Category: হবিগঞ্জ

  • মাধবপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    মাধবপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

    ইয়াছিন তন্ময়ঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং পুলিশের গুলিতে দলের তিন কর্মী নিহতের প্রতিবাদে হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় মাধবপুর পৌর গরু বাজারে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মাধবপুর উপজেলা ও পৌর শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

    বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে বেলা ১টা থেকে সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীদের সমাগম শুরু হয়। বিএনপিসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা ব্যানার, জাতীয় ও দলীয় পতাকাসহ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে অংশ নিয়েছে।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামসুল ইসলাম কামাল এর সভাপতিত্বে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, প্রধানবক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মাধবপুর পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান হামদু, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফজলে ইমাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, বাংলাদেশ আইনজীবী ফোরামের সদস্য এডভোকেট আয়েশা আক্তার।

    বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব অলিউল্লা, ইউপি চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী কাসেদ, হাজী গোলাপ গান, লুৎফর রহমান খান, হাজি ফিরুজ মিয়া, মাসুকুর রহমান, বাবুল হোসেন, শেখ জহিরুল ইসলাম, যুবদল আহবায়ক এনায়েত উল্লা, ১ম যুগ্ম আহবায়ক কবির খান চৌধুরী, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, যুগ্ম আহবায়ক ফরিদুর রহমান, সহ কাউন্সিলর আফজল পাঠান, জনি পাঠান, এমদাদুল হক সুজন প্রমুখ।

    এর আগে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সমাবেশ স্থলের আশেপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

  • মানবিক হবিগঞ্জ’র উদ্দোগে রান্না করা খাবার বিতরণ

    মানবিক হবিগঞ্জ’র উদ্দোগে রান্না করা খাবার বিতরণ

    মানবিক হবিগঞ্জ সংগঠন এর পক্ষ থেকে সিলেটে অসহায় হতদরিদ্র মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ।

    সিলেট রেলওয়ে এলাকায় মানবিক হবিগঞ্জ সংগঠন এর রান্না করা বিরিয়ানি বিতরণ কর এই সংগঠনটি।

    বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি শামিম আহমেদ ও কামরান হোসেন।

    মানবিক হবিগঞ্জ সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল আহমেদ এর উপস্থিতিতে খাবারের প্যাকেটগুলো বিতরণ করা হয়।

    যার পক্ষ থেকে খাবার গুলো বিতরণ করা হয় তিনি হচ্ছে আমেরিকা প্রবাসী মানবিক হবিগঞ্জ এর উপদেষ্টা মোর্শেদ আলম সাজন।

    সার্বিক সহযোগিতা করেন, সভাপতি সুমন আহমেদ রাজু আলী, সাধারণ সম্পাদক পংকজ পল্লব, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শরিফ চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, অর্থ সম্পাদক ফয়জুল হক, ডাক্তার রাজীব, সাংবাদিক তারেক, হাবিবুর রহমান সবুজ প্রমুখ।

    সবাই মানবিক হবিগঞ্জ সংগঠনের জন্য দোয়া করেন।

  • হবিগঞ্জে দু’বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

    হবিগঞ্জে দু’বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার শাহ মুশকিল আহসান (রহঃ) মাজারের সামনে গ্রীনলাইন ও শ্যামলী পরিবহণের দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের শাহ মুশকিল আহসান (রহঃ) মাজারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    তাৎক্ষণিক আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের শাহ মুশকিল আহসান (রহঃ) মাজারের সামনে পৌঁছামাত্রই বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকা থেকে সিলেটগামী গ্রীন লাইন পরিবহনের বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসের সামনের অংশে ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে দুই বাস চালক ও যাত্রীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এসময় বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

    গজনাইপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ নুরুজ্জামান জানান- হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে স্থানীয়দের নিয়ে দৌঁড়ে ঘটনাস্থলে যাই, দুটি বাসের অধিকাংশ যাত্রীর শরীরে বিভিন্নস্থানে আঘাত রয়েছে, দুই চালকের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। উভয় বাসের আহত যাত্রী ও গুরুতর আহত দুই চালককে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।

    এ প্রসঙ্গে শেরপুর হাইওয়ে থানার এস আই শাহিন আহমেদ বলেন- পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেছে, দুই চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

  • ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হবিগঞ্জের সারোয়ার

    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হবিগঞ্জের সারোয়ার

    স্টাফ রিপোর্টার ॥ তৃণমূলের কর্মী থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান সারোয়ার আলম খান।

    গত রবিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ) রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ৩০২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা হয়।

    ওই কমিটিতে সারোয়ার আলম খানকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ছাত্রদল নেতা সারোয়ার আলম খানকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তভুক্তির সংবাদ ছড়িয়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ উৎসাহ সৃষ্টি হয়।

    ছাত্রদলের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা মন্তব্য করেন সারোয়ার আলম খানকে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তভুক্ত করে তৃণমুলকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। তার এই মূল্যায়নে এখন তৃণমুল আরো শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। ছাত্রদল নেতা সারোয়ার আলম খান বানিয়াচং উপজেলার মন্দরী গ্রামে মরহুম আলহাজ্ব মাহতাব উদ্দিন খানের ছোট ছেলে। মরহুম মাহতাব উদ্দিন খান ছিলেন মন্দরী ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

    এ ছাড়াও বানিয়াচং উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বিএনপি’র করার কারণে মাহাতাব উদ্দিনকে মন্দরী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একবার নির্বাচিত হলেও থাকে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী পরাজিত করেছিলেন। ওই মাহতাব উদ্দিন খানের ছেলে সারোয়ার আলম খান হবিগঞ্জ শহরের স্কুলে লেখাপড়া অবস্থায় ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত হন।

    তিনি প্রথমে হবিগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে কলেজ ও জেলা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পূক্ত হন। তিনি কলেজ জীবন শেষ করে যখন ঢাকায় গিয়ে আশা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তখন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতির সাথ জড়িত হন। এক পর্যায়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

    বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পাললকালে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহন করেন। এর ফলে তিনি একাধিক মামলার আসামী হয়ে কারাবরণ করেন। ছাত্রদল নেতা সারোয়ার আলম খান বলেন-প্রথমে তৃণমুলের কর্মী হিসেবে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছিলাম। এর বিএনপি ও ছাত্রদলের সকল কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ গ্রহন করে আসছি। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ডের জীবন বৃত্তান্ত দেখেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করেছেন।

    এ জন্য আমি দেশনায়ক তারেক রহমানসহ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব (দপ্তরের দায়িত্বে) রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতে তারেক রহমানের নির্দেশে সকল আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ করবো ইনশাল্লাহ। জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

  • সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে বানিয়াচংয়ে মানববন্ধন

    সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে বানিয়াচংয়ে মানববন্ধন

    দি‌লোয়‌ার হোসাইন: জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক রাজীব নুর সহ হবিগঞ্জ-বানিয়াচংয়ের ৪ সাংবাদিকের উপর ভূমিখেকো ওয়াহেদ গং কর্তৃক হামলা ও রামনাথ বিশ্বাসের পৈতৃক বাড়ি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১১ টায় স্থানীয় শহীদ মিনারের সামনের সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    বানিয়াচংয়ে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বানিয়াচং প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা শেখ নমির আলী।

    বাংলাদেশ খবর প্রতিনিধি খলিলুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বানিয়াচং উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বিপুল ভূষণ রায়, বানিয়াচং প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা মোতাব্বির হোসেন, মোশাররফ হোসেন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রিয়তোষ রঞ্জন দেব,দৈনিক কালের কন্ঠের বানিয়াচং প্রতিনিধি মোশাহেদ মিয়া,দৈনিক যুগান্তরের প্রতিনিধি জীবন আহমেদ লিটন, দৈনিক ভোরের কাগজ প্রতিনিধি শিব্বির আহমেদ আরজু,সিনিয়র সাংবাদিক ইয়াসিন আরাফাত,দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোঃ আশিকুল ইসলাম, দৈনিক খোয়াই প্রতিনিধি সাহিদুর রহমান,হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা নারায়ণ দত্ত, আলমগীর রেজা, নূরুল ইসলাম।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক তৌহিদ মিয়া,আমীর হামজা, আকিকুর রহমান, আনোয়ার হোসেন,আতাউর রহমান, আবদাল হোসেন, মুজিবুর রহমান,আজমল হোসেন, ফজলে এলাহি, আব্দুল মালেক,আক্তার হোসেন আলহাদী, শাহ সুমন, এনায়েত হোসেন, সুজন, মাজহারুল খান অপু,এসকে রাজ,হৃদয় খান, সাব্বির চৌধুরী সোহাগ,দেলোয়ার হোসেন, ইফতিখার উদ্দিন, কাউছার আহমেদ শিহাব, শাহরিয়ার শাওন,মফিজুর রহমান নাবিল, হুমায়ুন শাহ,দিলশাদ আহমেদ, ইকবাল হোসেন, সাঈদ আহমেদ, মাছুম খান,বিভু ঠাকুর, মোঃ মুজিবুর রহমান, ডাঃ নূরুল আমীন, আনহার উদ্দিন মুন্না,রবিউল আহমেদ রাজা,নিলয়,আরফাত রহমান, ঝুমুর দেব,রাসেল আহমেদ,মোজাক্কির হোসেন,সঞ্জু ঠাকুর প্রমুখ।

    মানববন্ধনে বক্তারা থানা প্রশাসনের নিকট হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের আহবান জানিয়েছেন।

    পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন কে বাড়িটি দখল মুক্ত করে ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের নামে স্মৃতি যাদুঘর করার দাবি জানিয়েছেন।

    একই সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের নিকট আলবদর পরিবারের সদস্য ভূমিখেকো ওয়াহেদ কে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ থেকে বহিস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

  • দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

    লাখাইয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা গড়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।

    পূজোর সময় যত ঘনিয়ে আসছে প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। প্রতিমা শিল্পীরা দিন-রাত প্রতিমা গড়ায় ব্যস্ত।

    লাখাইয়ের মোড়াকড়ি ইউনিয়নের মোড়াকড়ি কুমার পল্লীতে ঘুরে ও প্রতিমা শিল্পের সাথে সম্পৃক্তদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এ গ্রামে এক সময় অনেক পরিবার এ শিল্পের সংগে জড়িত থাকলেও কালের বিবর্তনে অনেকেই ছেড়েছে এই পেশা।

    বর্তমানে এখানে ৮-১০ টি পরিবার তাদের পূর্ব-পুরুষের এই পেশায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও দূর্গাপূজায় এখনও বেশ কাজ থাকে। তাই তারা পূ্জোর মাসাধিক কাল পূর্ব থেকে বিভিন্নধরনের ও বিভিন্ন মানের প্রতিমা তৈরী করে রাখেন। সময়মতো এ গুলো সরবরাহ করা হয়।

    এছাড়া অনেকে তাদের চাহিদামত অর্ডার দিলে তারা তৈরী করে দেন। আবার কেউ কেউ পূজারিদের বাড়ীতে গিয়েও প্রতিমা গড়ে দিয়ে থাকেন।

    মোড়াকড়ি গ্রামের নিত্যানন্দ পাল, জগদীশ পাল, বিজয় রুদ্র পাল, মন্টু পাল, অনাথ পালের সাথে কথা আলাপকালে জানান, আমরা বংশানুক্রমে এ পেশায় জড়িত। এক সময় আমাদের এ পেশায় বেশ মুনাফা হতো। বর্তমানে প্রতিমা তৈরীর উপকরন হিসাবে মাটি সংগ্রহ করা, খড়, বাঁশ, লোহা, রং, রশির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া তেমন মুনাফা হয়না।

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

    তারা আরো জানান, মানভেদে প্রতিটি প্রতিমা তৈরী করতে ১- ২ সপ্তাহ সময় লেগে যায় এবং মজুরি ৩৫-৬০ হাজার টাকা। এছাড়া ছোট আকারের প্রতিমার মজুরি ১৫ শত থেকে ৩ হাজার টাকার মতো।

    তারা বলেন, প্রতিমা তৈরীর কাজ বেশ কষ্টসাধ্য, কিন্তু সেই অনুযায়ী মজুরি মেলে না। এক্ষেত্রে সরকারী কোন সহযোগীতা না পাওয়ায় কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বিভিন্নধরনের প্রণোদনার আস্বাস পেলেও অদ্যাবধি তা পাইনি।

    আমাদের এখানকার শিল্পীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে প্রতিমা গড়ে থাকে। আবার কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম, ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অর্ডার দিয়ে প্রতিমা তৈরা করে নিয়ে যায়।

    আসন্ন দূর্গাপূজা বিষয়ে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রানেশ গোস্বামীর সাতে কথা বললে তিনি জানান, আমাদের লাখাইর মোড়াকড়ি গ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে প্রতিমা শিল্পী থাকলেও বর্তমানে মোড়াকড়িতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিল্পী রয়েছেন। এবং তাদের কাজের দেশজোড়া খ্যাতি রয়েছে।

    পূজা উদযাপন পরিষদ সুত্রে জানা যায়, এ বছর লাখাইয়ে সম্ভাব্য পূজা মন্ডপের সংখ্যা এ পর্যন্ত ৬৮ টি।

    সূত্রে আরো জানা যায়, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়া এবং ৩০ সেপ্টেম্বর মহাপঞ্চমী, ১ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ২ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ৩ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ৪ অক্টোবর মহানবমী ও ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে পূজার সমাপনী ঘটবে।

  • মাধবপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    মাধবপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    হবিগঞ্জের মাধবপুরে মোঃ তফছির মিয়া (২৫) নামে এক যুবক নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (১৩ ই সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯ টায় মাধবপুর থানার পুলিশ উপজেলার শাহজিবাজার এলাকার গ্যাস ফিল্ডের একটি তেলের ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

    নিহত মোঃ তফছির মিয়া মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের মানিকপুর গ্রামের মো: জলিল মিয়ার পুত্র।

    পরিবারসূত্রে জানা যায়, মোঃ তফছির পেট্রোবাংলার হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডে কাজ করতেন। রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রতিদিনের মতো সকাল ৮ ঘটিকার দিকে কাজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেড় হয়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি।

    তফছিরের মা মোছাঃ সুফিয়া খাতুন জানান, ৪ ছেলে, ১ মেয়ের মাঝে তফছির সবার বড়। বড় ছেলেকে হারিয়ে তিনি এখন পাগল প্রায়।

    মাধবপুর থানার ওসি মো: আব্দুর রাজ্জাক সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে গ্যাস ফিল্ডের লোকজন একটি তেলের ট্যাংকে তফছির মিয়ার মৃতদেহ ভেসে থাকতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।