Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের শোক সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের শোক সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

    হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ কর্তৃক আয়োজিত স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ ৩১ই আগষ্ট রোজ সোমবার সকাল থেকে হবিগঞ্জ সাইফুর রহমান টাউন হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন হবিগঞ্জ-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ আসনের বারবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন হবিগঞ্জ আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক  আলমগীর চৌধুরী, অনান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান এবং  আওয়ামিলীগের নেতা কর্মী  ও  হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগ ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সকল নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় প্রধান অতিথির ভাষণে এমপি আবু জাহির বলেন, “বাঙালি জাতির শোকের মাস আগস্ট। এ মাসেই নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয় ইতিহাসের মহানায়ককে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে”।

  • পবিত্র আশুরা আজ ; ঢাকায় হচ্ছে না কোন তাজিয়া মিছিল, হবিগঞ্জে সীমিত পরিসরে করা হবে তাজিয়া মিছিল

    পবিত্র আশুরা আজ ; ঢাকায় হচ্ছে না কোন তাজিয়া মিছিল, হবিগঞ্জে সীমিত পরিসরে করা হবে তাজিয়া মিছিল

    হবিগঞ্জে সীমিত পরিসরে করা হবে তাজিয়া মিছিল – পবিত্র আশুরা আজ । তবে রাজধানী ঢাকায় এবছর হচ্ছে না কোন তাজিয়া মিছিল।

    ৬১ হিজরি সালের এই দিনে মুসলমানদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্যরা ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে কারবালার ময়দানে শহীদ হন। পবিত্র আশুরার দিন মুসলিম জাহানের জন্য এ কারণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, হূদয়বিদারক ও স্মরণীয়। কারবালার মর্মন্তুদ সকরুণ শোকগাথা এই দিবসকে গভীর কালো রেখায় উৎকীর্ণ করে রেখেছে।

    ইমাম হোসাইন (রা.) ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছিলেন, সত্যের পতাকা সমুন্নত রাখার জন্য তিনি সপরিবারে জীবন দিয়ে শাহাদাত বরণ করে স্মরণীয় হয়ে আছেন। এই আশুরা ইসলামের ইতিহাসে বিশাল জায়গা দখল করে আছে। মহান আল্লাহ তায়ালা এ দিনেই আরশ, কুরসি, লওহ, কলম, আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন এবং এ দিনেই আদম (আ.)কে সৃষ্টি করে তাকে বেহেশতে স্থান দিয়েছেন।

    পরবর্তী সময়ে শয়তানের প্ররোচনায় ভুলের কারণে এ দিনেই তাকে দুনিয়ায় পাঠিয়ে আল্লাহ প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। হজরত নুহ (আ.) সাড়ে নয় শ বছর ধরে তাওহীদের বাণী প্রচারের পর যখন সেই যুগের মানুষ আল্লাহর বিধিনিষেধ পালনে অস্বীকৃতি জানায়, তখন নেমে আসে আল্লাহর গজব।

    ফলে হজরত নুহ (আ.)-এর সম্প্রদায় ধ্বংস হয়েছে। শুধু রক্ষা পেয়েছেন তাওহীদে বিশ্বাসী নুহ (আ.)-এর অনুসারীরা। পবিত্র আশুরার দিনে মহাপ্লাবনের সময় হজরত নুহ (আ.)-এর নৌকা তার অনুসারীদের নিয়ে জুদী পাহাড়ের পাদদেশে এসে থেমেছিল। আজও তার কিছু নিদর্শন সেখানে পাওয়া যায়। পবিত্র আশুরার দিনেই হজরত ইবরাহিম (আ.) শত বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে জন্মগ্রহণ করেছেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে উদ্ধার লাভ করেন এবং নিজের প্রাণাধিক প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)কে আল্লাহর নামে জবাই করতে উদ্যত হলে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছিলেন পবিত্র আশুরার দিনে।

    এই দিনেই হজরত আইয়্যুব (আ.) কঠিন রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন, হজরত ঈসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং কাফেরদের ষড়যন্ত্রের শিকার হলে আল্লাহ তাকে চতুর্থ আসমানে উঠিয়ে নেন। এই দিনেই হজরত দাউদ (আ.) আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা লাভ করেছিলেন, হজরত সোলেমান (আ.) তার হারানো রাজত্ব পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়েছিলেন, হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন, হজরত ইয়াকুব (আ.) তার হারানো পুত্র হজরত ইউসুফ (আঃ) কে ৪০ বছর পর ফিরে পেয়েছিলেন।

    পবিত্র আশুরার দিনে ফেরাউনের স্ত্রী বিবি আছিয়া শিশু মুসাকে গ্রহণ করেছিলেন। আবার স্বীয় কওমের লোকজনসহ হজরত মুসা (আ.) নীল নদ অতিক্রম করে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি লাভ করেছিলেন। পক্ষান্তরে ফেরাউন তার দলবল সিয়ে লোহিত সাগর সংলগ্ন লবণাক্ত নদে ডুবে মারা যায়। পবিত্র আশুরা সমগ্র জগত সৃষ্টির দিন হিসেবে যেমন স্বীকৃত, তেমনি এই দিনেই কেয়ামত অনুষ্ঠিত হয়ে জগত ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। এই দিনে এমনি আরো বহু ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং আরো হবে বলে বিভিন্ন কিতাবে বর্ণিত আছে।

    করোনা ভাইরাসের কারণে পবিত্র আশুরায় ঢাকায় কোন তাজিয়া মিছিল এ বছর হবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ঘোষণা করেছেন, পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সবাইকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা জোগায়। বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে এ উপলক্ষে হবিগঞ্জসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাসুক আলী জানান, করোনা পরিস্থিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সংক্ষিপ্ত পরিসরে হবিগঞ্জে আশুরা পালিত হবে। আশুরা পালনকে ঘীরে হবিগঞ্জ শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

    আশুরা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মনজু এমপি, সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম প্রমুখ বিবৃতি দিয়েছেন।

  • আল্লামা ফারুকী হত্যার বিচারের দাবিতে হবিগঞ্জে কর্মসূচি পালন

    আল্লামা ফারুকী হত্যার বিচারের দাবিতে হবিগঞ্জে কর্মসূচি পালন

    বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ আল্লামা শাইখ নূরুল ইসলাম ফারুকী রহ. এর ৬ষ্ঠ শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ৬০০০ হাজার সেকেন্ড অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
    কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হিসেবে দুপুর ২টা থেকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার আয়োজনে শহরের নিমতলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
    হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনীর সভাপতিত্বে এবং এম.এ. কাদিরের সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা কাজী সাইফুল মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাহের উদ্দিন সিদ্দিকী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ বাচ্চু, জেলা যুবসেনা সভাপতি হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ সভাপতি ডাঃ আব্দুল কাদের বিপ্লবী, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোশাহিদ, ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমেদ রুবেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল ইসলাম, ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় সদস্য উমর ফারুক এবং জেলা ছাত্রসেনার সদ্য বিদায়ী সভাপতি নুরুদ্দিন ইবনে মালেক।
    এসময় বক্তারা বলেন, শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী ইসলামের সঠিক আদর্শ সাধারণ মানুষের নিকট প্রকাশ করতেন। তার মনমুগ্ধকর আলোচনার কারনে তিনি অতি তাড়াতাড়িই মানুষের মনে নিজের জন্য জায়গা করে নিতে পারতেন। যারা ইসলামকে বিভ্রান্ত করে সাধারণ মানুষদের জঙ্গিবাদের নিকট নিয়ে যায়, শহীদ ফারুকী তাদের পথের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এজন্য তারা তাকে নৃশংস ভাবে গলা কেটে হত্যা করে শহীদ করেছে। বক্তারা অনতিবিলম্বে ফারুকী হত্যার বিচার চেয়েছেন এবং অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রসেনা সহ সভাপতি মোঃ ইদ্রিস আলী, সহ সাধারণ সম্পাদক আফসার আহমেদ, শাহীন আহমেদ, হাফেজ জোবায়ের, হাফেজ আবু তালিব বেলাল, সদর উপজেলা সভাপতি মুহিবুর রহমান রাজন, সহ সভাপতি হানিফ আহমেদ সজীব, সাধারণ সম্পাদক ফায়েজুর রহমান মাহিন, হবিগঞ্জ পৌর শাখার সভাপতি গোলাম শাফিউল আলম মাহিন, সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হামজা আল মামুন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর রাজারবাগ এলাকায় নিজ বাসায় জঙ্গিদের হাতে শহীদ হয়েছেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য শায়খ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী। সেই থেকে তার হত্যার বিচারের দাবিতে রাজথে আন্দোলন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা।

  • বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার হবিগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার হবিগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবে শহীদে মিল্লাত আল্লামা শায়খ নূরুল ইসলামী ফারুকী (রহ:) এর স্মরণ সভা এবং জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়।
    জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ নূরুদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইদ্রিস আলীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি জননেতা অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ারে আলম
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি জননেতা সাইফুল মস্তোফা, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাহির উদ্দীন সিদ্দিকী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা খাইরুদ্দীন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ বাচ্চু, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব,সিনিয়র সহ-সভাপতি যুবনেতা মাওলানা আব্দুল কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মোশাহিদ আলী।
    প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দীন আহমদ।
    বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন । বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ শাহ আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ মঈনুল ইসলাম সদস্য ছাত্রনেতা মুহাম্মদ উমর ফারুক।
    প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা কউসার আহমদ রুবেল। অনুগামী সম্মেলন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পাঁচ সদস্যে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে ডেলিগেটদের সম্মতিক্রমে সৈয়দ মুহাম্মদ আলী বশনীকে সভাপতি, মুহাম্মদ মামুনুর রশীদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মুহাম্মদ বিলাল মিয়া ইদ্রিস আলীকে সহ-সভাপতি, এমএ কাদিরকে সাধারণ সম্পাদক,মুহাম্মদ রহমত আলীকে সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন ও আফসার আহমদকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুল আওয়াল সুমনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, জুবায়ের আহমদ, নাহিদুল ইসলাম ও শাহিন আহমদকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুস সামাদকে অর্থ সম্পাদক, হাফেয আবিদুর রহমানকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, জুনায়েদকে দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আল আমিনকে সমাজসেবা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক, বোরহান উদ্দীনকে মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষনা সম্পাদক, আবু তাহেরকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মহিবুর রহমান রাজনকে ছাত্রকল্যাণ ও স্কুল বিষয়ক সম্পাদক এবং ফয়সল আহমদ, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, সামছুল ইসলাম জাকি, হাফেয আবুল কাশেম, উজ্জল আহমদ, গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, হানিফ আহমদ সজিব, সাফায়াত, মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, মুহাম্মদ মুশাহিদ মিয়া ও মুহাম্মদ আজমলকে সদস্য করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন।
    অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন; গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, মুহাম্মদ মহিবুর রহমান রাজন, ফাইজুর রহমান মাহিন, জুবায়ের আহমদ, আমজল আহমদ, সাজন আহমদ, আব্দুল আওয়াল সুমন, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, জাবেদ আহমদ, হাফেয আবুল কাশেম ও হাফেয আব্দুল আজিজ প্রমূখ।
  • ইয়াবাসহ হবিগঞ্জে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ইয়াবাসহ হবিগঞ্জে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

    ইয়াবাসহ হবিগঞ্জে এক মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছে পুলিশ। হবিগঞ্জ শহরের ২নং পুল এলাকা থেকে ২৮ পিস ইয়াবাসহ সেলিম মিয়া (৩৩) নামে ওই মাদক বিক্রেতা আটক করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

    শুক্রবার বিকেলে সদর থানার এসআই খুর্শেদ আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ২নং পুল থেকে তাকে আটক করে। সে বড় বহুলা গ্রামের মশ্বব আলীর ছেলে।

    পুলিশ জানায়- গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২য় নং পুল এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাকে আটক করে তল্লাশী করলে তার কাছে ২৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন থানায় ৭টি মামলা রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।

    আজ শনিবার সরকারি বন্ধ থাকায় তাকে কোর্টে হাজির করা সম্ভব হয়নি। আপাতত তাকে থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। পুলিশ তার অন্যান্য সঙ্গী-সাথীদের ব্যাপারে জানার চেষ্টা করছে বলে জানা গেছে।

  • হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

    হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমদাদুল হক ইমরানের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। টাকা ফিরত না পেয়ে অবশেষে নিরুপায় হয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ব্যবসায়ী মোস্তাক খান চৌধুরী রুমেল।

    নিরুপায় ব্যাবসায়ী বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। জেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ চার দিকে নানান আলোচনা ও সমালোচনার জন্মদিয়েছে। ব্যবসায়ী রুমেল হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল সংলগ্ন আল আমিন ফার্মেসীর সত্ত্বাধীকারী।

    লিখিত অভিযোগে ব্যবসায়ী রুমেল উল্লেখ করেন- হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমদাদুল হক ইমরান এক প্রতারক প্রকৃতির লোক। সে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে ভয়ভীতিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নিয়ে আত্মসাত করে আসছে।

    গত ১০ ফেব্রুয়ারী বিকেলে জেলা ছাত্রদল সভাপতি ইমদাদুল হক ইমরান পুর্ব পরিচয় থাকার সুবাধে তেতৈয়া এলাকায় একটি বালু মহালে ব্যবসার সাথে ব্যবসায়ী রুমেলকে সম্পৃক্ততা করার প্রলোভন দেয়। আর তার বিনিময়ে সে রুমেলের কাছে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দাবী করে। এতে রাজি হয়ে ওই দিনই ব্যবসায়ী রুমেল তাকে ৭৫ হাজার টাকা দেয়।

    পরবর্তীতে একই বছরের ২ মার্চ অবশিষ্ট ৫০ হাজার টাকা নেয় ইমরান। কিন্তু টাকা দেয়ার প্রায় মাসখানেক পেরিয়ে গেলেও ইমরান ওই ব্যবসায়ীকে তার বালু ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত করেনি।

    এসময় ওই ব্যবসায়ী তার টাকা ফেরত চাইলে সময় নিতে থাকে ইমরান। বার বার টাকা চাইলেও জেলা ছাত্রদল সভাপতি টাকা না দিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা ও ঐ ব্যবসায়ীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।

    এছাড়াও তাকে প্রাণে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়। এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করেন ওই ভোক্তভূগী ব্যবসায়ী।

    এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মোস্তাক খান চৌধুরী রুমেল বলেন, “জেলা ছাত্রদল সভাপতি ইমরান আমার দোকানে বসে ব্যবসায় শেয়ারের কথা বলে। তার কথায় রাজি হয়ে দুবারে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। আমার প্রয়োজনে তার কাছে টাকা চাইলে দেই দিচ্ছি করতে থাকে। দীর্ঘ দিন ধরে টাকা ফেরত দিচ্ছেনা। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আমি সুষ্ঠ বিচার চাই।”

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোঃ মাসুক আলী বলেন- “টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জেলা ছাত্রদল সভাপতির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    বিষয়ে জেলা ছাত্রদল সভাপতি ইমদাদুল হক ইমরানের ব্যক্তিগত মুটোফোনে বার বার চেষ্টা করেও বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি।

  • বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন।
    সভাপতি-মাহিন, সাধারণ সম্পাদক-ইমন, সাংগঠনিক সম্পাদক-মামুন
    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, হবিগঞ্জ পৌর শাখা’র কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে। ২৭ আগস্ট বিকেল ৪ ঘটিকায় শায়েস্তানগরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে পৌর ছাত্রসেনার আহবায়ক গোলাম শাফিউল আলম মাহিনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ আল্লামা নূরুল ইসলাম ফারুকী রহ. শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হাসান ইমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা, হবিগঞ্জ জেলার দপ্তর সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দিন আশরাফী।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার সি. সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী, প্রধান নির্বাচন কমিশন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার সহ-সভাপতি ছাত্রনেতা এম.এ. কাদির।
    কাউন্সিলে গোলাম শাফিউল আলম মাহিনকে সভাপতি, আলী হাসান ইমনকে সাধারণ সম্পাদক এবং আমির হামজা আল-মামুনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
    কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও আশরাফুল হক রেজভী, সহ সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ইমরান হোসাইন, কাউসার আহমেদ সাব্বির অর্থ সম্পাদক, হৃদয় আহমেদ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক, হাফেজ মুহাম্মদ দাওয়া বিষয়ক সম্পাদক, হাফেজ আহাম্মদ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, রিদওয়ান আহমেদ খাঁন প্রচার সম্পাদক, সাজিদুর রহমান উনাইছ তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আবুল কাশেম দপ্তর সম্পাদক, রাসেল চৌধুরী ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক, মোঃ রিয়াদ সদস্য প্রমুখ। পরিশেষে দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর মঙ্গল কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।