Category: হবিগঞ্জ সদর

  • অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে এম. পি. আবু জাহিরের সরকারি সাধারণ সহায়তার চাল বিতরণ

    দেশে চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে অসহায় মানুষদের কথা বিবেচনায় এনে হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ( ০১ নং লোকড়া ও ০২ নং রিচি ইউনিয়নে) প্রায় ১২০০ অস্বচ্ছল দরিদ্রে মানুষের মাঝে সরকারি সাধারণ সহায়তার (জি আর) চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে হবিগঞ্জ – ৩ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ করেন।

    এ সময় হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, লোকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, রিচি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়া মোঃ ইলিয়াছ, রিচি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, লোকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিক আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলীসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উক্ত চাল বিতরণ অনুষ্ঠানের বক্তব্যের পর্যায়ে এম. পি. আবু জাহির বলেন, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার মানুষের পাশে থেকেছে। আমরা বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিয়েছি। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

  • আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে সুজনের মানববন্ধন

    আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে সুজনের মানববন্ধন

     

    মীর দুলালঃ আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখা উদ্যোগে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সামনে অদ্য ২ই অক্টোবর শুক্রবার, সকাল ১১ঘটিকায় এক মানববন্ধন ও শান্তি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

    সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক হবিগঞ্জ জেলা শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এস এম মহসিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মিজবাহ উল বারী লিটন এর পরিচালনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, সুজন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন রুমি, সহ-সভাপতি মীর গোলাম রব্বানী, সিনিয়র শিক্ষক কামরুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর দুলাল, সহ-সম্পাদক আবদুল জলিল ফয়সল আহমদ তুষার, এডভোকেট বিজন বিহারী, সহ-সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আসমা বেগম, কোষাধ্যক্ষ নোমান মিয়া, সোহেল আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য শিরীন আক্তার সনিয়া, জ্যুতি আক্তার, শামিম আহমেদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক হবিগঞ্জ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ মইনুল হক আরিফ চেয়ারম্যান। সহ-সভাপতি শেখ আব্দুল কাদির কাজল, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার সুজন সভাপতি আব্দুর রকিব, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম চৌধুরী তুহিন, মোঃ নায়েব হোসাইন, সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন, হবিগঞ্জ পৌর শাখার সুজন সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রহিম রূপজ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন আহমেদ,আজিজুল ইসলাম, লাখাই উপজেলা শাখা সভাপতি বাহার উদ্দিন, মোঃ ফজলু মিয়া, নির্বাহী সদস্য পিন্টু রায়, মহিবুর রহমান,মুখলিছুর রহমান ইশান, আবু নাছের শিপন কুরি, সাইফুল ইসলাম জসিম, আবদুল বারিক সুজন, জসিম উদ্দিন।

    প্রমূখ বক্তারা বিশ্ব অহিংস দিবসের গুরুত্ব বিবেচনায় সংঘাত নয় সম্প্রীতির এই প্রতিপাদ্যকে সমাজে সমান ভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠন সহজ ও সুন্দর হবে।

  • হবিগঞ্জে চোরাকারবারি আটক

    হবিগঞ্জে চোরাকারবারি আটক

    হবিগঞ্জ শহরে পিকআপ ভর্তি বিভিন্ন ব্যান্ডের ভারতীয় তেল, আতশবাজি ও ওষুধসহ নজরুল ইসলাম (২৬) নামে এক চোরাকারবারিকে আটক করেছে হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডিবির এসআই মোজাম্মেল মিয়া ও দেবাশীষ তালুকদারের নেতৃত্বে একদল ডিবি পুলিশ শহরের ২নং পুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করেন।

    পুলিশ জানায়- একটি পিকআপ (ঢাকা মেট্টো-ন-১৫-৪৪৯৭) করে ভারতীয় চোরাই মালামাল নিয়ে শহরে প্রবেশ করছে, গোপন সূত্রে এমন খবর পেয়ে শহরের ২নং পুল এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি। এ সময় একটি পিকআপ ভর্তি বিভিন্ন চোরাই মালামাল জব্দ করা হয়। একই সাথে নজরুল ইসলাম নামে এক চোরাকারবারীকে আটক করা হয়। তবে সাথে থাকা অন্যরা পালিয়ে যায়।

    আটককৃত নজরুল ইসলাম চুনারুঘাট উপজেলার উত্তর কাচুয়া গ্রামের আব্দুল বাসিরের ছেলে।

    জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে- ওলিব ওয়েল ১৯০ বোতল, নবরত্ন ১ হাজার ৫০ বোতল, হেয়ার ওয়েল কেওকারপিন ২৬৫ বোতল, সেরিডন ট্যাবলেট ২০ হাজার ২২০ পিস, আতশবাশি ৩ হাজার পিস। জব্দকৃত পণ্যগুলোর বাজার মূল্য ৪ লাখ ৪৬ হাজার ২৯০ টাকা বলে জানা গেছে।

    পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত নজরুল জানায়- দীর্ঘদিন ধরে একটি চোরাকারবারী চক্র চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে আনছে। পরে সেগুলো তারা হবিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে। গতকাল বুধবার বিকেলে জব্দকৃত পণ্যগুলো বাল্লা সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসেন কয়েকজন। এরপর সেগুলো জেলা শহরে নিয়ে আসার সময় ডিবি আটক করে।

  • হবিগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন এপ্লাস ক্যাম্পেইনের প্রেস ব্রিফিং

    হবিগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন এপ্লাস ক্যাম্পেইনের প্রেস ব্রিফিং

    হবিগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন এপ্লাস ক্যাম্পেইন ৪-১৭ অক্টোবর সফল করতে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভা কক্ষে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

    ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুখলিছুর রহমানের সভাপতি প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, শোয়েব চৌধুরী প্রমুখ।

  • এমসি কলেজে ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জে ছাত্রসেনার মানববন্ধন

    এমসি কলেজে ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জে ছাত্রসেনার মানববন্ধন

    সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ এবং খাগড়াছড়িতে আদিবাসী মানসিক প্রতিবন্ধী নারীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীদের ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, হবিগঞ্জ পৌর ও সদর উপজেলা শাখা।

    আজ বুধবার বিকালে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পৌর ছাত্রসেনা সভাপতি গোলাম শাফিউল আলম মাহিনের সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা ছাত্রসেনা সভাপতি মুহিবুর রহমান রাজনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা কাউসার আহমেদ রুবেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রসেনা সভাপতি ছাত্রনেতা শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আলী বশনী।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা ছাত্রসেনা সহ সভাপতি হানিফ আহমেদ সজীব, সাধারণ সম্পাদক মাহিন চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম হামজা, আবু তাহের মিসবাহ, নুরুল ইসলাম রাকিব, হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রসেনা সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান ইমন, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হামজা আল-মামুন, সৈয়দ রিদওয়ান আহমেদ, ইমন আব্বাস, নাজমুল হাসান শান্ত, শাহ আলম, কাউসার আহমেদ সাব্বির, হাফেজ জালাল আহমেদসহ প্রমুখ।

    এসময় বক্তারা বলেন, দেশে ধর্ষণ এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্ষিত হচ্ছে নারীরা। এমতাবস্থায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

    পবিত্র কুরআনে সূরা মায়েদার ৩৩নং আয়াতে আল্লাহ বলেন ধর্ষণ যখন মহামারী আকার ধারন করে তখন ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড দিয়ে সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। যতদিন পর্যন্ত দেশে এই আইন বাস্তবায়ন না করা হবে ততদিন পর্যন্ত দেশে ধর্ষণের মাত্রা কমবে না। এসময় বক্তারা ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।

  • আজ বিশ্ব নদী দিবস; সুস্থ জীবনের জন্য চাই দূষণ মুক্ত নদী

    আজ বিশ্ব নদী দিবস; সুস্থ জীবনের জন্য চাই দূষণ মুক্ত নদী

    এম সিজিলঃ আজ ২৭ই সেপ্টেম্বর, রোজ রবিবার; বিশ্ব নদী দিবস। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালিত হয় এই দিবসটি। নদী সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই এ দিবসটি পালন করা লক্ষ্য উদ্দেশ্য। সুস্থ জীবনের জন্য দূষণ মুক্ত নদী ব্যতীত বিকল্প নেই।

    ১৯৮০ সাল থেকে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার বিশ্ব নদী দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে ব্রিটিশ কলম্বিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। এরপর ২০০৫ সাল থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশে ২০১০ সাল থেকে থেকে রিভারাইন পিপল নামের একটি সংস্থা এ দিবস পালন করে আসছে। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ দিবসটি অনুসমর্থন করে।

    বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এই দেশে ছড়িয়ে আছে কত শত শত নদী৷ শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ৮০০ নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

    নদীমাতৃক বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদীর মধ্যে অনেকগুলো আকার এবং গুরুত্বে বিশাল। এসব নদীকে বড় নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।বৃহৎ নদী হিসেবে কয়েকটিকে উল্লেখ করা যায় এমন নদীসমূহ হচ্ছে: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলি, শীতলক্ষ্যা, গোমতী ইত্যাদি।

    নদীমাতৃক বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলায় ও রয়েছে বেশ কয়েকটি নদী। এই সব নদীগুলো প্রাচীন।

    হবিগঞ্জে উল্লেখযোগ্য নদীসমূহ হলো;-  কুশিয়ারা, খোয়াই, সুতাং, রত্না, শুটকী, সোনাই, করাঙ্গী, ঝিংড়ী, ভেড়ামোহনা, বরাক, বিজনা প্রভৃতি।

    হবিগঞ্জের প্রধান নদী হলো খোয়াই। আর হবিগঞ্জ খোয়াই নদীর তীরেই অবস্থিত।

    খোয়াই একটি সীমান্ত নদী। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আঠারোমুড়া পাহাড়িয়া অঞ্চলে উৎপত্তি লাভ করে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা নামক সীমান্ত পয়েন্টের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর চুনারুঘাট হতে উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। হবিগঞ্জ সদর হতে বানিয়াচং ও লাখাই উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে লাখাই উপজেলার কালনী নদীতে পতিত হয়েছে। হবিগঞ্জ সদর হতে পশ্চিমদিকে কিছুটা এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়ে কালনীতে পড়েছে। বাংলাদেশের মধ্যে নদীটির দৈর্ঘ্য ৯৪ কি:মি। নদীটি শায়েস্তাগঞ্জের কাছে ৭০ মিটার প্রশস্ত। পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ৬ মিটার। আর অববাহিকার আয়তন ৪৩৫ বর্গ কি:মি।

    লেখকঃ বার্তা সম্পাদক, হবিগঞ্জ নিউজ।

  • শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়

    শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়

    শ্রেষ্ঠ বিপণন বিক্রেতা – স্যালুট প্রতিবন্ধী তবুও ভিক্ষাবৃত্তি নয়- ( কর্মই শ্রেষ্ঠ ) আমি একজন শারিরীক প্রতীবন্ধী । ১৫ বছর ধরে আমি শারিরীক প্ৰতীবন্ধী । আমি ভিক্ষা না করে কাজ করে জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি ।

    আমার বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৯ নং নিজামপুর ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড বাতাসার গ্রামে । আমি নুর ইসলাম , বয়স -২৮ পিতা- মােঃ সদর আলী , আমার বাবা একজন গ্রাম পুলিশ অতি দরিদ্র , আমার পরিবার আমি সহ ৩ ভাই ও ৪ বােন ।

    আমার বয়স যখন ১২ তখন আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশােনা করতাম । অভাবের কারনে আমার বাবা আমাকে একটি দোকানে চাকরিতে দিয়ে দেন । কিন্তু দুঃখের বিষয় ২০০৭ সালে কাজ করার সময় একদিন রাতে রাস্তা পারাপার হওয়ার সময় দ্রুত গতিতে আসা একটি মটর বাইক আমাকে আঘাত করে চলে যায় ।

    তাৎক্ষণিক ভাবে এলাকার মানুষ আমাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায় পরবর্তীতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডাক্তার আমাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে ।

    ঢাকার ডাক্তার বলেছেন আমার মাথার অপারেশন লাগবে । আমার পরিবারের গরু , ছাগল সবকিছু বিক্রি করে এবং এলাকার মানুষের সহযােগিতা নিয়ে আমার অপারেশন করানাে হয় । সেখানে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলাম এবং আমার পরিবারের কাছে টাকা পয়সা ছিল না ।

    আমার পরিবার আমাকে বাড়িতে আনার সিন্ধান্ত নেয় । ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি বাড়িতে ফিরে আসি । বাড়িতে ফেরার দীর্ঘদিন পর আমার বাম হাত বাম পা ( damage ) হয়ে যায় । তখন আমাকে চিকিৎসা করানাের মত টাকা আমার পরিবারের কাছে ছিল না ।

    এই ভাবেই দীর্ঘদিন ধরে চলতেছি এবং এক পর্যায় আমি সহযােগিতার জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চাই । এই ভাবেই মানুষের কাছে দীর্ঘদিন সাহযােগিতা নিয়ে জীবন – জিবীকা চালিয়ে যাচ্ছি । এমন সময় এক মহান মানুষের সাথে দেখা হয় ওনার কাছে সহযােগিতা চাওয়ার পর ওনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন আমার সমস্যা কিভাবে হয়েছে ।

    আমি সবকিছু খুলে বলি ওনাকে এবং আমি ওনার কাছে দাবি করি আমার উন্নত চিকিত্সার জন্য। তখন তিনি আমাকে বললেন আমার পরিবারের কারাে কি মােবাইল নাম্বার আছে । আমি আমার পরিবারের মােবাইল নাম্বার ওনাকে দেই । ওনার নাম ANS Habibur Rahman ( Education & Develoment Consultant ) ওনার ফোন দিয়ে একটি ফটো তুলেন এবং আমার নাম্বার সহ আমার ফটো দিয়ে ওনার ফেসবুক একাউন্টে পােষ্ট করেন ।

    এই পােষ্টটি দেখে একজন মহান মানুষ কুড়ি হাজার টাকা দেন আমার উন্নত চিকিৎসার জন্য । ওনি আমাকে ঢাকা থেকে ফোন দেন আমি ঢাকা আসার জন্য এবং ওনার কাছে যাওয়ার পর ওনি আমাকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যােগাযােগ করেন ।

    কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল বলে দিয়েছে এখানে আমার চিকিৎসা নেই এবং ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল বলে দিয়েছে হিন্ডিয়াতে উন্নত চিকিৎসা আছে যা অনেক টাকার প্রয়ােজন আমার পরিবারের পক্ষে এত টাকা দিয়ে আমার চিকিৎসা করানাে সম্ভব নয় ।

    তাই আমি বাড়িতে ফিরে আসি । যিনি আমাকে কুড়ি হাজার টাকা দিয়েছিলেন এই টাকা দিয়ে আমি একটি ফ্লেক্সিলােডের ব্যবসা দেই । আমি মানুষের কাছ থেকে সহযােগিতা না নিয়ে এই কুড়ি হাজার টাকা দিয়ে আমি মােবাইল ফোনের কার্ড হেঁটে হেঁটে বিক্রি করি ।

    এই ভাবে আমি আমার জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি । এখন বর্তমানে আমি হবিগঞ্জের সব ধরনের পত্রিকা এবং মােবাইল ফোনের কার্ড বিক্রি করে জীবন – জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছি । আমি আপনাদের সকলের কাছে দোয়া সহযােগীতা প্রার্থী । মােবাইল নং : ০১৭৭৭-২৬৬৯০০ ।