Enter your email address below and subscribe to our newsletter

হবিগঞ্জে ভয়াবহ ট্রান্সফরমার চুরি: দুই বছরে ২৬৩টি উধাও, ভাঙ্গারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ

Share your love

২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের চলতি এপ্রিল পর্যন্ত হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় চা বাগান ও গ্রামাঞ্চলে ২৬৩টি ছোট-বড় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, সংঘবদ্ধ চোরচক্র রাতের আঁধারে ট্রান্সফরমার খুঁটি থেকে নামিয়ে ভেতরের মূল্যবান কয়েল ও তামার তার খুলে নিয়ে যায়। পরে খালি কাঠামো ফেলে রেখে যায়। চুরি হওয়া এসব কয়েল স্থানীয় ভাঙ্গারী দোকানগুলোতে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, কিছু ভাঙ্গারী দোকান মালিকের সঙ্গে চোরচক্রের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা ভাসমান লোক ও স্থানীয় কিছু যুবককে ব্যবহার করে জেলার বিভিন্ন চা বাগান ও গ্রামাঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে ট্রান্সফরমার চুরি করাচ্ছে। অধিকাংশ ভাঙ্গারী দোকানের কোনো বৈধ লাইসেন্স না থাকলেও শুধু ট্রেড লাইসেন্সের আড়ালে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর আগে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ভাঙ্গারী দোকান থেকে ট্রান্সফরমারের কয়েল ও চোরাই মালামাল উদ্ধার করেছে। এমনকি ট্রান্সফরমার চুরির সময় অনেক চোর আটক হলেও আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে জামিনে বের হয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব চোরদের জামিনে আনতে ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীরা আইনজীবীদের সঙ্গে সমন্বয় করে থাকে।

এছাড়া, ভাঙ্গারী দোকানগুলোতে মাদকাসক্ত টোকাইদের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চল থেকে পুরনো টিন, লোহা সংগ্রহের পাশাপাশি রাতে টিউবওয়েল, রেললাইনসহ বিভিন্ন সরকারি সম্পদ চুরি করে এনে বিক্রির ঘটনাও ঘটছে।

সচেতন মহল মনে করছে, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি বাড়ালে এই চক্র ভেঙে দেওয়া সম্ভব। নিয়মিতভাবে ভাঙ্গারী দোকানে তল্লাশি এবং মহাসড়কে পরিবহন তদারকি জোরদার করলে সরকারি ও বেসরকারি চোরাই মালামাল উদ্ধার সহজ হবে।

Share your love
বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
Articles: 15

Stay informed and not overwhelmed, subscribe now!