Category: হবিগঞ্জ

  • শায়েস্তাগঞ্জের শীর্ষ ডাকাত  চট্টগ্রাম থেকে আটক

    শায়েস্তাগঞ্জের শীর্ষ ডাকাত চট্টগ্রাম থেকে আটক

    হবিগঞ্জের শীর্ষ ডাকাত এবং ১৮ টি মামলার পলাতক আসামী মোঃ আবু তালেব ওরফে ল্যাংড়া তালেব (৫০) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৭।

    গ্রেফতারকৃত ল্যাংড়া আবু তালেব হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার পৌরসভার উবাহাটা প্রকাশিত লারিহাটি গ্রামের পুরান বাজার ছাতা-চাবি মেকার মৃত আব্দুস শহীদ এর ছেলে । গত সোমবার চট্টগ্রাম হালি শহর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় ।

    র‍্যাব – ৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক তাপস কর্মকার বলেন, হবিগঞ্জ জেলা সহ বিভিন্ন জেলার শত শত ডাকাতদের গ্যাং লিডার ল্যাংড়া আবু তালেব ডাকাতি মামলার পলাতক আসামী চট্টগ্রাম হালিশহরে অবস্থান করে।

    এ গোপন তথ্যের ভিওিতে সোমবার অভিযান চালিয়ে ল্যাংড়া তালেবকে গ্রেফতার করা হয় । তার বিরুদ্ধে সিলেট , সুনামগঞ্জ , মৌলভীবাজার , বি- বাড়িয়া , কিশোরগঞ্জ , নরসিংদী , ঢাকা এবং হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় অবৈধ অস্র, মাদক , ডাকাতি এবং মোটরসাইকেল , অটোরিকশা সিএনজি , বেটারী চালিত ইজি বাইক টমটম , ট্রাক্টর , ট্রাক , ডায়না , ড্রাম ট্রাক , হাই এক্স , নোহা , প্রাইভেট কার সহ বিভিন্ন গাড়ি চুরি করে নিয়ে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে অনেক লোকজনকে হত্যা করেছে।

    এর পর ডাকাতের গ্যাং লিডার ল্যাংড়া আবু তালেব এর যোগাযোগ করে চুরি হওয়া গাড়ি বের করে দিবে বলে মোটা অংকের মুক্তিপন চায় । অনেকে তার কাছে টাকা বিকাশে টাকা দিয়ে চুরি হওয়া গাড়ি উদ্ধার করে । ডাকাত ল্যাংড়া আবু তালেব বা তার দলের সদস্যকে র‍্যাব বা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরন করলেই আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে এসে আবারো ডাকাতি কাজে লিপ্ত । তার বিরুদ্ধে মোট ১৮টি মামলা রয়েছে । গ্রেফতার আসামীকে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে ।

  • আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় – জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ 

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় – জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ 

    জুয়েল রহমান: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে হবিগঞ্জ জেলার নবাগত জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ‘র মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

    বানিয়াচং উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ,বীরমুক্তিযোদ্ধা,স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিবৃন্দ.সুশীল সমাজ,সাংবাদিক,নাগরিক সংগঠন,এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গ সংগঠনের প্রতিনিধিদের সাথে হবিগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।

    মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ বলেন,আমাদের জাতিকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। বিশ্বের মধ্যে আমাদের দেশের শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে হলে সুশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল ছাড়া সম্ভব নয়।

    আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মধ্যে রয়েছি। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশ আগামীতে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।

    বিদ্যালয়ে কোন শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে আসতে পারবেনা।

    মোবাইলে যেমন ভালো দিক আছে তেমনি খারাপ দিকও আছে।

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। গণতান্ত্রিক পন্থার নির্বাচনকে কেউ অবৈধভাবে বাধাগ্রস্থ করতে চাইলে আমরা তা সহ্য করবোনা। প্রত্যেকের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। কিন্তু মত প্রকাশের নামে অগণতান্ত্রিক কোন কার্যকলাপ মেনে নেওয়া হবেনা।

    হবিগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে আপনারা সকলে একসাথে কাজ করবেন।

    বর্তমানে জেলার আইনশৃঙ্খলা শান্ত অবস্থায় রয়েছে।

    এই শান্ত অবস্থায় যেন কেউ আশান্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারে সেদিকে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি এ সময় আরও বলেন,হাওরের দেশীয় মাছের বংশ আগামীতে যারা নির্বংশ করতে চাইবেন তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

    এছাড়াও সরকারি অফিস বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য দায়িত্বশীল সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার(২৯ আগস্ট) সকাল ১১টায় বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

    বানিয়াচং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ।

    প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ নাজমুল হাসানের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা আক্তার,ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আমীন,অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন,ইউপি চেয়ারম্যান আহাদ মিয়া,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান মিয়া,অধ্যক্ষ স্বপন কুমার দাশ,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামূল হক,উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শামীমা আক্তার,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শামসুল হক,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম,পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা সুদীপ কুমার দেব,ভানু চন্দ চন্দ, কৃষকলীগ সভাপতি কামাল উদ্দিন,স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি আশরাফ সোহেল,যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিবুর রহমান,বানিয়াচং প্রেসক্লাব সভাপতি মোশাহেদ মিয়া প্রমূখ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দারুজ্জামান খান, মঞ্জিল মিয়া,পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল ডেপুটি ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিপুল ভূষণ রায়, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম আকবর চৌধুরী, পিআইও মলয় কুমার দাস,বানিয়াচং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান, উপদেষ্টা মোতাব্বির হোসেন, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন, আজমল হোসেন, আক্তার হোসেন আলহাদী, তাপস হোম, নূরুল ইসলাম, শাহ সুমন, ইমাম সমিতির সভাপতি আতাউর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান,এডভোকেট আসাদুজ্জামান খান তুহিন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম সোহেল সহ রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক,উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    এরপূর্বে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

  • পুলিশের দুই মামলায় হবিগঞ্জের ১৮৩ বিএনপি নেতাকর্মীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট 

    পুলিশের দুই মামলায় হবিগঞ্জের ১৮৩ বিএনপি নেতাকর্মীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট 

    পুলিশের দায়ের করা দুইটি মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছসহ হবিগঞ্জের ১৮৩ জন নেতাকর্মীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    মঙ্গলবার বিকেলে শুনানী শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এমডি আমিনুল ইসলামের দ্বৈত ব্যাঞ্চ তাদেরকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে বিএনপি নেতাকর্মীরা উচ্চ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। তাদের পক্ষে আদালতে শুনানী করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সিনিয়র আইনজীবী ফজলুর রহমান, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলান। জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমবায় সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাবেক মেয়র আলহাজ্ব জিকে গউছ, জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. আবুল হাশিম, মাধবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. শাহজাহান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর মেয়র ফরিদ আহমেদ অলি, মাধবপুর পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বেলাল, জেলা যুবদল আহবায়ক জালাল আহমেদ, স্বেচ্ছাসেবক দল সদস্য সচিব এমদাদুল হক ইমরান, জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। তিনি জানান, পুলিশের দায়ের করা দুইটি মামলায়ই আমরা আজ (মঙ্গলবার) উচ্চ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করি। বিচারপতিগণ শুনানী শেষে আমাদের আবেদন মঞ্জুর করে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন।

    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এমদাদুল হক ইমরান বলেন, পুলিশ ভুয়া মামলা দিয়ে আমাদের হয়রাণি করছে। তারা হামলা করেছে। আমাদের নেতাকর্মীদের উপর গুলি ছুড়েছে। এরপর আবার আমাদের বিরুদ্ধেই মামলা দিয়েছে। মামলা দিয়ে আমাদেরকে আন্দোলন থেকে দমিয়ে রাখা যাবেনা।

    জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। তিনি জানান, হবিগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীরা জামিন আবেদন করেছিলেন। শুনানী শেষে বিচারকগণ তাদের ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেছেন।

    উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট পদযাত্রা করে বিএনপি। এ সময় পুলিশের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে গুলিবিদ্ধসহ বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও আহত হন। এ ঘটনায় ২১ আগস্ট পুলিশ বাদি হয়ে বিস্ফোরক ও পুলিশ এসল্টের অভিযোগ পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করে। এসব মামলায় মোট ৭শ’ জনকে আসামী করা হয়।

  • জমিতে আসলে গলা কেটে হত্যার হুমকি-থানায় জিডি

    জমিতে আসলে গলা কেটে হত্যার হুমকি-থানায় জিডি

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক নিরহ পরিবারের-সম্পত্তি জরবদখল চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিজ নামে ভূমির হালনাগাদ সকল কাগজপত্র থাকার পরও ওই ভূমির প্রতিবেশী দুটি পরিবারের দূধর্ষ যুবকেরা প্রকৃত মালিককে ভূমিতে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ভূমি ও নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারন ডায়রি করেছেভুক্তভোগী পরিবারটি ।

    গত ২৬ আগষ্ট শনিবার উপজেলার বুল্লা গ্রামের অমরেন্দ্র রায়’র পুত্র অজয় রায় মাধবপুর থানায় জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে ১৯২২ নং সাধারন ডায়রি (জিডি) করেন।

    থানায় দাখিলকৃত অভিযোগ ও জিডি সূত্রে জানা গেছে, বুল্লা ইউনিয়নের বাসিন্দা স্বর্গীয় আনন্দ মোহন রায়’র পুত্র অমরেন্দ্র রায় (৭৯)’র ১১৩ শতাংশ আমন রকম ভূমি জগদীশপুর ইউনিয়নের বেজুড়া মৌজায় অবস্থিত। জেএল ৩৫, খতিয়ান নং ১২৬২, দাগ নং ১০৬৬৪, ভূমিটি অমরেন্দ্র রায় বিএস পর্চা, নামজারিসহ যাবতীয় কাজপত্রে মালিক ও দখলকার। উল্লেখিত পরিমান ভূমি বিগত ৫০ বছরেরও উর্ধ্ব সময় ধরে বেজুড়া গ্রামের লোকজনের মাধ্যমে (বর্গা চাষি) ফসল ফলাইয়া আসছে।

    উক্ত ভূমিটিতে কুদৃষ্টি পড়ে ভূমিখেকোদের। গত ২২ জুলাই সকালে ওই জমির পাশ্ববর্তি বাসিন্দা বেজুড়া গ্রামের মৃত আশু মিয়ার ছেলে শাহেদুর (২৮), মুখলেছ মিয়া (৩২) তাদের চাচাতো ভাই হাবিবুর রহমান (২৭) মিজান মিয়া (২১) লাটি শোটা নিয় ওই জমিতে জোরপূর্বক হালচাষ করে। খবর পেয়ে জমির মালিক অমরেন্দ্র রায় গিয়ে জবরদখলকারীদের বাধা দিলে তারা সত্তোরর্ধ্ব অমরেন্দ্র রায়কে মারপিট করতে উদ্দ্যত হয় এবং হত্যার হুমকি দেয়।

    জরবদখলকারীদের হিংস্র আচরনে প্রাণভয়ে পালিয়ে এসে মাধবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে জরবদখলকারীরা পালিয়ে যায়।

    গত ২৬ আগষ্ট শনিবার বয়োবৃদ্ধ অমরেন্দ্র রায় ও তার বড় ছেলে অজয় রায় বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের জমিতে গেলে জরবদখলকারী শাহেদুর মিয়া, হাবিবুর রহমান, মুখলেছ ও মিজান মিলে হুমকি দিয়ে পিতাপুত্রকে জমির পাশ থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং ৩০ লাখ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত জমির আশ পাশে আসলে গলা কেটে হত্যা করার হুমকি দিয়েছে বলে অজয় রায় জানিয়েছে। প্রাণে বেঁচে এসে অজয় রায় থানায় জিডি এন্ট্রি করে।

    দাখিলকৃত অভিযোগ ও সাধারন ডায়রির তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মানিক কুমার সাহা জানান, উভয় পক্ষকে ডেকে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রাথমিক তদন্তে জমির মালিকানার স্বপক্ষে বাদী পক্ষ সঠিক আছে। বিবাদী পক্ষটি পাওয়ার অব এর্টনির নিয়ে জমিতে গিয়েছে মুখে বললেও কোন কাজগপত্র দেখাতে পারে নি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে পরবর্তি আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

  • বরাদ্দ না আসায় শায়েস্তাগঞ্জে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির বেহাল দশা

    বরাদ্দ না আসায় শায়েস্তাগঞ্জে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির বেহাল দশা

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে জংশন পুলিশ ফাঁড়ির ভবনটি বেহাল দশা । যে কোনো সময় ছাদের পলেস্তার ধসে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা হতে পারে ।

    শতবর্ষের আগে নির্মিত হলেও বর্তমানে দীর্ঘ বছর ধরে জরাজীর্ণ পুলিশ ফাঁড়ির ভবনটি জীবনের অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ১১ জন পুলিশ সদস্য । তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার আমলে উপজেলার চরনূর আহাম্মদ মৌজায় নির্মিত ফাঁড়ির এ ভবনটি সংস্কারে রেলমন্ত্রণালয় ও রেলওয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ না থাকায় যতদিন যাচ্ছে এর অবশ্য দিন দিন আরো ঝুঁকি পূর্ণ হচ্ছে ।

    সংশ্লিষ্টদের আশংকা , যে কোনো সময় ভবনটি ধসে পড়ে ঘটতে পারে প্রাণহানি । জানা যায় , বর্তমানে পুলিশ ফাঁড়িতে ১১ পুলিশ সদস্য কর্মরত । এই ১১ জন পুলিশ সদস্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খুব কষ্টে কাজ কর্ম করছে ঝুঁকি পূর্ণ ভবনে । সকল পুলিশ সদস্যদের থাকার সু-ব্যবস্থা না থাকায় তারা পরিত্যক্ত ঝুঁকি পূর্ণ ভবনে বিশ্রামাগারে রাত্রি যাপন করেন । নেই কোনো তাদের টয়লেট । পুলিশ ফাঁড়িতে বা স্টেশনে কোনো টিউবওয়েল না থাকায় সকল পুলিশ সদস্যরা খাবার পানি চাহিদা পূরণ করার জন্য আশপাশের বস্তি এলাকা থেকে । গোসল করতে হয় পার্শবর্তী রেলের বড় দিঘির মধ্যে ।

    সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় , পুলিশ ফাঁড়ির ভবনের পেছনে অনেক নোংরা পরিবেশ এবং মশার উপদ্রুপ । বর্ষা কালে বৃষ্টি হলে কোমর পানি জমে থাকে এবং চলাচল করা যায় না এবং দুর্গন্ধে পুলিশ সদস্যরা ফাঁড়িতে কাজ কর্ম করতে পারে না । রেলের জায়গায় দিয়ে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এ সব দুর্গন্ধে পাশাপাশি মশা- মাছি উপদ্রুব বৃদ্ধি পাচ্ছে । বিভিন্ন রোগ জীবাণু জন্ম হচ্ছে প্রতিনিয়ত এবং এসব দুষিত মশা কামড়ে ডেঙ্গু রোগের প্রভাব । যা ওই সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ হয়ে পড়ছে । ২০০৫ সালে সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ঐতিহ্যবাহী শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে জংশন আধুনিকায়ন রি-মডেলিং স্টেশন এর কাজ হলেও অজ্ঞাত কারণে এই পুলিশ ফাঁড়ির সংস্কার বা পূর্ণ নির্মান হয় নি ।

    এ ব্যাপারে নবাগত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাব্বির আলী এ প্রতিনিধিকে বলেন , পুলিশ ফাঁড়িতে এসে দেখি , এই ফাঁড়িতে দায়িত্ব আসার পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে কাজ কর্ম করছি । আমরা রেলের ও যাএীদের নিরাপত্তা নিয়োজিত আছি । অথচ আমাদের কোনো নিরাপত্তা নাই । তিনি আরো বলেন , এই রেল পুলিশ ফাঁড়িতে আমরা ১১ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছি ।

    এখানে বিশ্রামগার বা থাকার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সকল পুলিশ সদস্যদের পরিবার সদস্য নিয়ে আসার সম্ভব নয় এবং বসবাস করার কোনো ব্যবস্থা নাই । ভালো কোনো টয়লেট না থাকায় রেলওয়ে পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে হচ্ছে ।

    ওযু- গোসল ও বিশুদ্ধ খাবার পানি ব্যবস্থা না থাকায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে বস্তি এলাকায় থেকে টিউবওয়েল হতে পানি আনতে হয় । জব্দ কৃত মালামাল বা বিভিন্ন অপরাধী আসামী রাখার ভালো ব্যবস্থা নেই কিন্তু ঝুঁকি পূর্ণ ভবনে খুব কষ্টে রয়েছি ।

    নতুন পুলিশ ফাঁড়ি ভরনের জন্য রেল উর্ধতন কর্তৃপক্ষ জায়গা নির্ধারণ করা হলেও এখনো রেল পুলিশ ফাঁড়ির ভবন নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ আসে নি ।

    এ ব্যাপারে মাননীয় রেল মন্ত্রী ও রেল উর্ধতন কর্তৃপক্ষ এই পুলিশ ফাঁড়ি ভবন নির্মাণ করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত শায়েস্তাগঞ্জসহ হবিগঞ্জ জেলা বাসী দাবি ।

  • শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জে শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন শীর্ষক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন প্রকল্প বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা -২০২৩ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    রোববার ( ২৭ আগস্ট ) বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস কক্ষে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় এবং হবিগঞ্জ এসেড এর আয়োজনে এই বিদ্যালয় ভিওিক বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা -২০২৩ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

    অত্র বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষক মোঃ আজহারুল হোসাইন এর সভাপতিত্বে ও হবিগঞ্জ এসেড প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ দুলাল মিয়া পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জালাল আহাম্মদ । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ এসেড এর প্রজেক্ট অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম , শায়েস্তাগঞ্জ অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক এস এম সি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর ।

    উপস্হাপন করেন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ সোয়েব , পরিদর্শনে অন্যান্যদের মাঝে ছিলেন শিক্ষিকা শামীমা আক্তার , মোঃ সাজ্জাত মিয়া সাজু , হালিমা খাতুন , আলী হায়দার সেলিম ।

    বক্তব্য শুরুর পূর্বে প্রধান অতিথি , বিশেষ অতিথি , হবিগঞ্জ এসেড প্রকল্প কর্ম কর্তা , বিদ্যালয়ের শিক্ষক বৃন্দরা বিভিন্ন স্টল গুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেন ।

    বিজ্ঞান মেলা শিক্ষার্থীদের নিজের তৈরি বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করে এবং যৌথভাবে প্রথম নবম শ্রেণির তানজিনা আক্তার প্রজেক্টে – পানিতে পেট্রোল ব্যবহার করে গ্যাস তৈরি করে দেখানো হয় । দ্বিতীয় সামিয়া আক্তার ও তার গ্রুপ সপ্তম শ্রেণীর প্রজেক্টে – আধুনিক স্কুল ও স্বাস্থ্যসেবা । তৃতীয় ষষ্ঠ শ্রেণীর হাসি আক্তার ও তারদলের প্রজেক্টে – বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ।

    প্রধান অতিথি সহকারী প্রধান শিক্ষক জালাল আহমেদ বিজ্ঞান শিক্ষার্থী উদ্দেশ্যে বলেন , বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান মেলা আয়োজন করায় উচ্ছাস প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা । এধরণের বিজ্ঞান মেলা অনেক কিছু জানতে সাহায্য করে । পরে বিজ্ঞান মেলা ও কুইজ প্রতিযোগিতা বিজয়ীদের মাঝে ক্রেস্ট প্রদান করা হয় এবং শেষ বিজ্ঞান মেলা ।

  • হবিগঞ্জে পিতা হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও আসামি অধরা

    হবিগঞ্জে পিতা হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও আসামি অধরা

    হবিগঞ্জের শুক্কুর আলী হত্যার বছর পেরিয়ে গেলেও দুই আসামি রয়ে যায় অধরা এমনকি তারা দেশ ছেড়েও পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এব্যাপারে শুক্কুর আলীর কলেজ পড়ুয়া কন্যা মামলার বাদী আসামিদের গ্রেফতার করতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীসহ সকল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে শুকুর আলীকে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন।

    তারপর এই হত্যার ঘটনায় শুক্কুর আলী কলেজ পড়ুয়া কন্যা(সীমা আক্তার) সদর থানায় ১০জন নামীয় এবং অঞ্জাত ৫/৬জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন গত বছরের ১৭ আগষ্ট।

    মামলা দায়েরের পর পুলিশ এজাহার নামীয় কিছু সংখ্যক আসামি গ্রেফতার করলেও ২নং ও ৩নং আসামি গ্রেফতারে শংকিত মামলার বাদী ও তার পরিবারের লোকজন।

    তাদের কাছ থেকে আরও জানাযায়,হত্যা মামলার পর থেকে ২নং আসামি তামিম রহমান ও ৩নং আসামি মহসিন মিয়া তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।

    দীর্ঘ প্রায় ১ বছরেও ওই আসামিদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

    ফলে মামলার ভবিষ্যত নিয়ে শংকিত আছেন বাদি।

    মামলার অভিযোগে দেখা যায়,ওই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে নিহত শুকুর আলীর সঙ্গে তার চাচাতো ভাই এরশাদ আলীর জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

    এ নিয়ে একাধিকবার সালিশও হয়।

    কিন্তু কোন প্রকার সমাধান না হলে দিন দিন বিরোধ মারাত্মক আকার ধারণ করে।এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও চলমান ছিলো।

    এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৭ আগষ্ট সকালে শুকুর আলী(৫৫)জমিতে কাজ করতে গেলে একই গ্রামের মৃত সমন আলীর পুত্র সফর আলী,ছাদেক মিয়া, জাকির মিয়া, শাহজাহান ও শাকিল মিয়াসহ ১০/১৫ জন লোক ফিকল দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হত্যা করে।

    তারপর এ ঘটনায় পিতা হত্যার দায়ে কন্যা সীমা আক্তার বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    ইতোপূর্বে এই মামলায় বেশ কয়েকজন আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার করে বলেও জানাযায়।

    কিন্তু তামিম রহমান ও মহসিন মিয়াকে অদ্যাবদি গ্রেফতার না করায় বাদি ও তাদের পরিবার আতংকিত অবস্থায় রয়েছেন।

    তাই তারা বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসনসহ গোয়েন্দা সংস্থার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে এই দুই আসামিকে দেশের বাহিরে থাকলেও খুঁজে বের করে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোরদাবী জানিয়েছেন।

    এ নিয়ে মামলার ভবিষ্যত শংকিত আছেন বাদি ও পরিবারের লোকজন।