Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

ইবাদুর রহমান: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউম্দা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার [২৫ মে] দুপুরে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার [২৪ মে] বিকালে বড়চর গ্রামের বাসিন্দা সাইদুর রহমানের মেয়ে, বড়চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী দোকানে যাওয়ার পথে একই গ্রামের মৃত কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া [৩৫] ও তার সহযোগী তাকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জনস্থানে নিয়ে যায়। সেখানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
মেয়েটির মা সাজেদা বেগম জানান, “মজা খাওয়ার জন্য দোকানে যাওয়ার পথে আমার মেয়েকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে আফরোজ মিয়া ও তার অজ্ঞাত সহযোগী।”
ধর্ষিতার বাবা সাইদুর রহমান বলেন, “আমার অবুঝ মেয়ের ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
এদিকে সোমবার রাতে বাহুবল উপজেলার দ্বিগম্বর বাজার থেকে অভিযুক্ত আফরোজ মিয়াকে জনতা আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তাকে একটি পিকআপে করে বড়চর গ্রামে নিয়ে আসা হয়। এ সময় কয়েক হাজার মানুষ ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।
খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মোনায়েম মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রাত সাড়ে ৯টার দিকে উত্তেজিত জনতা আফরোজ মিয়াকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
ওসি মোনায়েম মিয়া জানান, “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভিকটিমের বাবা এলে মামলা রেকর্ড করা হবে। আফরোজ মিয়া বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে।”