Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা

    হবিগঞ্জে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে জরিমানা

    মীর দুলালঃ অদ্য ১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সার্বিক নির্দেশনায় হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব দেবানন্দ সিনহার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।

    কোর্ট স্টেশন রোডের মধু কানন মিষ্টি ঘরকে মিষ্টিতে হাইড্রোজ ব্যবহার এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে ১০,০০০ টাকা , খাবারে টেস্টিং সল্ট ব্যবহার এবং রান্নাঘরে অপরিচ্ছন্নতার কারণে পোস্ট অফিস রোডের আল নোহা হোটেলকে ২,০০০/- টাকা সহ মোট ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয় ।

    এসময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা জনাব দেবানন্দ সিনহা পেঁয়াজের বাজার ও চালের বাজার বাজার মূল্য যাচাই করেন এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন!

    অভিযানে সহযোগিতা করেন হবিগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি হবিগঞ্জ এর ডিরেক্টর এবং হবিগঞ্জ জেলা পুলিশের একটি টিম ।

    জনস্বার্থে এই অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানান।

  • হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজার ও খাজা গার্ডেন সিটিতে জরিমানা

    হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজার ও খাজা গার্ডেন সিটিতে জরিমানা

    মীর দুলালঃ

    অদ্য ১৬ ই সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার ২ টায় হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক(অতিরিক্ত সচিব) মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব দেবানন্দ সিনহার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    বেশি দামে পেয়াজ বিক্রির দায়ে মেসার্স শামীম স্টোর কে ২ হাজার টাকা ও শেখ জুলি স্টোর কে ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন!

    ও খাজা গার্ডেন সিটির এম এম টেলিকম কে আন অফিসিয়াল মোবাইল ফোন বিক্রির অপরাধে ৩৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

    মোট ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর হবিগঞ্জ।

    হবিগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা জনাব দেবানন্দ সিনহা, চৌধুরী বাজার এলাকার নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার মূল্য যাচাই করেন এবং দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা টাঙিয়ে রাখা বাজার ও বাজারের ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পাল্লা ব্যবহার করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন ।

    অভিযানে সহযোগিতা করেন হবিগঞ্জ চৌধুরীবাজার পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই আবুল কালাম সহ এক দল পুলিশ ।

    জনস্বার্থে এই অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানান ।

  • পেঁয়াজের বাজার সেঞ্চুরি করছে

    পেঁয়াজের বাজার সেঞ্চুরি করছে

    মীর দুলালঃ

    ভারতে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার সংবাদে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার।

    একদিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হয়ে গেছে।

    কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত হুট করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়।

    এরপর ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের এমন দাম বাড়ল।

    গত বছরও সেপ্টেম্বর মাসে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে হু হু করে দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে।

    এবারও সেই সেপ্টেম্বরেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিল।

    এতে পেঁয়াজের দাম আবারও অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে- এমন আশঙ্কায় কেউ কেউ বাড়তি পেঁয়াজ কেনা শুরু করে দিয়েছেন।

    হবিগঞ্জ চৌধুরী বাজারে ও বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

    আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা।

    অথচ গতকাল দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

    খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, হঠাৎ করেই পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।গতকাল পাইকারিতে যে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা ছিল তা আজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা হয়ে গেছে।

  • ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ৭ দফা দাবিতে গণসংযোগ

    ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ৭ দফা দাবিতে গণসংযোগ

    ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার নাম্বার প্লেইট প্রদান, প্লেইট প্রদানের পূর্বে রিক্সা আটকানো বন্ধ রাখা, আটককৃত রিক্সা বা ব্যাটারি শ্রমিকদেরকে ফেরত প্রদান, শ্রমিকদের উপর নির্যাতন বন্ধসহ ৭ দফা দাবিতে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক ও বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন হবিগঞ্জ জেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গণসংযোগ।

    জানা যায়, ১৪ই সেপ্টেম্বর, রোজ সোমবার বিকালে  ঝড়-বৃষ্টির উপেক্ষা করে ও  কোর্টষ্টেশন মোতালিব চত্বরে প্রথম গণসংযোগ ও পথসভার আয়োজন করে তারা। পরবর্তীতে বেবিস্ট্যান্ড পয়েন্ট ও শায়েস্তানগর পয়েন্টে গণসংযোগ ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন হবিগঞ্জ জেলার আহবায়ক ও অটোরিক্সা আন্দোলনের নেতা শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন- ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা শ্রমিক আন্দোলনের নেতা আব্দুল কাইয়ুম, আঃ রহমান, মস্তো মিয়া, ছালেক মিয়া, আব্দুল বারেক, সামছুর রহমান, আব্দুল গণি, সাবুদ আলী, জলফু মিয়া, আনোয়ার আলী, নুরুজ্জামান, ভিংরাজ মিয়া, আলাউদ্দিন, মান্নান মিয়া, কামাল, স্বপন প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, আমরা ব্যাংক থেকে ঋণ তুলে এবং সুদে টাকা ধার নিয়ে রিক্সা ক্রয় করেছি। এখন যদি রিক্সা চালাতে না পারি তাহলে আমাদের সন্তানরা না খেয়ে মারা যাবে। তাই আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরে ৭ দফা দাবিতে শহর ব্যাপী মিছিল সমাবেশ সফল করার জন্য শ্রেণী পেশার মানুষ ও রিক্সা শ্রমিকদের প্রতি আহবান জানান।

  • হবিগঞ্জে একদিনে করোনা ভাইরাস মুক্ত ১২ জন

    হবিগঞ্জে একদিনে করোনা ভাইরাস মুক্ত ১২ জন

    করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে থেকে সিলেট বিভাগের চার জেলায় ১০৭ জন সুস্থ হয়েছে। নতুন সুস্থদের মধ্যে সিলেট জেলার ৮১ জন, সুনামগঞ্জে ৮ জন, হবিগঞ্জে ১২ জন এবং মৌলভীবাজারের ৬ জন রয়েছেন।

    গত ২৭ এপ্রিল প্রথম রোগী সুস্থ হওয়ার পর রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সিলেট বিভাগে সুস্থ রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯৮৩ জন। এরমধ্যে সিলেট জেলার ৪৬৭৫ হাজার জন, সুনামগঞ্জে ১ হাজার ৮৯৯ জন, হবিগঞ্জে ১১১৮ জন এবং মৌলভীবাজারের ১২৯১ জন সুস্থ হয়েছেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। তবে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০৩ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলার ১৪৭ জন, সুনামগঞ্জে ২২ জন, হবিগঞ্জে ১৪ জন এবং মৌলভীবাজারের ২০ জন।

    রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের কোভিড-১৯ কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশনের দৈনিক প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সিলেট জেলার ৩২ জন এবং সুনামগঞ্জে ৮ জন।

    এ নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮৮৯ জন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৬ হাজার ৩৮৫ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ২২২, হবিগঞ্জে ১ হাজার ৬৫৮ এবং মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৬২৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

    আর করোনাভাইরাসের উপসর্গ ও করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ৫১৫ জন। এরমধ্যে ১৩৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আর বাকিরা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    অন্যদিকে গত ১০ মার্চ থেকে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে ১৮ হাজার ৪৯২ জনকে। এর মধ্যে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৭ হাজার ৬০৬ জনকে। বর্তমানে সিলেট বিভাগে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৮৮৬ জন।

  • লস্করপুর ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    লস্করপুর ইউনিয়নে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    মীর দুলাল : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের নোয়াবাদ গ্ৰামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যাক্তির মৃত্যু হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ১০নং লস্করপুর ইউনিয়নের নোয়াবাদ গ্রামের মোঃ আঃ মতলিব মিয়ার পুত্র মোঃ টেনু মিয়া রবিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) ২ টায় নিজের ঘর হইতে অন্য ঘরে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।

    স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে দিশেহারা হয়ে বাকরুদ্ধ পরিবারের স্বজনেরা।

  • জেলা ছাত্রসেনার সাবেক সভাপতি কে বিদায়ী সংবর্ধনা

    জেলা ছাত্রসেনার সাবেক সভাপতি কে বিদায়ী সংবর্ধনা

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, হবিগঞ্জ জেলা শাখা’র সদ্য বিদায়ী সাবেক সভাপতি ছাত্রনেতা নুরুদ্দিন ইবনে মালেককে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার ২০২০-২১ সেশনের নবনির্বাচিত পরিষদ।
    গতকাল শনিবার সংগঠনের শায়েস্তানগরস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে নবনির্বাচিত পরিষদের সাধারণ সভা শেষে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনার বর্তমান সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী, সহ সভাপতি মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ, মুহাম্মদ বিলাল মিয়া, মোঃ ইদ্রিস আলী, সাধারণ সম্পাদক এম.এ কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল আউয়াল সুমন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আহমদ, অর্থ সম্পাদক আবুস সামাদ আজাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ এবি এম আবিদুর রহমান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রকল্যাণ সমাদক মুহিবুর রহমান রাজন, হেলাল উদ্দিন জাবেদ, হাফেজ আবুল কাশেম, গোলাম শাফিউল আলম মাহিন, হানিফ আহমেদ সজীবসহ প্রমুখ।
    এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন সাবেক ছাত্রনেতা নুরুদ্দিন ইবনে মালেক দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ ছাত্রসেনার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছিলেন। তিনি তৃণমূল থেকে উঠে আসা ত্যাগী একজন ছাত্রনেতা। তার নেতৃত্বে জেলা ছাত্রসেনা অনেক দূর এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। পরিশেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে মুনাজাত করা হয়।