Category: হবিগঞ্জ

  • সাংবাদিক ফয়সল চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

    সাংবাদিক ফয়সল চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

    হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাংবাদিক ফয়সল চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে।

    গতকাল সোমবার রাতে শহরের কোরেশনগরস্থ দৈনিক প্রভাকরের কার্যালয়ে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করা হয়। দৈনিক প্রভাকরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সহিবুর রহমানের আয়োজনে জন্মদিন পালনের সময় উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য মিছবাহ উদ্দিন জামি, দৈনিক মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি শরীফ চৌধুরী, ঢাকা টাইমস্ ও ডেইলি ম্যাসেঞ্জারের জেলা প্রতিনিধি পাবেল খান চৌধুরী, বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি আজহারুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ, বৈশাখী টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি সাইফুর রহমান তারেক, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের জেলা প্রতিনিধি আখলাছ আহমেদ প্রিয়, মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি নীরঞ্জন গোস্বামী শুভ, দৈনিক প্রভাকরের স্টাফ রিপোর্টার রুবেল তালুকদার ও রেজাউল করিম, সাবিক রেজা, দৈনিক প্রভাকরের সার্কুলেশন ম্যানেজার ফজল মিয়া।

  • বিএনপি-আ’লীগের সংঘর্ষে হবিগঞ্জ শহর রনক্ষেত্র

    বিএনপি-আ’লীগের সংঘর্ষে হবিগঞ্জ শহর রনক্ষেত্র

    হবিগঞ্জ শহরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে দুই ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে শহর রনক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে৷ এতে অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। রোববার (২০ আগস্ট) শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে তা ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। আওয়ামী লীগের তিনজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় সিলেটে পাঠানো হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার হবিগঞ্জ শহরে বিএনপির সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আজ রোববার বিকেলে শায়েস্তানগর পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। সমাবেশ শেষে মিছিলসহকারে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা করে ভাংচুর চালায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও ওই এলাকার বিএনপি নেতাদের বাসাতেও হামলা চালায় তারা।

    একপর্যায়ে বিএনপি পাল্টা আক্রমন করলে তা ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নেয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রড-রামদা-লাঠিসোটা নিয়ে আক্রমন চালায়। বিএনপি প্রচুর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।

    পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে নীরব ভূমিকা পালন করে। পরে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
    তারপর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছের বাসার সামনে অবস্থান নেয় বিএনপির লোকজন। পুলিশ জেলা বিএনপির কার্যালয়ের রাস্তার মুখে ও আর সার্কিট হাউজের সামনে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ। পরে পুলিশের আহ্বানে জেলা বিএনপির দুই নেতাকে ডেকে এনে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়া হলে অবস্থান থেকে সরে যায় বিএনপি।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে আরো জানা যায়, সংঘর্ষ শুরু হওয়ামাত্র আশপাশের দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়। এছাড়াও যান চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ওই এলাকা পুরোপুরি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। যে কারণে হবিগঞ্জ শহরের জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

    বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এরপর শায়েস্তানগর এলাকার ঘরবাড়িতেও হামলা চালানো হয়। অথচ পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে লাঠিসোটা সহকারে হঠাৎ আমাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা করে। অফিসে ব্যাপক ভাংচুর করেছে। আমার বাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে। পুলিশও তাদের সাথে সংঘর্ষে যোগ দিয়েছে। হামলায় পৌর কাউন্সিলর শফিকুর রহমান সিতুসহ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

    জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমাবেশ করেছি। সমাবেশ শেষে শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করি। এ সময় হঠাৎ বিএনপি নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে আমাদের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদেরকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী আহত হন। তবে হতাহতের পরিমান কত তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ বদিউজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এরপর দুইপক্ষকে ফিরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। বর্তমানে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।

  • বানিয়াচংয়ে নবীজিকে কটুক্তির প্রতিবাদে মানব বন্ধন

    বানিয়াচংয়ে নবীজিকে কটুক্তির প্রতিবাদে মানব বন্ধন

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নবীজিকে কটুক্তির প্রতিবাদে নাস্তিক আসাদ নূরকে দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে এক মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৯আগষ্ট(শনিবার)বিকাল ৫টার দিকে ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের অবস্থিত স্হানীয় আনন্দ বাজারে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে নাস্তিক আসাদ নূর এর নবিজীকে কটুক্তির প্রতিবাদে এই ব্লগারের বিরুদ্ধে বিশাল এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত মানব বন্ধনে দলমত নির্বিশেষে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে।
    মুফতি নেওয়াজ মুশাহিদুল্লাহ্’র পরিচালনায় উক্ত মানববন্ধনের সভাপতিত্ব করেন, মুফতি পীর আজিম বিন শিহাব।

    এসময় উপস্থিত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন,মাওলানা খাজা কামরুল হাসান,রবিউল ইসলাম রবি,ক্বারী হাফিজুর রহমান হুজাইফি,জামাল উদ্দিন খান,সামায়ূন আহমেদ আশেকী ছাড়াও এলাকার আলেম ওলামা ও বিশিষ্ট মুরুব্বীগন।

    এছাড়াও মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন,গাউছিয়া হুসাইনিয়া রহিমিয়া আলিয়া মাদ্রাসার সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
    মানব বন্ধনে বক্তাগন ও উপস্থিত অংশ গ্রহনকারীদের একটাই দাবি এই নাস্তিক ব্লগার আসাদ নূরকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার জন্য।
    অন্যতায় তারা সামনে না হয় আরও বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দিবেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
    মানব বন্ধন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন গাউছিয়া জামে মসজিদ এর খতিব মাওঃনুরুল হক কাদরী।

  • বানিয়াচংয়ে একদল সন্ত্রাসী হামলায় এক ঔষধ ব্যবসায়ী আহত

    বানিয়াচংয়ে একদল সন্ত্রাসী হামলায় এক ঔষধ ব্যবসায়ী আহত

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে একদল সন্ত্রাসী হামলায় এক ঔষধ ব্যবসায়ী আহত হয়েছে।

    জানা যায় যে,গত ১৭ই আগষ্ট বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় বানিয়াচং উপজেলা সদরের গ্যানিংগন্জ বাজার কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সদস্য আয়ান ফার্মেসীর মালিক মোহাম্মদ রুকু মিয়ার উপর একদল সন্ত্রাসী জাতুকর্ণ পাড়া গ্রামের আব্দুল রহিমের পুত্র মালিক উস্তার টমটম ড্রাইভার একটি মহিলা রোগী নিয়ে ঔষধ কিনতে আসে।

    এসময় ওই ফার্মেসীতে রোগীদের ভিড় থাকলে ঔষধ দিতে দেরী হওয়ায় উস্তার মিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।এসময় মুতি মিয়ার পুত্র সেলু মিয়া একটি দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মোহাম্মদ রুকু মিয়ার উপর হামলা করে গুরুতর জখম করে।এতে গুরুতর আহতাবস্থায় রুকু মিয়াকে বানিয়াচং উপজেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীগণ জানায়, সেলু মিয়া গত ঈদের আগের দিন ফরিদ মিয়ার উপর ছুরি দিয়ে আহত করে ফেলে। ঐ বিচার কার্যক্ষম শেষ হয়নি।

  • চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে ছায়া বৃক্ষ , দেখার যেন কেউ নেই

    চা বাগান থেকে বিলীন হচ্ছে ছায়া বৃক্ষ , দেখার যেন কেউ নেই

    পুলিশ প্রশাসন নিরব থাকায় হবিগঞ্জের চার উপজেলায় বিভিন্ন চা-বাগান থেকে প্রতিদিন বিলীন হচ্ছে ছায়াবৃক্ষ । দেখার যেন কেউ নেই ? প্রতিটি চা বাগান টিলা ভূমিতে মূল্যবান গাছ গাছালি অতিবৃষ্টি ও প্রখর রোদের কবল থেকে চা গাছকে রক্ষা করে । এ জন্য চায়ের টিলা গুলো বৃক্ষ বাজিতে ভরপুর থাকে ।

    অন্য দিকে বিশাল চায়ের টিলায় গাছ গুলো মাটির ক্ষয়রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তবে দীর্ঘ সময় ধরেই বাগান এলাকার আশপাশে একটি মহল চা বাগানের সেকশন থেকে মাঝে মধ্যে রাতের আধারে বিভিন্ন প্রজাতি গাছ কেটে পাচার করছে । চা বাগান থেকে ছায়াবৃক্ষ পাচার হওয়ায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে অনেক অভিযোগ দিয়েছেন ।

    এছাড়া ও থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবরে অনেক অভিযোগ সহ সাধারণ ডায়েরি করেছেন চা বাগান কর্তৃপক্ষ । এর পর ও বাগানের গাছ কাটা ও পাচার বন্ধ হচ্ছে না । ছায়াবৃক্ষ বা শেড ট্রি উজাড় হওয়ায় চায়ের উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে ।

    অনুসন্ধানে জানা যায় , শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী চুনারুঘাট উপজেলার লাল চান্দ , দেউন্দি , লস্করপুর , চানপুর , চন্ডি , আমু , নলুয়া , রেমা , পার কুল , শ্রী বাড়ি ও দাঁড়া গাও চা বাগান সহ মাধবপুর , বাহুবল ও নবীগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন চা বাগানে পুরোনো ও বৃহদাকার বৃক্ষ বাজিতে ভরপুর । গাছের মধ্যে করই , শিল করই , আকাশি , রেইনট্রি , গর্জন , মেহগনি , সেগুন সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছালিতে টিলা ভূমি পরিপূর্ণ । এই গাছ গুলো চা গাছের জোগান দেয় । তবে বাগান এলাকার আশপাশে বেশকিছু সিন্ডিকেট চোরাকারবারি শক্তি শালি চক্র প্রতিনিয়ত চা বাগানের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু বাগান পাহারাদাররা চোর চক্রকে ধরতে পারছে না । ফলে চা বাগানের পার্শবর্তী কিছু দূরে বেশ কয়েকটি ‘ স ‘ মিলে নিয়ে গাছ গুলো চিড়ানো হয় । আবার কেউ উপজেলা শহরে বা ইউনিয়নে হাট বাজারে ‘ স ‘ মিলে চোরাই গাছ চিড়ানো হয় ।

    এদিকে গাছ গুলো চিড়ে বাগানের ভেতর , বাগানের পার্শবর্তী হাট বাজার ও শহর এলাকায় বিভিন্ন আসবাবপএ তৈরি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায় । উপজেলার লাল চান্দ ও দেউন্দি চা বাগানের বিভিন্ন সেকশন থেকে ছায়াবৃক্ষ চুরির অনেক অভিযোগ রয়েছে চুনারুঘাট থানায় । এতে বাগানের অনেক মূল্যবান গাছ গুলো চুরি হওয়ায় চায়ের জন্য অনেক ক্ষতির কারণ বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি । লাল চান্দ ও দেউন্দি চা বাগানের একাধিক শ্রমিকদের অভিযোগে জানা যায় , গাছ চোর চক্র বিভিন্ন দাড়ালো করাত , দা , কুড়াল নিয়ে রাতের আঁধারে হরদমই গাছ চুরি করে নিয়ে যায় । এই গাছ গুলো কেটে খন্ড খন্ড করে বাগানে পাশে কাঁধে করে ‘ স ‘ মিলে বা দূর দূরান্ত পিকআপ , ডায়না , নাবানো , ট্রলি করে নিয়ে যায় ‘ স ‘ মিল গুলোতে । চা বাগানে গাছ চুরি করার আগেই বিভিন্ন স্থানে বখরা দিয়ে পাস নিচ্ছে ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক লাল চান্দ চা বাগানের পনচায়েত জানান , দেউন্দি ও লাল চান্দ চা বাগান দিয়ে মাধবপুর উপজেলার শাহজীবাজার পাকা বা কাঁচা রাস্তা যাওয়া এবং শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা ও চুনারুঘাট উপজেলা যাওয়ার অনেক কাঁচা বা পাকা রাস্তা দিয়ে গাছ গুলো পাচার হচ্ছে । রাতে পুলিশ টহল দিলেও গাছ চোর চোখের আড়াল দিয়ে চলে যায় ।

    অপর দিকে দেউন্দি চা বাগানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চা শ্রমিক জানান , দেউন্দি চা বাগানে পাশে বস্তি ও বহিরাগত এলাকার কিছু লোক দিনের বেলায় চা কারখানায় পাশে মাঝল্যান এলাকায় সারাদিন ব্যাপি ঘোরাঘুরি করে এবং আশপাশে মদের দোকান , সেলুন , চা- দোকান , পান-সিগারেট দোকান , মুদি দোকান বা রাস্তার পাশে উৎপেতে বসে থাকে চোরাই চাপাতা করে তারা ।

    এ সুযোগে সন্তোষ মদের দোকান থেকে চোলাই বাংলা মদ ক্রয় করে দিনের চেয়ে রাতে বেলায় সিএনজি , টমটম , মোটরসাইকেল যোগে মাধবপুর , শায়েস্তাগঞ্জ ও চুনারুঘাট উপজেলা সড়ক দিয়ে বা গ্রামের বিভিন্ন অলিগলি রাস্তা দিয়ে পাচার করে বিক্রি করছে অভিযোগ রয়েছে । বাগানের শ্রমিকদের বড় ধরনের ক্ষতি হবে এবং বাগানে গাছ চুরি , চোরাই চাপাতা ও মাদক পাচারকারী বিষয়ে বাগান ম্যানেজমেন্টকে বলেছি । এসব বাগান থেকে দীর্ঘ দিন ধরে মূল্য বান গাছ চুরি হচ্ছে ।

    এ ব্যাপারে দেউন্দি চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক ফরহাদ হোসেন ও লাল চান্দ চা বাগানের ব্যবস্থাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন , দুটি চা বাগান থেকে দীর্ঘ দিন ধরে মাঝে মধ্যে গাছ চুরি ঘটনা ঘটছে তবে গাছ চুরি বিষয়ে বাগানে চৌকিদার ও পনচায়েত নেতাদের নিয়ে ঘনঘন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় । তার পর ও গাছ চুরি ঠেকানো যাচ্ছে না ।

    দেউন্দি চা বাগান কারখানা গেইট ম্যান বাউরী মুন্ডা জানান , বাগানের কিছু শ্রমিক কারখানাতে চাকুরী করে কিন্তু অনেক চেকিং করার পর ও কি ভাবে লুকিয়ে চাপাতা নিয়ে বাগানের কারখানা পাশে মাঝল্যান এলাকায় একটি চক্র কাছে বিক্রি করে দেয় অথবা বাগানের বিভিন্ন দোকানে চা পাতা ক্রয় করে অন্যএ বিক্রি করে দেয় ।

  • শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশদের বাণিজ্য

    শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশদের বাণিজ্য

    রেলওয়ে পূর্বাঅনচলের ছয়টি আন্তঃ নগর ট্রেনেই একই কান্ড প্রতিদিন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে শত শত যাএী বিনা টিকেটে আন্তঃনগর ট্রেনের বহনকারী এটেনডেন্ট সাথে আঁতাত করে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশ কনস্টেবল বাণিজ্য চলছে দীর্ঘ দিন যাবত ।

    জানা যায় , পূর্বাঅনচলের ঐতিহ্য বাহী শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে চট্টগ্রামগামী আন্তঃ নগর দিনের বেলা পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ও রাতে উদয়ন এক্সপ্রেস এবং ঢাকা গামী আন্তঃনগর এক্সপ্রেস দিনের বেলা কালনী এক্সপ্রেস , জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস , পারাবত এক্সপ্রেস ও রাতে উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনের প্রতিদিন শতশত যাত্রী টিকেট না পেয়ে ফ্লাটফর্মে ছুটোছুটি করছেন যাত্রীরা । ‘ লাটসাহেব ‘ সেজে যাত্রীদের সামন দিয়ে ধীরে ধীরে পায়ে হাঁটছে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশের কয়েকজন সদস্যরা। অসহায় দূরযাত্রীদের কেউ একজন এসে শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশনে টিকেটের জন্য খোঁজ চাইলো আর এন বি বা জি আর পি পুলিশ সদস্যদের কাছে । ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জি আর পি পুলিশ ফাঁড়ির পোষাক পড়া কনস্টেবল সাইদুল ।

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , জি আর পি ফাঁড়ির কনস্টেবল সাইদুল সোমবার (১৪ আগস্ট )দুপুরে একযাত্রী সাথে কথা বলছেন ‘ টিকেট ছাড়াই চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সিটে বসে যাবেন । সিটে বসে গেলে একদাম জন প্রতি ৪শ টাকা । মিনতি করে ওই চট্টগ্রামযাএী দুইজন ৭শ টাকায় যাওয়ার প্রস্তাব রাখলেন । এতে কোনো জবাবও আসলো না , কম দাম শুনে বিরক্তির ছাপ ওঠা জি আর পি কনস্টেবল মুখ থেকে । যে খানে স্টেশনের টিকেট কাউন্টার দূরের কথা , অনলাইনে ও টিকেট মিলছে না । সেখানে বিনা টিকেট যাত্রীদের সিটে বসিয়ে গন্তব্য স্থানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন জি আর পি সদস্য সাইদুল । তবে এই অনিয়ম টি প্রতিদিন ঘটছে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ট্রেন ও ঢাকা গামী আন্তঃনগর ট্রেনে বিনা টিকেটে যাত্রীদেরকে বহনকারী এটেনডেন্ট হাতে তোলে দিয়ে হাজার হাজার টাকা বাণিজ্য করে নিচ্ছে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশ সদস্যরা । যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সেবা নামে চলছে উপরি বাণিজ্য চিন্তা ।

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , প্রতিদিন ছয়টি আন্ত নগর ট্রেনে যাত্রীদের তোলে দেয়ার জন্য ফ্লাট ফর্মে চেয়ারে বা বিভিন্ন স্থানে বসিয়ে বা দাঁড় করিয়ে রাখে জি আর পি ও আর এন বি পুলিশ কনস্টেবলরা । নাৃম প্রকাশ না করায় শর্তে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন কর্মরত এক কর্মচারী বলেন , জি আর পি ও আর এন বি পুলিশ কনস্টেবলরা বিনা টিকেটে যাত্রী বহনে এটেনডেন্ট , বৈদ্যুতিক পাওয়ার এটেনডেন্ট ও খাবার গাড়ি ম্যানেজার সাথে মোবাইল ফোনে চুক্তি করে তোলে দেয় । তাদের এ বিষয়টি ওপেন সিক্রেট ।

  • ভূমিহীন মুক্ত হলো মাধবপুর

    ভূমিহীন মুক্ত হলো মাধবপুর

    হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলাকে ভূমিহীন মুক্ত ঘোষনা করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে উপজেলা পরিষদ হল রুমে প্রতি জনকে ২শতাংশ জমির রেজিষ্ট্রি দলিলসহ পাকা ঘর হস্তান্তরের মাধ্যমে এ ঘোষনা দেওয়া হয়।

    মুজিব বর্ষের উপহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ন-২ প্রকল্পে ৪র্থ পর্যায়ে ১০৯ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারসহ মাধবপুরের সর্বমোট ২৮৯টি পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে । উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মুনজুর আহ্সানের সভাপতিত্বে দলিল ও ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের উপপরিচালক(ডিডিএলজি) সাদিকুর রহমান।

    সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহান বিন কুতুব, ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আতিকুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুর মামুন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম সৈয়দ আজাহারুল ইসলাম, প্রসক্লাব সভাপতি মোহা. অলিদ মিয়া, ইউ/পি চেয়ারম্যান মোঃ সাহাব উদ্দিন জারু, ঘর ও জমির দলিল পেয়ে অনুভ‚তি ব্যক্ত করেন শারীরিক প্রতিবন্ধী সুবর হোসেন, ষাঠোর্ধ্ব হিরন রাণী শীল প্রমূখ।