Newsletter Subscribe
Enter your email address below and subscribe to our newsletter
Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জের বাহুবলে অর্ধকোটি টাকা মূল্যের ৬৯৩ বস্তা ভারতীয় চোরাই চিনি পাচারকালে র্যাবের অভিযানে আটক ৮ চোরাকারবারীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
২৬জানুয়ারি (শুক্রবার) দুপুরে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ আটকদের হবিগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করে। এর আগে র্যাব- ৯ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের এসআই লোকমান হোসেন বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আদালত সবাইকে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করার নির্দেশ দেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় চিনি এনে বাহুবলসহ দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে পাচার করে আসছে।
এসব চোরাই চিনি নানা যানবাহনে করে রাতের আধারে এনে বিভিন্ন গোপন গোডাউনে বস্তা পরিবর্তন করে হাট বাজারে সরবরাহ করা হয়।
এদিকে ২৫জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) দুপুরে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান ও একটি ট্রাক বোঝাই করে ৬৯৩ বস্তা ভারতীয় চোরাই চিনি ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দিয়ে পাচার হচ্ছিল।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র্যাব ৯ এর শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল বিকাল ৩ টার দিকে বাহুবল উপজেলার হাফিজপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এসময় কুরিয়ার সার্ভিসের (ঢাকামেট্রো-ট ১২-০২১৭) একটি কাভার্ড ভ্যান ও (ঢাকামেট্রো-ট ২২-২১৭৩) একটি ট্রাক এবং একটি প্রাইভেটকার সহ ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানকালে কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৬৯৩ বস্তুা ভারতীয় চোরাই চিনি এবং ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে ৮ জনকে আটক করে র্যাব। পরে বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে গাড়ি তিনটি সহ আটক ৮ জনকে র্যাব বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করে।
এব্যাপারে আটকদের আসামি করে র্যাব-৯ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের এসআই লোকমান হোসেন বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
আটকরা হল,ফরিদপুর জেলার মধুখালি থানার মাঝকান্দি গ্রামের সহিদ মৌল্লিকের ছেলে মোঃ হাবিব মৌল্লিক (২২),হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার পরমদ্ধপুর গ্রামের আব্বাস খা’র ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৩২), সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার ফুলবাড়ি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ আব্দুল আহাদ(৪১), সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানার ঘোরামারা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে মোঃ আল কাউসার কয়েছ(২৭), ফরিদপুর জেলার সালথা থানার গোবিন্দপুর গ্রামের সাহাদৎ হোসাইনের ছেলে সিয়াম হোসাইন(২০), রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার মালঞ্চী গ্রামের শহর আলীর ছেলে মোঃ ওহাব সেখ(৪৭),
কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার মোড়াগাছা গ্রামের জিন্না শেখ এর ছেলে তুষার শেখ(৩২), সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানার রতনপুর নিজগাঁও গ্রামের হরমুজ আলীর ছেলে মোমিন মিয়া(৩৯)।
জব্দ চিনির পরিমাণ ৩৪ হাজার ৬’শ ৫০কেজি এবং এর বাজার মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ৪ হাজার ৫ শ টাকা হবে বলে জানিয়েছেন বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মশিউর রহমান।