Category: হবিগঞ্জ সদর

  • হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম এ হাকিম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

    হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম এ হাকিম অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে

    হবিগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক এমএ হাকিম হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    গত রবিবার রাত ১২ টার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সহকর্মীরা তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে সিলেট রেফার্ড করেন।

    পরে রাত ৩টার দিকে তাকে ওসমানি মেডিকেলের হৃদরোগ বিভাগের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি হৃদরোগ বিভাগের ১৬নং ওয়ার্ডের ২১নং বেডে চিকিৎসাধীন আছেন।

    তবে চিকিৎসক জানিয়েছেন, আপাতত তিনি আপাতত বিপদমুক্ত। তার সুস্থতা কামনায় জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

  • শহরে ফুসকা শ্রমিক হত্যা মামলার আমেরিকা প্রবাসী স্বামী-স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর

    শহরে ফুসকা শ্রমিক হত্যা মামলার আমেরিকা প্রবাসী স্বামী-স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর

    শহরের নিউ মুসলিম কোয়ার্টার এলাকায় পরকিয়া প্রেমের বলি ফুসকা ব্যবসায়ী হত্যা মামলার আমেরিকা প্রবাসী স্বামী-স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিকে তাদের আরও অজানা কাহিনী বেরিয়ে আসছে। গতকাল সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের পক্ষে আইনজীবি জামিন আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করেন।

    এ ছাড়াও আসামিদের এক প্রতিবন্ধী শিশু কন্যা রয়েছে তাদের অভিভাবকের জিম্মায় এবং ৪ বছরের শিশু কন্যা মায়ের সাথে কারাগারে রয়েছে।

    জানা যায়, ১২ মার্চ রাত ৯ টায় পরকিয়া প্রেমের কারণে মাধবপুর উপজেলার হরিণখোলা গ্রামের ইমাম উদ্দিনের পুত্র হবিগঞ্জ শহরের ঢাকা ফুসকা হাউজের শ্রমিক নিজাম উদ্দিনকে হত্যা করে উত্তর শ্যামলী এলাকায় ফেলে রাখে নিউ মুসলিম কোয়ার্টার এলাকার বাসিন্দা মৃত কুদরত উল্লার পুত্র প্রধান আসামি আমেরিকা প্রবাসী হানিফ উল্লাসহ ৩/৪ জন।

    ঘটনা ঘটিয়ে স্বামী-স্ত্রী পালিয়ে যাবার সময় ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ১৭ মার্চ আটক হয়। এরপর তাদেরকে হবিগঞ্জ থানায় আনা হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে হানিফ উল্লা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দেয়। স্বীকারোক্তি সূত্রে সে জানায় তার স্ত্রী রোমানা আক্তারকে ব্লেকমেইল করে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলায় তাকে হত্যা করা হয়। পরে তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

    স্থানীয়রা জানান, ১২ বছর আগে হানিফ উল্লার সাথে প্রেমের মাধ্যমে বিয়ে হয় উত্তর শ্যামলী এলাকার আকবর আলীর কন্যা রোমানা আক্তারের। এরপর তাদের সংসারে কলহের সৃষ্টি হয়।

  • জমে উঠেছে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

    জমে উঠেছে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

    জমে উঠেছে হবিগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। আগামী ১২ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর এ উপলক্ষ্যে গত কয়েকদিন ধরে প্রার্থীরা তাদের প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন।

    সভাপতি, সম্পাদক প্রার্থীসহ বিভিন্ন পদের প্রার্থীরা ইতোমধ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন। রীতিমতো নির্বাচনকে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

    জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়ছেন বর্তমান সভাপতি এডভোকেট আবুল মনসুর ও সাবেক পিপি আকবর হোসেইন জিতু এবং এডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন শাহীন।

    এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এপিপি মোঃ আতাউর রহমান, শেখ ফরহাদ এলাহি সেতু, মোঃ আব্দুল হাই, জসিম উদ্দিন ও রাজীব কুমার দেব তাপস।

    এ ছাড়াও বিভিন্ন পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মোট ভোটার ৫৮৮ জন। আগামী ২৮ মার্চ মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ তারিখ।

  • হবিগঞ্জ সদরে বিদ্যুতস্পৃস্ট হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

    হবিগঞ্জ সদরে বিদ্যুতস্পৃস্ট হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘলবাগে বিদ্যুতস্পৃস্ট হয়ে সৈয়দ আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধ মারা গেছেন।

    তবে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে যাওয়ার ৪ ঘণ্টা পর হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে লাশ নিয়ে আসা হয় পুলিশের নির্দেশে। পুলিশ লাশের সুরতহাল তৈরি করেছে। তিনি ওই গ্রামের মতলিব মিয়ার পুত্র।

    জানা যায়, গতকাল সোমবার সকালে সৈয়দ আলী তার নিজ ঘরে মোবাইল চার্জ দিতে যান। হঠাৎ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার মিঠুন রায় দুপুর ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে তার স্বজনরা লাশ পুলিশকে না জানিয়ে নিয়ে যায়। হাসপাতাল থেকে মৃত্যুর সংবাদ থানায় যাবার পর পুলিশ হাসপাতালে এসে লাশ না পেয়ে ওই এলাকার মেম্বারকে খবর দেয়। ৪ ঘণ্টা পর লাশ নিয়ে আসে পরিবারের লোকজন।

    হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড.আবদুল বাসেত

  • হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড.আবদুল বাসেত

    হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড.আবদুল বাসেত

    সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণি সম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল বাসেতকে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আগামী ৪ বছরের জন্য তিনি এ পদটিতে নিয়োগ পেয়েছেন।

    আজ সোমবার রাষ্ট্রপতি ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর আবদুল হামিদ এর অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মোঃ নূর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মোঃ আবদুল বাসেতকে নিয়োগ দেয়া হয়।

    হবিগঞ্জ কৃষি  বিশ্ববিদ্যালয়ে চারটি অনুষদ থাকবে বলে বিলে বিধান রাখা হয়েছে। অনুষদগুলো হলো- কৃষি অনুষদ, মৎস্য অনুষদ, প্রাণি চিকিৎসা ও প্রাণিসম্পদ বিজ্ঞান অনুষদ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ।

    অধ্যাপক ড. আবদুল বাসেত আগামী মঙ্গলবার তিনি উপাচার্য পদে যোগদান করবেন। তারপর মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে কথা বলে কাজ শুরু করবেন।

    অধ্যাপক ড. বাসেত ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে স্নাতক ডিগ্রি নেন। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে স্নাতকোত্তর ও ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

    এদিকে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপচার্য নিয়োগ দেয়ায় রাষ্ট্রপতি আব্দুল  হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। তিনি সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যকে স্বাগতও জানিয়েছেন।

    এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সংসদ সদস্য আবু জাহির বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী মেডিক্যাল কলেজের পর হবিগঞ্জবাসীকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিয়েছেন। উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হবিগঞ্জের উন্নয়নের আরেকটি মাইল ফলক।

    প্রসঙ্গত- ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ নিউফিল্ডে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নিকট ১০টি দাবি উত্থাপন করেছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আবু জাহির। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবিগুলো পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

    সেই অনুযায়ী ২০১৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আইন পাস হয়।

  • ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু জাহির

    ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি আবু জাহির

    বদরুল আলমঃ হবিগঞ্জ সদর ও লাখাই উপজেলায় ১৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে আরও পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির।

    আজ সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন।

    প্রকল্পগুলোর মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নে ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ধল আনসার ক্লাব থেকে নাজিরপুর পর্যন্ত সড়ক উদ্বোধন ও দুই কোটি ৭৪ লাখ টাকা ব্যয়ে একই উপজেলার হুরখাল পুনঃখনন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন।

    এছাড়া হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে দুই কোটি টাকায় লাখাইয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে লাখাই উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং দুই কোটি টাকায় লাখাই উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন সংসদ সদস্য।

    পৃথক ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম, লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ মুশফিউল আলম আজাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুসিকান্ত হাজং, ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, মহিলা ভাইস চেয়ার‌্যান আলেয়া বেগম প্রমুখ।

    প্রকল্পগুলোর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন শেষে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপকারভোগীদের নিয়ে মোনাজাত করেছেন। সংস্কার ও নির্মাণ কাজগুলো যেন সঠিকভাবে করা হয় সেজন্যও তিনি কর্মরতদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

    এছাড়াও বর্তমান সরকারের সময়কালে অভুতপূর্ব উন্নয়ন কর্মকান্ডের বর্ণনা দিয়ে তিনি সকলকে নৌকা প্রতীকের সাথে থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও চিকিৎসার অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও চিকিৎসার অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ

    হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে আবারও চিকিৎসার অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে৷ এ ঘটনায় হাসপাতালে হট্টগোল হয়৷ রোগীর স্বজনদের অভিযোগ এরকম আরও ঘটনা ঘটলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়নি।

    তাছাড়া রোগী হাসপাতালে এলেই চিকিৎসা না দিয়েই তাদের দায় এড়াতে সিলেট রেফার্ড করা হয়। এ ছাড়া ডাক্তার ও নার্সরা গল্পগুজব নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বেশিরভাগ। ইন্টার্নী আর ওয়ার্ডবয় দিয়েই সেবা চলে।

    রবিবার বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলার বালিয়ারি গ্রামের ওয়াহিদ মিয়া ও সদর উপজেলার চরহামুয়া গ্রামের রুমন মিয়ার দুই নবজাতক ভর্তি হয়। কিন্তু বারবার হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সদেরকে ডাক্তার অক্সিজেন দেয়ার কথা বললেও অক্সিজেন দেয়নি। ফলে চিকিৎসার অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যু হয়। তারপরও তারা মৃত নবজাতককে অক্সিজেন লাগিয়ে রাখেন। দুই ঘণ্টা পর ডাক্তার এসে তাদেরকে মৃত ঘোষণা করে অক্সিজেন খুলে নেন।

    জেলার ২০ লাখ মানুষের একমাত্র চিকিৎসার ভরসার স্থল জেলা সদর হাসপাতাল। দুর দুরান্ত থেকে অনেক রোগীরা এসে অনেক রোগীরা এসে চিকিৎসাতো দূরের কথা ভোগান্তিতে পড়েন। এমনকি চিকিৎসার নেয়ার আগেই দায় এড়াতে ঢাকা, সিলেটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে রেফার্ড করে। অনেক রোগীরা এখানে চিকিৎসা পেলে হয়তোবা প্রাণে বেঁচে যেতে পারে।

    প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও না দিয়ে রেফার্ড করার ফলে অনেকেই রাস্তায় মারা যায়। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক হেলাল উদ্দিন জানান, যদি এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। এর আগে আর কেউ আমাকে এ বিষয়ে অভিযোগ দেয়নি।