Category: হবিগঞ্জ

  • বিমান প্রতিমন্ত্রীর সাথে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

    বিমান প্রতিমন্ত্রীর সাথে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

    হৃদয় এস এম শাহ্-আলম: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ মাহবুব আলী এমপি কে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার ( ১২-সেপ্টেম্বর ) রাতে সড়ক ও জনপথ ডাকবাংলোতে বিমান প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ মাহবুব আলী এমপি কে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি মোঃ এরশাদ আলী,সাধারণ সম্পাদক দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি শংকর পাল চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি দৈনিক ভোরের ডাকের প্রতিনিধি তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, সহ-সভাপতি দৈনিক জননীর স্টাফ রিপোর্টার সুজন রায় ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাংলা টিভি প্রতিনিধি হামিদুর রহমান রাজুর নেতৃত্বে মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

    জবাবে প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মোঃ মাহবুব আলীও এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানান।

    তিনি এসময় বলেন, সাংবদিকরা সমাজের দর্পন। সৎ ও সাহসী সাংবাদিকেরা দেশের সম্পদ। তিনি মাধবপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যানে আত্মনিবেদিত হয়ে কাজ করাার আহবান জানান।

  • হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে ৭৭৫ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প আনলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কে ৭৭৫ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প আনলেন এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের উন্নয়নে ৭৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
    সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ সড়ক প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় আনন্দিত এলাকাবাসী।

    এটি ২০২২ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন বিভিন্ন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট সমূহের জরুরি পুনর্বাসন ও পুনঃনির্মাণ প্রকল্প।

    এ প্রকল্পে সরাইল নাসিরনগর লাখাই সড়কের বলভদ্র সেতু থেকে হবিগঞ্জ অংশের ২১ কিলোমিটারের উন্নয়ন হবে। সড়কটি ১০.৩০ মিটার প্রস্থ করে ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট ও বিভিন্ন বাজার অংশে ৪.১৩ কিলোমিটার রিজিড পেভমেন্ট কাজ হবে।

    এদিকে, মেগা প্রকল্পটি অনুমোদন হওয়ায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে সরকার প্রধানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এমপি আবু জাহির।

    হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী শাকীল মোঃ ফয়সল জানান, এমপি আবু জাহির এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বলভদ্র সেতু থেকে হবিগঞ্জ অংশের সড়ক নির্মাণে ৭৭৫.০২ কোটি টাকার প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। দেড় মাসের মধ্যেই একনেক থেকে ডিও বের হবে এবং এরপর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ডিও পাওয়ার পর দরপত্র এবং ভূমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়ায় যাবে সওজ।

    সাম্প্রতিককালে এমপি আবু জাহির বিভিন্ন স্থানে জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এ সড়কটি মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হল।

    স্থানীয়রা জানান, এমপি আবু জাহির কয়েক বছর আগে দেড়শ’ কোটি টাকায় হবিগঞ্জ-লাখাই সড়ক নির্মাণ এবং বলভদ্র সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা করেছিলেন। এতে সিলেটের সঙ্গে ঢাকার দূরত্ব কমে ৩৫ কিলোমিটার। কাজটি হওয়ার পর এ অ লের ব্যবসা-বাণিজ্য জমে উঠেছে। এবার বড় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আরেকটি বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে।

    এ বিষয়ে লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ মুশফিউল আলম আজাদ বলেন, এমপি আবু জাহির হবিগঞ্জবাসীর জন্য যা করেছেন তা কল্পনাতীত। বিশেষ করে অবহেলিত লাখাইকে তিনি আলোকিত করেছেন। এই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি অগ্রগতির এক চিহ্ন। এজন্য লাখাইবাসী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি আবু জাহির এর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।

  • আজ প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী

    আজ বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মরহুম ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুসের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ২০০৬ সনের ১২ সেপ্টেম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় চাকরিকালীন মৃত্যুবরণ করেন।

    মরহুম প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ১৯৪৮ সনের ২৫ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গ্রাম বানিয়াচং এর প্রথমরেখে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম মোঃ পারু মিয়া ছিলেন গ্যানিংগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি, এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, জনাব আলী সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও বানিয়াচং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্যোক্তা। তার মা মরহুমা খায়রুন্নেসা খানম ছিলেন সাগরদিঘির পশ্চিম পারের ঐতিহ্যবাহী খান পরিবারের মেয়ে।
    ড. মোঃ আব্দুল কুদ্দুস শিক্ষাজীবন শুরু করেন চৌধুরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এখানে দুই বছর পড়াশোনা করে ভর্তি হন উপমহাদেশের শতোর্ধ্ব প্রাচীন বিদ্যাপীঠ বানিয়াচং এল আর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। স্কুলে বরাবরই প্রথম স্থান অধিকার করতেন।

    এ স্কুল থেকে ১৯৬৪ সনে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। এই ব্যাচটি এখন পর্যন্ত স্কুলের সেরা ব্যাচ এবং ড. আব্দুল কুদ্দুস সেরা ছাত্র।
    মেট্রিক পাসের পর তিনি সিলেট এমসি কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৬৬ সনে প্রথম বিভাগে আইএসসি পাস করেন।

    ১৯৭০ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনার্সসহ প্রথম শ্রেণীতে এমএসসি পাস করেন। তিনি সেই সময় চাকরিতে যোগদান না করে ১৯৭২ সনে পিএইচ.ডি গবেষণা শুরু করেন এবং ১৯৮১ সনে প্রফেসর ড. মোঃ রমজান আলী সরদারের তত্ত্বাবধানে পিএইচ.ডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তার পিএইচ.ডির বিষয় ছিল- Theory of generalized function. এটি বিশুদ্ধ গণিতের (pure mathematics) একটি অত্যন্ত কঠিন বিষয় কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    উল্লেখ্য যে, অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র থাকাকালীনই তার সাথে পরিচয় ঘটে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ূব খানের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা, প্রথম মুসলমান নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুস সালামের সাথে।

    কথায় বলে, রতনে রতন চেনে। সালাম সাহেব কিশোর আব্দুল কুদ্দুসের জ্ঞানের প্রখরতা দেখে যারপরনাই মুগ্ধ হন এবং বিশ বছরের জুনিয়রের সাথে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হন। ড. আব্দুস সালাম তার প্রতিষ্ঠিত ইটালীর ট্রিয়েস্টিতে অবস্থিত Inntenational centre for theoretical physics এ উচ্চতর গবেষণার জন্য ১৯৮১ সনে পত্র প্রেরণ করেন। সেই চিঠিটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গায়েব করে ফেলে। সেখানে শুধু বিশ্বের নামকরা প্রফেসররাই সুযোগ পায়। পরের বছর তিনি সেখানে গবেষণা করেন। পরে তিনি অস্ট্রিয়ায়ও পোষ্ট ডক্টরেট করেন। ড. আব্দুল কুদ্দুসের প্রায় অর্ধশত প্রবন্ধ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এবং সেসব বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ানো হয়। দীর্ঘ ষোল বছর পর তিনি ১৯৮৬ সনের ১৪ জানুয়ারি প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি ১৯৮৮ সনের ১ অক্টোবর সহকারী অধ্যাপক, ১৯৯৩ সনের ২১ জুলাই সহযোগী অধ্যাপক, ২০০১ সনের ২৭ মার্চ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। তিনি আপাদমস্তক একজন শিক্ষক ছিলেন। যেকারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।

    তার সম্পর্কে চমৎকার মূল্যায়ন করেছেন সেই সময় ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে তার পাশের কক্ষের বাসিন্দা গবেষক ও বিখ্যাত লেখক আহমদ ছফা ” পুষ্প, বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ বইটিতে- কুদ্দুসের দুটি ধনুক ভাঙা পণের কথা আমরা সকলেই জানি। প্রথমটি হল কুদ্দুস ম্যাথমেটিক্স ডিপার্টমেন্টে এসিসট্যান্ট প্রফেসরের চাকরির জন্য অপেক্ষা করবেন। লেকচারার পোস্টে ডাকা হলেও যাবেন না। কারণ, ডক্টরেট পেতে তাকে দশ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর থেকে শুরু করলেই এই এতগুলো বছর পুষিয়ে নিতে পারবেন। তাঁর দ্বিতীয় পণটি ডাক্তার ছাড়া অন্য কোনো পেশার মেয়েকে বিয়েই করবেন না। কুদ্দুসকে সাধারণত আমরা মিথ্যা বলতে দেখিনি। আর অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত মুহূর্তটিতেও একটি খারাপ কথা তাঁর মুখটি থেকে বেরিয়ে আসতে শুনিনি। আমাদের কেমন যেন একটা বিশ্বাস জন্মে গেছে আল্লাহতালা কুদ্দুসের উভয় দাবিই পূরণ করবেন।

    তিনি অবশেষে নবীগঞ্জের বেতাপুর চৌধুরী বাড়ির কাস্টমসের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মরহুম গোলাম রব্বানী চৌধুরীর কন্যা ডাঃ সাহিরা চৌধুরীর সাথে ১৯৯০ সনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
    ১৯৯৩ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. আব্দুস সালামকে ডিলিট ডিগ্রী দেয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে তৎকালীন সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুল কুদ্দুস অংশগ্রহণ করেননি। বিষয়টি নজরে আসে ড. আব্দুস সালামের।

    অনুষ্ঠান শেষে তিনি ভিসি প্রফেসর এমাজ উদ্দীন আহমেদকে কৈফিয়ত তলব করে বলেন-Where is my friend Dr,. Abdul Quddus? সাথে সাথে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ড. আব্দুল কুদ্দুসকে বাসা থেকে সসম্মানে ড. সালামের কাছে নিয়ে আসেন এবং দুই ঘন্টা তারা একান্তে আলাপ করেন। বিষয়টা তখন তোলপাড় সৃষ্টি করে।
    ড. কুদ্দুস আপাদমস্তক শিক্ষক ছিলেন। যে কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।

    দেশে সম্ভবত তিনিই একমাত্র উচ্চ শিক্ষিত যিনি টার্গেট পূরণের জন্য ষোল বছর বেকার ছিলেন। তিনি ছিলেন বানিয়াচং এর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, প্রথম ডক্টরেট, প্রথম সর্বোচ্চ চাকরিজীবী (সচিব পদমর্যাদা), সিলেট বিভাগে গণিত শাস্ত্রে প্রথম ডক্টরেট। দেশপ্রেমিক ড. কুদ্দুসকে ড. আব্দুস সালাম তার ইটালিস্থ প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যাননি। এমনকি কোথাও চাকরির জন্য আবেদন করেননি।

    ড. আব্দুল কুদ্দুস সাতটি ভাষা জানতেন- বাংলা, ইংরেজি, হিন্দী, আরবি, ফরাসি, উর্দু ও জর্মন । তিনি পাকিস্তান, ভারত, ইটালি ও অস্ট্রিয়া ভ্রমণ করেন।
    ড. আব্দুল কুদ্দুস ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত প্রচারবিমুখ, সৎ, দেশপ্রেমিক, ধার্মিক ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ছিলেন।

  • হবিগঞ্জ-৩ আসনে নৌকার প্রার্থীতা ঘোষনা করলেন চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    হবিগঞ্জ-৩ আসনে নৌকার প্রার্থীতা ঘোষনা করলেন চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থীতা ঘোষনা করলেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম। সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষনা দেন।

    তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন চাইবো। আশাকরি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মূল্যায়ন করবেন।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তারুণ্যকে নিয়ে কাজ করতে চাই। যদি আমাকে সুযোগ দেয়া হয় তাহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা ঘরে ঘরে পৌছে দেব। তারপরও যদি দল আমাকে মনোনয়ন না দেয় যাকে নৌকা দেয়া হবে তার পক্ষে জরালোভাবে কাজ করে নৌকাকে বিজয়ী করবো।

    এ সময় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ শাবান মিয়াসহ প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রত্যন্ত অঞ্চলে যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা -এমপি আবু জাহির

    প্রত্যন্ত অঞ্চলে যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা -এমপি আবু জাহির

     

    দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত যুগোপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করে তরুণ প্রজন্মকে আলোকিত মানুষ হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে নিবিড়ভাবে মনযোগী হওয়া প্রয়োজন; যে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন শিক্ষক এবং অভিভাবকরা।

    হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির  লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা মানপুর তোফাইলিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত চারতলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

    কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তোমাদের গ্রামে থেকেও উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছি। এতে তোমরা নিশ্চয়ই আনন্দিত। তোমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করবে এবং অভিভাবকদের অনুরোধ করবে তাঁরা যেন এই ধারা অব্যাহত রাখতে যেন শেখ হাসিনার পাশে থাকেন।

    দুপুরে এমপি আবু জাহির জিরুন্ডা মানপুর তোফাইলিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় প্রাঙ্গণে পৌঁছলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকার সহশ্রাধিক মানুষ জড়ো হন। তাঁরা এমপি আবু জাহিরকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। এরপর এমপি আবু জাহির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কয়েক মিনিট বক্তব্য রেখে তাদের ছুটির ব্যবস্থা করেন।

    পরে জিরুন্ডা মানপুর গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে সেখানে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিগত দিনে এমপি আবু জাহির এর মাধ্যমে এলাকায় নানা উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন বক্তারা। এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাঁরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ মুশফিউল আলম আজাদের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলেয়া বেগম, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এমএ মতিন, এনামুল হক মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ রেজা উদ্দিন আহমেদ দুলদুল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ইকরামুল মজিদ চৌধুরী শাকীল, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জুনাইদ আহমেদ, হবিগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক সাইফুল আলম প্রমুখ।

    সুধী সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ দুই সহশ্রাধিক লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নৌকা প্রতীকের শ্লোগানে মুখড়িত হয় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ।

  • সিলেটের জনসভায় হবিগঞ্জ থেকে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে – এমপি আবু জাহির

    সিলেটের জনসভায় হবিগঞ্জ থেকে সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে – এমপি আবু জাহির

    দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে পূন্যভূমি সিলেটে আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শাহজালাল (র.) ও শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে শুরু করবেন নির্বাচনী কার্যক্রম।

    পরে বিশাল জনসভায় করবেন বক্তৃতা। সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভায় হবিগঞ্জ জেলা থেকে সর্বো”ছ উপ¯ি’তি নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি। শনিবার দুপুরে টাউন হলে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। পরে তিনি সভায় উপ¯ি’ত নেতৃবৃন্দের পরামর্শ শুনে সিদ্ধান্ত দেন প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অংশগ্রহণকে সামনে রেখে জেলার ৯টি উপজেলা ও হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগকে বর্ধিত সভা আয়োজন করার জন্য। নেতৃবৃন্দ এ সকল বর্ধিত সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের উপ¯ি’তির দাবী জানালে সিদ্ধান্ত হয় ৪টি ইউনিটের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপ¯ি’ত থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট মো. আবু জাহির এমপি ও ৬টি ইউনিটে প্রধান অতিথি হিসাবে উপ¯ি’ত থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী।

    জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আলমগীর চৌধুরীর স ালনায় সভার শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ৭১ সালের শহীদসহ আওয়ামী লীগের নিহত সকল নেতৃবৃন্দের আত্মার শান্তি কামনায় ১মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।

    সভায় আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় আরও উপ¯ি’ত ছিলেন হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপি শাহনেওয়াজ মিলাদ গাজী, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সভাপতি এডভোকেট আবুল ফজল, এডভোকেট আফিল উদ্দিন, এডভোকেট কুতুব উদ্দিন শাহ, ডা. অসিত রঞ্জন দাস,এডভোকেট প্রবাল কুমার মোদক, যুগ্মসাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান সেলিম, এডভোকেট লুৎফুর রহমার তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম ও এডভোকেট সুলতান মাহমুদসহ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য, সদস্য ও বিভিন্ন ইউনিটের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।

     

  • শায়েস্তাগঞ্জে ২০ মন লোহার পাত চুরির সময় জনতার হাতে আটক

    শায়েস্তাগঞ্জে ২০ মন লোহার পাত চুরির সময় জনতার হাতে আটক

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন জংশন এলাকায় রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পূর্ত ) বিভাগের তালা খুলে ভেতর থেকে রাতের আধারে ৪শ গজ দূরবর্তী রেলওয়ে উর্ধতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ( পথ ) বিভাগের কর্মকর্তা – কর্মচারী যোগসাজশে শ্রমিক নিয়ে প্রায় ২০ মন ওজনের ১০ টি লোহার পাত বান্ডিল পাচার করে নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতা সন্দেহ মুলুক আটক করে ছেড়ে দেয় ।

    এ ঘটনা টি ঘটে শুক্রবার ছুটির দিন দিবাগত রাত ১০ টায় ।

    এ ঘটনা রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মীর সাব্বির আলীকে অবগত করলে তিনি একদল পুলিশ নিয়ে এসে ঘটনাস্থলে এসে এ দৃশ্য দেখে ।

    স্থানীয় জনতা পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলে আইডব্লিউ অফিস থেকে মালামাল নেওয়ার বিষয় কিছু জানেন না । জনতা পিডব্লিউ (পথ) বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল্লাহ জিজ্ঞাসা করলে জনতা সাথে অনেক্ষন তর্ক বিতর্ক পরে জনতা কাছে ভুল হয়েছে রাতের বেলা অফিস থেকে মালামাল নেওয়া বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছে । পিডব্লিউ ( পথ ) কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল্লাহ বলেন , স্টেশন মাস্টারকে অবগত করা হয়েছে। সকালে রেলের ব্রীজে কাজ করবে রেল শ্রমিকরা ।

    এ জন্যে আইডব্লিউ ( পূর্ত ) অফিসে লোহার পাত মালামাল রাখা হয়েছিল কিন্তু এ বিষয়ে রেলের লোহার মালামাল রাতে নেওয়ার রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে বলা হয়নি ।

    শায়েস্তাগঞ্জে রাতের বেলা চেতনা নাশক স্পে মেরে চুরি হচ্ছে কিন্তু পুলিশ ও জনতা আতংক বিরাজ করছে ।