Category: হবিগঞ্জ সদর

  • বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাতে ধরে অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা – আবু জাহির

    লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাতে ধরে অর্জিত হয় মহান স্বাধীনতা। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে এই আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই। বিগত দশ বছরে বাংলাদেশকে উন্নয়নের অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে বর্তমান সরকার। এ দেশের বড় অর্জনগুলো হয়েছে আওয়ামী লীগের হাত ধরেই।

    রবিবার বিকেলে লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের সামনের মাঠে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এমপি আবু জাহির আরো বলেন, গত দশটি বছর ধরে আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এবারো আপনারা আমাকে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত করেছেন। আগামী দিনে অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজগুলো সমাপ্ত করতে চাই। লাখাই উপজেলাবাসীর চাওয়া-পাওয়া বাকী থাকবে না ইনশাল্লাহ।

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী ফারুক মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া তালুকদারের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী টিপু ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নূরুল হক নূর।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ মতিন মাস্টার, শাহ রেজা উদ্দিন আহমেদ দুলদুল, মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মলাই, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজ মিয়া, শাহ একেএম সাদী, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল মজিদ চৌধুরী শাকীলসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার আটক ১

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৯ এর অভিযানে হবিগঞ্জ শহর থেকে ২০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। এ সময় এক মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

    রবিবার (৩ মার্চ) বিকেলে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার ইন্ট্রাকো সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়।

    আটক মোঃ সেলিম মিয়া (৩৫) হবিগঞ্জ সদর উপজেলাধীন বড় বেহুলা গ্রামের মৃত মশারব আলীর ছেলে।

    র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেহ তল্লাশি চালিয়ে গ্রেপ্তারকৃত সেলিমের পকেট থেকে ২০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পাচার করার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দানকারী র‌্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, আটককৃত সেলিম সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিভিন্ন কৌশলে হবিগঞ্জে ইয়াবা নিয়ে আসেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কায়দায় হবিগঞ্জসহ বৃহত্তর

    সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় এসব ইয়াবা মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করে থাকেন। তাঁর বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে পানি ছাড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে পানি ছাড়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ৩ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরতলীর আনোয়ারপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদুর রহমান জানান, ওই গ্রামের লেবু মিয়ার পুত্র জাকির হোসেনের সাথে বাড়িতে পানি ছাড়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয় একই এলাকার মৃত বারিক মিয়ার পুত্র শাহজাহান মিয়ার। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন একত্রিত হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

    আহতদের মধ্যে, জাকির হোসেন, অভি আহমেদ, নবীর হোসেন, রাজিব আহমেদ, আদনাতুল, জয়নাল মিয়া, জিসান আহমেদ, সুমন আহমেদ, শাহজাহান, লিজা আক্তার, নিপা আক্তার ও ছালেকা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ওসি আরও জানান, পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে মাটি ধ্বসে এক শ্রমিক নিহত

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ শহরের গরু বাজার এলাকায় খোয়াই নদী থেকে মাটি উত্তোলনের সময় মাটি ধ্বসে এক শ্রমিক নিহত।

    নিহতের নাম মো. জনি (২৮)। সে সদর উপজেলার রিচি গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে।

    শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই শহরের গরুর বাজার এলাকায় খোয়াই নদী থেকে মাটি কাটছে একটি প্রভাবশালী মহল। শনিবার সকালেও ওই এলাকায় মাটি কাটতে যায় শ্রমিকরা।

    বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাটি কাটার সময় হঠাৎ মাটির একটি অংশ ধ্বসে পড়ে। এ সময় মো. জনিসহ তিন জন শ্রমিক চাপা পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই জনি নিহত হন।

    স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    আহতরা হলেন- সদর উপজেলার রিচি গ্রামের এখলাছ মিয়া (২৫) ও সুমন মিয়া (২০)।

    হবিগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • হবিগঞ্জে ট্রাক্টরচাপায় এক শিশুর মৃত্যু

    হবিগঞ্জ সদর প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের ধুলিয়াখাল-মিরপুর সড়কের পুলিশ লাইনের সামনে ট্রাক্টরচাপায় মুন্না মিয়া (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    মুন্না ধুলিয়াখাল এলাকার দিনমজুর বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

    সে স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।

    স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যায় মুন্না রাস্তার পাশ দিয়ে হাটছিল। এসময় একটি বালুবোঝাই ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই সে প্রাণ হারায়। ঘাতক ট্রাক্টরসহ চালককে আটক করা হয়েছে।

    হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, স্থানীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • হবিগঞ্জে ডাক্তারদের দুপক্ষের মারামারি

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন-বিএমএ হবিগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় ডাক্তারদের দুপক্ষের মারামারির ঘটনায় হবিগঞ্জ সদর থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    কিন্তু কোন মামলাই থানায় এফআইআর করা হয়নি। উভয়পক্ষের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের আয়া মোছা. সালমা খাতুন বাদী হয়ে ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২০/২৫ জনকে আসামি করে হবিগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    সালমা তার মামলায় জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও হাসপাতালের স্টাফকে সাক্ষী করেন। তার সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন ডা. অসিত রঞ্জন দাস, ডা. প্রবাস চন্দ্র দেব, ডা. আবু নাইম মাহমুদ হাসান, ডা. মীর মো. মঈন উদ্দিন, ডা. দেবাশীষ দাস, ডা. কায়ছার রহমান, ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জল, ডা. তারেক আল হোসাইন।সালমা খাতুন তার অভিযোগে বলেন, আসামিগণ দলভুক্ত সন্ত্রাসী, সরকারি সম্পদ অনিষ্ট সাধনকারী ও খুনি প্রকৃতির ব্যক্তি বটে। আসামি ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশসহ অজ্ঞাত আসামিগণ দেশের প্রচলিত আইন কানুনের তোয়াক্কা করছে না, পক্ষান্তরে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নিরীহ ব্যক্তি বটে।

    ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে ২৫০ শয্যা হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ডা. মুশফিক চৌধুরীর সভাপতিত্বে শান্তিপূর্ণ আলোচনা সভা চলছিল। সভা চলাকালে হঠাৎ করে আসামি ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশসহ অজ্ঞাত আসামিগণ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সভাকক্ষে অন্যায়ভাবে প্রবেশ করে মারমুখী আচরণ করেন। তখন সভাপতি ডা. মুশফিক চৌধুরী এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে ডা. পলাশ তার সঙ্গীদেরকে সভায় উপস্থিত সকলকে হত্যার হুকুম দেন।

    ডা. পলাশের হুকুম পাওয়ার সাথে সাথে অন্যান্য আসামিগণ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সভায় উপস্থিত সকলের উপর হামলা চালায়। এ সময় ডা. পলাশ লোহার পাইপ দিয়ে আয়া সালমা খাতুনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথার উপর আঘাত করেন। উক্ত আঘাত লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সালমার ডান গালে পড়ে। ফলে সালমা মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন।এছাড়া আরো বেশ কিছু আঘাতে সালমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। আসামিদের হামলায় হাসপাতালে কর্মরত শাহজাহান মিয়া, ফরিদ মিয়া, আব্দুল হামিদসহ অসংখ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, আসামিরা ওই সভায় অংশগ্রহণকারী ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্টাফদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করাসহ স্টাফদের লাঞ্ছিত ও মারপিট করে এবং সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করে।

    এছাড়া আসামিরা ডাক্তার ও নার্সদের ভবিষ্যতে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। এমতাবস্থায় হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মামলার আরজিতে আয়া সালমা খাতুন উক্ত ঘটনায় দুষি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সদর থানার ওসির প্রতি অনুরোধ জানান।অন্যদিকে, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশ বাদী হয়ে প্রতিপক্ষ ডাক্তার ও নার্সসহ অন্যান্য স্টাফদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার অভিযোগে জেলা বিএমএ সভাপতি ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীকে ১নং বিবাদী করা হয়।

    এছাড়া আরো যাদেরকে বিবাদী করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- ডা. মঈন উদ্দিন সাকু, প্রহরী শাহজাহান, পিয়ন ছোটন, ব্রাদার হাবিবুর রহমান। তার অভিযোগে মোট ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়।অভিযোগে তিনি দাবি করেন- আসামিগণ তার উপর চড়াও হয়ে তাকেসহ তার সঙ্গীদেরকে মারপিট করেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন এবং আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান।

    হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) জিয়াউর রহমান এ ব্যাপারে জানান, উভয় পক্ষের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন-বিএমএ হবিগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় হামলা চালায় চিকিৎসকদের একটি অংশ। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের সভাকক্ষে বিএমএ হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী।

    রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিএমএ হবিগঞ্জ জেলা শাখা সদর আধুনিক হাসপাতাল সভাকক্ষে সভায় মিলিত হয়। বিএমএ ও স্বাচিপ হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিএমএ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ-স্বাচিপ এর সাথে সম্পৃক্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং হাসপাতালের নার্সসহ স্টাফরা অংশ নেন।

    সভা চলাকালে রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মুজিবুর রহমান পলাশের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক সভাকক্ষে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ডা. পলাশ ক্ষুদ্ধ হয়ে ডা. মুশফিক চৌধুরীর কাছে জানতে চান তাকে না জানিয়ে কেন সভা আহ্বান করা হলো।

    এ সময় ডা. পলাশ সভায় উপস্থিত সকলকে সভাকক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। এ নিয়ে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের চিকিৎসক ও স্টাফদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। আহত অবস্থায় আব্দুল হামিদ (৪৬), ফরিদ মিয়া (৩০), শাহজাহান মিয়া (৩০), সালমা বেগম (৪৬), মনীষা (২০) ও শেখ জাহিরকে (৫৫) হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • ছাত্র জীবন থেকে এখন পর্যন্ত আপনাদের সেবা করে যাচ্ছি ও করতে চাই – মোতাচ্ছিরুল ইসলাম

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাচ্ছিরুল ইসলামের সমর্থনে উপজেলার উচাইল বাজারে এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মোতাচ্ছিরুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ছাত্র জীবন থেকে এখন পর্যন্ত আপনাদের পাশে থেকে সেবা করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও করতে চাই।

    তাই আপনাদের ভালবাসা পেতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। আমার বিশ্বাস নিজের ছেলে-ভাই-বন্ধু হিসাবে ১০ তারিখে নির্বাচনে আনারস প্রতীকে আমাকে আপনারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।

    তিনি বলেন, আমিও আপনাদের প্রতিশ্র“তি দিতে চাই, হবিগঞ্জ-৩ আসনের উন্নয়নের কারিগর আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি’র সার্বিক তত্ত্বাধায়নে আপনাদের সাথে নিয়ে এই উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ড তরান্বিত করব।

    মোতাচ্ছিরুল ইসলাম বলেন, শাসক হয়ে নয়, আপনাদের সেবক হয়ে উন্নয়নের ফেরি করতে চাই।