Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জে ভুয়া বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার পরিচয়ের অভিযোগ, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

Share your love

হবিগঞ্জে নিজেকে ৪৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সংবর্ধনা ও সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ ওঠা ব্যক্তির নাম আরাধন দাস। তিনি বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে আরাধন দাস নিজেকে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি প্রশাসন ক্যাডার সংশ্লিষ্ট লোগো ব্যবহার করে স্ট্যাটাস দেন এবং নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থাপন করেন।

এ সময় তিনি তার কলেজের ডিপার্টমেন্ট, শিক্ষক, বন্ধু ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে একাধিক সংবর্ধনা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি বন্ধুদের কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহণের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে সম্প্রতি একই ধরনের শকিল  আহমেদ নামে ভুয়া ক্যাডার পরিচয় সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর আরাধন দাসকে নিয়ে সন্দেহ জোরালো হয়।

প্রশাসন ক্যাডারের সুপারিশপ্রাপ্তদের সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক তালিকাভুক্তি পাওয়া যায়নি। ৪৫তম বিসিএসের হবিগঞ্জ জেলার সুপারিশপ্রাপ্তদের একটি অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ থেকেও তাকে বাদ দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ৪৫তম বিসিএস প্রশাসনের সুপারিশপ্রাপ্ত একজন হবিগঞ্জ নিউজকে জানান,  আরাধন দাস তাদের গ্রুপে নেই।তার সাথে  বারবার যোগাযোগ করলেও সে  কোনো তথ্য দেয়নি। তাছাড়া, ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার দাবির ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় নথিপত্রে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সর্বশেষ গত কয়েকদিনে আরাধন দাস তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসন ক্যাডার সংশ্লিষ্ট সব পরিচয়, লোগো ও পোস্ট সরিয়ে ফেলেন। এতে অভিযোগকারীদের সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরাধন দাসের বক্তব্য জানার জন্য রাত ৮.৫০ মিনিটে তার নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

সচেতন মহল বলছে, বিসিএস ক্যাডার হওয়া একটি আবেগ, পরিশ্রম ও সম্মানের বিষয়। ভুয়া পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করা গুরুতর অপরাধ এবং এ ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের যথাযথ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

Share your love
মোহাম্মদ সিজিল মিয়া
মোহাম্মদ সিজিল মিয়া
Articles: 126

Stay informed and not overwhelmed, subscribe now!