Category: হবিগঞ্জ সদর

  • শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে যুবককে পিটিয়ে আহত

    শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে যুবককে পিটিয়ে আহত

    শহরের সিনেমা হল এলাকায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে শান্ত মিয়া (২৪) নামের এক যুবককে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সে শহরের ইনাতাবাদ এলাকার আলী হোসেনের পুত্র। জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সিনেমা হল এলাকার এক যুবকের সাথে শান্ত মিয়ার তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে কয়েকজন যুবক তাকে ধরে নিয়ে দোকানে বেধে সাটার লাগিয়ে পিটিয়ে আহত করে।

    স্থানীয় লোকজন আহত যুবকের চিৎকারে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

  • ফৌজদারি আদালত প্রাঙ্গণে পঁচাবাসি খাবার বিক্রি

    ফৌজদারি আদালত প্রাঙ্গণে পঁচাবাসি খাবার বিক্রি

    হবিগঞ্জ শহরের পুরাতন ফৌজদারি আদালত এলাকায় বিভিন্ন রেস্তোরায় পঁচাবাসি খাবার বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এসব খাবার খেয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    আদালত এলাকা হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। কিন্তু এখানে খোলা আকাশের নিচে পচঁাবাসি খাবার বিক্রির ফলে মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন আইনজীবি ও তাদের সহকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মহরার লাইব্রেরী সংলগ্ন ছাপটা ঘর তৈরি করে এসব পচঁাবাসি খাবার বিক্রি করা হচ্ছে।

    খাবারের মধ্যে রয়েছে ভাত, তরকারি, সিঙ্গারা, পরোটা, পুরি, সুজি ইত্যাদি। আরও অভিযোগ রয়েছে এসব খাবার তৈরির উপকরণ পাশের পুকুরের ময়লা পানিতে ধুয়া হয়। অনেক সময় দেখা যায় এসব ঢাকনাবিহীন থাকে। আর এগুলোর উপর মশা, মাছি বসে।

    আইনজীবি সমিতির পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করার পরও আদেশ অমান্য করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসব খাবার দেদারছে বিক্রি করছে আনোয়ার ও হাসান মিয়া। প্রতিদিন গ্রামগঞ্জ থেকে সহজ-সরল বিচারপ্রার্থীরা এসে ক্ষুদা নিবারণে এসব খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

    গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অনেক লোকই এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছেন। এ বিষয়ে এনডিসি শাহ জহুর হোসেন জানান, মহামারী করোনার মাঝে এমনিতেই রোগ বালাই দেখা দিচ্ছে। আবার পঁচাবাসি খাবার বিক্রির ফলে রোগ বালাই দেখা দিবে।

    তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন জরুরি ভিত্তিতে। অপরদিকে ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবুও আপনার মাধ্যমে জেনেছি। অচিরেই সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা বেয়াদব- হবিগঞ্জে জাহাঙ্গীর কবির নানক

    দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা বেয়াদব- হবিগঞ্জে জাহাঙ্গীর কবির নানক

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন-দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা চরম বেয়াদব। যিনি আমাদের মা সমতুল্য। যিনি তার পিতা মাকে হারিয়ে ভোট ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে গেছেন। সেই শেখ হাসিনাকে যারা বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখায় সেই বেয়াদবদেরকে কি ভোট দেবেন এমন প্রশ্ন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে রাখেন তিনি।

    তিনি বলেন- বেয়াদব সন্তানদের যেমন কেউ পচন্দ করেন না। তেমনি আওয়ামীলীগ বেয়াদবদের পচন্দ করে না। আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্ত যারা বর খেলাপ করেছেন তারা আর কখনও নৌকার মনোনয়ন পাবেন না। তারা আওয়ামীলীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার হবেন।

    আজ বিকেলে তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে ৫টি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন-হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম আওয়ামীলীগের পরিক্ষিত সৈনিক। জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন নৌকায় ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করলে হবিগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নের দায়িত্ব তিনি নেবেন। তিনি আতাউর রহমান সেলিমকে নৌকায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার আহ্বান জানান।

    পথসভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন সফিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় আওয়ামীগ সদস্য হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হুসেন চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজনাহুর রহমান,মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমূখ৷

    সভাগুলো পরিচলনা করেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মোতাচ্ছিরুল ইসলাম।

  • ন্যাশনাল ট্রেনিং টিমের সদস্য হলেন হবিগঞ্জের দুই কৃতি স্কাউটার

    ন্যাশনাল ট্রেনিং টিমের সদস্য হলেন হবিগঞ্জের দুই কৃতি স্কাউটার

    বাংলাদেশ স্কাউটসের ন্যাশনাল ট্রেনিং টিমের নতুন সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন হবিগঞ্জের দুইজন কৃতি স্কাউটার। তারা হলেন জনাব মো: হারুন-অর-রশিদ ও জনাব প্রমথ সরকার।

    জনাব মো: হারুন-অর-রশিদ বাংলাদেশ স্কাউটসের সহকারী লিডার ট্রেনারের সম্মানীয় দায়িত্ব লাভ করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় উপ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৮ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক স্কাউটিংয়ের সর্বোচ্চ পদক প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। তিনি বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও বর্তমানে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত। তিনি হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

    জনাব প্রমথ সরকার বাংলাদেশ স্কাউটসের লিডার ট্রেনারের সম্মানীয় দায়িত্ব লাভ করেছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের একজন সহকারী লিডার ট্রেনার ছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ স্কাউট্স সিলেট অঞ্চলের একজন আঞ্চলিক উপ কমিশনার। তিনি সম্প্রতি সরকারি চাকুরি হতে অবসর নিয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) এ সেবা প্রদান করে আসছেন। তিনি হবিগঞ্জ শহরের ঘাটিয়া বাজারের স্থায়ী বাসিন্দা।

    উল্লেখ্য যে, দীর্ঘদিন পর হবিগঞ্জ থেকে দুইজন স্কাউটার ন্যাশনাল ট্রেনিং টিমের সদস্য হওয়ায় জেলা স্কাউটসে বইছে আনন্দের বন্যা। এই দুই কৃতি স্কাউটারকে ইতোমধ্যেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ের স্কাউট নেতৃবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সর্বনাশী ইয়াবা ব্যবসা জমে উঠেছে

    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সর্বনাশী ইয়াবা ব্যবসা জমে উঠেছে

    হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় সর্বনাশী ইয়াবা ব্যবসা জমে উঠেছে। আনাচে কানাচে হাত বাড়ালেই মিলছে ইয়াবা ট্যাবলেট। আর নেশার টাকা যোগাড়ের জন্য এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

    মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের নিকট থেকে বাচঁতে শিশু ও নারীদেরকে এসব ব্যবসায় জড়িত করছে।

    অনুসন্ধানে জানা যায়, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এসব মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা বিক্রি করে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    সম্প্রতি কয়েকজনকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আইনের ফঁাকফোকর দিয়ে বেরিয়ে এসে পুনরায় এসব ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। তাছাড়া বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীরা কারাগারে থাকার সুযোগে বর্তমানে এসব ছিচকে মাদক ব্যবসায়ীরা মাথাছড়া দিয়ে উঠেছে।

  • সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামে মামলা করায় গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত

    সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামে মামলা করায় গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামে মামলা করায় জহুর চান বেগম নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    আহত সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের আতর আলীর স্ত্রী জহুরা খাতুন বাদি হয়ে প্রতিবেশী বেশ কয়েকজনের নামে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে মামলা করেন। এর পর থেকে উল্লেখিতরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

    গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উল্লেখিতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জহুর চানের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর চালায়। বাধা দিলে তাকে পিটিয়ে আহত করে। আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • নৌকার পক্ষে ৬ষ্ঠ দিনের মত ভোট প্রার্থনা আইনজীবীদের

    নৌকার পক্ষে ৬ষ্ঠ দিনের মত ভোট প্রার্থনা আইনজীবীদের

    শাহ ফখরুজ্জামানঃ হবিগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনী প্রচারনায় ৬ষ্ঠ দিনের মত নোকার প্রচারনায় মাঠে নেমে প্রচারানা চালিয়েছেন শতাধিক আইনজীবী। কোর্টের ড্রেস পরেই ঘরে ঘরে গিয়ে তারা নৌকার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

    আদালতে কাজ করে ক্লান্ত থাকার পরও জনগনের কাছে গিয়ে তারা উন্নয়নের স্বার্থে নৌকাতে ভোট দেয়ার আহবান জানালে ভোটাররা তাদেরকে স্বাদরে গ্রহণ করেন।

    বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য আইনজীবীরা গতকাল বিকেল তিনটায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকেই শুরু করেন প্রচারনা। পরে তিনটি টিমে ভাগ হয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছুটে যান।

    এডভোকেট আফিল উদ্দিন, এডভোকেট সৈয়দ আফজাল আলী দুদু ও এডভোকেট সালেহ আহমেদ তিনটি টিমের নেতৃত্ব দেন।

    আইনজীবীদের এই প্রচারনা অব্যাহত থাকবে বলে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।