Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সাংবাদিকের উপর হামলাকারী ওয়ারেন্টভুক্ত ২ আসামি ঘুরছে প্রকাশ্যে।করছেন অফিসও।আসামিদের গ্রেফতার না করে পুলিশের এমন নীরব ভূমিকায় হবিগঞ্জের সাংবাদিক সমাজের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
জানা যায়,গত শনিবার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেগুন গাছ চুরির ভিডিও ধারণ করতে গেলে স্থানীয় ২ সাংবাদিক বন বিভাগের ২ কর্মকর্তার দ্বারা হামলা শিকার হয়। হামলাকারী ওই ২ কর্মকর্তা হলেন বিট কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ও জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ স্কাউট নূর মোহাম্মদ।এরপর সাংবাদিকরা স্থানীয় চুনারুঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করলে করেন।
মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) রাতে এফআইআর হিসেবে মামলা গ্রহন করেন স্থানীয় থানা পুলিশ।হামলার শিকার ওই ২ ভুক্তভোগী সাংবাদিক হলেন -কালবেলা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও দ্যা রিপোর্ট ডট লাইভ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মুজাহিদ মসি ও বাংলা টাইমস পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি ত্রিপুরারী দেবনাথ।
সাতছড়িতে সরেজমিনে দেখা যায়,ওই মামলার আসামি মামুনুর রশিদ ও নূর মোহাম্মদ প্রকাশ্যে ঘুরছে।দেদারসে করছে অফিশিয়াল কার্যক্রম। এছাড়া বিভিন্ন তদবিরের মাধ্যমে এ প্রশাসনকে ম্যানেজ করার গ্রেফতার প্রতিরোধ করছেন।কিছু লোকজন নিয়ে তৈরি করছেন মব জাস্টিস।
এ ব্যাপারে মামুনুর রশিদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টাকা খেয়ে পুলিশ মামলা নিয়েছে। ওই সাংবাদিকরা ফরেস্টে ঢুকে নিজেরাই অন্যায় করেছে।
হবিগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও আইনজীবী মো: ফখরুজ্জামান জানান,ওয়ারেন ভুক্ত আসামী সে যেই হোক তাকে পুলিশের উচিত গ্রেফতার করা। সে গা চর সিন্ডিকেট হতাম। সাংবাদিকদের উপর হামলাকারী সরকারি কর্মকর্তা।
তিনি আরো বলেন, তার জামিন বন্ধ করতে আমাদের পক্ষ থেকে আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। এবং বোন বিভাগকে আহ্বান জানাবো দ্রুত তাদের আইন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
এ ব্যাপারে নতুন রেকর্ডের ওসি নুর আলম জানান,ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী অবশ্যই গ্রেফতার হতে হবে। আইন সবার জন্যই সমভাবে প্রযোজ্য। তদন্ত কর্মকর্তার কোন গাফেলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।