Category: হবিগঞ্জ সদর

  • পৌরসভার বদিউজ্জামান খান সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকায় আতাউর রহমান সেলিমকে সমর্থন

    পৌরসভার বদিউজ্জামান খান সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকায় আতাউর রহমান সেলিমকে সমর্থন

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে বদিউজ্জামান খান সড়ক ও বাণিজ্যিক এলাকার মুরুব্বীয়ান ও যুব সমাজ নির্বাচনী সভার আয়োজন করেছে।

    সোমবার সন্ধ্যায় সভায় সভাপতিত্ব করেন রোটারিয়ান এমএ রাজ্জাক ও পরিচালনায় ছিলেন এমরান আহমেদ।

    এছাড়া বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারমান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ উল্লাহ, মোঃ সজিব আলী, ডাঃ অসিত রঞ্জন দাস, ডাঃ অসীম কুমার দাস অনু, মোজাহিদ হোসেন চৌধুরী, পিন্টু মোদক, ফজলুর রহমান, অ্যাডভোকেট প্রবাল মোদক, মর্তুজ আলী, শংকর দাশ গুপ্ত, জাবেদ আলী, স্বদীপ কুমার বণিক, জাহির উদ্দিন, এনামুল হক, শিশির বনিক, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদ ও স্বপন লাল বনিক দুই এলাকার মুরুব্বীয়ান এবং যুব সমাজ।

    সভায় উপস্থিত হয়ে মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম সকলের ভোট দেয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত এলাকাবাসী দুই হাত তুলে সমর্থন জানান এবং তাকে নির্বাচিত করার জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

  • হবিগঞ্জে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ১ দিনের বেতন প্রদান

    হবিগঞ্জে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ১ দিনের বেতন প্রদান

    হবিগঞ্জে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য জেলা প্রশাসনের কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে একদিনের বেতনের চেক প্রদান করা হয়েছে৷

    আজ ১৫ই ফেব্রুয়ারি দুপুরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান তার কার্যালয়ে হবিগঞ্জ জেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণ সংক্রান্ত কমিটির আহবায়ক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়ার কাছে জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার ১ দিনের বেতনের চেক প্রদান করেন।

    এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মর্জিনা আক্তারসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্হিত ছিলেন৷

    উল্লেখ্য হবিগঞ্জ জেলায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণ এর জন্য জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাগণ ১ দিনের বেতন দেওয়ার জন্য ইতঃপূর্বে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিলেন৷

  • আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে অনন্তপুর ও দক্ষিণ অনন্তপুরে উঠান বৈঠক এবং শ্যামলী এলাকায় নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়াও দিনভর পৌরসভার প্রতিটি এলাকায় গণসংযোগ ও নির্বাচনী সভা করেন মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম এবং আওয়ামী লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকবৃন্দ।

    গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নয় নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তপুর এলাকায় উঠান বৈঠক হয়েছে। উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট মুরুব্বী সিরাজ মিয়া ও পরিচালনায় ছিলেন জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নেতা মাহফুজুর রহমান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোঃ হেলাল মিয়া, মোঃ সালাম মিয়া, আরিফ, জামাল, রাজু, আলমগীর, মাসুক মিয়া, শাহেব আলী, ফিরোজা আক্তার, সাংবাদিক আজিজ, মধু মিয়া, ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, টেনু মিয়া প্রমুখ।

    উঠান বৈঠকে এলাকার চার শতাধিক মুরুব্বীয়ান ও যুব সমাজসহ আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আগামী নির্বাচনে তারা মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন।

    উঠান বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার স্বার্থে একটিবারের জন্য সকলের ভোট, দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন হাত তুলে তাকে ভোট দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    আতাউর রহমান সেলিমকে অনন্তপুরের সমর্থন

    অপরদিকে গতকাল সকালে দক্ষিণ অনন্তপুর সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে আতাউর রহমান সেলিমের নৌকার সমর্থনে এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাজী মোঃ টেনু মিয়ার সভাপতিত্বে ও মিজানুর রহমান আরিফের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আজমল খান, মাওলানা বিলাল উদ্দিন, মোঃ নূর উদ্দিন, শওকত আলী খান, ব্যাংকার মোতাহার হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মাসুকুর রহমান, পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দা শরিফা আক্তার কুমকুম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী, শেখ তাজ উদ্দিন দুলাল, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট ফারুক হোসেন, আলমগীর দেওয়ান, মাহফুজুর রহমান, শেখ উম্মেদ আলী শামীম, শফিকুল ইসলাম, আব্দুস শহিদ প্রমুখ।

    একইদিন রাতে শ্যামলী এলাকায় আতাউর রহমান সেলিমের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আতাউর রহমান সেলিমসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

    অ্যাডভোকেট আবুল মনসুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর সৈকতের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান চৌধুরী, আওয়ামী লীগ নেতা আবিদুর রহমান, ব্যাংক কর্মকর্তা ফারুক আনসারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন, মকসুদুল হাসান ফয়সল, সারোয়ার আলম, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, এনাম, ইকবাল, হাফেজ, আব্দুস সাবুর, শাকীল খান, রাজু প্রমুখ।

  • মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি

    মায়ের চিকিৎসার খরচের জন্য লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল এলাকায় আল আমিন নামের এক যুবক লেখাপড়া ছেড়ে ভ্রাম্যমান কফি বিক্রি করে। তার আয় দিয়ে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার খরচসহ সংসারের ভরণ পোষণ করে।

    বাড়িঘর, জমিজমা না থাকলেও রয়েছে তার প্রতিভা। তার গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জ উপজেলার পুরানগাঁও। সে ওই গ্রামের মৃত আসলাম উল্লার পুত্র।

    শনিবার রাতে সদর হাসপাতালের সামনে কফি বিক্রি কালে এ প্রতিনিধির সাথে তার কথা হয়। সে আক্ষেপ করে বলে, ১০ বছর আগে তার বাবা মারা গেছে। জমিজমা কিছু না থাকায় তার অসুস্থ মা ও ভাই বোনকে নিয়ে হবিগঞ্জ শহরের কলেজ কোয়ার্টার এলাকায় ৩ হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিয়ে বাস করে আসছে।

    একটি ফ্লাক্সে গরম পানির মাধ্যমে হেটে হেটে সে কফি বিক্রি করছে। সারাদিন কফি বিক্রি করে ২ থেকে ৩শ টাকা আয় হয়। লাভ থাকে সামান্য। আর এ টাকা দিয়েই কোনো রকমেই টানাটানি করে চলতে হচ্ছে তাকে।

    তার উপর তার অসুস্থ মায়ের ওষুধের জন্য টাকার দরকার হয়। বিভিন্নস্থানে গিয়েও তার মায়ের চিকিৎসার সুযোগ পায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তাকে লেখাপড়া ছেড়ে কপি বিক্রি করতে হচ্ছে।

  • হবিগঞ্জের প্রবীণ শিক্ষক অরবিন্দ দাসের শয্যাপাশে এমপি আবু জাহির

    হবিগঞ্জের প্রবীণ শিক্ষক অরবিন্দ দাসের শয্যাপাশে এমপি আবু জাহির

    শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অরবিন্দ দাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নিয়েছেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    আজ শনিবার রাতে হবিগঞ্জ শহরের চাঁদের হাসি হাসপাতালে তিনি প্রবীণ এই শিক্ষককে দেখতে যান। এ সময় এমপি আবু জাহির এর সাথে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    সংসদ সদস্য প্রবীণ শিক্ষক অরবিন্দ দাসের শয্যাপাশে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নিয়েছেন।

  • আবারও আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান

    আবারও আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান

    সাধারণ ক্ষমার পর আবারও দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান মেয়র মিজানুর রহমান মিজানকে দ্বিতীয় বারের মতো দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

    হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আলমগীর চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাকে বহিস্কার করা হয়। শনিবার বেলা ৩টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জেলা আওয়ামী লীগ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমকে দলীয় মনোনয়ন দেয়। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচনে বিদ্রোহী হওয়ার অপরাধে হবিগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে দল থেকে বহিস্কার করা হলো।

    মেয়র মিজানুর রহমান মিজান

    একই সাথে হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী মিজানুর রহমানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নির্বাচনে কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়।

    এর আগে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় মিজানুর রহমান মিজানকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় এনে তার পূণরায় সাংগঠনিক পদ ফিরিয়ে দেয়া হয়। ২০১৯ সালের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন।

    দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে মিজানুর রহমান মিজান বিভিন্ন সময় প্রচারণাকালে বলেন, দল থেকে দেশ বড়। তাই জনগণের চাহিদার মূল্যায়ন করতে তিনি দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে নির্বাচন করতে হচ্ছে।

  • আতাউর রহমান সেলিমকে নাতিরপুরে উঠান বৈঠকে সমর্থন; একজোট ঘোষপাড়াবাসী

    আতাউর রহমান সেলিমকে নাতিরপুরে উঠান বৈঠকে সমর্থন; একজোট ঘোষপাড়াবাসী

    আতাউর রহমান সেলিমকে নাতিরপুরে উঠান বৈঠকে সমর্থন; একজোট ঘোষপাড়াবাসী

    হবিগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষপাড়ায় আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন তিন শতাধিক মানুষ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এলাকাবাসী মেয়র প্রার্থী সেলিমের সমর্থনে এক সভা আয়োজন করে। উক্ত সভায় এলাকাবাসী বক্তৃতার এক পর্যায়ে সকলে এক সাথে হাত তুলে নৌকার প্রতি সমর্থন ও এ প্রতীকের পক্ষে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    স্থানীয় শ্রীশ্রী গোপিনাথ জিউর আখড়া প্রাঙ্গণে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বী গোপাল গোপ ও পরিচালনায় ছিলেন অ্যাডভোকেট নারদ গোপন। বক্তব্য রেখেছেন মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মনোয়ার আলী, মশিউর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ, শঙ্খ শুভ্র রায় ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান।

    বক্তারা মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ-তীতিক্ষার কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন, সেলিম দীর্ঘদিন গণমানুষের জন্য কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে তিনি কারাবরণ করেছেন। অনেক অপপ্রচার হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এখনও ষড়যন্ত্র চলছে। সেলিম হবিগঞ্জ শহরে বড় হয়েছেন। এ শহরের মানুষের চোখের সামনেই তাঁর বেড়ে উঠা। সুতারাং যত অপপ্রচারই হোক; আতাউর রহমান সেলিম নির্বাচিত হলে পৌরসভার সামাজিক সম্প্রীতি অটটু থাকার পাশাপাশি ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব।

    সভায় এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট রঞ্জিত দত্ত, মাধব গোপ, সুধীর গোপ, বিষ্ণু গোপ, স্বপন তরফদার, মনধীর গোপ, প্রদীপ গোপ, অঞ্জু গোপ, অজিত ভদ্র, নির্মল গোপ, অ্যাডভোকেট সুজিত গোপ সুবল, বিপুল রায়, ডাঃ পিন্টু আচার্য্য, অ্যাডভোকেট ঝন্টু ধর, স্বজল দেব, মন্তু দাশ, ভজন গোপ ও পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক বিজন দাস। উপস্থিত ছিলেন জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, ময়েজ উদ্দিন শরীফ রুয়েল, মহিবুর রহমান মাহী, শেখ সেবুল আহমেদ, মনির হোসেন সুমন প্রমুখ।

    এদিকে, গতকাল রাতে নাতিরপুর এলাকাবাসী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে উঠান বৈঠক করেছেন। হাসান মিয়ার সভাপতিত্বে ও সিরাজ মিয়ার পরিচালনায় বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাচ্ছিরুল ইসলাম, জাকির হোসেন চৌধুরী অসীম, নূর উদ্দিন চৌধুরী বুলবুল, শঙ্খ শুভ্র রায়, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তফা কামাল আজাদ রাসেল, হাছান আলী, মনু মিয়া, খিরু মিয়া, লাল মিয়া, ছোট সিরাজ, মালু মিয়া, উসমান খাজা, উজ্জ্বল, মামুন মিয়া, সাইফুল ইসলাম মুন্না।