Category: হবিগঞ্জ

  • বানিয়াচংয়ে পুকুর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

    বানিয়াচংয়ে পুকুর থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

    দি‌লোয়ার হোসাইন: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে পুকুর থেকে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
    নিহত বৃদ্ধার নাম সরাজ বিবি(৮০)। তিনি কাজী মহল্লার মৃত মহসিন মেস্তরীর স্ত্রী।

    ২ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে বানিয়াচং ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের কামালখানী রাশিদিয়া হাসানিয়া জামেউল উলুম মাদ্রসা সংলগ্ন পুকুর থেকে।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত বৃদ্ধ মহিলা বসত বাড়ীতে একা একা বসবাস করতেন।

    প্রায় ১৪ বছর পূর্বে নিহতের স্বামী মহসিন মেস্তরী ও ৭ বছর পূর্বে একমাত্র সন্তান জাকির হোসেন সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান।

    এলাকাবাসী ধারনা করছেন হয়তো শেষ রাতে পুকুর থেকে পানি তুলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে আর উঠতে পারেননি।
    বয়স্ক হওয়ায় ও শারিরীক সমস্যার কারনে হয়তো তিনি আর পানি থেকে উঠতে না পারার কারনে পানিতে তলিয়ে এক সময় মারা যান।

    নিহত বৃদ্ধার পরিবারে কেউ না থাকার কারনে দিনের বেলা তার খোজ করেনি কেউ।

    গতকাল বিকেলে পুকুরের পাশে ছোট বাচ্চারা ফুটবল খেলার সময় পুকুরের কুচুরি পানার ভিতরে লাশ ভাসতে দেখে।

    পরবর্তীতে এলাকাবাসী বানিয়াচং থানাকে অবহিত করলে থানা পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরি করেন।
    কোন অভিযোগ না থাকায় বৃদ্ধার লাশটি এলাকার জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় দাফনের জন্য দেওয়া হয়েছে।
    লাশ উদ্ধারের সময় ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান ও ইউপি সদস্য মোবারক মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ অজয় দেব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কারো কোন অভিযোগ না থাকায় জনপ্রতিনিধিদের জিম্মায় লাশটি দেওয়া হয়েছে।

  • মাধবপুরে বনবিভাগের অভিযানে বর্ন্যপ্রাণী উদ্ধার

    মাধবপুরে বনবিভাগের অভিযানে বর্ন্যপ্রাণী উদ্ধার

    হৃদয় এস এম শাহ্-আলমঃ বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ হবিগঞ্জ, মাধবপুর থানা পুলিশ এবং বর্ন্যপ্রানী অভিযান সোসাইটি ও পাখি প্রেমিক সোসাইটির সদস্যদের এর যৌথ অভিযানে বিভিন্ন প্রকার পাখি ও ফাঁদ,খাঁচা সহ নানান আলামত জব্দ করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করা হয় বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই ২২) বিকালে মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার আলাকপুর গ্রামে রেনু মিয়ার বাড়িতে অভিযান পরিচালিত হয়।

    এসময় অভিযান পরিচালনা করে বর্ন্যপ্রাণী ৪ টি ঘুঘু পাখি, ১ টি শালিক,৪ টি কুরা পাখি সহ পাখি শিকার করার নানান সরঞ্জাম ফাঁদ ও খাঁচা জব্দ করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ বর্ন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা প্রকৃতি ও সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী জানান,আমরা বেশ কয়েকজন পাখি শিকারির সন্ধ্যান পেয়েছি।যারা এই পাখিগুলো শিকার করেছে।তাদের বিরুদ্ধে বর্ন্যপ্রাণী আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং যৌথ অভিযানে অসংখ্য ফাঁদ ও খাঁচা জব্দ করতে সক্ষম হয়েছি ও পাখিও উদ্ধার করতে পেরেছি।

    তিনি আরো বলেন,পরিবেশ সংরক্ষণে বর্ন্যপ্রাণী খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিরীহ বন্যপ্রাণীকে হত্যা না করতে তাদেরকে জানানোর জন্য আহবান জানান তিনি।

    এব্যাপারে পাখি প্রেমিক সোসাইটির সভাপতি মুজাহিদ মসি বলেন,পাখি পরিবেশে বন্ধু এদের নিধন একটি অমানবিক ও অবৈজ্ঞানিক কাজ।এদের রক্ষায় আমাদের সকল স্থরের জনগন ও প্রশাসনকে এগিয়া আসার আহবান জানাচ্ছি।

    এ সময় মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এর সহযোগীতায় অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর থানার এস আই শুভ দে সহ সঙ্গী ফোর্স ও বর্ন্যপ্রাণী অভিযান সোসাই হবিগঞ্জের সভাপতি সাংবাদিক হৃদয় শাহ আলম,হবিগঞ্জ বন বিভাগের জিয়াউল হক রাজু,মোঃ রানা মিয়া,টিপুল,হবিগঞ্জ পাখি প্রেমিক সোসাইটি সভাপতি মুজাহিদ মসি প্রমুখ্য।

  • জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বানিয়াচংয়ের ৫ বক্সার ঢাকায়

    জয়ের স্বপ্ন নিয়ে বানিয়াচংয়ের ৫ বক্সার ঢাকায়

    হবিগঞ্জ জেলার হয়ে জয়ের স্বপ নিয়ে বানিয়াচং উপজেলার ৫ বক্সার ন্যাশনাল বক্সিং প্রতিযোগীতায় মাঠে খেলবে আজ।

    এক বিষয়ে এক অনুসন্ধান চালিয়ে জানাযায়, ঢাকার শহীদ আহসান উল্লা মাষ্টার প্রফেশনাল ন্যাশনাল বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ নামে ২০২২ টুর্নামেন্টে একটি আয়োজন করেন কতৃপক্ষ। এই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে ২৯ জুলাই (শক্রবার) টংগী সরকারি কলেজ মাঠে। আর এতে সারা বাংলাদেশ থেকে এই প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করবেন ৪২জন প্রতিযোগী।

    এর মধ্যে রয়েছে ২৬ জন ছেলে ও ১৬ জন মেয়ে প্রতিযোগী। তবে এবার সিলেট বিভাগ থেকে মোট ৭ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে। এরমধ্যে হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে রয়েছে রয়েছেন ৫ জন।

    এই ৫ প্রতিযোগী হলেন বানিয়াচং উপজেলার বাসিন্দা। এই ৫জ ন খেলোয়াড় প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করানোর জন্য বানিয়াচং থেকে ২৮ জুলাই বৃহস্পতিবার ঢাকার উদ্যেশে রওয়ানা দিয়েছেন জাজ জুয়েল রহমান।

    এই ৫ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ৩ জন ছেলে ও ২ জন মেয়ে প্রতিযোগী রয়েছেন। ছেলেদের মধ্যে বাহুবল কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র শিপন মিয়া, মেধা বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র আমীর উদ্দিন ও বড়বাজারের ব্যাবসায়ী নাঈম মিয়া।

    মেয়েদের মধ্যে বানিয়াচং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী তানজিমা সুলতানা শেলী ও মেধা বিকাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী রুমি আক্তার।

    সিলেট বিভাগ থেকে মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলার কোন প্রতিযোগী এই টুর্ণামেন্টে অংশগ্রহণ করছেননা নিশ্চিত করেন কতৃপক্ষ।

    তবে কতৃপক্ষ সূত্রটি আরও জানান, ঢাকার শহীদ আহসান উল্লা মাষ্টার প্রফেশনাল ন্যাশনাল বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের ওজন শ্রেণীর এই প্রতিযোগিতায় একজন খেলোয়াড় মাত্র একজনের বিরুদ্ধে ৪ থেকে ৮ রাউন্ড পর্যন্ত লড়বেন। এবং যারা বিজয়ী হবেন তাদের জন্য প্রাইজমানি ও ট্রফির ব্যাবস্থা রয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

    এ ব্যাপারে বানিয়াচংয়ের বক্সারদের কোচ, বক্সিং সোসাইটির জাজ ও কাউন্সিলর উস্তাদ সাংবাদিক জুয়েল রহমান রাত ৮টায় মুঠোফোন এসবের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে তাদেরকে নিয়ে সুন্দর ভাবে ঢাকায় গিয়ে পৌঁছতে পেরেছেন এবং তারা সবাই টঙ্গী সরকারি কলেজ হোস্টেলে উঠেছেন। এমনকি সকল প্রতিযোগীদের আগামীকাল (শক্রবার) প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করার জন্য মেডিক্যালসহ সবকিছু সম্পন্ন করা হয়েছে।

    বানিয়াচংয়ের মত এই মফস্বল শহর থেকে বক্সিংয়ে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আসা খুবই কঠিন একটা কাজ। এসব জেনে শুনেও আমি সেই কাজটি দীর্ঘদিন যাবত করে যাচ্ছি এবং করেও যাওয়ার চেষ্টা করছি মাত্র। আর বিশেষ করে এমনটা করার সম্ভব হয়েছে শুধু একমাত্র বাংলাদেশ বক্সিং সোসাইটির প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান ভাইয়ের কারণে। তাই উনার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এবং উনার সহযোগিতা ও স্পন্সর পেলে আগামীতেও আমরা আরও ভালো ভালো কিছু কাজ করতে পারবো বলে আশাবাদী।

    পরিশেষে তিনি এটাও বলেছেন, এই অর্জন শুধু একা বানিয়াচং উপজেলাবাসীর নয়, এই অর্জন হলো পুরো হবিগঞ্জ জেলাবাসীর অর্জন। তাই তিনি সবার নিকট দোয়া কামনা চেয়েছেন ওদের জন্য।

  • শায়েস্তাগঞ্জে  শিক্ষকদেরকে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি প্রশিক্ষণ

    শায়েস্তাগঞ্জে শিক্ষকদেরকে তিন দিনব্যাপী ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি প্রশিক্ষণ

    হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় এই প্রথম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ৩৬ জন শিক্ষকদের নিয়ে ডিজিটাল তৈরি এবং অনলাইন ক্লাস পরিচালনা বিষয়ক উপর তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুভ উদ্ভোদনী অনুষ্ঠিত হয় ।

    এই কর্মশালা আগামী ২৯ জুলাই শুক্রবার সমাপনী অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে । বুধবার ( ২৭ জুলাই ) সকাল ১০ টায় ঐতিহ্য বাহী শায়েস্তাগঞ্জ মডেল কামিল মাদ্রাসার সভা কক্ষে উপজেলা পরিষদের আয়োজনে , ইউ জি ডিপি ও জাইকা সহযোগিতায় এবং উপজেলা মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিষয়ক কমিটির বাস্তবায়নে ” উন্নয়নের গণতন্ত্র শেখ হাসিনার মূলমন্ত্র ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলার শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের মাঝে আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি সুযোগ সৃষ্টির বার্তা নিয়ে এলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য মাএা অর্জন , মাল্টি মিডিয়া ক্লাস পরিচালনা দক্ষতা অর্জন , কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন , ইন্টারনেট ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি ব্যবহার নিশ্চিত করণ উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি এবং অনলাইন ক্লাস পরিচালনা বিষয়ক তিন দিন ব্যাপী কর্মশালা প্রশিক্ষণ উদ্ভোদনী কর্মসূচী ঘোষণা করা হয় ।

     

    এ কর্মশালা আগামী ২৯ জুলাই শুক্রবার প্রশিক্ষণ সমাপনী হবে । উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউ এন ও ) নাজরাতুন নাঈম এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা একাডেমি সুপার ভাইজার জগদীশ দাশ তালুকদারের পরিচালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উদ্ভোদনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল । বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গাজিউর রহমান ইমরান , সংরক্ষিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মুক্তা আক্তার , উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মুজিবুর রহমান । স্বাগত বক্তব্য রাখেন মডেল কামিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ শাহাব উদ্দিন , উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ( জে আই সি এ) নিশীতি , উপজেলা অনলাইন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর , রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মোঃ মামুন চৌধুরী , আইসিটি ফোর ই জেলা এম্বাসেডর সহকারী শিক্ষক মোঃ বদরুজ্জামান , শামীমা সুলতানা , মডেল কামিল মাদ্রাসা অভিভাবক সদস্য মোঃ শাজাহান মিয়া প্রমুখ ।

  • হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ৭ম ও ৮ম তলার উদ্বোধন

    হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ৭ম ও ৮ম তলার উদ্বোধন

    হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের উর্ধ্বমুখী ৭ম ও ৮ম তলার উদ্বোধন করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপি। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ দুটি তলার উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন তিনি।

    পরে মোনাজাত শেষে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে এ দুটি তলা নির্মাণ করেছে সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

    মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডা. মোহাম্মদ আমিনুল হক ও সঞ্চালনা করেছেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল।

    এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সুনির্মল রায়, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আতাউর রহমান সেলিম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূরুল হক ও হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা: জাকির হোসেন।

    সভায় শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আবু জাহির বলেন, চিকিৎসকরা সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের উচিত সেবা নিতে আসা লোকদের সঙ্গ মানবিক আচরণ করা। এ ছাড়া সরকারের দেওয়া দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার জন্য তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি নির্দেশনা দেন।

    এ সময় মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে তাঁদের নানা সমস্যার কথা শোনে সেগুলো শিগগির সমাধাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

  • ০৯ বছর পর হতে যাচ্ছে নোয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন

    ০৯ বছর পর হতে যাচ্ছে নোয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন

    দীর্ঘ ৯ বছর পর হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর উপজেলার ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হতে যাচ্ছে। আগামী (৩০ জুলাই)তারিখে নির্ধারণ করা হয়েছে। সম্মেলন ঘিরে নেতা–কর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ কারা পাচ্ছেন, তা নিয়ে চলছে গুঞ্জন। তবে অধিকাংশ নেতা–কর্মীই দলীয় কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনতে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করার দাবি জানিয়েছেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগের এক সভায় ৩০ জুলাই সম্মেলন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। সম্মেলন হওয়ার নির্দেশনা আসার পরই সরব হয়ে উঠেছেন নোয়াপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। এই কমিটির পদপ্রত্যাশীরা ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন এবং দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিকেল হলেই নোয়াপাড়ার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নেতা-কর্মীদের জটলা দেখা যাচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনাকল্পনা। তবে দল ক্ষমতায় থাকায় নেতা হওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতা হবে বলে ধারণা করছেন কর্মীরা।

    অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সূত্র জানা যায়, ২৭ জানুয়ারি ২০০৯ সালে অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল। দীর্ঘ ০৯ বছর আগের ওই সম্মেলনে অলিউর রহমান সভাপতি সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনু মিয়া সহ-সভাপতি পদে মোঃ মলাই মাষ্টারসহ। ৫১ সদস্য বিশিষ্ট সেই কমিটির সভাপতি সহ অনেকেই মারা গেছেন আর একজন বিদ্রাহী। আবার অনেকে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে দলটিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে দাবি করেছেন। তবে এই অচলাবস্থার মধ্যেও জাতীয় ও স্থানীয় সব কর্মসূচি পালন করে গেছেন বলে দাবি বর্তমান নেতাদের।

    বর্তমান কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মলাই মাষ্টার বলেন, ০৯ বছর আগে তাদের কমিটি হয়েছিল। এরপর অনেকবার সম্মেলনের জন্য নেতাদের বলেছেন, কিন্তু হয়নি। তিনি বলেন, এবারের সম্মেলনেও তিনি সভাপতি প্রার্থী হবেন। পাশাপাশি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকও সম্পাদক পদের প্রার্থী।

    মাধবপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আব্দুল মন্নান খোকন বলেন, বর্তমানে নোয়াপাড়া ইউনিয়নে যে নবীন-প্রবীণ নেতা–কর্মী আছেন, সবাই চান নতুন নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক। সেই জায়গা থেকে তিনি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন। তিনি বলেন, অনেক আগেই এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়া দরকার ছিলো

    এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মহিউজ্জামান হারুন বলেন, ৩০ জুলাই অত্র ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের পর প্রস্তুতি উপ-কমিটি করা হয়েছে।
    সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আগামী দিনে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন।

    সম্মেলনের মাধ্যমে ইউনিয়ন ও ওর্য়াড কাউন্সিলরবৃন্দ এবং জেলা নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় আমরা যাতে প্রধানমন্ত্রীকে একটি শক্তিশালী ইউনিয়ন কমিটি উপহার দিতে পারি, এজন্য কাজ করছি।

  • বানিয়াচংয়ে ৪নং ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সম্মেলন আজ, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলাকারী জাপা নেতা সভাপতি প্রার্থী

    বানিয়াচংয়ে ৪নং ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সম্মেলন আজ, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলাকারী জাপা নেতা সভাপতি প্রার্থী

    হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২৭ জুলাই বুধবার। আর এই সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী নিয়ে চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা।

    জানাযায়, ২৭ জুলাই বুধবার বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৪নং দক্ষিণ পশ্চিম ইউনিয়ন অফিসের সামনে বেলা ৩টায় ৪নং ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বানিয়াচং আজমিরীগঞ্জের সংসদ সদস্য এডভোকেট আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ খান এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামিলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারি এডভোকেট লুৎফর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীম এবং বানিয়াচং উপজেলা আওয়ামিলীগ নেতৃবৃন্দ।

    এদিকে সভাপতি হিসেবে প্রার্থী রয়েছেন বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলাকারী জাপা নেতা! তার প্রার্থীতার খবরের পর থেকে আওয়ামিলীগ রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাট বাজারে আলোচনা ও সমালোচনা।

    অনেকেই বলতে শুনা যায়, যে ব্যক্তি আওয়ামিলীগ পরিবারের যোগ দিয়ে আওয়ামিলীগের প্রান ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মামলা মোকদ্দমা করে ওদের ভবিষ্যত নষ্ট করতে পারে। এসব লোকজন আওয়ামিলীগে সভাপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে কিভাবে! এমনকি তাদের মতো দল পরিবর্তন করা মানুষকে যদি এসব সংগঠনে এমন আসনে বসানো হয়, তাহলে যে দলের কি অবস্থা হবে, এটা একমাত্র তারাই বলতে পারবেন।

    উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন বাপ্পির ঈদ শুভেচ্ছার গাড়ি বহর করে মোটরসাইকেল শোডাউনে ১৬ জুলাই বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের দু‘গ্রুপের দ্বন্দের জেরে সভাপতি আরিফ বাপ্পির সামনে শহিদুর রহমান নয়ন নামের এক কর্মীকে প্রতিপক্ষের লোকজন মারপিট করে আহত করে।

    এ ঘটনায় বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীকে প্রধান আসামী করে ১৪ জন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ২২ জুলাই বানিয়াচং থানায় নয়নের বাবা জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা শাহবাজুর রহমান একটি মামলা দায়ের করেন।

    এঘটনায় বানিয়াচং উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাদের নীরবতা পালনেও এক রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেন্টাল থেকে ২৮ এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এরপরই হঠাৎ করে ৭ জুলাই গভীর রাতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফ বাপ্পি তার নিজস্ব ফেইসবুক আইডি থেকে দলীয় পেডের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি ও কলেজ কমিটিকে বিলুপ্তি ঘোষণা করে পোস্ট করেন। তারপরই শুরু হয় নতুন নেতৃত্বে আসা নেতাকর্মীদের লবিং গ্রুপিং।

    এরই ধারাবাহিকতায় চলতে থাকে আরিফ বাপ্পিকে নিয়ে শোডাউন। আর এমন এক শোডাউনে মধ্যে ছাত্রলীগের হিফজুর রহমান চৌধুরী জয় ও শহিদুর রহমান নয়নের লোকজনের মধ্যে প্রটোকল নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে দুপুর ২টায় পথিমধ্যে শহীদুর রহমান নয়ককে প্রতিপক্ষের লোকজন মারপিট করে আহত করে।

    এই ঘটনাকে ইস্যু করে ঐদিনই সন্ধ্যায়ই স্থানীয় নতুনবাজারে শহীদুর রহমান নয়নের লোকজন জনাব আলী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ রাজু ও তার ফুফাতো ভাইয়ের উপর হামলা করে আহত করে। এই খবরটি রাজুর লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে গেলে তাদের লোকজনও পাল্টা হামলা চালায়। এতে উভয় পক্ষের আধ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন।

    এসব ঘটনায় পর এবং মামলা দায়েরের পর থেকে আওয়ামিলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা। এখন আবার সভাপতি প্রার্থীতার খবরেও সর্ব মহলে ঝড় বইছে। তাহলে নেতৃবৃন্দ কারে সভাপতির দায়িত্ব দিচ্ছেন এটাই এখন অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।