Category: হবিগঞ্জ সদর

  • সকলের দোয়া ও সহযোগিতায় পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে চাই – মেয়র সেলিম

    সকলের দোয়া ও সহযোগিতায় পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে চাই – মেয়র সেলিম

    হবিগঞ্জ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের উদ্যোগে পৌরসভার প্রায় সবক’টি পৌরসভায় মিলদা ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। আতাউর রহমান সেলিম চৌধুরী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র জুম্মার নামাজ আদায় শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আল আমিনের প্রতি শোকরিয়া জ্ঞাপন করেন।

    এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় পৌরবাসীকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মেয়র বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন মানুষের কাজের জন্য। আপনাদের কাজ করাই আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা সাথে নিয়ে পবিত্র দায়িত্ব পালন করতে চাই।

    একইদিন পবিত্র জুম্মার পর নব নির্বাচিত এই মেয়রের উদ্যোগে শহরের প্রায় প্রতিটি মসজিদে মিলাদ ও দোয়া করা হয়। পরে উপস্থিত মুসল্লীয়ানের মাঝে তাবারুক বিতরণ করা হয়।

    এদিকে, হবিগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন মন্দিরে নির্বাচিত মেয়রের পক্ষ থেকে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

    Ataour-Rahman-Selim

    সাংবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকে চৌধুী আব্দুল হাই ও হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিম। তাঁদের বাসভবনে উপস্থিত হয়ে মেয়র এ শুভেচ্ছা জানান।

  • বিদায় নিলেন মানবিক ও একজন দক্ষ জেলা প্রশাসক

    বিদায় নিলেন মানবিক ও একজন দক্ষ জেলা প্রশাসক

    শীতার্ত মানুষের কম্বল বিতরণ, করোনায় কর্মহীন নিন্ম আয় হতদরিদ্রের খাদ্য সামগ্রী নিজ গাড়ীতে নিয়ে বেড়িয়েছেন। শীতার্ত কিংবা ক্ষুধার্ত মানুষের যেখানে খবর পেয়েছেন সেখানে ছুটে গেছেন। নিজ হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য সামাগ্রী, গায়ে জড়িয়ে দিয়েছেন উষ্ণ কম্বল। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে গিয়ে নিজেও হয়েছেন আক্রান্ত। অদম্য পরিশ্রমী, প্রচার বিমুখ, শিক্ষানুরাগী, সৎ সাহসী ও দক্ষ একজন জেলা প্রশাসক ছিলেন মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

    হবিগঞ্জে যোগদানের পর তিনি উপলব্দি করেন শিক্ষা ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে আছে এ জনপদ। জেলা শহরে মাত্র দুটি সরকারী বিদ্যালয়ের উপর সকলের চাপ। এ দুটি স্কুলে প্রতি বছর ৩য় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির জন্য হাজার হাজার তদবির আসে। মন্ত্রী, উচ্চ পদস্থ আমলা, গন্যমান্য ও রাজনৈতিক ব্যক্তি কেউ বাদ যান না। এসব তদবির রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এতে হিমশিম খেতে হয়। অনেকের বিরাগ ভাজন হতে হয়। এসব চিন্তা করে বিকল্প পথ খুঁজেন জেলা প্রশাসক।

    তিনি বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলটি হাই স্কুলে উন্নত করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। কোন সরকারী বরাদ্দ নেই অথচ আত্মবিশ্বাস ও মনোবলকে পুঁজি করে নেমে পড়েন। বিভিন্ন দানশীল ব্যক্তির সাহায্য ও কাবিখা প্রকল্পের সামান্য টাকা দিয়ে প্রথমে বিয়াম স্কুলের সীমানা দেয়াল নির্মান করেন। এর পর ৫ তলা ভবনের নির্মান কাজ শুরু করেন। এ কাজের পালিং শেষে বেইজ নির্মান কাজ চলছে। এ কাজের জন্য মনে অনেক কষ্ট নিয়ে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসক।

    কোন এক প্রবাসী বিয়াম স্কুলের জন্য আর্থিক সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। তাকে নিরুৎসাহী করেছেন স্থানীয় বিশেষ মহল। জেলা প্রশাসকের উদ্দোগে গত দু বছরে বিয়াম স্কুলের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। শেখ রাসেল ডিজিটাল ক্লাস রুম, অনলাইন রেকর্ডিং ক্লাসরুম, বাংলা ভার্সন চালু হয়েছে এ স্কুলে।

    এদিকে হবিগঞ্জে প্রথম কিন্ডার গার্টেন দি রোজেস স্কুলটি প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছিল। এর হাত থেকে রক্ষার জন্য তিনি স্কুলটি কে হাই স্কুলে উন্নিত করে জেলা কালেক্টরেট স্কুল নামকরণ করেন। ঐ স্কুলে ৪টি শ্রেণী কক্ষের সেমি পাকা একটি ভবন নির্মান কাজ চলছে। স্কুলটিতে বর্তমানে প্রান ফিরে পেয়েছে।

    হবিগঞ্জে একটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মানের দাবি দীর্ঘ দিনের। মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জেলা প্রসাশক ভাষার মাসে কালেক্টরেট ভবন এলাকায় শহীদ মিনার নির্মান করে ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর জন্য এল আর ফান্ড ও কর্মকর্তাদের একদিনের বেতন ঢেলে দেন।

    ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্টিত পৌর সাধারণ পাঠাগারটি দীর্ঘদিন যাবৎ অরক্ষিত অবস্থায় পড়েছিল। জেলা প্রশাসকের চেষ্টায় এটি সংস্কার ও মেরামত করে পাঠক সেবার উপযোগী করা হয়েছে।

    এদিকে কোর্ট মসজিদের তৃতীয় তলার ছাদ ঢালাইসহ সম্প্রসারণ কাজ করা হয়েছে। তাঁর প্রচেষ্টায় জেলা কলেক্টরেট ভবন, সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের বাস ভবনে নান্দনিক গেইট নির্মান করা হয়েছে। কোন সরকারী বরাদ্দ ছাড়া শুধু ব্যক্তি উদ্দোগে প্রায় দু কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করে জেলা প্রশাসক যে নজির সৃষ্টি করে গেছেন তাঁর জন্য তিনি জেলা বাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    কেন্দীয় শহীদ মিনারে যতদিন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে, বিয়াম কিংবা রোজেস স্কুলে যতদিন ছাত্রছাত্রীর কোলাহল থাকবে ততদিন হৃদয়ের মনি কোটায় থাকবেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ কামরুল হাসান। তাঁকে কুমিল্লায় জেলা প্রাশাসক হিসেবে বদলী করা হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জে তিনি শেষ কর্মদিবস ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়েছেন। কর্মকর্তা, কর্মচারী, গন্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের ফুলেল শুভেচ্ছা আর ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন। বিদায়ী জেলা প্রশাসকের অসমাপ্ত কাজ পরবর্তী জেলা প্রশাসক এসে সমাপ্ত করবেন এটাই সকলের প্রত্যাশা।

  • নব নির্বাচিত মেয়র সেলিমের সাথে আইনজীবীদের শুভেচ্ছা বিনিময়

    নব নির্বাচিত মেয়র সেলিমের সাথে আইনজীবীদের শুভেচ্ছা বিনিময়

    হবিগঞ্জ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিমকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জেলা আইনজীবী সমিতি ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ। গতকাল বৃহস্পতিবারা তাঁরা আইনজীবী সমিতির সভাপতি’র কার্যালয়ের সামনে এ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেখানে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সভায় নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিম সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং পৌরসভার দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি হবিগঞ্জকে একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক শহরে রূপান্তরিত করার জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন বলেও জানিয়েছেন।

    শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় সভায় সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল মনসুর, সাধারণ সম্পাদক সামছুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সমিতির সদস্য মোঃ আলমগীর চৌধুরী, হবিগঞ্জ জজকোর্টের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল হক চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মনোয়ার আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর রহমান তালুকদার, ফজলে আলী, হুমায়ুন কবীর সৈকত, সুলতান মাহমুদসহ জেলা আইনজীবী সমিতি ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    ক্যাপশন নিউজ

    রোটারিয়ান অ্যাডভোকেট পুন্যব্রত চৌধুরী বিভুকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন হবিগঞ্জ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিম।

    ক্যাপশন নিউজ

    হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এনামুল হক সেলিমকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিম। এ সময় যুবলীগ নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদক সম্রাট সৈয়দ আলী কারাগার

    মাদক সম্রাট সৈয়দ আলী কারাগার

    হবিগঞ্জ থেকে র‌্যাবের হাতে আটক মাদক সম্রাট সৈয়দ আলী (৪৫) কে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে সদর থানা পুলিশ তার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করবে বলে জানা গেছে।

    সে শহরতলীর বহুলা বাগান বাড়ি এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের পুত্র। গত মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাব-৯ সোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

    এ সময় তার কাছ থেকে ৬১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বিক্রির নগদ ৭৩ হাজার টাকা উদ্ধার করে।

    এ ঘটনায় র‌্যাব বাদি হয়ে মাদক আইনে মামলা দিয়ে গত বুধবার বিকেলে সদর থানায় সোপর্দ করে।

    তবে পুলিশ জানিয়েছে প্রতিবার বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক হয়ে কৌশলে আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে আসে। এ বার তার বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন করা হচ্ছে।

    http://www.habiganjnews24.com/%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81/

  • হবিগঞ্জে কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেয়ে মৃত্যু

    হবিগঞ্জে কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেয়ে মৃত্যু

    হবিগঞ্জে নুর মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তি কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেয়ে মারা গেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    মৃত নুর মিয়া সদর উপজেলার বামকান্দি গ্রামের বিবাই মিয়ার পুত্র। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খাওয়া দাওয়া শেষে পান খেয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় হঠাৎ দরজার সামনে মাথা ঘুরে পড়ে যান।

    পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবারের দাবি কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খাওয়ায় গলায় বান লেগে তিনি মারা যান।

    কিন্তু ডাক্তার বলছেন, “হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।”

  • পইল গ্রামে সুদের টাকার জন্য আত্নহত্যা

    পইল গ্রামে সুদের টাকার জন্য আত্নহত্যা

    হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লামা পইলে সুদের টাকার জ্বালায় স্ত্রী আত্মহত্যার একমাসের মাথায় দিপন দাস নামের এক স্বামী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।

    এ ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    আজ ৪ই মার্চ  বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ওই গ্রামের রমা কান্ত দাশের পুত্র দিপন দাশ (২৫) বিষপান করে বাড়িতে ছটফট করতে থাকলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    তার পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১ই ফেব্রুয়ারী তার স্ত্রী রিমা দাস সুদের টাকার যন্ত্রনায় বিষপান করে।

    পরে তার স্বামী দিপন দাস সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

    দিপনের পিতা রমা কান্ত দাস জানান, মামুন নামের এক ব্যক্তির নিকট থেকে তার ছেলে কিছু টাকা সুদে নেয়। প্রতিমাসে সুদ দিতে দিতে সে হাপিয়ে উঠে। এক পর্যায়ে টাকা দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। এতে মামুন প্রায়ই তাদের বাড়িতে গিয়ে চাপ দিতে থাকে। সেই যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে তার পুত্রবধূ রিমা দাস বিষপান করে মারা যায়। আজ তার ছেলেও বিষপানে মারা যায়।

    এদিকে ওই সুদখোর যদি তাকে চাপ দেয় তবে তিনিও একই পথ বেঁছে নেবেন বলে জানিয়েছেন।

    কোর্ট স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাহমুদুল হাসান লাশের সুরতহাল তৈরি করে মর্গে প্রেরণ করেন।

    তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। তবুও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। এ ছাড়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে এলাকাবাসী জানিয়েছে তাদের দেনা ছিল এবং দেনার দায়ে দিপন কিছুদিন গা ঢাকা দেয়।

    অপর একটি সূত্র জানায়, রিমা দাস মারা যাবার ঘটনায় তার পরিবার থেকে দিপন গংদের উপর মামলা করা হয়। এ মামলায় সে পলাতক ছিল।

  • আমিনুর রশিদ এমরান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সমাপ্ত

    আমিনুর রশিদ এমরান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সমাপ্ত

    হবিগঞ্জে মরহুম আমিনুর রশিদ এমরান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২১ শেষ হয়েছে। গত মঙ্গলবার আধুনিক স্টেডিয়ামে পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে ২২ দিনব্যাপি এ আয়োজনের সমাপ্ত হল।

    পুরস্কার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ বদরুল আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন মঈন উদ্দিন তালুকদার সাচ্চু। এ সময় আব্দুল মোতালিব মমরাজ, বিভৎসু চক্রবর্তী বিভু, মকসুদুর রহমান উজ্জলসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    গত ১০ ফেব্রুয়ারি মরহুম আমিনুর রশিদ এমরান স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়। পঞ্চাশ ওভারের খেলায় তিনটি গ্রুপে দশটি দল অংশ নিয়েছে। প্রতিটি গ্রুপেই একটি করে চ্যাম্পিয়ন এবং একটি করে দল রানার্সআপ হয়।

    সমাপনী দিনে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ বদরুল আলমসহ অতিথিবৃন্দ। এ সময় অন্যান্য খেলোয়াড়দের হাতেও পুরস্কার তুলে দিয়েছেন তাঁরা।

    টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে হবিগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট একাডেমী ও সহযোগিতায় ছিল জেলা ক্রীড়া সংস্থা।