Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে জমে উঠেছে কোরবানির পশু প্রস্তুতির ব্যস্ততা। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও খামারে এখন চলছে গরু-ছাগল মোটাতাজাকরণের শেষ সময়ের পরিচর্যা।
প্রাকৃতিক উপায়ে পশু লালন-পালন করে ভালো দামের আশায় স্বপ্ন বুনছেন কৃষক ও খামারিরা। উপজেলা
প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, নবীগঞ্জ উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় দেড় হাজারের বেশি খামার রয়েছে। এসব খামারে দেশি ও বিদেশি জাতের বিপুল সংখ্যক গরু-ছাগল প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু মজুদ রয়েছে।
গত বছর উপজেলায় গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় ১৫ হাজার ৫২৭টি পশু কোরবানি হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বিদেশি জাতের গরুর চাহিদা থাকলেও দেশি গরুর প্রতিও ক্রেতাদের আগ্রহ ব্যাপক। ফলে দেশি গরু লালন-পালন করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কৃষক ও খামারিরা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইফুর রহমান জানান,
“আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নবীগঞ্জে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি, সুস্থ ও নিরাপদ পশু নিয়েই এবার কোরবানির বাজার জমে উঠবে।”
রিপন মিয়া নামে এক কৃষক বলেন,
“এবার আমি চারটি গরু পালন করেছি। কোনো ধরনের রোগবালাই নেই। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ও কৃমিনাশক ওষুধ দিয়েছি। আশা করছি, কোরবানির বাজারে ভালো দামে বিক্রি করতে পারব।”
অন্যদিকে জাহির মিয়া নামে এক খামারি জানান,
“আমরা প্রাকৃতিক খাবার দিয়েই গরু মোটাতাজা করছি। খৈল, ভুট্টা, ঘাস ও খড় খাওয়ানো হচ্ছে। তবে গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে। সিন্ডিকেটের কারণে খাবারের দাম বেশি হওয়ায় খামারিরা কিছুটা চিন্তায় আছেন।”
তবুও ঈদকে সামনে রেখে খামার ও বাড়ির উঠোনে পশুর যত্নে কোনো কমতি রাখছেন না কৃষক-খামারিরা। ভালো দামে পশু বিক্রির আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।