Category: হবিগঞ্জ

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত হবিগঞ্জ শহরের গৃহবধূর মৃত্যু

    ডেঙ্গু আক্রান্ত হবিগঞ্জ শহরের গৃহবধূর মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হবিগঞ্জ শহরের মুক্তি পাল চৌধুরী (৪৮) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় ঢাকার ‘গ্রীণ লাইফ হাসপাতালে’ তার মৃত্যু হয়।

    ১ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জননী গৃহবধু মুক্তি পাল চৌধুরীর অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জানা যায়, গত প্রায় ৮ দিন পূর্বে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি ওই হাসপাতালে ভর্তি হন।

    ধীরে ধীরে তার অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় মৃত্যু কোলে ঢলে পড়েন মুক্তি। তিনি কুলাউড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মধুসুধন পাল চৌধুরীর স্ত্রী ও শহরের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ইশ্বর পাল চৌধুরী’র স্বত্তাধিকারী হবিগঞ্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রাজনগর ক্রসরোড এলাকার বাসিন্দা সুমন পাল চৌধুরী ভাবি।

    মুক্তি পাল চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে সন্তানদের নিয়ে ঢাকার বাড্ডা এলাকায় বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার রাত ৮ টায় চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশী ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামের স্বামীর পৈত্তিক বাড়ীতে তার দাহ সম্পন্ন হয়েছে।

  • নোয়াপাড়ার তানিয়া ইংল্যান্ডে এডাল্ট কলেজের স্টুডেন্ট গভর্নর নির্বাচিত

    নোয়াপাড়ার তানিয়া ইংল্যান্ডে এডাল্ট কলেজের স্টুডেন্ট গভর্নর নির্বাচিত

    মাধবপুর প্রতিনিধিঃ মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের টানা ৭ বার নির্বাচিত আমৃত্যু চেয়ারম্যান মরহুম সৈয়দ আবু নাসিম মোহাম্মদ আলমগীরের একমাত্র সুযোগ্য কন্যা।

    ইউ.কে লেবার পার্টি’র সক্রিয় সদস্য, বার্কিং এন্ড ডেগেনহাম কলেজের সহকারী শিক্ষিকা ও লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে এল.এল.বি অধ্যয়নরত সৈয়দা ফাতেমা তুজ যোহুরা তানিয়া ইংল্যান্ডে অবস্থিত ‘দ্যা এডাল্ট কলেজ অফ বার্কিং এন্ড ডেগেনহাম’ (The Adult College of Barking and Dagenham) কলেজের স্টুডেন্ট গভর্নর (Student Governor) (GS) নির্বাচিত হয়েছেন।

    তানিয়া কলেজটির ইতিহাসে প্রথম কোন বাঙ্গালী বংশোদ্ভুত হিসেবে স্টুডেন্ট গভর্নর নির্বাচিত হলেন। তার পারিবারিক সূত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হয়া গেছে।

  • আবারও পিছিয়েছে কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

    আবারও পিছিয়েছে কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাক্ষী ও আসামী উপস্থিত না হওয়ায় আবারও পিছিয়েছে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ। সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রেজাউল করিম সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর।

    এদিকে মঙ্গলবার মামলার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজিরা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এই দুই বিএনপি নেতা উচ্চ আদালত থেকে ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারী থেকে জামিনে রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারী হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। এ ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর মজিদ খান বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় মেয়র জি কে গউছ ছিলেন সৌদি আরবে।

    ২০০৫ সালের ৬ জানুয়ারী থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত তার বৃদ্ধ পিতাকে নিয়ে তিনি পবিত্র হজ্জব্রত পালনে ছিলেন। এতেও রক্ষা হয়নি তার। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পর ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর দাখিলকৃত ৩য় দফা সম্পূরক চার্জশীটে মেয়র জি কে গউছকে আসামী করা হয়।

    ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট গৃহীত হলে ২৮ ডিসেম্বর স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পন করেন মেয়র জি কে গউছ। আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। হবিগঞ্জ কারাগারে থাকাকালীন সময়ে মামলার কোন তারিখেই জি কে গউছকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

  • শায়েস্তাগঞ্জে ফুটপাতে দোকান বসানোর অপরাধে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    শায়েস্তাগঞ্জে ফুটপাতে দোকান বসানোর অপরাধে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান সড়কের ফুটপাতে দোকান বসানোর অপরাধে ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    মঙ্গলবার বিকালে এসব জরিমানা আদায় করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমী আক্তার।

    সূত্রে জানা যায়, শহরের প্রধান সড়কের দাউদনগর বাজারে পৌর মার্কেটের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোর কারণে ৫টি দোকানকে দুইশত টাকা করে এক হাজার টাকা জরিমান করা হয়। এছাড়াও দুইটি মোটরসাইকেল একটি ট্রাকসহ মোট আড়াই হাজার টাকা জরিমান করা হয়েছে।

    পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে অফিসারসহ ৬ ভারতীয় সেনা নিহত

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের অফিস সহকারি মোঃ উস্তার মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

  • বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ

    আব্দুল হাফিজ ভূঁইয়াঃ হবিগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল কলেজ ক্যাম্পাস। এক বিল্ডিং হতে অন্য বিল্ডিংয়ে স্থানান্তর এর সিদ্ধান্তে নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বৃন্দাবন সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগ বর্তমানে অবস্থান করছে শাহ এস. এম. কিবরিয়া ভবনে। সেখান হতে স্থানান্তর করা হয় কলেজের গণিত বিভাগের জায়গায়। যা কলেজের জীর্ন ভবন গুলোর অন্যতম।

    বিগত একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ইলিয়াস বকত চৌধুরীর প্রস্থাবে এজেন্ডা বহির্ভূত আলোচনার মাধ্যমে বাংলা বিভাগের স্থান পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    শাহ এস. এম. কিবরিয়া ভবন

    এ বিষয়টি জানতে পেরে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি কলেজ প্রদক্ষিন করে অধ্যক্ষের কাছে এর প্রতিবাদ জানায়।

    বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ জানান, ”আমরা অধ্যক্ষ স্যারের কাছে গিয়েছি, তিনি আমাদের আস্বস্ত করেছেন, আমরা না চাইলে স্থান পরিবর্তন করবেন না।”

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    বর্তমান গণিত বিভাগের ভবন

    বাংলা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম বলেন, ”বিভাগটি শুরু থেকে এখানে আছে। ঐতিহ্যের এই বিভাগের উন্নতি না হয়ে অবনতি হবে তা পীরাদায়ক। তাই বিষয়টি কোন শিক্ষার্থী মানতে পারছেনা।”

    উলেক্ষ্য হবিগঞ্জ জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ। যে সকল বিভাগ নিয়ে কলেজে অনার্স মাস্টার্স শুরু হয় তন্মধ্যে বাংলা বিভাগ অন্যতম। ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া বিভাগটির তেমন কোন উন্নয়ন না হলেও বরাবরই ভাল ফলাফল করে আসছে এর শিক্ষার্থীরা। সাহিত্যের এই বিভাগের নেই পর্যাপ্ত শ্রেণি কক্ষ, নেই পূর্ণাঙ্গ লাইব্রেরি। ছোট একটি সেমিনার কক্ষ নিয়ে ১৯৯৮ হতে আজো তেমনি আছে কলেজের পুরাতন এই বিভাগটি।

    বিভাগের স্থান পরিবর্তন নিয়ে উত্তাল বৃন্দাবন কলেজ
    শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ এলিয়াস হুসেন

    স্থানান্তরে বিষয়ে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ এলিয়াস হুসেন বলেন, ”এজেন্ডার বাহিরে হলেও বিষয়টি বিভাগের প্রয়োজনে আলোচনা হয়েছিল। কোন সিদ্ধান্ত বা নোটিশ বাংলা বিভাগকে দেইনি। শিক্ষার্থীরা তাদের কথা বলেছে, তারা পরিবর্তন চায়না। তারা না চাইলে কোন পরিবর্তন হবেনা।”

  • নিজেই গাড়ি বানালেন নারায়ণগঞ্জের আকাশ

    শুরুতে অনেকেই উপহাস করতো। কটূক্তিও কম সহ্য করতে হয়নি। কিন্তু সেসবে ভ্রুক্ষেপ না করে নিজের কাজ করে যেতে থাকেন আকাশ।

    বলা হয়ে থাকে, ‘মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়’।  চেষ্টা করলেই যে কোনো অসম্ভবকেও সম্ভবে পরিণত তারই আরো একটি উদাহরণ নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম লামাপাড়া এলাকার আকাশ আহমেদ।

    কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় সে তৈরি করেছে বিশ্বখ্যাত বিলাসবহুল স্পোর্টস কার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাম্বরগিনি’র আদলে একটি গাড়ি। যা এখন নারায়ণগঞ্জের টক অব দ্যা টাউন। ফেসবুকের কল্যাণে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এ গাড়ির ছবি। সবার মুখে মুখে এখন আকাশে কৃতিত্বের কথা।

    তবে এ কৃতিত্ব অর্জন করা সহজ ছিলো না আকাশের কাছে। অনেক চরাই উৎরাই পেরিয়ে দীর্ঘ ১৪ মাস প্রচেষ্টার পর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তার।

    ঢাকা ট্রিবিউনকে এমনটাই জানালেন আকাশ।

    তার ভাষায়, “গাড়ি বানানোর স্বপ্নটা ছোটবেলা থেকেই ছিলো। গাড়ির মাঝেই আমার বেড়ে ওঠা। গাড়ির যন্ত্রপাতি ছিলো আমার খেলার উপকরণ। বাবা অন্যের গ্যারেজে চাকরি করতো। দাদাও গাড়ি মেরামতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বাবা-দাদাকে কখনো দেখতাম ভাঙা গাড়ি মেরামত করতে, আবার কখনোবা কারও গাড়ির পার্টস বানিয়ে লাগিয়ে দিতে। তখন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতাম নিজের একটা গাড়ির।”

    আকাশ আরও বলেন, “গ্যারেজে বা রাস্তায় নতুন মডেলের কোনো গাড়ি দেখলেই ভেতরটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠতো। কিন্তু বাবাকে বলার সাহস পেতাম না। কারণ এ স্বপ্ন পূরণের সামর্থ্য নেই আমার পরিবারের।”

    “তাই একদিন নিজেই একটা গাড়ি বানাব বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। এ গাড়িতে করেই দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াবো।” যোগ করেন তিনি।

    শুরুর গল্পটা শোনালেন, “সেই থেকেই মাথায় ভাবনাটা থিতু হয়ে রইল। আমার ঘরের ক্যালেন্ডারে পর্যন্ত গাড়ির ছবি। ক্যালেন্ডারের পাতায়ই ইতালির বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ‘ল্যাম্বরগিনি’র একটা গাড়ির মডেল দেখে চোখ আটকে যায়। তখনই মনে হয় গাড়ি যদি বানাই তবে এই মডেলেই বানাবো। বাবাকে বলি। তারপরই  থেকেই লেগে পড়ি। লক্ষ্যে স্থির থেকে এগোতে থাকি।”

    শুরুতে অনেকেই উপহাস করতো। কটূক্তিও কম সহ্য করতে হয়নি। কিন্তু সেসবে ভ্রুক্ষেপ না করে নিজের কাজ করে যেতে থাকেন আকাশ। তার কাজে পরিবারের সমর্থন ছিল। অর্থের যোগান থেকে শুরু করে মানসিকভাবে সাহস দিয়েছেন তারা।.

    অর্থ যোগানের গল্পটা আরও মজার, বাবার কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০-২০০ করে টাকা নিয়ে অল্প অল্প করে কাজ শুরু করেন তিনি। অভিজ্ঞতা না থাকায় প্রথম প্রথম বেশ বেগ পেতে হয়েছে। একবার কিছু একটা ভুল হয়ে গেলে আবার নতুন করে শুরু করতে হতো। আকাশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে কেবল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণি পর্যন্ত। আর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা বলতে কেবল গ্যারেজে গাড়ির পার্টস তৈরি আর জাহাজের পাত কাটার অভিজ্ঞতাটা। আর নতুন কিছু শেখার একমাত্র উৎস ছিল ইউটিউবের টিউটোরিয়াল।

    আকাশ বলেন, “জাহাজ কাটার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইস্পাতের পাত কেটে কেটে গাড়ির বডি শেপ তৈরি করি। টিউটিরিয়াল দেখে দেখে চাকার সাসপেনশন, হেডলাইট, ব্যাকলাইট, গিয়ার নিজেই বানাই। চাকা আর স্টিয়ারিং হুইলটাই কেবলমাত্র কিনে আনা হয়েছে।”

    সম্পূর্ণ দেশীয় ও পরিবেশ বান্ধব এই গাড়িটি ব্যাটারিচালিত। এর শক্তির উৎস ৫টি ব্যাটারি। যা প্রায় ১০ ঘণ্টা চলতে সক্ষম। পুরোপুরি চার্জ হতে লাগবে ৫ ঘণ্টা। সর্বোচ্চ দু’জন আরোহীকে নিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে ছুটতে পারে সে।

    নবীগঞ্জে বিদ্যুতের অসহনীয় লোডশেডিংঃ আন্দোলনের হুশিয়ারী

    গাড়িটির নির্মাণ করতে ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ টাকা। তবে গাড়ির বডি কার্বন ফাইবারে নিয়ে আসলে ৩ লাখ টাকায়ও বানানো সম্ভব। গাড়িটির আরও কিছু কাজ বাকি আছে বলে জানান আকাশ। সুইচের মাধ্যমেই যাতে দরজা বন্ধ এবং খোলা যায় সে ব্যবস্থাও করা হবে।

    শুধু নিজের জন্যই নয়, দেশের মানুষের জন্য এমন আরও গাড়ি বানাতে চায় আকাশ। জানালেন, গাড়িটি বানানোর পর বেশ সাড়া পেয়েছি। দেশীয় প্রযুক্তি ও পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় এরইমধ্যে আরও ২৫টি গাড়ির অর্ডার পেয়েছি।

    সরকারের কাছে তিনি তার গাড়ি বাজারজাতকরণের অনুমতি চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন। কারণ অন্য কারও কাছে তিনি এর নকশা বিক্রি করতে চান না।

  • শায়েস্তাগঞ্জে জমে ওঠেছে বৌ-শাশুড়ির ভোটযুদ্ধ

    শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের নবগঠিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারণা বেশ জোরেশোরে চলছে। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নির্বাচনী ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন এ উপজেলার প্রথম নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচ জন প্রার্থীর মধ্যে বৌ-শাশুড়ি ভোটযুদ্ধ জমে ওঠেছে।

    জানা যায়- মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মেয়রপত্নী পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী সাবেরা সুলতানা হেপী কলস মার্কা ও তার চাচা শশুর মোঃ ইদ্রিছ আলীর স্ত্রী মমতাজ বেগম ডলি প্রজাপতি মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা দুইজনই উপজেলার দক্ষিণ বড়চর (তালুকহড়াই) গ্রামের পৌরসভার মেয়র মোঃ ছালেক মিয়ার স্ত্রী ও চাচি। এ বিষয়টি এলাকা ব্যাপক কৌতুহল সৃষ্টি করেছে।

    জমে উঠেছে শায়েস্তাগঞ্জের নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা

    নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৮ জুন নবগঠিত শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে তিন জন চেয়ারম্যান, পাঁচ জন ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচ জন প্রার্থী রয়েছেন। ভোট ভোটার সংখ্যা ৪৫ হাজার ৬৬৪। তন্মধ্যে নারী ভোটার বেশি।