গিয়েছিল শিশুটি। পরে ফেরার পথে বৃদ্ধ জুরা মিয়া শিশুটিকে ডেকে অন্য একটি ধানের খলায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।

    শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে রাত ১১টার দিকে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    লন্ডন প্রবাসীর যুবতি স্ত্রী ধর্ষনের শিকার

    খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউর রহমান হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির সঙ্গে কথা বলেন।

  • সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলার কমিটি গঠন

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন নামে সরকার অনুমোদিত সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলার কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সংগঠনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: আব্দুস ছালাম ও মহাসচিব প্রফেসর মাওলানা মোহাম্মদ আবেদ আলী স্বাক্ষরিত একটি পত্রে এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

    নির্যাতন, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাবে এ কমিটি। এছাড়াও সরকারি কাজে সহায়তা, সার্ক এর নানাবিধ কার্যক্রম এবং অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমও চালিয়ে যাবে সংগঠনটি।

    মিজানুর রহমান মিজানকে সভাপতি, এস এম খোকনকে সাধারন সম্পাদক, সিদ্দিকুর রহমান মাসুমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা হয়।

    জ্ঞানহীন মানুষের হাতেই শুরু শিক্ষা ও সাক্ষরতা

    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ সভাপতি ডা: ওয়াহিদুল ইসলাম, গোলাম আকবর চৌধুরী, এম এ তাহের, শেখ মো: জাহাঙ্গীর, মনিরুজ্জামান মনির, মো: শাহজাহান, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শাহ মো: জালাল উদ্দিন, লোকমান আহমদ, মওদুদ আহমদ, আব্দুল হান্নান চৌধুরী, অরুপ কুমার দাস, অর্থ সম্পাদক শাকিব আহমদ, সহ অর্থ সম্পাদক শিরিন অক্তার সোনিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অরুন কুমার দাস, জহিরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোবাশ্বির হোসাইন চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর রহমান, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ওয়াহেদুল আপ্তাবুল আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো: আমিনুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আফজাল আহমদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা: সুবিমল চন্দ্র, সমাজ কল্যান সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শিব্বির আহমদ আরজু, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সোজা উদ্দিন চৌধুরী, সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব বক্কর ছিদ্দিক, ক্রীড়া সম্পাদক রিয়াদ চেধুরী মিল্লাদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক শাওন আল হাসান, নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মো: শাহিন, মাসুক মিয়া, সোহেল আহমেদ, মাহবুব সাদিক উজ্জ্বল, মো: সুলতান, মো: লোকমান মিয়া, মহিবুল আলম জীবন, মো: ফজলুর রহমান, রবিন্দ্র কুমার দাস।

  • বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামে বসত ঘরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

    বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার আগুয়া গ্রামে বসত ঘরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে ধান, চাউল, গরু, ছাগল ও যাবতীয় মালামালসহ ১২টি ঘর পুড়ে ছাই গেছে। আর এতে করে ওই ঘরগুলোর প্রায় অর্ধকোটি টাকা ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

    বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা স্থানীয়দের সহযোগীতায় প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে।

    জানা যায়, ওই গ্রামের কৃষক ইউসুব আলীর ঘরে দুপুরে হঠাৎ করে আগুণের লেলিহান শিখা দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে মুহুর্তের মধ্যেই আগুণের শিখা চার দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় একেক করে পুড়তে থাকে বসত ঘরগুলো। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভাতে প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

    বাংলা বছরের একাল সেকাল

    এদিকে সরেজমিনে গিয়ে ওই এলাকায় দেখা যায়, আগুনে বসত ঘরগুলোর যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে। আগুন থেকে রক্ষা পায়নি গবাদিপশু গুলোও। এমতাবস্থায় সরকারী সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থরা।

    অপরদিকে, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহীসহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর সাথে কথা বলেন এবং শান্তনা দেন।

    হবিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শামসুল আলম জানান, প্রাথমিকভাবে আগুনে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

  • মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বরগ গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

    নিহতরা হলো- উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বরগ গ্রামের ফজুলল হকের ছেলে আকরামুল হক (৪) ও একই গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে সায়েদুল ইসলাম (৪)।

    আরো পড়ুনঃ মাধবপুরে কিশোরী ধর্ষনের অভিযোগে ৩ যুবক আটক

    মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে বুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে খেলতে যায় আকরামুল ও সায়েদুল। খেলার এক পর্যায়ে তারা বিদ্যালয়ের পুকুরে পরে যায়। সন্ধ্যা হয়ে গেলেও দুজনে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজতে বের হয়।

    এক পর্যায়ে স্কুলের পুকুরে তাদের নিথর দেহ ভাসতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিক তাদেরকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।