Category: হবিগঞ্জ সদর

  • বঙ্গবন্ধুর কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ – আবু জাহির

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি তিনি। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে তাঁর নাম মানুষের হৃদয়ে থাকবে।

    তিনি বলেন, জাতির পিতার অবর্তমানে তাঁর অসমাপ্ত কাজগুলো করে যাচ্ছেন আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের পাশে থাকে। জনগণকে বঞ্চনা থেকে মুক্তি দেওয়াই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করার পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

    মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির বলেন, বঙ্গবন্ধুর তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে বছরব্যাপি পালন হচ্ছে মুজিব বর্ষ। এই বর্ষের প্রতিজ্ঞা হোক, ব্যক্তির উর্ধ্বে দল আর দলের উর্ধ্বে দেশ। এ সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ড এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি মুজিব বর্ষের কর্মসূচি পালনের আহবান জানান তিনি।

    হবিগঞ্জ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    তিনি বলেন, দলের মধ্যে এখনও মোস্তাকের প্রেতাত্মারা রয়েছে। মনে রাখতে হবে- যারা নৌকার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগের লোক না। দল ক্ষমতায় থাকলে নেতাকর্মীরাও সম্মানিত হন। যে কোনও পরিস্থিতিতে আমি দলের বিপরীতে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। অনেকের মনে দুঃখ কষ্ট থাকতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে- যখনই নৌকার বিজয়ের ব্যাপারে সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

    সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রশিদ তালুকদার ইকবালের পরিচালনায় সভায় অন্যানন্যের মাঝে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আক্রাম আলী, সহ সভাপতি হাজী সফর আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোঃ আদিল জজ মিয়া, আব্দুর রহমান, আব্দুল আউয়াল তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুকিত, আব্দুল্লাহ সরদারসহ প্রতিটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ দলের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

    সভায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নীতিগত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়টি হবিগঞ্জ সদরে স্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সবিনয় অনুরোধ করা হয়। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হাজী মুক্তার হোসেন, সদস্য আছকির মিয়া মেম্বার ও রিচি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জব্বার ডেঙ্গুর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

  • কলেজ ছাত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেছে স্বজনরা

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে শাহিদা আক্তার (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রীর লাশ রেখে পালিয়ে গেছে স্বজনরা । এ ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে শাহিদার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। শাহিদা আক্তার জেলার বাহুবল উপজেলার সোয়াইয়া গ্রামের লোকমান মিয়ার কন্যা।

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মিঠুন রায় জানান, শাহিদা আক্তার নামে এক বিষাক্রান্ত রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে আসা হয়। এসময় তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা করার সাথে সাথে তার পরিবারের লোকজন দ্রুত হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আমরা বিষয়টি পুলিশকে অবগত করি। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত বিষ পান করার ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে।

    জামাতা হত্যা মামলার মূল আসামী আটক

    শাহিদার বোন জহুরা আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা পালিয়ে যাননি। বরং বৈশাখী কাজ থাকায় তারা বাড়িতে গেছেন। কাজ শেষ করে তারা হাসপাতালে আসবেন। এছাড়াও তিনি কেন বিষ পান করেছেন জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।

    বাহুবল থানার (ওসি) মোঃ মাসুক আলী জানান, সদর থানা পুলিশ বিষয়টি আমাদের অবগত করছে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।

  • নিখোঁজের দুইমাস পর এক কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার লাখাইয়ে নিখোঁজের দুইমাস পর এক কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মেন্দির হাওরে একটি পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই ছাত্র মুড়াকরি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২২)। সে মাধবপুর সৈয়দ সাঈদ উদ্দিন কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র।

    এ ঘটনায় একই উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের মন্জু মিয়া ও তার মেয়ে ফারজানা আক্তারকে আটক করা হয়েছে। তারা পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় থানা চত্ত্বরে সংবাদসম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা।

    তিনি গ্রেফতারকৃতদের বরাত দিয়ে জানান, উপজেলা ধর্মপুর গ্রামের মন্জু মিয়ার মেয়ে ফারজানা আক্তার (১৭) হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্রী এবং মুড়াকরি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে উজ্জল মিয়া (২২) মাধবপুর সৈয়দ সাঈদ উদ্দিন কলেজে পড়াশোনা করে।

    নিখোঁজের দুইমাস পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার

    ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মাঝে পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ফলে উজ্জল মাঝে মাঝে ফারজানা আক্তারের বাড়িতে আসা যাওয়া করত। তাদের মাঝে দৈহিক সম্পর্কও গড়ে উঠে। এদিকে খুব সুন্দর হওয়ায় উজ্জ্বল একাধিক মেয়ের সাথে প্রেম করতো। ফেব্রুয়ারি মাসে ফারজানার বাবা মা ঢাকা যান।

    এ সুযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি তার বাড়িতে যায় উজ্জ্বল। ওই রাতে তারা দৈহিক সম্পর্কে মিলিত হয়। এ সময় উজ্জ্বলের অন্য এক প্রেমিকা ফোন দিতে থাকে। কিন্তু সে ফোন রিসিভ না করায় ম্যাসেজ দেয়। সেটি দেখতে পেয়ে ফারজানা প্রথমে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়।

    পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে উজ্জ্বলকে হত্যার পরিকল্পনা নেয়। ওই রাতেই ঘরে থাকা মসলা বাটার সিল (পুথাল) দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়।

    আজমিরীগঞ্জে হত্যা মামলায় ৬ আসামীর যাবজ্জীবন

    মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশ বস্তায় ভরে ঘরের মেঝে খুঁড়ে পুঁতে রাখে। পরদিন ঢাকায় গিয়ে বাবা মাকে বিষয়টি জানায়। তারা ঢাকা থেকে এসে তার বাবা লাশ নিয়ে মেন্দি হাওরে পুঁতে রাখেন।

    এ ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি উজ্জ্বলের বাবা থানায় একটি জিডি করেন। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়। ২১ এপ্রিল ফারজানা ও তার বাবা মন্জু মিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    এক পর্যায়ে ফারজানা ঘটনা স্বীকার করে। তার বাবা মঞ্জু মিয়াও পরে বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো তথ্যমতে সোমবার বিকেলে হাওর থেকে উজ্জ্বলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বাবা শাহ আলম ছেলের লাশ সনাক্ত করেছেন।

  • পৃথিবী বাঁচাতে শিল্প দুষণ বন্ধ করো

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিশ্ব ধরিত্রী দিবস উপলক্ষে পৃথিবী বাঁচাতে শিল্প দুষণ বন্ধ করো এই শ্লোগান নিয়ে শিল্পবর্জ্য দূষণে আক্রান্ত হবিগঞ্জের সুতাং নদীর বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন পরিবেশকর্মীরা।

    সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ এবং খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপারের প্রতিনিধিদল নদী পরিদর্শন করেন।
    প্রতিনিধিদল দেখতে পান সুতাং নদীর পানি কুচকুচে কালো হয়ে আছে। দূর্গন্ধে নাক বন্ধ করে চলাচল করছে এলাকার লোকজন। এসময় সাধুর বাজারে সুতাং নদীতে এক প্রতিবাদী কর্মসূচী করা হয়। পরিবেশ দূষণে ক্ষতিগ্রস্থ নদী পাড়ের বাসিন্দারা এই কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন।

    বক্তব্য রাখেন বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল, পরিবেশকর্মী এডভোকেট শিবলী খান, ডাঃ আলি আহসান চৌধুরী পিন্টু, আমিনুল ইসলাম, নদী পাড়ের বাসিন্দা মোঃ আলাউদ্দিন, শেখ মোঃ কামাল মিয়া, মানিক মিয়া প্রমুখ।

    অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন আসিয়া বিবি

    তোফাজ্জল সোহেল বলেন, বছরের পর বছর ধরে কলকারখানার বর্জ্য সুতাং নদীতে নিক্ষেপ করা হচ্ছে। কৃষিজমি, খাল, ছড়া, নদীসহ সকল প্রকার জীবন ও জীবিকা দূষণের শিকার হয়েছে। এতে কোন কোন এলাকায় হাঁস-মোরগ, গৃহপালিত পশুর মৃত্যুসহ নানা রোগ জীবানু ছড়িয়ে পড়ছে, যা কৃষিজমি ধ্বংস, ফসলের ক্ষতি ও নিরাপদ পানির অভাবসহ মারাত্মক মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। কোনভাবেই কলকারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য পরিশোধন নিশ্চিত না করে কারখানার বাইরের এলাকায় যে কোন উপায়ে কিংবা কারখানার অভ্যন্তরে ভূগর্ভস্থ পানি দূষণ করতে পারে না, এটি দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি ব্যবস্থার পরিপন্থী।

    তিনি বলেন, হবিগঞ্জের চলমান বেপরোয়া ও অপরিকল্পিত শিল্পায়ন এবং সম্ভাব্য পরিবেশ ও মানবিক বিপর্যয়ের কথা একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে পরিকল্পিত ও উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত এর দাবী জানিয়ে আসছি আমরা। কিন্তু এ অঞ্চলের মাটি, পানি, বায়ু দূষণ থেকে বিরত রাখতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল দপ্তরের কোন প্রক্রিয়া চোখে পড়ছে না।

    তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইনসহ দেশের প্রচলিত আইনসমুহ অমান্য করে কলকারখানাগুলো বেপরোয়া দূষণ চালিয়ে আসছে যা নদী সংশ্লিষ্ট গ্রামসমূহের বাসিন্দাদের সাংবিধানিক অধিকারের উপর প্রত্যক্ষ আঘাত। দীর্ঘদিনের দুষণ দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক বিপর্যয়ের পাশাপাশি উদ্বেগজনক মানবিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। তাই অবিলম্বে দায়ী কলকারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা, সুতাং নদী পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাসহ এলাকাবাসীর যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবী জানান তিনি।

  • জি কে গউছের ৫১ তম জন্ম দিন আজ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ একটি বৈচিত্রপূর্ণ, বর্ণাঢ্য ও সংগ্রামী জীবনের অধিকারী হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছের ৫১ তম জন্ম দিন আজ শনিবার (২০ এপ্রিল)।

    ১৯৬৮ সালের এই দিনে তিনি হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব গোলাম মর্তুজা লাল মিয়া ও মাতা আলহাজ্ব মঞ্জিলা বেগম।

    আলহাজ্ব জি কে গউছ। একটি আন্দোলনের নাম, একটি সংগ্রামী চেতনার নাম। ৫১ বছরের জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে ১৩শ ৪৭ দিন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কারাভোগ করেছেন। হবিগঞ্জের বহু চড়াই-উৎড়াইয়ের সাথে এই নামটি সম্পৃক্ত।

    জনসেবা আর উন্নয়ন দিয়ে যে মানুষটি হবিগঞ্জবাসীর হৃদয়ের মনিকোটায় স্থান করে নিয়েছেন তার নাম জি কে গউছ। যার প্রমাণ ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ পৌরবাসী দিয়েছেন।

    কুকুরের সন্ধান চেয়ে কাঁদতে কাঁদতে থানায় এসে জিডি

    কারাগারে থেকেও নিজের যোগ্যতা ও গ্রহণ যোগ্যতার জানান দিতে সক্ষম হয়েছেন জি কে গউছ। পৌরবাসীর ভোটে টানা ৩ বার হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাটিত হয়েছেন। সরকারী দল পরিচালনায় এবং বিরোধী দলে থেকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথ সরব রেখে দলীয় ফোরামেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

    দলের প্রতি আনুগত্য আর দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখাতে পৌর মেয়রের পদ ছাড়তেও তিনি দিধাবোধ করেননি। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই নির্বাচনে অংশ নিতে পদত্যাগ করেন টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার এই জনপ্রিয় মেয়রকে।

    এই নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কাছে তিনি পরাজিত হলেও হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জের মানুষের হৃদয়ে তিনি ঠাই করে নিয়েছেন। মানুষের ভালবাসায় তিনি সিক্ত হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে মানুষ জড়িয়ে ধরে চোখের পানি ফেলেন, আর দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে বুঝিয়ে দেন “তুমিই আমাদের প্রতিনিধি”।

    আজ পৌর মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন জি কে গউছ

    ১৯৮৪ সালে তিনি এসএসসি পাশ করে ভর্তি হন হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারী কলেজে। একই কলেজ থেকে তিনি বিএ পাশ করেন। কলেজে ভর্তি হওয়ার পরপরই তার উপর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখার সারারণ সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পিত হয়।

    পড়াশোনার পাশাপাশি তখন জি কে গউছের মধ্যে ফুটে উঠে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতিভা। ১৯৮৭ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। একটানা ৫ বছর তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে জি কে গউছ হবিগঞ্জ পৌর যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    ১৯৯৫ সালে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ৯৬ সালে যুবদলের কেন্দ্রীয় সদস্য নির্বাচিত হন। ভলিষ্ট নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি হবিগঞ্জ জেলায় যুবদলকে সু-সংগঠিত করেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি জেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৩ সালে যুবদলের কেন্ত্রীয় সহ-সমবায় সম্পাদক নির্বাচিত হন জি কে গউছ।

    কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জি কে গউছসহ বিএনপির ১৪ নেতাকর্মী

    ২০০৪ সালে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ঢাকাস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হবিগঞ্জ জেলার সকল থানা ও পৌর কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের গোপন ভোটে জি কে গউছ হবিগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে তিনি ২য় বারের মত হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন। পরে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হন মেয়র জি কে গউছ। এর পর থেকে তিনি বিভিন্ন ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সফলতার সাথে এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    বিএনপি’র বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ ৫ বারের অর্থমন্ত্রী মরহুম এম সাইফুর রহমানের সাথে ছিল জি কে গউছের অত্যান্ত ঘনিষ্ট সম্পর্ক। ফলে রাজনীতির পাশাপাশি হবিগঞ্জ জেলার উন্নয়নে আলহাজ্ব জি কে গউছ মনোনিবেশ করেন। তিনি হবিগঞ্জ পৌর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পূর্বেই হবিগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেন।

    ২০০৪ সালে জি কে গউছ হবিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জীবনের প্রথম এই নির্বাচনে অংশ নিয়েই তিনি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে হবিগঞ্জ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর মাত্র ২ বছর ক্ষমতায় ছিল তার রাজনৈতিক দল বিএনপি। দুই বছরে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছিল তা যে বিগত ২৫ বছরেও হয়নি সে কথা স্বীকার করেন তার শত্রুপক্ষের লোকেরাও।

    জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও হবিগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করে যাবো-মেয়র জি কে গউছ

    পৌরসভার প্রধান সড়কে রোড ডিভাইডার করা ছিল কঠিনতর একটি কাজ। বগলা বাজার ও চৌধুরী বাজার এলাকায় রাস্তা প্রশস্তকরণ ছিল আরও বেশি কঠিন। যে এলাকার প্রতি ইঞ্চি জায়গার মূল্য লাখ টাকারও বেশি, আলহাজ্ব জি কে গউছের অনুরোধে সেখানকার ব্যবসায়ীরা নিজেদের দোকান ভিটা ভেঙ্গে দিয়েছেন রাস্তা প্রশস্তকরনের জন্য। যারা আলহাজ্ব জি কে গউছকে নির্বাচিত করতে প্রকাশ্যে বলিষ্ট ভূমিকা রেখেছেন তাদের দোকান ভাঙ্গা হয়েছে সবার আগে। তাতে আলহাজ্ব জি কে গউছের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং ভালো কোনো কিছু করার জন্য সদিচ্ছাই যতেষ্ট, তারই প্রতিফলন ঘটে।

    চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর দলমত ও ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের উন্নয়ন ছিল তার চোখে পড়ার মতো। ৫ বছর পর আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে মেয়র নির্বাচনে ভোটাররাও এর প্রতিদান দিয়েছেন। যেখানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা কোনো ভোট আশাও করেন না, ঠিক সেখানে জি কে গউছ ভোট পেয়েছেন আওয়ামীলীগ প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুন।

    ২০১১ সালের ১৮ জানুয়ারী ২য় বারের মত মেয়র নির্বাচিত হন জি কে গউছ। শত প্রতিকুলতার মধ্যেও বিপুল ভোটে তিনি মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনগনের সেবায় নিজেকে উৎসর্গিত করেন। দীর্ঘ দিনের অবহেলিত এবং পায়জামা শহর হিসেবে খ্যাত হবিগঞ্জ পৌরসভাকে একটি মডেল পৌরসভায় রুপান্তর করতে তিনি দিন রাত কাজ করেছেন। ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি হবিগঞ্জ শহরের চেহারা পাল্টিয়ে দেন।

    মেয়র জি কে গউছের প্রচেষ্টায় শহরের রোড ডিভাইডার স্থাপন, খোয়াই নদীর মাছুলিয়ায় এম সাইফুর রহমান ব্রীজ, শহরের কামড়া পুর থেকে নছরতপুর পর্যন্ত বাইপাস সড়ক নির্মাণ, নতুন বাস টার্মিনাল নির্মাণ, খোয়াই নদীর উপর জেনারেল এম এ রব ব্রীজ, শাহ এএমএস কিবরিয়া ব্রীজ, শহরের প্রধান সড়কে রোড ডিভাইডার স্থাপন, এম সাইফুর রহমান টাইন হল, বেবীস্ট্যান্ড এলাকায় পানির ২য় ট্রিটম্যান্ট প্লান স্থাপন, শহরে অসংখ্য ড্রেইন ও রাস্তা নির্মাণ উল্লেখযোগ্য। ফলে হবিগঞ্জ পৌরবাসী এখন উন্নত নাগরিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। পৌরসভায় দায়িত্ব পালনে জি কে গউছ কোন ধর্মীয় গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি সকল ধর্মের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

    মুনা চৌধুরীকে এমপি হিসেবে দেখতে চান হবিগঞ্জবাসী

    মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারিভাবে ইতালী, ফ্রান্স, গ্রীষ, সুইজারল্যান্ড, পুর্তগাল, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, বাহরাইন, ওমান, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সফর করেন। এসব দেশ সফরকালে তিনি স্থানীয় সরকারের সাথে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্ক, তাদের উন্নয়মূলক কর্মকান্ড, শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতি, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, বাসস্থানসহ নানাবিদ বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এই অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবেই তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভায় নাগরিক সেবায় ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করেন।

    তিনি পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই নিজের সম্মানী ভাতার টাকা কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারের সাহায্যার্থে দান করছেন। এ পর্যন্ত তিনি পৌরসভার তহবিল থেকে ব্যক্তিগত খরচের জন্য কোন অর্থ নেননি। তিনিই একমাত্র পৌরসভার চেয়ারম্যান, দায়িত্ব নেয়ার পর প্রতি বছর পৌরসভার পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধণা প্রদান, পবিত্র হজ্ব ও ওমরা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃতি ছাত্র ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের সংবর্ধণা প্রদান, বৈশাখী মেলা, বই মেলা, কর মেলা, পিঠা উৎসব, সুন্নতে খৎনা ও গণবিয়ের অনুষ্ঠানের প্রবর্তন করেন।

    মেয়র জি কে গউছ অত্যান্ত সাহসিকতার সাথে প্রতি বছর সরাসরি প্রশ্নোত্তর বিষয়ক পৌরবাসীর মুখোমুখি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এসব ব্যতিক্রম ধর্মী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

    ফলশ্রুতিতে তিনি ২ বার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। তৎকালীন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আব্দুল মান্নান ভুইয়া, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও এডিবি’র সদর দপ্তর ফিলিপাইন থেকে জি কে গউছ এই গোল্ড মেডেল গ্রহন করেন।

    ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে কারাগার থেকে অংশ গ্রহন করেন বিএনপির এই সংগ্রামী নেতা। এই নির্বাচনে অনেকটা অভিভাবকহীন অবস্থায় প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন তিনি। কিন্তু জনগনের ভালবাসার কাছে সকল রক্তচক্ষু ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়। নির্বাচিত হন টানা ৩য় বারের মত মেয়র। মেয়র জি কে গউছ মিউনিসিপ্যাল এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ম্যাব এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এর দায়িত্বও পালন করছেন।

    ১/১১ এর সময় মেয়র জি কে গউছকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমুলকভাবে গ্রেফতার করা হয়। দেয়া হয় বিভিন্ন মিথ্যা মামলা। দীর্ঘ সাড়ে ১৯ মাস কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান। পরে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই ১/১১ এর সময় দায়ের করা সকল মামলা থেকে বেখসুর খালস পান জি কে গউছ।

    জি কে গউছের জন্ম বার্ষিকী বুধবার

    ২০১৪ সালে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার ৩য় সম্পূরক চার্জশীটে ষড়যন্ত্রমুলকভাবে জি কে গউছকে আসামী করা হয়। এ বছরই ২৮ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পন করে কারাগারে যান জি কে গউছ। কারাগারে যাওয়ার পর সুনামগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা মামলায় তাকে আসামী করে শোন এরেস্ট দেখানো হয়। হবিগঞ্জ কারাগারে থাকা অবস্থায় জি কে গউছ কারা অভ্যান্তরে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।

    ২০১৫ সালের ১৮ জুলাই কারাঅভ্যান্তরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে নিজ রুমে যাওয়ার সময় একাধিক হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ইলিয়াছ নামের এক কয়েদি জি কে গউছকে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে তার পিটে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। যার ক্ষত তিনি এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন। ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারী ৭শ ৩৯ দিন দেশের বিভিন্ন কারাগারে কারাভোগের পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তিলাভ করেন।

    ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আলহাজ্ব জি কে গউছ। এই নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে পদত্যাগ করেন টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়রের পদ থেকে। এই নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কাছে তিনি পরাজিত হলেও হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জের মানুষের হৃদয়ে তিনি ঠাই করে নিয়েছেন। মানুষের ভালবাসায় তিনি সিক্ত হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তবে এই নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীসহ তিনি অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    নির্বাচনী প্রচারণায় পুলিশী হামলা, গায়েবী মামলা, আওয়ামীলীগের লোকজনের হামলার শিকার হয়েছেন। প্রায় ১২শ দলীয় নেতাকর্মী পুলিশের গায়েবী ও মিথ্যা মামলায় আসামী হয়েছেন। নির্বাচন পরবর্তি আওয়ামীলীগের দায়েরকৃত ৪টি মামলায় জি কে গউছকে প্রধান আসামী করা হয়। এই মামলায় তিনি ১৪ দিন কারাভোট করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে আলহাজ্ব জি কে গউছ ১৯৯৩ সালে সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম এডভোকেট মোঃ আতিক উল্লাহর দ্বিতীয় কন্যা আলহাজ্ব ফারহানা হ্যাপীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি দুই পুত্র সন্তানের জনক। তার প্রথম পুত্র আলহাজ্ব মোঃ মঞ্জুরুল কিবরিয়া প্রিতম লন্ডনের একটি ইউনিভার্সিটির অধীনে বার এট-ল এবং ২য় পুত্র আলহাজ্ব মোঃ মাজাহারুল কিবরিয়া পুলক আমেরিকায় একটি ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সাইন্সে অধ্যায়ন করছেন। জি কে গউছ অসংখ্যবার পবিত্র হজ্ব ও ওমরা পালন করেছেন।

  • হবিগঞ্জ শহরে স্কুল ছাত্রীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও মারধরের ঘটনায় আটক এক যুবক

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরে স্কুল ছাত্রীকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও মারধরের ঘটনায় আটক এক যুবক । আটক ঐ যুবকের নাম মনির আহমেদ (২৫)।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) আব্দুর রহিম জানান, শহরের নাতিরাবাদ এলাকার মামুন চৌধুরীর কন্যা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী ফারহানা আক্তার চৌরুরী (১৮) কে শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় রাস্তায় উত্যক্ত করে সদর উপজেলার দক্ষিণ বামকান্দি গ্রামের আনফর উল্লার পুত্র ব্যবসায়ী মনির আহমেদ।

    শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় ধর্ষক আটক

    উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মনির ফারহানাকে প্রকাশ্যে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এ ঘটনা দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে মনিরকে আটক করে থানায় নেয়া হয়।

    রাতে স্কুল ছাত্রী ফারহানা চৌধুরী বাদী হয়ে মনিরকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

    এদিকে, আটক মনির সাংবাদিকদের জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারা দুজন ঘুরতে গেলে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

  • হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের সম্মুখস্থ সড়কের দুই পাশে আবর্জনার পাহাড়

    হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের সম্মুখস্থ সড়কের দুই পাশে আবর্জনার পাহাড় । পৌরসভার আবর্জনা ফেলায় ঐ এলাকায় পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা দেখা দিয়েছে।

    গত ২/৩ বছর যাবত পৌর সভার বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, হোটেল-রেস্তোরা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ক্লিনিকের বর্জ্য ফেলায় সড়কের পাশ্বস্থ খাল ভরাট হয়ে ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

    ফলে ঐ সড়ক দিয়ে পাশ্ববর্তী বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, দি রোজেস কেজি স্কুল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী ছাত্র-ছাত্রীসহ পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    প্রতিদিনই অব্যাহতভাবে ময়লা ফেলায় এখানে ময়লা-আবর্জনার পাহাড় জমেছে। ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে এলাকায় বসবাসকারী নাগরিকেরাও স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। একই কারণে আধুনিক স্টেডিয়ামের সম্মুখস্থ এলাকার সৌন্দর্য্যহানি ঘটেছে।

    সিয়াম সাধনায় আউলিয়া কেরাম

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র দিলীপ দাসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বানিয়াচং উপজেলার আতুকুড়া মৌজায় দুই একর বিশ শতক ভুমি পৌরসভার ময়লা ফেলার ডাম্পিং স্পট হিসেবে ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় জনসাধারণের আপত্তির কারণে উক্ত ভুমির দখল না পাওয়ায় আধুনিক স্টেডিয়ামের পাশে ময়লা ফেলতে হচ্ছে।

    তিনি জানান, প্রয়োজনীয় ভুমি পাওয়া গেলে ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থাপনার জন্য রি-সাইক্লিং প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি এ সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সহায়তা কামনা করেন।