Category: হবিগঞ্জ সদর

  • পৌরবাসীর সেবার নামে অনুমোদন দেয়া টমটম এখন শহরবাসীর জন্য বিষফোড়া

    পৌরবাসীর সেবার নামে অনুমোদন দেয়া টমটম এখন শহরবাসীর জন্য বিষফোড়া

    অবৈধ টমটম আর অটোরিকশার কারণে যানজট কবলে পড়ে ভোগান্তির শহরে পরিণত হচ্ছে হবিগঞ্জ। আর এতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠলেও কমানোর কেউ নেই। পৌরবাসীর সেবার নামে অনুমোদন দেয়া টমটম এখন শহরবাসীর জন্য বিষফোড়া হয়ে দাড়িয়েছে।

    পৌরসভা চলাচলের অনুমোদন দিলেও নিয়ন্ত্রণ করছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। নিয়ম অনুযায়ী শহরে রিকশা, ঠেলাগাড়িসহ ছোট যানবাহন চলাচলের অনুমোদন দেয় পৌরসভা এবং ভাড়াও তারা নির্ধারণ করে। কিন্তু টমটমের ক্ষেত্রেই ভিন্ন চিত্র।

    সাবেক পদত্যাগকারী মেয়র জি কে গউছের সময়কালীন ওই সিন্ডিকেটটি বেশ কয়েকবার মাথাছড়া দিতে চাইলেও তার বলিষ্ট পদক্ষেপের কারণে মাথাছড়া দিতে পারেনি। কাজেই ভাড়াও তখন পৌরসভায়ই নির্ধারণ করতো। টমটমের রেজিস্ট্রেশন ফি তখন ছিল ২ হাজার টাকা। কিন্তু জি কে গউছ পদত্যাগ করলে উপ-নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রায় ১৯ মাসের জন্য মেয়র হন মিজানুর রহমান মিজান। তার মেয়াদেই শক্তিশালী হয়ে উঠে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটটি। তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে টমটমের ভাড়া ১০ টাকা করার ফন্দিফিকির করতে থাকে।

    আর এ সুযোগ আসে মহামারী করোনার সময়ে। জাতীয়ভাবে যখন সারাদেশে গণপরিবহণের ভাড়া বাড়ানো হয় তখন ওই সিন্ডিকেটটি হবিগঞ্জের মতো ছোট শহরেও টমটমের ভাড়া ১০ টাকা করে দেয়। জনগণ করোনার কারণে তা মেনেও নেন।

    কিন্তু গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে যখন জাতীয়ভাবে গণপরিবহনের ভাড়া কমিয়ে পূর্বের ভাড়া বহাল করা হয় তখন কিন্তু হবিগঞ্জ শহরের টমটমের ভাড়া না কমিয়ে ১০ টাকা করেই নিতে থাকে ওই সিন্ডিকেটটি। সাথে ব্যবহার করে তৎকালীন মেয়র মিজানুর রহমানের নাম। এ নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ হলেও রহস্যজনক কারণে ব্যবস্থা নেয়নি পৌরসভা।

    তাতে কি? সুযোগটি কাজে লাগায় ওই সিন্ডিকেট। তারা কতিথ একটি সমিতি গড়ে তুলে এবং নিজেদের মনগড়া মতো ভাড়ার তালিকা করে। ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী শহরের শায়েস্তানগর বাজার থেকে সরাসরি চৌধুরী বাজার এবং চৌধুরী বাজার থেকে সরাসরি পৌর বাসস্ট্যান্ড ১০ টাকা এবং থানার মোড় ও মোদক পর্যন্ত ৫ টাকা, ছাত্রছাত্রীদের জন্য ৫ টাকা।

    কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে ভিন্নচিত্র। টমটম চালকরা শহরের শায়েস্তানগর ট্রাফিক পয়েন্ট, সিএনজি স্ট্যান্ড, চিরাখানা সড়ক, পৌরভবনের সামনে থেকে অর্থাৎ মাঝ রাস্তা উঠলেও ১০ টাকা নিচ্ছে। না দিলে অকথ্য ভাষায় ব্যবহার করছে যাত্রীদের সাথে।

    তাদের কথা হলো, তালিকা অনুযায়ী থানার মোড় থেকে বাজার পর্যন্ত গেলে ৫ টাকা রাখা হবে।
    সরেজমিনে দেখা গেছে তাদের তালিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ টাকা রাখার কথা থাকলেও শায়েস্তানগর থেকে উঠা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ১০ টাকা।

    এ নিয়ে সমালোচনার যেন শেষ নেই। পৌরবাসীর দাবি পৌর এলাকার ভেতরে টমটমের ভাড়া যেনো ৫ টাকা থাকে। তাদের অভিমত টমটমের অবৈধ টমটমের সংখ্যা কমিয়ে এনে প্রয়োজনবোধে রেজিস্ট্রেশন ফি কমানো হউক। এরপরও ভাড়া যেন ৫টাকা হয়।

    ছোট এ শহরে টমটম টমটমের ১০ টাকা ভাড়া হলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন যারা দিন আনেন দিন খান। অতিরিক্ত ৫টাকা করে তাদেরকে বেশি গুনতে হচ্ছে। তাদের জন্য ১০ টাকা টমটম ভাড়া যেন ‘মরার উপর খড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    অনুসন্ধানকালে জানা যায়, হবিগঞ্জ পৌর শহরে ২০১০ইং হইতে পরিবেশে বান্ধব নামে পরিচিত ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা টমটম, চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে একটি চক্র, গরিব বেকার যুবকদের সহজ মূল্যে কেনা টমটম-কে চাঁদাবাজির সহজ উপায় হিসাবে ব্যবহার করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

    জানা যায় ঐ চক্রটি বিগত ১০বছর যাবত ৫/৬ হাজার টমটম শহরে চলাচলের সুবাদে, স্বার্থলোভী চঁাদাবাজ বাহিনীর দ্বারা মনগড়া অবৈধ সংগঠনের নামে, বিভিন্ন ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে এসব টাকা।

    এদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারক লিপি দেওয়া হয়েছে অনেক বার। তাতেও কোনো রকম সমাধান হয়নি। কৌশলে একই চক্রের বিভিন্ন ব্যক্তিদের নেতা নির্বাচিত করে চালিয়ে যাচ্ছে চাঁদাবাজি। এদের পিছনে শক্তি যোগাচ্ছে বিভিন্ন প্রভাবশালী নেতা ও কিছু জনপ্রতিনিধিরাও।

    গত একবছরে সব চাইতে বেশী চাঁদাবাজি করা হয়েছে টমটমে, যা সম্পর্ণ অবৈধ বেআইনী। এলাকাবাসীর ভাষায়, শহরের প্রতিটি রাস্তাই দখল করে নিয়েছে টমটম। অবস্থা এমন, যেন এটি টমটমেরই শহর। টমটম এখন এলাকাবাসীর ‘মাথাব্যথার’ বড় কারণ। শহরে এত বেশি টমটম, রিকশা চালাতে অলিগলি খুঁজতে হয়। এ ছাড়া চার্জ দেয়ার কারণে হবিগঞ্জ শহরে বাড়ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। প্রতিদিন একাধিকবার বিদ্যুত বিভ্রাট হয়। সার্বিক দিক বিবেচনা করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন হবিগঞ্জ পৌরবাসী৷

  • হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের ভেতর ও আশপাশ এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের ভেতর ও আশপাশ এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

    হবিগঞ্জ আধুনিক স্টেডিয়ামের ভেতর ও আশপাশ এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয় ওই এলাকার কিছু ফাষ্টফুডের দোকানে হরহামেশাই এরকম ঘটনা ঘটছে বলে স্হানীয়রা জানিয়েছেন।

    সম্প্রতি সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৫ জন যুবক ও যুবতীকে আটক করে। পরে মুচলেকা দিয়ে তারা মুক্তি পায়। আবারও স্টেডিয়ামের বিভিন্ন খোপে দিনের বেলা ও সন্ধ্যার পর যুবক-যুবতীর আড্ডা ও আনাগোনা দেখা যায়। এ

    দের মধ্যে অনেকেই স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। আবার কেউ কেউ প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে ওই স্থানে এনে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়।
    সম্প্রতি এরকম ঘটনা ঘটানোর অভিযোগে এক যুবতীকে আটক করা হয়। পরে মুচলেকা দিয়ে সে মুক্তি পায়।

    সদর ওসি মোঃ মাসুক আলী জানান, মহামারী করোনার কারণে পুলিশের অভিযান বন্ধ ছিল। এখন থেকে শহরের ফাষ্টফুডের দোকান ও স্টেডিয়ামে পুলিশের টহল থাকবে।

  • হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে দালালদের দৌড়াত্ব

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে দালালদের দৌড়াত্ব

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আবারও দালালদের উৎপাত বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশের অভিযানে পুরাতন দালালরা গা ঢাকা দিলেও নতুন দালালরা মাথাছড়া দিয়ে উঠেছে। গ্রামগঞ্জ থেকে আসা সহজ-সরল রোগীদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্রটি।

    অভিযোগ আছে, প্রতিদিনই হাসপাতালের কতিপয় কর্মচারীদের ছত্রছায়ায় জরুরি বিভাগের সামনে দালালরা উৎপেতে বসে থাকে। গ্রামগঞ্জ থেকে রোগী এলেই ভয় দেখিয়ে প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডাক্তারের চেম্বারে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার নামে গলাকাটা টাকা আদায় করে। এর এক ভাগ ওই দালাল চক্র পায়, আরেকভাগ পায় হাসপাতালের অসাধু কর্মচারীরা।

    সাবেক জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালালকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে সাজা দেয়া হয়। এরপর কিছুদিন সদর হাসপাতাল দালালমুক্ত থাকে। বর্তমানে আবারও দালালের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে।

    কয়েকজন রোগী জানায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে কয়েকজন দালাল বসে থাকে। রোগী আসামাত্রই বলে, হাসপাতালে ডাক্তার নেই। তাছাড়া হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন ভর্তি থাকতে হবে। আমাদের কথা মতো ক্লিনিকে গেলে কম টাকায় চিকিৎসা মিলবে।

    এ বিষয়ে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, কিছুদিনতো দালালদের দৌড়াত্ব বন্ধ ছিল। শুনেছি আবার শুরু হয়েছে। তবে আমাদের অভিযান নিয়মিত চলবে।

  • ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গদের ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

    ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গদের ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক

    জেলার খতীব, ইমাম ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গদের ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করলেন ক জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান৷

    আজ ১৩ই মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর সভাকক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান৷

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বিজেন ব্যানার্জী।
    উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
    জেলা প্রশাসক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ব্যাধিসমূহ দূরীকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণে ইমামদের বিশেষ ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করেন।

  • হবিগঞ্জে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    হবিগঞ্জে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    হবিগঞ্জে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন।

    জেলা প্রশাসক ও হবিগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে এবং সংস্থার সদস্য মঈন উদ্দিন তালুকদার সাচ্চুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র আতাউর রহমান সেলিম ও মর্ডাণ গ্রুপের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান মোঃ এনামুল হক।

    মহজাবিন এন্টারপ্রাইজের আয়োজনে এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় এ টুর্নামেন্টের পৃষ্টপোষকতা করছে মডার্ণ গ্রুপ। টুর্নামেন্ট হবিগঞ্জ জেলার ২২টি, সিলেটের দুইটি এবং মৌলভীবাজার ও ঢাকার একটি করে মোট ২৬ দল অংশগ্রহণ করছে। নকআউট পদ্ধতিতে উদ্বোধনী ম্যাচে অংশ নিয়েছে হবিগঞ্জের জালালাবাদ ক্রিকেট ক্লাব ও মোহনপুর নর্থ ব্রাদার্স।

    হবিগঞ্জে বঙ্গবন্ধু টি টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি শঙ্খ শুভ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন কলি, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক ও মাহজাবিন এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মোঃ বদরুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শফিকুজ্জামান হিরাজ, কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবীর চৌধুরী শাহেদ, সদস্য আব্দুল মোতালেব মমরাজ, মঈন মহিউদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, অ্যাডভোকেট বিভুৎসু চক্রবর্তী বিভু, তাজ উদ্দিন আহমেদ তাজ, জসিম উদ্দিন সুজন, মোঃ সাইদুর রহমান প্রমুখ।

  • ২ মে শুরু হচ্ছে হবিগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা কার্যক্রম

    ২ মে শুরু হচ্ছে হবিগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা কার্যক্রম

    দেশে বিদেশে থাকা হবিগঞ্জের বরেণ্য ব্যাক্তিবর্গ আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন হবিগঞ্জ হার্ট ফাউন্ডেশনের সাথে যুক্ত থাকার। কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বেই হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকায় পৈত্রিক বাসভবনটি ফাউন্ডেশনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করার জন্য ওয়াকফ করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন ডা. সিএম দেলোয়ার রানা ও তার পরিবার। আবার হবিগঞ্জ আধুনিক হাসপাতালের পুরাতন ভবনটি চিকিৎসা কার্যক্রমের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিতেও আগ্রহী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

    এর বাহিরে জেলা শহরে যারা হার্টের চিকিৎসা করেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা হবিগঞ্জের যে সকল সন্তান হার্ট স্পেশালিস্ট তারাও রোস্টার করে এখানে এসে চিকিৎসা দিতে আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন। এসকল ইতিবাচক বিষয়কে সামনে রেখে আগামী ২ মে হবিগঞ্জে আউটডোর চিকিৎসা সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল হাট ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা কমিটি।

    গতকাল দুপুরে শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের কনফারেন্স রুমে ন্যাশনাল হাট ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়ক ডা. কামরুল হাসান তরফদার এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব রোটারীয়ান সফিকুল বারী আউয়ালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

    সভায় উপস্থিত হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল, সরকারী বৃন্দাবন কলেজের অধ্যাপক ইলিয়াছ বখত চৌধুরী জালাল, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপাার জাহাঙ্গীর ভূইয়া, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ চৌধুরী, সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, এডভোকেট তাহমিনা খান, জিয়াউল হাসান তরফদার মাহিন ও মহিব উদ্দিন সোহেল।

    ন্যাশনাল হাট ফাউন্ডেশন হবিগঞ্জ জেলা কমিটির আহবায়ক ডা. কামরুল হাসান তরফদার বলেন, আমার ভাই ড. মঞ্জুরুল হাসান তরফদার মাত্র ১০ মিনিটের বুকের ব্যাথায় কোথাও চিকিৎসা না পেয়েই মৃত্যু বরণ করে। আমার বাবাও বিনা চিকিৎসায় বুকের ব্যাথা নিয়ে মারা যান। হবিগঞ্জে বুকে ব্যাথা নিয়ে কোন চিকিৎসা পাওয়ারই সুযোগ নেই। তাই আমরা চাই অত্যাধুনিক সি সি ইউ সম্বলিত একটি কার্ডিয়াক হাসপাতাল হবিগঞ্জে প্রতিষ্ঠা করতে। সেখানে যদি ৬ সিটের একটি সি সি ইউর ব্যবস্থা থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি ডা. আলাউদ্দিন ও ডা. প্রাণ গোপালের সাথে থেকে কাজ করেছি। তারা ১শ বছরের স্বপ্ন দেখতেন। আমিও আকাশ ছোয়া স্বপ্ন দেখি। প্রাথমিকভাবে আমরা দুটি এ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করব। এর একটি থাকবে হবিগঞ্জে এবং আরেকটি থাকবে ঢাকায়।

    ডা. কামরুল হাসান তরফদার আরও বলেন, শুধু এ্যাম্বুলেন্সই নয়। আমার স্বপ্ন একদিন আমাদের হেলিকপ্টারও থাকবে। আমাদের পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ট ফাউন্ডেশনে যাতে আমাদের হবিগঞ্জের রোগীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়া হয় তারও ব্যবস্থা করব।

    সভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জহিরুল হক শাকিল ও অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর ভূইয়ার হাতে আজীবন সম্মননার সনদ তুলে দেন সভাপতি ডা. কামরুল হাসান তরফদার।

  • ৫ দিন ব্যাপি ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

    ৫ দিন ব্যাপি ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

    হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

    আজ ১২ই মার্চ ২০২১, জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী/উপ-সহকারী কর্মকর্তা, সার্ভেয়ার, রাজস্ব সহকারী, পেশকার, সার্টিফিকেট সহকারীসহ সমপর্যায়ের কর্মচারীদের জন্য আয়োজিত ৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিজেন ব্যানার্জী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), প্রতীক মণ্ডল, আরডিসি সহ জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনারবৃন্দ।

    ভূমি সেবার মানোন্নয়নে সকলকে সচেষ্ট থাকা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যত্নশীল হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান সম্মানিত জেলা প্রশাসক।

    ৫ দিন ব্যাপি ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ

    অনুষ্ঠানে সকল প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট এবং মূল্যায়ন পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৩ জনকে বই উপহার দেন জেলা প্রশাসক।