Category: হবিগঞ্জ

  • চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দে পবিত্র ১০ মহরম আশুরা পালিত

    চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দে পবিত্র ১০ মহরম আশুরা পালিত

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহ্য বাহী মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে তাজিয়া মিছিলের মাধ্যমে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে পালিত হলো ১০ মহরম পবিত্র আশুরা ।

    এ উপলক্ষে সারা দেশের ন্যায় এবার ও শনিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে মোতাওয়াল্লী এবং হযরত সৈয়দ শাহ ইলিয়াছ কুতুবুল আউলিয়া (রহঃ) পাক পাঞ্জাতন মোকাম বাড়িতে হাজার হাজার ধর্ম প্রাণ মুসলমান আশেকান ভক্ত বৃন্দরা নফল রোজা পালন করে তাজিয়া মিছিলটি লাল নিশান উড়িয়ে বাঁশ ও কাগজের তৈরি রঙ্গিন ঘোড়া এবং কাঠের তৈরি দালান নিয়ে সমাগম হয় । সারাদিন ব্যাপী মোতাওয়াল্লী , পাক পাঞ্জাতন মোকাম বাড়িতে পবিত্র কোরআন খতম ও মিলাদ মাহফিল করা হয় । বিকেলে মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়ার দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফির নেতৃত্বে এবং পাক পাঞ্জাতন মোকাম ও ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের খাদেম সৈয়দ মানিক শাহ চিশতীর নাতি খাদেম সৈয়দ সফিউল হক সামি মাথার উপর মুকুট নিয়ে ইলিয়াছ কুতুবুল আউলিয়া পাক পাঞ্জাতন মোকাম হতে৷

    এক বিশাল তাজিয়া মিছিল বের করা হয় । সবার মূখে মুখে উচ্চারণ ” হায় হাসান – হায় হুসাইন ” আহাজারিতে তাজিয়া মিছিলটি প্রায় দুই কিলোমিটার পায়ে হেটে সড়ক পথে কাজিরখিল হযরত কাজী শামসুদ্দিন ( রহঃ) এর মাজার এসে সমাগম হয়ে জিয়ারত করে । পরে সেখান থেকে তাজিয়া মিছিল মিছিল নিয়ে মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে হযরত সৈয়দ শাহ ইলিয়াছ কুতুবুল আউলিয়া ( রহঃ) মাজার শরীফে এসে হাজার হাজার ধর্ম প্রাণ মুসলমান আশেকান ভক্ত বৃন্দরা ইসলামিক জারী গান ও বুক চাপড়িয়ে মর্সিয়া মাতম মাধ্যমে সম্পন্ন হয় ।

    বিশেষ করে পাক পাঞ্জাতন মোকাম বাড়ি ও মোতাওয়াল্লী বাড়িতে জারীকৃতদের মাঝে সরবত ও তোবারক বিতরণ করা হয় । অপর দিকে দরবার শরীফে মোতাওয়াল্লা বাড়ি , মোকাম বাড়ি , মাজার শরীফ জামে মসজিদে পবিত্র কোরআন খতম , জিকির, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । পবিত্র আশুরা পালনের সময় উপস্থিত সহযোগিতা করেন ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের খাদেম ও বাৎসরিক পবিত্র ওরস কমিটি সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাজিব আহমেদ লিমন , খাদেম সৈয়দ মুরাদ আহমেদ চিশতী , সৈয়দ আদনান আহমেদ , সৈয়দ সারোয়ার হোসেন শাওন , সৈয়দ সায়েম সহ আরো অনেক ।

  • বানিয়াচংয়ে  ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    বানিয়াচংয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের তাম্বূলিটুলা গ্রামে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক মাদক(ইয়াবা) ব্যবসায়ীকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে বানিয়াচং থানা পুলিশ।

    অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪টি ইউনিয়নে এই মাদকের রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে এক গডফাদার এর সিন্ডিকেট টিম।
    তার টিমে রয়েছে অন্তত ১০/১৫জন ব্যবসায়ী।
    এক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।
    জানাযায় উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের এক মাদক(ইয়াবা)সম্রাট তার নিজ বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্ল্যাক মেইল করার টার্গেট করে চালিয়ে যাচ্ছে পুরোদমে তার মাদকের ব্যবসা।
    আর তার ব্যবসায় নিজের স্রী ও শশুর বাড়ির লোকজনও সহযোগীতা করে যাওয়ার খবর পাওয়া যায় বিশেষ একটি সূত্রে।

    এমনকি এই মাদক সম্রাটকে ব্যবসার শেল্টার দিচ্ছে এলাকার কিছু নামধারী নেতা ও প্রবাসে থাকা মাস্টার মাইন্ডের আরেক বড় ভাই।
    অনুসন্ধান করতে গিয়ে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।
    অন্যদিকে এই মাদক সম্রাটের বিষয়টি,নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনও এসব তথ্যর কথা স্বীকার করেছেন।
    এমনকি এই গড ফাদারসহ তার সকল অনুসারী ও অন্যান্য ব্যবসায়ীদের নজরদারিতে রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করেন।
    এছাড়াও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীসহ গোয়েন্দা সংস্থার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্রের কাছ থেকে তার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে।
    তারা এসব অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের তথ্য সূত্রের উপর তদন্ত সাপেক্ষে ও সত্যতা নিশ্চিত হয়েই তারা তাদের বিশেষ অভিযান গুলো পরিচালনা করে যাচ্ছেন।

    এছাড়াও অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাদের সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় অভিযান অব্যাহত রেখেছেন বলেও সূত্রে জানাযায়।
    এদিকে অপরাধ নির্মূলে বাংলাদেশ পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিকতায় বানিয়াচং থানা পুলিশও তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

    ২৪জুলাই সোমবার দিবাগত রাতে বানিয়াচং থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন এর নেতৃত্বে উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের তাম্বলীটুলা গ্রামে এস,আই সন্তুষ,এস,আই স্বপন সরকারসহ একদল পুলিশ ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখকে ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনাকারী মনির(৩৫)কে ৫৩পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পুলিশ।
    সে মৃত ফয়জুর রহমানের পুত্র।
    এসময় সাথে থাকা সহযোগীরা পালিয়ে যাওয়ারও খবর পাওয়া যায়।

    পুলিশ মনির গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
    তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    ২৫জুলাই(মঙ্গলবার) ইয়াবা ব্যবসায়ী মনিরকে হবিগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
    এছাড়া অন্যান্য ব্যবসায়ীসহ চিহ্নিত অপরাধীদের নজরদারীতে রাখার বিষয়টিও থানা সূত্রে জানাযায়।
    তারা এসব অপরাধ নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান,নবাগত অফিসার ইনচার্জ(ওসি)
    মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন।

    অপরদিকে বানিয়াচং উপজেলা সদরের ভিতরে ৪টি ইউনিয়নে ১০/১৫জন মিলে মাদক(ইয়াবা)ব্যবসার সত্যতা পাওয়া যায় অনুসন্ধানকালে।

    বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দত্তপাড়া মহল্লার আব্দুল হক মিয়ার পুত্র সাইদুল হক(৩৮)।
    এই মাদকের ব্যবসার জন্য তার বাড়িতে সিসি স্থাপন করে এবং নিজ মোবাইলে আ্যাপসের মাধ্যমে কালেকশন করে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
    বাড়িতে নতুন করে ঘরে তুলেছে ছাদ দিয়ে বিল্ডিং।
    এবং ছোট্ট এক ভাইকে পাঠিয়েছে প্রবাসে।
    এমনকি তার এই ব্যাবসায় নিজের স্রী ও শশুর বাড়ির ভায়রা ভাইয়েরা সহযোগীতা করে যাচ্ছে বলে জানাযায়।
    এই ইয়াবা সম্রাট সাইদুল হক শ্রীমঙ্গল র‍্যাব ৯,
    হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশ,নবীগঞ্জ থানা,বানিয়াচং থানা পুলিশের হাতে মাদকসহ(ইয়াবা)বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হয়েছে।
    তার বিরুদ্ধে রয়েছে ৯টি মামলা।
    অথচ এসব মামলা থেকে জামিনে বের হয়েই যেই সেই এই মাদক সম্রাট।
    কিছুদিন পূর্বে ৩নং ইউপির জাতুকর্ন পাড়া এলাকার তার প্রবাসী ভাই ফারুকের এগ্রো ফার্ম খামার থেকে ফারুকসহ সাইদুলকে গ্রেফতার করেছিলো থানা পুলিশ।
    পরে চুরির মোবাইল কেনা বেচার অপরাধে মামলা দেখিয়ে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছিল।

    এই প্রবাসী মোহাম্মদ ফারুক মিয়ার খামারেও সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে সাইদুলকে গোপন আস্তানায় রেখে মাদক ব্যবসাসহ তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে যেতো।
    পরে প্রবাসী ফারুক জামিনে এসে বিদেশ চলে যায়।
    এবং সেখান থেকে এই সাইদুল হকরে টাকা পয়সার যোগান দিয়ে এই মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
    আর বিদেশ থেকে ফারুক এই মাদকের ব্যবসার কলকাঠি নাড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
    এই ইয়াবার সম্রাট সাইদুল হকের নেতৃত্বে ৪টি ইউনিয়নে রয়েছে ১০/১৫জনের নতুন পুরাতন মাদক(ইয়াবা) ব্যবসায়ী।
    তারা পুরো বানিয়াচং উপজেলা সদরে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করে সকল ব্যবসায়ীরা চালিয়ে যাচ্ছে পুরোদমে ব্যবসা।
    আর এতে করে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ।
    তেমনি বাড়ছে এলাকায় চুরি,ছিনতাইসহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড।
    তাই বানিয়াচংয়ের সচেতন মহলের জোরদাবী হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকটে,এই বিষয়টি যেন গুরুত্ব সহকারে দেখেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে যেন এসব ব্যবসায়ীদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসেন।
    এবং বানিয়াচং উপজেলাবাসীকে যেন মাদক মুক্ত একটি উপজেলা হিসাবে উপহার দেন।

  • মাধবপুরের বাচ্চু মিয়া প্রবাসে নিখোঁজ

    মাধবপুরের বাচ্চু মিয়া প্রবাসে নিখোঁজ

    হৃদয় এস এম শাহ্-আলম: হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের মালঞ্চপুর গ্রামের মৃত সামসু মিয়ার ছেলে প্রবাসী মো: বাচ্চু মিয়া সৌদি আরব এর মাটিতে নিখোঁজ।

    পরিবার সূত্রে জানা যায় যে,মো: বাচ্চু মিয়া বিগত ৮ বছর আগে পরিবারের সুখের জন্য সে প্রবাসের মাটিতে কাতার নামক দেশে পা রাখেন।পরে তার মালিক তাকে কিছুদিন পরে মালিকের ব্যবসা একাধিক থাকার কারণে থাকে বিনা ভিসায় মালিকের গাড়ি দিয়ে তাকে সৌদি আরব এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মদেন।এভাবে বছরের পর বছর চলতে থাকে প্রায় (৮) বছর পর মালিক থাকে দেশে ফিরতে দেন না।পরে বাচ্চু মিয়া নিজে এক জন দেশিয় ভাই বলে পরিচিত সুবাদে তাহার ফোন নাম্বার:০০৯৬৬০৫৭৮১৬৫৯৮৮,০০৯৬৬০৫৭৮১৬৬৯৮৮ এর মাধ্যমে নগদ ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে দেশে ফিরতে সাহায্য করবে বলে তাহাকে পুলিশের নিকট নিয়ে যান।

    উক্ত ঘটনার পর থেকে আজ পর্যন্ত আনুমানিক ২ মাস সে নিখোঁজ কোনো রকমের যোগাযোগ না তাহার পরিবারের সঙ্গে।

    এ বিষয়ে মো: বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী মোছা: নিলুফা আক্তার বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    বর্তমানে বাচ্চু মিয়ার পরিবার বেহাল অবস্থায়,খুব চিন্তা ও কষ্টের মধ্যে,তার ৯ বছরের কন্যা শিশু সহ মা,স্ত্রী,ভাই সবাই দানা পানি ছেড়ে পাগলের মতো কান্নাকাটির মধ্য দিয়ে রাত দিন চলছে।

    উল্লেখীত বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তার পরিবার বর্গ,তার পরিবার তাকে ফিরে পেতে চান।তার পরিবারের একটাই চাওয়া তাকে দ্রুত দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চান।

  • মাধবপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস পালিত

    মাধবপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস পালিত

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস পালিত হয়েছে।

    রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান এর নেতৃত্বে উপজেলা চত্বর থেকে শোভাযাত্রা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    পরে উপজেলা কনফারেন্স রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান এর সভাপতিত্বে অন্যন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত বিন কুতুব,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এইচ এম ইশতিয়াক মামুন ,কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন হাসান ,অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক , শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম জাকিরুল হাসান,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পিয়ারা বেগম ,খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সোহানা সুলতানা,তথ্য সেবা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা,সমবায় কর্মকর্তা মিজানুর রশীদ ,জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ,ক্রিড়া সংস্থার সেক্রেটারি সুকোমল রায়,সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীধাম দাশ গুপ্ত ,,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফারুক পাঠান, আন্দিউড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন তাদের দপ্তরের সেবাগুলো নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করেন

  • ১২ টি চা বাগানে চড়া মূল্যে ক্রয় করে ৬ শ টন সার নিম্ন মানের , পড়ে রয়েছে গুদামে

    ১২ টি চা বাগানে চড়া মূল্যে ক্রয় করে ৬ শ টন সার নিম্ন মানের , পড়ে রয়েছে গুদামে

    সরকারি মালিকানাধীন ন্যাশনাল টি কোম্পানি ( এন টি সি) সিলেট বিভাগে ৩টি জেলায় ১২ টি চা বাগানের জন্য ক্রয় করে ৬ শ টন ইউরিয়া সার স্ব স্ব চা বাগানের গুদামে পড়ে আছে । এক কোটি ২০ লাখ টাকা অতিরিক্ত মূল্যে ক্রয় করে এই ইউরিয়া সারের গুনগত মান নিম্ন মানের হওয়ায় সার ক্রয়ের বহু কেলেঙ্কারি কথা হবিগঞ্জ সহ সকল চা বাগানে চাউর হচ্ছে ।

    এ নিয়ে চা বাগান গুলোতে নানা কথা শোনা যাচ্ছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক চা বাগানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান , বালু মিশ্রিত এই ইউরিয়া সার চা বাগানের অনেক ক্ষতি আশঙ্কায় ব্যবহার না করে প্রতিটি চা বাগানের গুদামে ইউরিয়া সার গুলো পড়ে রয়েছে । বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড এর দায়িত্বশীল কেউ এ নিয়ে কথা বলতে রাজি নয় । সবাই মুখে মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন ।

    সংশ্লিষ্ট চা বাগান সূত্রে জানা যায় , প্রতি বছর জুন মাসে সরকারি মালিকানাধীন ন্যাশনাল টি কোম্পানি ( এনটিসি) সিলেট ৩ টি জেলার মধ্যে হবিগঞ্জে ৫ টি চা বাগান রয়েছে । বাগান গুলো হল- পারকুল , চন্ডিছড়া , জগদীশপুর , তেলিয়াপাড়া চা বাগান । মৌলভীবাজার ৭ টি চা বাগান রয়েছে । বাগান গুলো হল – প্রেম নগর , বিজয় নগর , চাম্পারায় , কুরমা , মদনমোহনপুর , পাত্রখোলা , মাধবপুর চা বাগান । সিলেট ১ টি চা বাগান হল – লাক্কাতুরা চা বাগান । এই ১৩ টি চা বাগানে চাহিদা অনুযায়ী ৬ ৪৬ মেঃ টঃ ইউরিয়া সার , ২৩১ মেঃ টঃ টিএসপি , ৩৩৯.৫০ মেঃটঃ এমওপি ও ৭৪ মেঃটঃ ডিএপি টেন্ডার মাধ্যমে ঠিকাদার কাছ থেকে ক্রয় করে স্ব স্ব বাগানের চাহিদা অনুযায়ী পাঠায় ঢাকা তোপখানা রোড হেড অফিস ।

    অথচ সিলেট বিভাগে ৩ টি জেলায় ১২ টি চা বাগানে সরবরাহকৃত ইউরিয়া সারের গুনগত মানের বহু কেলেঙ্কারি হওয়ায় প্রতিটি চা বাগানের গুদামে পড়ে আছে বস্তা বন্দি ইউরিয়া সার । সূত্রে আরো জানা যায় , চা বাগানের সরবরাহ করা সারের প্রতিটি বস্তার গায়ে লেখা মূল্য অনুযায়ী বিল ভাউচারে গড়মিল রয়েছে । ভাউচারে দেখানো হয়েছে চড়া মূল্য । এছাড়া ইউরিয়া সারের গুনগত মান ও ভালো নয় ।

    অভিযোগ পত্র।

    এ বিষয়টি জানার পর চা বাগান কর্তৃপক্ষ ইউরিয়া সার অনেক চা বাগানে ব্যবহার করেন নি । ভেজাল সার ও চড়া মূল্য বিষয়টি ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড ( এনটিসি) ঢাকাস্থ হেড অফিসে জানানোর পর বিষয় গুলো অতি গোপনে তদন্ত শুরু করে টি কোম্পানি ।

    এনটিসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুছা সরকারি চা বাগানে সরবরাহকৃত ইউরিয়া সারের গুনগত মান যাচাইয়ে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাগান ব্যবস্থাপক এ প্রতিনিধিকে জানান , এনটিসি কোম্পানি প্রধান কার্যালয়ের বেশ কিছু কতিপয় অসাধারণত্ব কর্মকর্তা নিজের সার্থের আর্থিক লাভের জন্য ইউরিয়া সারের গুনগত কেলেঙ্কারিতে জড়িত রয়েছেন ।

    এদিকে এনটিসি ‘র জিএম সৈয়দ মাহমুদ হাসান যাচাই করে দেখেন ইউরিয়া সারের গুনগত মান ভালো না বলে এ প্রতিনিধিকে বলেন । এ বিষয়ে ন্যাশনাল টি কোম্পানির সদস্য সচিব গোলাম মোহাম্মদ এর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন । এ বিষয়ে কথা বলতে এনটিসি’র সদস্য সচিবের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি । এনটিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুছা প্রতিটি চা বাগানের পরিদর্শনে সত্যতা নিশ্চিত করলেও ইউরিয়া সার নিয়ে তিনি কথা বলতে রাজি হননি ।

  • বাহুবলের কোর্টআন্দর সড়কটির বেহাল দশা

    বাহুবলের কোর্টআন্দর সড়কটির বেহাল দশা

    হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নে কোর্টআন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে জহুরুন্নেছা – মতিন ক্লিনিক ও শাহ পীর সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাজ ওরফে লুত শাহ ( রহঃ ) পবিত্র মাজার শরীফ পর্যন্ত প্রায় অর্ধ কিলোমিটার ইটের সলিং রাস্তাটি খানাখন্দে বেহাল দশা ।

    দীর্ঘ দিন ধরে এই চারটি গ্রামের ১০ হাজার মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তির মধ্যে কিন্তু এ রাস্তাটি পাকা সংস্কার করার জন্য দেখার কেউ নেই । যে কোনো নির্বাচন আসলে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলে ও হয় না পাকা রাস্তা সংস্কার ।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় , একসময় ছিল মাটির রাস্তা দিয়ে যুগ যুগ ধরে পথচারী চলাচল করে আসলে ও এলাকার কৃতি সন্তান এবং মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত দেওয়ান সৈয়দ আব্দুল বাছিত প্রায় ২০ বছর পূর্বে নিজ ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ইট দিয়ে রাস্তা সংস্কার করে দেয় জনসার্থে পথচলাচল জন্য । এর পর থেকে রাস্তাটি খানাখন্দ ও রাস্তা পাশে ভেঙে যাচ্ছে । ভেঙে যাওয়া স্থানে এলাকাবাসী বালু বস্তা দিয়ে রেখেছে ।

    এই রাস্তা দিয়ে কোর্টআন্দর, বন্দর , বালুচর ও কাইতপাড়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার লোকের স্হায়ী বসবাস । কোর্টআন্দর গ্রামের রাস্তা উপর দিয়ে দূরদূরান্ত থেকে শত শত রোগী আসছে জহুরুন্নেছা- মতিন ক্লিনিকে , মাজার শরিফে আশেকান ভক্ত বৃন্দরা জিয়ারত করতে ।

    এমনকি আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজন ও চারটি গ্রামের বিভিন্ন পেশার লোকজন , স্কুল – কলেজ এর শিক্ষর্থী এ খানাখন্দ পথ দিয়ে চলাচল করছে খুব কষ্টে । সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় , অর্ধ কিলোমিটার ইটের রাস্তাটি বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ ও রাস্তা এক পাশে ভাঙা ও ধ্বসে গেছে । অল্প বৃষ্টি হলেই ইটের খানাখন্দে পানি বেঁধে যাচ্ছে । এই চারটি গ্রামের লোকজন সহ দূরদূরান্ত থেকে রোগী ও মাজারে আশেকান ভক্ত বৃন্দরা আগত লোকজন পথ চলাচলে দুর্ভোগের সীমা নেই । ফলে গ্রামের লোকজন রাস্তা খানাখন্দ স্থানে ও রাস্তা পাশে ধ্বসে যাওয়া স্থানে প্রতি বছর বালু বস্তা দিয়ে চলাচল করছে ।

    এ গ্রামে অনেক সম্মানী পরিবারের বসবাস , সরকারী – বেসরকারি চাকরি , ব্যবসায়ী ও প্রবাসীতে থাকে । কোর্টআন্দর গ্রামের মুরুব্বি চান খাঁ এ প্রতিনিধিকে বলেন , সারা দেশে এ সরকার প্রতিটি শহর ও গ্রামের শুকনো ইটের সলিং রাস্তাকে উন্নত মানের পাকা রাস্তা করে দিলেও দীর্ঘ বছর ধরে বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্য বাহী কোর্টআন্দ গ্রামের উপর দিয়ে চারটি মহল্লার ১০ হাজার জনগণ অর্ধ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে চলাচলে খুব কষ্ট হচ্ছে । এ রাস্তা বিষয় কার কাছে বলাবো । এই রাস্তা দিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা চলাচল করলেও সংস্কার করা নজর দারী নেই বললে চলে এবং সংস্কার কাজের কথা ভুলে যায় জনপ্রতিনিধিরা ।

     

    গত ১৪ জানুয়ারি বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহুয়া শারমিন ফাতেমা কোর্টআন্দর এলাকায় সুনামধন্য জহুরুন্নেছা- মতিন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিদর্শনে আসলে ইটের সলিং রাস্তা খানাখন্দ দৃশ্য দেখে যান এবং রাস্তাটি প্রশস্ত ও পাকা করার জন্য এলাকাবাসী উপজেলায় একখানা আবেদন করার জন্য আশ্বাস দেন । উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোর্টআন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোড় গাড়ি রেখে অর্ধ কিলোমিটার পায়ে হেটে আসতে হচ্ছে ক্লিনিকে ।

    এলাকার একাধিক স্থায়ী বাসিন্দা ও আশ্রয়ন প্রকল্পের লোকজন জানান , রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ , চারটি গ্রামের মানুষ কস্টে আছেন । অটোরিকশা সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এলাকায় আসতে চায় না , আসতে গেলে তিন গুণ ভাড়া দিতে হয় । এমনকি এলাকায় রোগীর গাড়ি আসতে না পারায় অনেক রোগী মৃত্যু হয়েছে গাড়ি সমস্যা কারণে । সিএনজি ও রিকশা উঠলে কী পরিমাণ যে ঝাঁকি সইতে হয় , তা বলার নয় । বিকল্প রাস্তা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় । জন দুর্ভোগ লাগবে রাস্তাটি প্রশস্ত ও পাকা সংস্কারের দাবি জানান তারা ।

    শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরের চরনুর আহম্মদ গ্রামের জুলেখা বেগম বলেন , আমি মিরপুর ইউনিয়নের কোর্টআন্দর এলাকায় প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন জহুরুন্নেছা- মতিন ক্লিনিকে মহিলা এম বিবিএস ডাক্তার ফ্রি চিকিৎসা করেন এবং বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয় এবং আমার পাশের বাড়ির এক মহিলা কোমরে ধরা ছিল কিন্তু ক্লিনিকের চিকিৎসা নিয়ে আরোগ্য হয়েছে ।

    এই চিকিৎসা খবর যেনে আমি লস্করপুর রেল গেইট থেকে সিএনজি যোগে কোর্টআন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোড়ে লামিয়া দেয় চালক । সারা রাস্তা পাকা দিয়ে আসার পর স্কুলের মোড় থেকে কোনো রিকসা বা সিএনজি ইটের সলিং রাস্তা দিয়ে চলাচল করে না । শেষ পর্যায়ে পায়ে হেটে প্রায় অর্থ কিলোমিটার গিয়ে ক্লিনিক পাই । পায়ে হেটে আসার পর কোমরের ব্যথা দ্বিগুণ বেড়ে যায় । রাস্তাটি পাকা করা খুবই জরুরি

    তা না হলে বৃষ্টির দিনে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ আরও বেড়ে যাবে ।

  • মাধবপুরে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে আটক এক সন্তানের জনক

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক কিশোরী (১৫) কে ধর্ষণের অভিযোগে মো: মান্নাফ মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (২১ শে জুলাই) ভোররাতে উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নের কবিলপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।সে ওই গ্রামের মো: দিয়ারিশ মিয়ার পুত্র ।

    পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ভিকটিম কিশোরী রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির বারান্দার রুমে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত দুই ঘটিকার সময় মান্নাফ মিয়া তার বন্ধু মো: সাবিদ মিয়া কে নিয়ে কৌশলে দরজা খোলে কিশোরীর রুমে ডুকে ওড়না দিয়ে তার মুখ বেধে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় ভিকটিম কৌশলে মুখের ওড়না খুলে জুড়ে চিৎকার করলে পরিবার ও আশপাশের লোকজন এসে ধর্ষক মান্নাফ মিয়া কে আটক করে। এসময় তার সহযোগী সাবিদ মিয়া দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে লোকজন নিয়ে ফিরে এসে জুড় পূর্বক তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ভিকটিম এর পরিবার ৯৯৯ এ ফোন করে সাহায্য চায়।

    খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ধর্ষকের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ধর্ষক মান্নাফ মিয়া কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

    এব্যাপারে শুক্রবার দুপুরে ভিকটিম এর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগী সাবিদ মিয়ার নামে মাধবপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মাধবপুর থানার ওসি মো: আব্দুর রাজ্জাক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিমকে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।